

ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে। তবে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে এখনও পদত্যাগ করেননি তিনি।
অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন।
এর আগে এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তার দত্যাগের দাবি করে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। তিনি বলেন, ‘মাঠে যাবো একটাই শর্তে, বিসিবি থেকে এসে যদি কমিটমেন্ট করে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই লোক বিসিবিতে থাকবে না। যদি থাকে, তাহলে খেলা বন্ধের দায় ক্রিকেটাররা নেবে না। যদি বিসিবি থেকে অফিশিয়াল ডিক্লেয়ার করে।’
তবে নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে পরিচালকের পদ থেকে নাজমুলকে সরাতে পারবে না বিসিবি। ক্রিকেট বোর্ডের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী শুধুমাত্র মৃত্যু হলে, মানসিক ভারসাম্য হারালে, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি হলে, অর্থনৈতিভাবে দেওলিয়া হলে, পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকলে অথবা নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে কারো পরিচালক পদ বাতিল হয় না। এখানে প্রথম পাঁচটি কারণ নাজমুলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে তিনি নিজ থেকে পদত্যাগ করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তিনবারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিসিবির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন নাজমুল। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা (ক্রিকেটাররা) গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, তাহলে ওদের পেছনে আমরা যে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা ওদের কাছ থেকে ওই টাকা ফেরত চাইছি নাকি!’
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিসিবির এই পরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা যে ওদের পেছনে এত খরচ করছি, বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ওরা কিছুই করতে পারছে না। আজ পর্যন্ত আমরা একটাও বৈশ্বিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি? কোনো একটা জায়গায় আমরা কতটুকু কী করতে পারছি? আমরা তাহলে তো প্রত্যেকবারই বলতে পারি, তোমরা খেলতে পারনি, তোমাদের পেছনে যা খরচ করেছি, এটা এবার তোমাদের কাছ থেকে আমরা নিতে থাকি, ফেরত দাও।’
মন্তব্য করুন


দেশের বিপদের সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ানো গুজব বা অপতথ্যে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে অশান্তি বিরাজ করছে এটা দুঃখজনক। এখানে লুকানোর বা গোপন করার কিছুই নেই। কার কাছে গোপন করবো। আমরা সবাই দেশের মানুষ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামের জানাজা শেষে মিডিয়া ব্রিফিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। কুর্মিটোলায় বীর উত্তম এ কে খন্দকার বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে ওই ব্রিফিং হয়।
দেশবাসীর উদ্দেশে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ। দয়া করে গুজব ছড়িয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের এই স্তম্ভকে দুর্বল করে দেবেন না।
হতাহতের বিষয়ে যখনই কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিমান রক্ষণাবেক্ষণে বিমান বাহিনী কোনো আপোষ করে না। বিমান সাধারণত সহজে পুরোনো হয় না। প্রতিটি বিমানের একটি লাইফ টাইম আছে। এক যুগ, দুই যুগ ব্যাপার না। বিষয় হলো রক্ষণাবেক্ষণ। আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ সবসময় ভালো হয়। এগুলো আমরা ভালোভাবেই মেরামত করি। প্রযুক্তি হয়তো পুরোনো হতে পারে, কিন্তু এই বিমানগুলো পুরোনো নয়।
তিনি আরও বলেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে বের করবে কি ঘটেছিল। কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।
বিমানটিকে একটি খালি জায়গায় নেয়ার জন্য পাইলট তৌকির ইসলাম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন বিমান বাহিনী প্রধান।
তিনি বলেন, তিনি (তৌকির) তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকেই দেশের এই বিপদের সময় আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টারা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসকবৃন্দ, ফায়ারসার্ভিস, স্বেচ্ছাসেবী, বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থা, সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণ কাঁধে কাধ মিলিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।
মন্তব্য করুন


বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাংলাদেশের ‘টোন’ (কণ্ঠস্বর) ভিন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে আগামী ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লিতে ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় আলোচনার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। সভা শেষে তিনি সীমান্ত সম্মেলনের আলোচ্যসূচি তুলে ধরেন।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনি নতুনত্ব কী চাচ্ছেন? নতুনত্ব হলো, আগে যেভাবে কথা বলা হতো, এবার কথার টোন আলাদা হবে।’ তিনি আরও বলেন, সীমান্ত সম্মেলনে কী বিষয়ে আলোচনা হবে এবং বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে, সে বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিএসএফ এবং ভারতীয় নাগরিক ও দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করা। এছাড়াও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায় বিএসএফ এবং তাদের দেশের দুষ্কৃতকারীরা সীমান্তে বাংলাদেশিদের ধরে নিয়ে যায়, এটাও যাতে তারা না করেন, সেজন্য তাদের বলা হবে। অনেক সময় তারা সীমানা লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে পারাপারের চেষ্টা করে, এগুলো যাতে না হয়, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, ‘ভারতীয়রা অনেক সময় সীমান্তের কাছে মাদক বা ফেনসিডিলের কারখানা তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাঠায়। এ বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হবে। সীমান্তে ১৫০ গজের মধ্যে অনেক কাজ আছে যেগুলো করার নিয়ম নেই, সেগুলো অনেক সময় তারা করতে চায়। কিছু কাজ আছে যেগুলো করতে হলে দুই দেশের অনুমোদন লাগে।’
আগরতলা দিয়ে ভারতের শিল্প বর্জ্য বাংলাদেশে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি আছে। তবে চুক্তিতে ইটিপি/এসটিপি লেখা আছে, যা উচিত ছিল ইটিপি ও এসটিপি। এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোর পানি যাতে সুষম বণ্টন হয়, সে বিষয়েও আলোচনা হবে। ছোটখাটো নদীগুলোর ক্ষেত্রে আলোচনা করা হবে, কারণ বড় নদীগুলোর বিষয়ে আলাদা নদী কমিশন রয়েছে। ফেনীর মুহুরির চরে বর্ডার পিলার স্থাপন নিয়ে সমস্যা আছে, সেটা নিয়েও আলোচনা হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সেটা তারা কীভাবে বন্ধ করতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে। এছাড়াও কো-অর্ডিনেটর বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান নামে একটি বড় বিষয় আছে, এটা নিয়েও আলোচনা হবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কীভাবে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো হয়, আস্থা আরও বাড়ে, সে বিষয়গুলো নিয়েও কথা বলা হবে। গত সরকার ভারতের সঙ্গে কয়েকটি অসম চুক্তি করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এগুলো যাতে বাতিল হয়, সেজন্য আমরা বলব। বলব চুক্তি এভাবে নয়, ওইভাবে হওয়া দরকার ছিল। এই চুক্তিগুলোর বিষয়ে আমরা এর আগেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের (ভারত) জানিয়েছি।’
ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাংলাদেশে অবস্থানকারীদের শাস্তি ও জরিমানা বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ভিসা ছাড়া যারা বাংলাদেশে আছে, তারা ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে। আমরা তাদের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছি। তারা জরিমানা দিয়ে চলে যেতে পারবে। এরপরও যদি তারা থাকে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা, ১৫০ জায়গায় বেড়া নির্মাণ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের সমস্যা, নদীগুলো নিয়ে সমস্যা—এসব আমাদের মূল এজেন্ডা। এসব বিষয়ে আমরা ছাড় দেব না।’
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও, নির্বাচন ঘনিয়ে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ শনিবার সকালে রংপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যখন একটি দেশে রাষ্ট্র, সরকার ও দল এক হয়ে যায়, তখন সবকিছু একসঙ্গে ধসে পড়ে। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিষয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মোকাবিলায় কমিশন কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, গত নির্বাচনে যেসব প্রিজাইডিং অফিসার সমস্যার সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করব না, ১৮ কোটি মানুষের হয়ে কাজ করব। ভোট দেয়া যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনই ঈমানী দায়িত্বও।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
লেবাননের রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান হিসেবে শেখ নাঈম কাসেমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গোষ্ঠীটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা হিসেবে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসান নাসরাল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন শেখ নাঈম কাসেম। হেজবুল্লাহর যে অল্প কয়েকজন নেতা এখন জীবিত আছেন, তিনি তাদের একজন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন হাসান নাসরাল্লাহ। শিয়া ধর্মগুরু হাসান নাসরাল্লাহ ১৯৯২ সাল থেকে হেজবুল্লাহর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। পরে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হাশেম সাফিএদ্দিন বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহরতলীতে বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানায় ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ।
