

ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার স্কোয়াড নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ৩৩ বছর বয়সী নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখা যাবে কি না, এ নিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মহলসহ ভক্তদের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল সরগরম আলোচনা। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আনচেলোত্তি বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার করে দিলেন।
আনচেলোত্তি বলেন, ‘আমি জানি, আপনারা নেইমারকে নিয়ে খুবই আগ্রহী। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এখন ডিসেম্বর, বিশ্বকাপ শুরু হবে জুনে। মে মাসে যখন আমি স্কোয়াড ঘোষণা করবো, তখন যদি নেইমার যোগ্য প্রমাণিত হয়, ফিট থাকে, অন্যদের সমান বা তাদের চেয়েও ভালো থাকে, তাহলে সে বিশ্বকাপে খেলবে। বিষয়টি এতটাই সরল।’
এ মৌসুমে সান্তোসের হয়ে নেইমার এখন পর্যন্ত ১৯ ম্যাচ খেলেছেন।
করেছেন ৮ গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও তার পারফরম্যান্স ছিলো উল্লেখযোগ্য, ৪ ম্যাচে ২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফ্রেঞ্চ সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজি ছাড়ছেন এই খবর বেশ আগেই চাউর হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তার নতুন গন্তব্য হতে যাচ্ছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলে এমবাপ্পে কত নম্বর জার্সি পড়বেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে ফরাসি গণমাধ্যম লা পেরিসিয়ানের দাবি, রিয়ালে ১০ নম্বর জার্সি পড়বেন এমবাপ্পে।
রিয়ালের সাবেক খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাড় ভক্ত এমবাপ্পে। তাকে অনুসরণ করেই পিএসজিতে ৭ নম্বর জার্সি পড়েন তিনি। ২০১৮ সালে রিয়াল ছাড়েন রোনালদো।
কিন্তু রিয়ালে রোনালদোর রেখে যাওয়া সাত নম্বর জার্সিটা এমবাপ্পের জন্য পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ, সেখানে সাত নম্বর জার্সিটি পরছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর সেই জার্সির মান ভালোভাবেই রেখে চলছেন রিয়ালের অন্যতম সেরা এই তারকা।
রিয়ালের হয়ে দশ নম্বর জার্সিতেও খেলে গেছেন বিখ্যাত সব তারকা। হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলার ফেরেঙ্ক পুসকাস রিয়ালের হয়ে এই নম্বরের জার্সিই গায়ে চাপিয়েছেন। আর এখন রিয়ালে দশ নম্বর জার্সি পরেন ক্রোয়াট তারকা লুকা মদরিচ।
৭ নম্বর জার্সি না পাওয়া নিয়ে এমবাপ্পের অবশ্য কোনো অভিযোগ থাকার কথা নয়। জিদানের এই উত্তরসূরি যে ফ্রান্স দলে ১০ নম্বর জার্সিটাই পরেন!
