

চোটের কারণে লিগস কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। সঙ্গী জর্দি আলবাও ছিলেন চোটে ভুগছেন। সেমিফাইনালে দুজনকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ছিল সংশয়। তবে ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে মাঠে নামতেই মেসি-আলবার জুটি যেন ফিরিয়ে এনেছে বার্সেলোনার সোনালি দিনের স্মৃতি।
অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে সেমিফাইনালে মেসির জোড়া গোল আর সুয়ারেজের সঙ্গে তেলেসকো সেগোভিয়ার দারুণ বোঝাপড়ায় আসে আরেক গোল—এই তিন গোলেই ৩-১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে উঠেছে ইন্টার মায়ামি।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখালেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে বসে মায়ামি। ডিফেন্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো ফ্যালকনের ভুলে বল পান অরল্যান্ডোর উইঙ্গার মার্কো পাসালিচ। বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
ফ্যালকন তখন হ্যান্ডবলের দাবি তুললেও রেফারি তা খারিজ করে দেন।
এরপর ৭৫ মিনিটে সমতায় ফেরে মায়ামি। বক্সে মায়ামির উইঙ্গার তাদেও আয়েন্দেকে ফেলে দেন ডেভিড ব্রেকালো। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় অরল্যান্ডোর ডিফেন্ডারকে, আর মেসি গোলকিপারের বাঁ পাশে নিখুঁত শটে পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেন।
৮৮ মিনিটে আসে বার্সেলোনার দিনগুলো মনে করিয়ে দেওয়া গোল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে বক্সের মাথায় আলবাকে পাস দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। আলবার নিখুঁত ফিরতি পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে জালে বল পাঠান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এ বছর মায়ামির হয়ে এটি মেসির ৩৩ ম্যাচে ২৭তম গোল।
তবে অরল্যান্ডোর দুঃস্বপ্ন শেষ হয়নি এখানেই।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে গোল করেন ভেনেজুয়েলান মিডফিল্ডার তেলেসকো সেগোভিয়া। এতে ৩–১ ব্যবধানে জয় পায় মেসির মায়ামি।
অন্য সেমিফাইনালে লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সি ও সিয়াটল সাউন্ডার্সের মধ্যে জয়ী দলের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি। রোববারের ফাইনালে ওঠার মধ্য দিয়ে আগামী বছরের কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করেছে হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল।
মন্তব্য করুন


এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ, সম্ভাবনা নেই ভারতেরও। স্রেফ নিয়মরক্ষার হলেও আদতে এটি বাংলাদেশ-ভারত মর্যাদার লড়াই। এ কারণেই ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৮ নভেম্বরের ম্যাচটি ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আবারও উন্মাদনা শুরু হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টা থেকে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ছয় ক্যাটাগরির টিকিট পাওয়ার কথা ইভেন্ট টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম Quicket–এ। কিন্তু টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বলেছেন, ‘মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে। অর্ধেকের বেশি পেমেন্টও হয়ে গেছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিট অবিক্রিত নেই আর এখন শুধু রেড বক্স, হসপিটালিটি বক্সের টিকিট রয়েছে।’
সবশেষ সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ৪০০ টাকা থাকলেও ভারত ম্যাচের উন্মাদনায় বাফুফে সেটা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করে। ক্লাব হাউস ২ ও ভিআইপি বক্স ৩-এর একেকটা টিকিটের দাম ৩ হাজার টাকা করে। ভিআইপি বক্স ২-এ বসে খেলা দেখতে চাইলে লাগবে ৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া ক্লাব হাউস ১ ও রেড বক্সের দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা।