১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের বিরোধিতা করার জন্য এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিয়া শক্তি হেজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিল ইরান। তখন দেশটির গৃহযুদ্ধের সময় ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবানন দখল করেছিল।
হেজবুল্লাহ বিশ্বের সবচেয়ে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অরাষ্ট্রীয় সামরিক বাহিনীর একটি, যেটিকে অর্থায়ন করেছে ইরান। হেজবুল্লাহর বিমান বিধ্বংসী ও জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইসরায়েলের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলেও মনে করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে না। তফসিল ঘোষণার প্রায় দুই মাস আগে ভোটের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ শনিবার সকালে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি। শুরুতে তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন। বিকালে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।
সেখানে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত করা হবে। প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের রদবদল করা হবে।
মানুষের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ কমে যাওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ফেরানো এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারও বেড়েছে, যা নির্বাচনের জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।
বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই তাদের সঙ্গেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করবে বর্তমান কমিশন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্রুত নির্বাচন সম্পন্ন করার আগ্রহের প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, ভোটের সময় সাংবাদিকরা যেন অবাধে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
রংপুরে দিনব্যাপী নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আগামীকাল তিন দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের।
মন্তব্য করুন


আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে মাঠ প্রশাসনের ব্যবহারের জন্য ৩০০ গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি কেনার প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়নি।
একই অনুষ্ঠানে ড. সালেহউদ্দিন আরও জানান, জাপানে এক লাখ কর্মী পাঠানো হবে। জাপানি ভাষা জানলেই চাকরির সুযোগ মিলবে, পাশাপাশি যেকোনো দক্ষতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ব্যাংক একীভূতকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ২২টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। তবে এ কারণে আমানতকারীদের কোনো ঝুঁকি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দুদিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠান তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কমিশনের প্রধান দায়িত্ব একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। এর বিকল্প কোনো পথ নেই। জীবন চলে যেতে পারে, কিন্তু নির্বাচনে ফাঁকিবাজি, ধোকাবাজি করা যাবে না। কমিশন ও মাঠপর্যায়ের সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি বা ‘ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি’ দুর্বল হয়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই কমিশন হোঁচট খাচ্ছে।
গোপনীয়তা রক্ষা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে কমিশনের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ভালো নির্বাচন ছাড়া আমাদের সামনে দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই। এ নির্বাচনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে প্রিজাইডিং অফিসার। তাদের শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে পারলেই একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব হবে।
কমিশনার প্রশিক্ষণের গুরুত্বের ওপর জোর আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য সব সমস্যার একটি তালিকা তৈরি করে সমাধানের পথ নির্ধারণ করতে হবে।
‘যদি একজন প্রিজাইডিং অফিসার সাহসী ও সৎভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে একটি ভোটকেন্দ্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব’-যোগ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আগের ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখলেও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী কর্মসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। যদিও কিছু জটিলতা এখনো রয়ে গেছে।
সম্প্রতি বাসসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে আমরা বিশ্বাস করি, গত এক বছরে আমরা বাংলাদেশের স্বার্থকে সামনে রেখে সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছি, আমরা কতটা সফল হয়েছি তা জনগণ এবং সিভিল সোসাইটি মূল্যায়ন করবে।