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয় দলে সাকিব আল হাসানের ফেরার ব্যাপারে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের লক্ষ্য, আগামী মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ দিয়ে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে ফেরেননি সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট খেলতে আগ্রহী থাকলেও বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর পাকিস্তান ও ভারত সফরের পরও তিনি আর জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। এর আগে তার অবসর নিয়ে যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি।
বিসিবি সূত্র জানায়, এখনই সাকিবকে বিদায়ী সিরিজ দেওয়ার চিন্তা নেই বোর্ডের। বরং তাকে নিয়মিতভাবে আবার দলে ফেরাতে চায় তারা, যেন একটি সিরিজেই অধ্যায় শেষ না হয়।
গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে বোর্ড সভাপতি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা আশাবাদী, মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজেই সাকিব জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন।
সম্প্রতি বিডিক্রিকটাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব নিজেও জানান, ভালোভাবে সিরিজ খেলে অবসর নেওয়ার ইচ্ছা তার এখনো আছে। সাকিব বলেন, আমি এখনো চাই, একটি সিরিজ খেলে সুন্দরভাবে অবসর নিতে। সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগবে।
২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিসিবির বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে সাকিবকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বোর্ড পরিচালক আমজাদ হোসেন ও আসিফ আকবর নিশ্চিত করেন, সাকিবের ফেরার ব্যাপারে সরকারকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে বিসিবির চাওয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে—তারা সাকিবকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দলে দেখতে চায়। আসিফ আকবর বলেন, আমরা চাই সাকিব পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে আবার খেলুক। এরপর সে কতদিন খেলবে, সেটা তার নিজের সিদ্ধান্ত।
সূচি অনুযায়ী, মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর মে মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আবারও বাংলাদেশে আসার কথা পাকিস্তান দলের।
সূত্র: বিডি ক্রিক টাইম
মন্তব্য করুন


বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানের পারস্পারিক দ্বন্দ্বের কথা একাধিকবার গণমাধ্যমে এসেছে। যদিও এ নিয়ে কখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি এই দুই ক্রিকেটারের কেউই। অথচ একটা সময় তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা কতটা ছিল, তা সবারই জানা। লম্বা সময়ের এই সম্পর্কে সম্প্রতি কিছুটা ভাটা পড়লেও অধিনায়ক তামিমের প্রশংসা করতে একটুও কার্পণ্য করেননি সাকিব।
পরিসংখ্যান অধিনায়ক তামিমের পক্ষে কথা বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এই অভিজ্ঞ ওপেনারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে, গত কয়েক মাস ধরেই কথা বলছে না তার ব্যাট। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে দীর্ঘ ৯ মাস পর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল তার স্ট্রাইকরেট। ব্যাট হাতে তার এমন ফর্মের কারণেই প্রশ্ন উঠছে তার নেতৃত্ব নিয়েও। তবে তামিমের নেতৃত্বেই আস্থা রাখার পক্ষে মত সাকিবের।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'এগুলো তো সবই প্রাথমিক পর্যায়। এখানে যে ভুলগুলো হচ্ছে কিংবা যে ভালো জিনিসগুলো হচ্ছে এসবই বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপ থেকে ঠিক হওয়া শুরু হবে। আমাদের সামনে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচও নেই। আমি নিশ্চিত কোচ, অধিনায়ক এসব চিহিৃত করে। তারা খুবই ভালো চিন্তা করে যে কোন জায়গাতে আরও ভালো করলে আরও একটু ভালো হতো। আমি নিশ্চিত কখনই কোনো দলের নেতা, দেশের প্রধান দেশের জন্য বা দলের জন্য খারাপ চায় না। তাদের ইন্টেনশন কখনই খারাপ থাকে না।সিদ্ধান্ত ঠিক, ভুল সবই হতে পারে।'
এবছর ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। কন্ডিশন আর নিজেদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই মেগা আসরে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা দেখছেন অনেকেই। এই বিশ্বকাপ ঘিরে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আশাবাদী সাকিবও।
বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আইসিসির টুর্নামেন্টে কন্ডিশন সবসময় ফেয়ার থাকে। সব দলের জন্যই ব্যাপারগুলো একই রকম। আমাদের সবকিছুই ভালো করতে হবে, ভালো রেজাল্ট করতে হবে। সবশেষ বিশ্বকাপে আমাদের ভালো সুযোগ ছিল সামান্য কিছু কারণে হয়ত সফল হতে পারিনি।'
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের তেল কোম্পানি আরামকোর সঙ্গে চুক্তির শুরু থেকেই ফিফাকে নিয়ে সমালোচনা চলছে। এবার নারী ফুটবলাররা ফিফাকে এই চুক্তি বাতিল করতে বলেছেন। ইতোমধ্যে ২৪ দেশের ১০০-এর বেশি নারী ফুটবলার একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, যাতে তারা ফিফার কাছে আরামকোর সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার ভিভিয়েন মিদিমাও রয়েছেন।
ভিভিয়েন মিদিমা বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছেন, "আমার মতে, ফুটবলাররা, বিশেষ করে নারী ফুটবলাররা, দায়িত্ব নিয়ে বিশ্বকে দেখাতে চান পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কী সঠিক। আমি মনে করি, এই স্পনসরশিপ ফিফার জন্য যথার্থ মনে হচ্ছে না। আমাদের নারী ফুটবলারেরাও এ দাবির পক্ষে।"
ফিফার সঙ্গে আরামকোর চুক্তির শুরু থেকেই সৌদি আরবের 'স্পোর্টসওয়াশিং' আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। স্পোর্টসওয়াশিং হল একটি কার্যকলাপ, যেখানে ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত বা রাষ্ট্রীয় স্তরের অপকর্ম ঢাকতে খেলাধুলাকে ব্যবহার করা হয়। সৌদি আরব মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী অধিকার লঙ্ঘন, সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করা এবং বাকস্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করার কারণে সমালোচিত।
আরামকো কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপাদনকারী কর্পোরেট কোম্পানি। মিদিমা বলেন, "ফিফা সবসময় আওয়াজ তোলে যে তারা খেলাটাকে ছড়িয়ে দিতে চায় এবং একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়। যদি তাই হয়, তাহলে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তি করুক।"
চলতি বছরের এপ্রিলে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত, এবং এটি ২০২৬ সালের পুরুষদের বিশ্বকাপের স্পনসর হিসেবে কাজ করবে। পরের বছর নারীদের বিশ্বকাপ ফুটবলেও পৃষ্ঠপোষকতা করবে তারা। এছাড়া, আরামকো ফর্মুলা ওয়ানের সঙ্গেও স্পনসরশিপ চুক্তি করেছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) অংশীদার।
মন্তব্য করুন


নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় আরেকটি নতুন মাইলফলকের ঘোষণা দিল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবারের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ পরিচালনা করবেন নারীরা। এবারই প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অফিসিয়ালই থাকছেন নারীরা।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) আসন্ন নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে ১৪ আম্পায়ারের মধ্যে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের সাথিরা জাকির জেসি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হবেন তিনি।
সব নারী ম্যাচ অফিসিয়াল দিয়ে এর আগে কমনওয়েলথ গেমস ও দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিচালনা করা হয়েছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেই ধারার সূচনা হচ্ছে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় এবারের আসর থেকে। যা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তার মতে, অল-উইমেন ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেলের অন্তর্ভুক্তি বিশ্বজুড়ে নারী ক্রিকেটের সফলতা অর্জনের পথ আরও প্রশস্ত করবে।
তিনি বলেন, ‘নারী ক্রিকেটের যাত্রায় এটি একটি দারুণ মুহূর্ত, যা আমরা আশা করি ভবিষ্যতে খেলাধুলার সব ক্ষেত্রেই পথপ্রদর্শক হবে। শুধু নারীদের নিয়ে গঠিত ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেল অন্তর্ভুক্ত করা এক বিশাল মাইলফলক। এটি আইসিসির নারী-পুরুষ সমতা অর্জনের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারেরই একটি শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি।’
এবারের উইমেন’স ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজমানিতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। নারী বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানিসহ সামগ্রিক অর্থ পুরস্কার রাখা হয়েছে ছেলেদের গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়েও কয়েক গুন বেশি।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া সাথিরা কদিন আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটেও গড়েছেন একটি ইতিহাস। দেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ছেলেদের ক্রিকেটে। সম্প্রতি সিলেটে বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস সিরিজে টিভি আম্পায়ার ছিলেন তিনি।
৩৪ বছর বয়সী সাবেক এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের শুরুর দিকের সেনানিদের একজন। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ হয়নি, খেলেছেন দুটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি। তবে দেশের হয়ে খেলেছেন তিনি আরও নানা টুর্নামেন্টে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সময়ই তিনি কোচিং কোর্স করে কোচ হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটার, কোচ ও ক্লাব কর্মকর্তার ভূমিকাতেও দেখা গেছে তাকে। পরে তিনি পা রাখেন আম্পায়ারিংয়ে। এখানে এগিয়ে যান দ্রুত পায়ে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ করে নেন দ্রুতই। গত বছর আইসিসি ডেভেলপমেন্ট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন সাথিরা। পরে উইমেন’স এশিয়া কাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ উইমেন’স এশিয়া কাপে আম্পায়ারিং করেন। ছেলেদের একটি ম্যাচের পাশাপাশি মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠের আম্পায়ার ও টিভি আম্পায়ার মিলিয়ে ৮ ওয়ানডে ও ২২টি টি-টোয়েন্টি পরিচালনা করেছেন সাথিরা।
এবারের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে হাইব্রিড মডেলে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করবে আসরটি। রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তান নারী দল ভারতে না গিয়ে তাদের ম্যাচ খেলবে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।
আট দলের আসরে ৩৩ দিনে হবে ৩১টি ম্যাচ। বাংলাদেশ এবার দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে এখন নতুন ‘ডট মাস্টার’ বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন কাটার মাস্টার। এর আগে সর্বাধিক ডট বল করার রেকর্ড কিউই তারকা টিম সাউদের নামে ছিল।
মুস্তাফিজের আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে ডট বলের সংখ্যা আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ছিল ১১৩৫টি। শীর্ষে থাকা সাউদির ডট সংখ্যা ছিল ১১৩৮। তাই ফিজের প্রয়োজন ছিল মাত্র চারটি ডট।
ম্যাচের শুরুতে তিনি কিছুটা স্বাভাবিক বোলিং করতে পারলেও, ইনিংসের ১৬তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় স্পেলের পঞ্চম বল দিয়ে ১১৩৮তম ডট করে সাউদিকে ছাড়িয়ে দেন। এরপর ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলের মাধ্যমে সাউদিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে যান। পুরো ম্যাচে তিনি চার ওভারে সাতটি ডট বল দেন।
এখন পর্যন্ত ১২০ ইনিংসে ২৬১৬ বল করে মুস্তাফিজের ডট সংখ্যা ১১৪২। দুই নম্বরে নেমে যাওয়া সাউদি ১২৩ ইনিংসে ২৭৫৩ বল করে ১১৩৮টি ডট দিয়েছেন।
এর আগে গত এশিয়া কাপের হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে মুস্তাফিজ সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে ওঠেন। বর্তমানে সাকিব তিন নম্বরে অবস্থান করছেন; ১২৫ ইনিংসে ২৭২০ বলের মধ্যে তিনি ১০৭৮টি ডট দিয়েছেন।
বাংলাদেশিদের মধ্যে মুস্তাফিজ ও সাকিবের পরে অবস্থান করছেন তাসকিন আহমেদ। ৮১ ইনিংসে ১৭৫৫ বলের মধ্যে তিনি ৮৩৮টি ডট দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কয়েক দিন আগেই নেইমারের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন পিএসজি সমর্থকরা। এমন ঘটনা মোটেও ভালোভাবে নেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা। নেইমারের ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে ফরাসি পত্রিকা ‘লা পারিসিয়ান’ জানিয়েছে, এই বিক্ষোভের কারণেই তিনি পিএসজি ছাড়তে চান নেইমার।
‘লা পারিসিয়ান’ আরও জানিয়েছে, নেইমার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে যেতে চান। চেলসি, নিউক্যাসল ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নাকি তার প্রতি আগ্রহী।