দাম বৃদ্ধি করলেও সমর্থকদের চাহিদা কমেনি। টিকিট ছাড়ার পরপরই সংগ্রহ করেছেন সমর্থকরা। কিন্তু মুহূ্তেই টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। Quicket–এর ওয়েবসাইটে SOLD OUT লেখা দেখে কেউ কেউ টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
ভারত ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। সেই টিকিট ছেড়েছে ফেডারেশন প্রায় এক সপ্তাহ। ওই টিকিট বিক্রি খুব ধীর। সেটাও দ্রুত শেষ হওয়ার আশা করছেন গাউস, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিট শেষ। হামজাও আজ আসছে। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবে।’
১০ জুন বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়ে বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। টিকিফাই প্লাটফর্মে টিকিট সংগ্রহে অনেক ভোগান্তি হয়েছিল। এরপর অক্টোবর উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার করে। ৯ অক্টোবর ঢাকার ঐ ম্যাচের টিকিট ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়।
অক্টোবর উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বর উইন্ডোতেও কুইকেটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। টিকিট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট করছেন দর্শকরা। এরপরও বাফুফে চার মাস পেরিয়ে গেলেও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


১০ বছর পর বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ টেস্টে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ৩-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় অজিরা। সিরিজ হারলেও পুরো সিরিজে দাপট দেখিয়েছেন ভারতীয় পেসার জসপ্রীত বুমরাহ। সিরিজ হেরে হতাশ হলেও প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়াকে ক্রেডিট দিয়েছেন এই ভারতীয় পেসার।
ম্যাচ শেষে বুমরাহ বলেন, “সিরিজে ভালোই লড়াই হয়েছে। আজ সকালে আমরা লড়াইয়ে ছিলাম। এই সিরিজ আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা দেবে। অনেক কিছু শিখেছি আমরা। আমাদের দলে এখন অনেক তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে, যারা প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছে। এই সিরিজ তাদের ভবিষ্যতে সাহায্য করবে। এই অভিজ্ঞতা আগামী দিনে তাদের আরও শক্তিশালী করবে।”
যোগ্য দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এখানে যেগুলো শিখলাম, সেগুলো আগামী দিনে কাজে লাগাতে হবে আমাদের। ক্রিকেট যেমন শেখার বিষয়, তেমনি পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ও। সব মিলিয়ে একটা দারুণ সিরিজ হলো। যোগ্য দল হিসেবে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের অভিনন্দন।”
পিঠের চোটের জন্য সিডনি টেস্টের শেষ দু'দিন দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বল করতে পারেননি বুমরাহ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খুব হতাশ লাগছে। কিন্তু কখনও কখনও শরীরের কথা ভাবতেই হয়। শরীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না। ইচ্ছা না থাকলেও তাই মেনে নিতে হয়। এই সিরিজে বোলিং খুব উপভোগ করেছি। আজ বল করতে পারলে ভালো লাগত। কিন্তু প্রথম ইনিংসের পর থেকে একটা অস্বস্তি হচ্ছিল। সকালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলি। সতীর্থদের ওপর অবশ্য ভরসা ছিল। প্রথম ইনিংসে আমাদের অন্যান্য বোলাররা বেশ ভালো বল করেছে।”
মন্তব্য করুন


বার্সেলোনার ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি থাকাকালে একের পর এক শিরোপা জেতা ক্লাবটি আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে হারিয়ে যেন পথ হারিয়ে ফেলেছিল। ন্যু ক্যাম্পের আকাশে জমা হয় ঘন কালো মেঘ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ব্যর্থতাতো আছেই, টানা তিন মৌসুমে লিগ শিরোপা জিততে পারেনি কাতালান ক্লাবটি। তবে ২০২১ সালে বার্সার দায়িত্ব নিয়েই দলকে বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জাভি হার্নান্দেজ।