তিনি বলেন, গত এক বছরে বাংলাদেশ একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তবমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছে, যেখানে জাতীয় স্বার্থ ও পারস্পরিকতা অগ্রাধিকার পেয়েছে এবং একই সঙ্গে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক রক্ষা করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, সামগ্রিকভাবে আমরা বিশ্বাস করি, গত এক বছরে আমরা বাংলাদেশের স্বার্থকে সামনে রেখে সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছি। আমরা কতটা সফল হয়েছি তা জনগণ এবং সিভিল সোসাইটি মূল্যায়ন করবে।
উপদেষ্টা বলেন, এই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি গত এক বছরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সফলতার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আন্তর্জাতিক কৌশলে এটাই চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
তৌহিদ বলেন, বর্তমান প্রশাসন ‘বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক’ একটি কৌশল নিচ্ছে যা ‘আলোকিত স্বার্থবোধ’-এর ভিত্তিতে গঠিত।
তিনি বলেন, যদি আমরা ভারতকে কিছু দিই, তাহলে আমি আশা করব আমরা ভারতের কাছ থেকেও সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি কিছু পেতে পারব—এটি কেবল ভারতের ক্ষেত্রেই নয়, সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তিনি উল্লেখ করেন, দুটি নির্দিষ্ট প্রবণতায় লক্ষণীয় হ্রাস দেখা গেছে। ভারতের দিকে ক্রস-বর্ডার কেনাকাটায় যাওয়া এবং চিকিৎসা ও পর্যটনের জন্য ভ্রমণ।
উপদেষ্টা বলেন, আমি এটা বাংলাদেশ জন্য ক্ষতি হিসেবে দেখি না।’ তিনি মনে করেন, এই ভোক্তা ভ্রমণ হ্রাসের অর্থনৈতিক প্রভাব কম।
চিকিৎসা পর্যটন সম্পর্কে তিনি বলেন, আগের মতো মানুষ এখন আর ছোটখাটো চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছে না, বরং চীন ও থাইল্যান্ডের মতো দেশে যাচ্ছে, বিশেষত যেসব সেবা এখনো বাংলাদেশে নেই।
‘আগে অনেক মানুষ ছোটখাটো চিকিৎসার জন্যও ভারতে যেত, যা আসলে অপ্রয়োজনীয় ছিল’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণ কমে যাওয়ায় দেশের বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোর রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন থেকে রক্ষায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে ৭ দফা প্রস্তাবও দিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারের ‘হোটেল বে ওয়াচে’ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শুরু হওয়া তিন দিনের অংশীজন সংলাপের মূল অধিবেশনে তিনি এসব প্রস্তাব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ২০১৭ সালে এবং তারও আগে থেকে সম্পদ এবং সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের জীবন বাঁচাতে মানবিক কারণে বাংলাদেশ তার সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার এবং আরকান আর্মিকে নিশ্চিত করতে হবে যেন আর কোনো রোহিঙ্গা বাংলাদশে না প্রবেশ করে।
এ সময় রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনে অবদান রাখার সংকল্প ঘোষণা করে, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ৭ দফা প্রস্তাব দেন ড. ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং সমাধান সেখানেই আছে।
নির্বাচন নিয়ে সরকার প্রধান বলেন, দেশ এখন স্থিতিশীল এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষণ ঘোষণা করা হচ্ছে।
উলেখ্য, উখিয়ার ইনানীতে অবস্থিত ‘হোটেল বে ওয়াচে’ রোববার (২৪ আগস্ট) ‘টেক অ্যাওয়ে টু দ্যা হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক তিন দিনের এ সম্মেলন শুরু হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দফতর যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
২৪ আগস্ট সম্মেলনের প্রথম দিন বিকালে বিদেশি অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা। এতে যোগ দেন ৪০টি দেশের প্রতিনিধি। ছিলেন জাতিসংঘসহ রোহিঙ্গা নিয়ে কাজ করা সব অংশীজন।
তিন দিনের এ সম্মেলন থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পথ খুঁজবেন তারা।
সম্মেলনের শেষ দিনে (২৬ আগস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন বিদেশি অতিথিরা। তিন দিনের সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়াও আন্তর্জাতিক ফান্ড, গণহত্যার বিচার, খাদ্য সহায়তা ও রোহিঙ্গাদের মনোবল বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে।
এছাড়াও সম্মেলন থেকে আসা প্রস্তাব এবং বক্তব্যগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে তুলে ধরবে সরকার।
মন্তব্য করুন


অন্যায় প্রভাব খাটিয়ে প্রহসনের নির্বাচন দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শেরে বাংলা থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে ৪ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজ রহমান এ আদেশ দেন।
এর আগে শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী সর্বোচ্চ রিমান্ড চেয়ে শুনানি করেন। পরে আদালত আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (২২ জুন) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর উত্তরায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এই মামলাতেই তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন