

ততক্ষণে রেফারির ম্যাচ শেষের বাঁশি বেজে গেছে। কোচ ও বেঞ্চের খেলোয়াড়রা মাঠে দৌড়ে যান। শুরু হয় বার্সেলোনার শিরোপা উৎসব। তবে আল্ট্রা এস্পানিওল বা উগ্রপন্থী সমর্থকদের তোপের মুখে শিরোপা উৎসবে ক্ষান্তি দিয়ে একপ্রকার পালিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় লেভানদোভস্কিদের।
রোববার রাতে এস্পানিওলের মাঠে শিরোপার সুবাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। রবার্ট লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে এদিন ৪-২ গোলে জিতেছে জাভির শিষ্যরা। আর তাতে তিন মৌসুম পর লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল কাতালান ক্লাবটি। সেটিও আবার চার ম্যাচ হাতে রেখেই। এটি বার্সেলোনার ২৭তম লিগ শিরোপা। ৩৪ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৫। অন্যদিকে বার্সেলোনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


কয়েক দিন আগেই নেইমারের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন পিএসজি সমর্থকরা। এমন ঘটনা মোটেও ভালোভাবে নেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা। নেইমারের ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে ফরাসি পত্রিকা ‘লা পারিসিয়ান’ জানিয়েছে, এই বিক্ষোভের কারণেই তিনি পিএসজি ছাড়তে চান নেইমার।
‘লা পারিসিয়ান’ আরও জানিয়েছে, নেইমার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে যেতে চান। চেলসি, নিউক্যাসল ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নাকি তার প্রতি আগ্রহী।
চোটের কারণে আগেই মৌসুম শেষ হয়ে গেছে নেইমারের। এখন প্যারিসে চলছে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। কিন্তু এরই মধ্যে গত এ মাসের শুরু দিকে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এই ফরোয়ার্ড। শিকার হন সমর্থকদের তীব্র রোষানলের।
সাম্প্রতিক সময়ে মাঠে সময়টা ভালো যাচ্ছে না পিএসজিরও। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা পিএসজির ঘরের মাঠে সম্প্রতি দুয়ো দিয়েছেন লিওনেল মেসিকে। তাছাড়া প্যারিসে ক্লাবের অফিসের সামনে এই তারকা ফরোয়ার্ডকে অপমানও করে 'পিএসজি আলট্রাস’।
এরপর তাদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হন নেইমার। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমারের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছেন কিছু সমর্থক। সেখানে সাবেক বার্সেলোনা তারকাকে ক্লাব ছাড়ার স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
এরপর ইনস্টাগ্রামে ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন ২০১৭ সালে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি-তে পিএসজিতে যোগ দেওয়া নেইমার। ‘চলে যাও’ স্লোগান দেওয়া সমর্থকদেরকে ব্রাজিলিয়ান তারকা দিয়েছিলেন শান্তির বার্তা। 'অন্যদের ঝড়ের মধ্যে আপনাকে নিয়ে যেতে দিবেন না, বরং তাদেরকে আপনার শান্তির পথে নিয়ে আসুন।'
মন্তব্য করুন