অবশেষে সাবেক ফুটবলারের হাত ধরেই তিন মৌসুম পর লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল কাতালান ক্লাবটি। সেটিও আবার চার ম্যাচ হাতে রেখেই। এটি বার্সেলোনার ২৭তম লিগ শিরোপা। আগের ২৬ শিরোপার ১০টিই জিতেছে একবিংশ শতাব্দীতে; মেসির উপস্থিতিতে।
রোববার রাতে এস্পানিওলের মাঠে শিরোপার সুবাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। রবার্ট লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে এদিন ৪-২ গোলে জিতেছে জাভির শিষ্যরা। ৩৪ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৫। অন্যদিকে বার্সেলোনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
অবশেষে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফ্রান্স ফুটবল দলের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কোচ দিদিয়ের দেশম। ২০২৬ সালের পর তিনি আর চুক্তি নবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের ফুটবল ফেডারেশন। এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দেশমের বর্তমান চুক্তি আগামী বিশ্বকাপের পর পর্যন্ত। তবে, সেটি ফ্রান্সের কোয়ালিফাই করার ওপর নির্ভর করবে।
২০১২ সালে ফ্রান্সের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশম। তার অধীনেই ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সতীর্থরা। তার আগে ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলেছিল ফ্রান্স। সাবেক অধিনায়কের নেতৃত্বে ফ্রান্স আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ২০২২ সালে। তবে, আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হারায় তারা।
মঙ্গলবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ জানায়, বুধবার এ ব্যাপারে ঘোষণা করবেন দেশম নিজেই।
তার আগে ফরাসি ফুটবল প্রধান ফিলিপে দিয়ালো রয়টার্সকে বলেছেন, বিশ্বকাপের পর আর কোচ হিসেবে থাকতে রাজি নন দেশম। ২০২৬ সালে মেয়াদের পর তিনি সরে যাবেন।
ফ্রান্সের কোচ হওয়ার আগে দেশম যেসব ক্লাবের কোচ ছিলেন, প্রতিটিতেই ট্রফি জিতেছেন তিনি। ফ্রান্সের কোচ হয়ে ২০২১ সালে নেশনস লিগও জিতেছিলেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালে ইউরো জিতেছিলেন দেশম। ওই দুই আসরে তিনি ছিলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


ফুটবল বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের মধ্যে বর্তমানে অন্যতম আর্জেন্টাইন তারকা এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তিনি টানা দুই মৌসুমে ব্যালন ডি'অরের মঞ্চে 'ইয়াশিন ট্রফি' জিতেছেন এবং একদিন আগেই 'ফিফা দ্য বেস্ট' গোলরক্ষকের পুরস্কারও অর্জন করেছেন। এসব অর্জন তার মাঠের পারফরম্যান্স এবং দলের প্রতি অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। এই পরিস্থিতিতে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কবে গ্লাভস তুলে রাখবেন তিনি।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ২০২২, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ী দলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলবিসেলেস্তে ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ) একটি সাক্ষাৎকার আয়োজন করে। ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এএফএ আয়োজিত 'ফুটবল টক' অনুষ্ঠানে মার্টিনেজ বলেন, "যদি আমি আর্জেন্টিনার হয়ে দু'বার বিশ্বকাপ জিততে পারি, তবে আমি অবসর নেব। আমি আজই প্রতিজ্ঞা করছি, বিশ্বকাপের পর আমি গ্লাভস তুলে রাখব।" পরে তিনি আরও বলেন, "এখন আমার বয়স মাত্র ৩২, যখন বিশ্বকাপ আসবে তখন ৩৩ হবে, অর্থাৎ তখনও যথেষ্ট তরুণ থাকব।"