চোটের কারণে আগেই মৌসুম শেষ হয়ে গেছে নেইমারের। এখন প্যারিসে চলছে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। কিন্তু এরই মধ্যে গত এ মাসের শুরু দিকে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এই ফরোয়ার্ড। শিকার হন সমর্থকদের তীব্র রোষানলের।
সাম্প্রতিক সময়ে মাঠে সময়টা ভালো যাচ্ছে না পিএসজিরও। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা পিএসজির ঘরের মাঠে সম্প্রতি দুয়ো দিয়েছেন লিওনেল মেসিকে। তাছাড়া প্যারিসে ক্লাবের অফিসের সামনে এই তারকা ফরোয়ার্ডকে অপমানও করে 'পিএসজি আলট্রাস’।
এরপর তাদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হন নেইমার। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমারের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছেন কিছু সমর্থক। সেখানে সাবেক বার্সেলোনা তারকাকে ক্লাব ছাড়ার স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
এরপর ইনস্টাগ্রামে ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন ২০১৭ সালে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি-তে পিএসজিতে যোগ দেওয়া নেইমার। ‘চলে যাও’ স্লোগান দেওয়া সমর্থকদেরকে ব্রাজিলিয়ান তারকা দিয়েছিলেন শান্তির বার্তা। 'অন্যদের ঝড়ের মধ্যে আপনাকে নিয়ে যেতে দিবেন না, বরং তাদেরকে আপনার শান্তির পথে নিয়ে আসুন।'
মন্তব্য করুন


আইপিএল ২০২৬ মৌসুমকে সামনে রেখে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। একই সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিসিসিআই কেকেআরকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশি খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দিতে। ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি তার পরিবর্তে অন্য খেলোয়াড় নিতে চায়, সে ক্ষেত্রেও বিসিসিআই অনুমতি দেবে।’
আইপিএল নিলামে মুস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে ভেড়ায় তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে তার অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
এরপর ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী নেতাদের বিক্ষোভের মুখে এমন সিদ্ধান্ত দিতে বাধ্য হয়েছে বোর্ড এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক বৈরিতার আগুন ক্রীড়াঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ার নজির বেশ পুরনো।
সবশেষ বিসিসিআইয়ের বাংলাদেশবিরোধী হস্তক্ষেপে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গেছে, আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে মুস্তাফিজুর রহমানকে পাচ্ছে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। এখন দলটির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—এই অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসারের জায়গায় কার্যকর বিকল্প খুঁজে বের করা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ভারতীয় অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলার সঙ্গে পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহকে জড়িয়ে কম আলোচনা হয়নি। একটা সময় এই দুজনের প্রেমের গুঞ্জনও ভেসে বেড়িয়েছে। পরে অবশ্য দু’জনই সেসব খবর থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেন। এবার নাসিমের ব্যবহারে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন আরেক ভারতীয় অভিনেত্রী সোনম বাজওয়া।
সম্প্রতি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ফ্যানদের নিয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নাসিম শাহ। সেখানে এক খুদে ভক্ত তাকে দেখে কেঁদে ফেলে। নাসিম তখন সে খুদে ভক্তকে আশ্বস্ত করে বলে, ‘কেঁদো না।’ এরপর সে ভক্তকে নিজের অটোগ্রাফ দেন নাসিম। খুদে ভক্তের কান্না থামাতে নাসিম যোগ করেন, ‘আমি তোমাকে বাবর আজমের (পাকিস্তান অধিনায়ক) অটোগ্রাফও নিয়ে দিতে পারব।’
খুদে ভক্তের সঙ্গে নাসিমের সে আবেগঘন মুহূর্ত নিয়ে বানানো একটি ইনস্টাগ্রাম রিল নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেছেন সোনম। সঙ্গে লিখেছেন, ‘খুব সুন্দর এবং কিউট’। সঙ্গে সাদা হৃদয়ের একটি ইমোজিও জুড়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
পাকিস্তানি তারকাদের প্রতি ভালোলাগার প্রকাশ অবশ্য এটাই প্রথম নয় সোনমের। এর আগে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতাকে ফাওয়াদ খানকে নিজের ‘সবসময়ের ক্রাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন ভারতীয় পাঞ্জাবি সিনেমার পরিচিত মুখ সোনম।
মন্তব্য করুন