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি ছিল ইতিহাসমুখী। সাড়ে তিন যুগ পর আর্জেন্টিনা ফ্রান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করে। নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে বড় অবদান ছিল এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। তিনি ফরাসি ফরোয়ার্ড কোলো মুয়ানির একটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন, যা আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে মার্টিনেজ বলেন, "এমন আরও অনেক কঠিন শট আমি ঠেকিয়েছি, কিন্তু ওই মুহূর্তে আমি চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করছিলাম, 'যদি প্রয়োজন হয়, আমার মুখ উড়ে যাক।'"
ফাইনালে, লিওনেল মেসি দুটি গোল করেন এবং এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেন। এরপর টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন মার্টিনেজ, এবং আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়। পিটার ড্রুরির কণ্ঠে পুরো ফুটবলবিশ্ব মোহিত হয়ে ওঠে।
মন্তব্য করুন


স্প্যানিশ ফুটবলের নতুন প্রজন্মের আলোচিত নাম লামিনে ইয়ামাল। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন এই প্রতিভাবান তরুণ। শিশুকালে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির সংস্পর্শ পেয়েছিলেন তিনি। এখন নিয়মিত মাঠে মুগ্ধতা ছড়িয়ে বার্সেলোনার হয়ে একের পর এক ট্রফি জিতে নিচ্ছেন নিজের অর্জনের ঝুলিতে।
অনেকে মেসি পরবর্তী যুগে শূন্যস্থান পূরণ হিসেবে এই স্প্যানিশ তারকাকে দেখে থাকেন। তবে মেসি নয়, ইয়ামাল নিজের আইডল মনে করেন সাবেক বার্সা তারকা ব্রাজিলিয়ান সেনসেইশন নেইমারকে। সম্প্রতি সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল নিজের আদর্শ, ভবিষ্যৎ এবং বার্সেলোনার জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।
নিজের ফুটবল আদর্শ প্রসঙ্গে ইয়ামাল বলেন, ‘আমি ৫ বছর বয়সে তাকে (নেইমার) সান্তোসে (ব্রাজিলিয়ান ক্লাব) দেখেছিলাম। পরে যখন বয়স সাত হয়, তাকে বার্সেলোনায় ক্যাম্প ন্যু’র একজন সদস্য হিসেবে পাই। তার সরাসরি সাক্ষাৎ পাওয়াটা ছিল অবিশ্বাস্য কিছু। এটি সত্য যে, সেখানে থাকা (লিওনেল) মেসিও একজন দুর্দান্ত ফুটবলার, তবে সে (নেইমার) সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। নেইমার সবসময়ই আমার আদর্শ (আইডল) ছিলেন, তিনি একজন তারকা এবং ফুটবল কিংবদন্তি।’
বার্সেলোনাতে দীর্ঘ সময় খেলার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন এই স্প্যানিশ তরুণ তারকা। ইয়ামাল বলেন, ‘আমি জানি না কখন কী (চুক্তি স্বাক্ষরের সময়) হবে, তবে বিশ্বাস করি সেটি শিগগিররই হবে। সবমিলে বার্সা ক্লাব আমার জীবন, আমি আশা করব যতটা সম্ভব বেশি সময় ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিতে যাব। আমি স্প্যানিশ লিগে খেলতে চাই, বার্সার হয়ে খেলতে চাই এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
গত রাতে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে কানাডা। ১৩ বছর পর এবারই তারা প্রথমবারের মতো ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। সবশেষ আইসিসি টুর্নামেন্টে দলটি অংশ নেয় ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে কানাডাকে নেতৃত্ব দেবেন সাদ বিন জাফর। কানাডার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ৩৮ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ৪৩ উইকেট নিয়ে এই বাঁহাতি স্পিনারই কানাডার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি টি-টোয়েন্টিতে। ১৫ সদস্যের সঙ্গে চার ক্রিকেটারকে রিজার্ভে রাখছে উত্তর আমেরিকার এই দলটি।
অভিজ্ঞ এক দলই কানাডা গঠন করেছে বলতে হবে। চার ক্রিকেটারের বয়স ৩০-এর কম। অ্যারন জনসন, রবীন্দরপল সিং, নাভনিত ধালিওয়ালদের মতো তারকা ব্যাটাররা থাকছেন বিশ্বকাপ দলে। ৮৭০ রান করা ধালিওয়াল টি-টোয়েন্টিতে কানাডার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। কালিম সানা, জুনাইদ সিদ্দিকির মতো তারকারা থাকছেন এবারের বিশ্বকাপ দলে। তবে নিখিল দত্ত, শ্রীমন্ত বিজয়ারতœ কেউ জায়গা পাননি কানাডার বিশ্বকাপ দলে।
২০ দল নিয়ে হবে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যার মধ্যে ৯ দেশ তাদের দল ঘোষণা করেছে এরই মধ্যে।
‘এ’ গ্রুপে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান রয়েছে কানাডার গ্রুপে। বাকি দুই দল যুক্তরাষ্ট্র ও আয়ারল্যান্ড। ১ জুন শুরু হচ্ছে নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফাইনাল হবে ২৯ জুন।
কানাডার বিশ্বকাপ দল
সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক), অ্যারন জনসন, ডিলন হেইলিঙ্গার, দিলপ্রিত বাজওয়া, হার্শ ঠাকের, জেরেমি গর্ডন, জুনায়েদ সিদ্দিকি, কালিম সানা, কনওয়ার্পাল তাথগুর, নাভনিত ধালিওয়াল, নিকোলাস কীর্তন, পারগাত সিং, রবীন্দরপল সিং, রায়ানখান পাঠান, শ্রেয়াস মোভভা।
রিজার্ভ
তাজিন্দর সিং, আম্মার খালিদ, জাতিন্দর মাথারু, পারভিন কুমার, আদিত্য ভারাধর্জন।
মন্তব্য করুন


মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আজ (১৯ নভেম্বর) ১০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তার এই ঐতিহাসিক ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে জমকালো আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মিরপুর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে সতীর্থদের নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন মুশফিক। এসময় গ্যালারিতে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার নিয়ে উপস্থিত ছিলেন ভক্ত-সমর্থকরাও। এই বিশেষ মুহূর্তে মুশফিকের সঙ্গে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরাও।
মুশফিককে সম্মাননা জানাতে বোর্ড ও সতীর্থরা তার হাতে নানা স্মারক তুলে দেন। তার হাতে শততম টেস্ট উপলক্ষে বিশেষ ক্যাপ পরিয়ে দেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, যিনি ২০০৫ সালে তার অভিষেক টেস্টেও তাকে ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছিলেন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার আকরাম খানও তাকে একটি বিশেষ ব্যাগি ক্যাপ উপহার দেন।
এছাড়াও, মুশফিকের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং হাবিবুল বাশার যৌথভাবে মুশফিকের প্রথম ও শততম টেস্টের সতীর্থদের স্বাক্ষর করা জার্সি তাকে উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


হংকংয়ের বিপক্ষে শমিত, জায়ান ও ফাহামিদুলসহ তারা চারজনই ম্যাচের শুরু থেকে খেলতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। শুরুবার (১০ অক্টোবর) হংকংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন তিনি।
তবে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে হংকংয়ের কাছে হারের পর বিষণ্ন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। অ্যাওয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন সবাই। আগামী ১৪ অক্টোবরের হংকংয়ের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ।
জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি, শমিত, ফাহামিদুল, জায়ান একসঙ্গে ওয়ার্ম-আপ করি। সে সময় ওদের বলেছি, আমরা যখন নামবো তখন ম্যাচের গতিপথ বদলাতে হবে। আমাদের চার জনের ইমপ্যাক্ট ভালো ছিল। চার জনই শুরুর একাদশে খেলতে চাই। সব মিলিয়ে আমরা ভালো খেলেছি।’
তবে কে খেলবেন তা কোচ ঠিক করবেন। জামাল তেমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন না খেলি সেটা তো ভুল, এটা আমি বলবো। আমি সব ম্যাচ খেলতে চাই। কিন্তু দিনশেষে কারা খেলবে এটা কোচের সিদ্ধান্ত। আমি চাই খেলতে।’
বাংলাদেশ দলের শেষ মুহূর্তে গোল হজম নিয়ে জামাল বলেন, ‘এই দলের একটা হিস্টরি আছে, আমরা শেষ মুহূর্তে গোল হজম করি। এই ম্যাচের আগে আমরা আলাপ করেছি, আমাদের ফুল ম্যাচ ফোকাসড থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি, আমরা যদি জিততে চাই বা পয়েন্ট নিতে চাই, আমাদের পুরো ম্যাচে মনোযোগী থাকতে হবে। কিন্তু আমরা পারিনি।’
সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে জামাল বলেন, হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইতিবাচক কিছু করতে চান। ‘তাদের তিন পয়েন্ট দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। আরও তিন পয়েন্ট... ইনশাআল্লাহ আমরা কিছু দিতে পারবো।’
মন্তব্য করুন