ফুটবল বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের মধ্যে বর্তমানে অন্যতম আর্জেন্টাইন তারকা এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তিনি টানা দুই মৌসুমে ব্যালন ডি'অরের মঞ্চে 'ইয়াশিন ট্রফি' জিতেছেন এবং একদিন আগেই 'ফিফা দ্য বেস্ট' গোলরক্ষকের পুরস্কারও অর্জন করেছেন। এসব অর্জন তার মাঠের পারফরম্যান্স এবং দলের প্রতি অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। এই পরিস্থিতিতে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কবে গ্লাভস তুলে রাখবেন তিনি।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ২০২২, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ী দলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলবিসেলেস্তে ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ) একটি সাক্ষাৎকার আয়োজন করে। ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এএফএ আয়োজিত 'ফুটবল টক' অনুষ্ঠানে মার্টিনেজ বলেন, "যদি আমি আর্জেন্টিনার হয়ে দু'বার বিশ্বকাপ জিততে পারি, তবে আমি অবসর নেব। আমি আজই প্রতিজ্ঞা করছি, বিশ্বকাপের পর আমি গ্লাভস তুলে রাখব।" পরে তিনি আরও বলেন, "এখন আমার বয়স মাত্র ৩২, যখন বিশ্বকাপ আসবে তখন ৩৩ হবে, অর্থাৎ তখনও যথেষ্ট তরুণ থাকব।"
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি ছিল ইতিহাসমুখী। সাড়ে তিন যুগ পর আর্জেন্টিনা ফ্রান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করে। নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে বড় অবদান ছিল এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। তিনি ফরাসি ফরোয়ার্ড কোলো মুয়ানির একটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন, যা আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে মার্টিনেজ বলেন, "এমন আরও অনেক কঠিন শট আমি ঠেকিয়েছি, কিন্তু ওই মুহূর্তে আমি চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করছিলাম, 'যদি প্রয়োজন হয়, আমার মুখ উড়ে যাক।'"
ফাইনালে, লিওনেল মেসি দুটি গোল করেন এবং এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেন। এরপর টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন মার্টিনেজ, এবং আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়। পিটার ড্রুরির কণ্ঠে পুরো ফুটবলবিশ্ব মোহিত হয়ে ওঠে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ছাত্র-জনতার প্রতিবাদের মুখে দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলা হলো না সাকিব আল হাসানের। দেশে ফিরতে চাইলেও তাকে দুবাই থেকে ফিরে যেতে হয়েছে। এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
সাকিবকে নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দিনের বেলা বেশ নাটক হয়েছে। তিনি দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে দুবাই আসেন ট্রানজিটের জন্য। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে সেখানে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে সাকিব নিজেই জানান, তার দেশের মাটিতে টেস্টকে বিদায় জানানো হচ্ছে না। সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে সরকার তাকে দেশে ফিরতে বারণ করেছে।
এরপর গতকাল রাতেই এ বিষয়ে কথা বলেন ড. আসিফ নজরুল। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের একটি অনুষ্ঠানে সাকিব আল হাসানের দেশে আসা নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, 'সাকিব আমাকে কয়েকবার ফোন দিয়েছিল। আমি বলেছি, উপদেষ্টা আসিফের সঙ্গে কথা বলতে যেহেতু এটি আমার বিষয় নয়।'
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, 'সাকিবের মতো ক্রিকেটার বাংলাদেশের ইতিহাসে আর আসেনি। সাকিব বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি হতে পারত। কিন্তু যখন আন্দোলন চলছে, মানুষ মরছে, ঘরে ঘরে কান্না, ক্ষোভ-কষ্ট—সাকিব তখন পোস্ট দিলো যে সে কোথাও আনন্দ করছে। এটা কি সম্ভব একজন মানুষের পক্ষে?'
তিনি বলেন, 'এছাড়া যে সমস্ত জুয়া, বেটিং, উশৃঙ্খল আচরণ... আমার মনে হয় এটার জন্য শেখ হাসিনার সরকার দায়ী। এমন একটি রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করা হয়েছে, যেখানে শেখ হাসিনার প্রতি অনুগত থাকলে আপনি যা ইচ্ছা করতে পারেন। আপনার শাস্তি হবে না। এটা অনেক মানুষকে বিভ্রান্ত করে, তাকেও করেছে। মায়া লাগে। কিন্তু তার প্রতি মানুষ যে ক্ষোভ দেখায়, সেটি একটুও অযৌক্তিক লাগে না।'
মন্তব্য করুন


মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রাজত্ব করার পর ইন্টার মায়ামি সমর্থকদের জন্য এলো আরও এক দারুণ খবর। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সার্জিও রেগুইলনের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরেই জানা গেল, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটিতেই থাকছেন উরুগুইয়ান তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ।
ইন্টার মায়ামির দুই স্তম্ভ জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটসের বিদায়ের ঘোষণার পর সুয়ারেজের ভবিষ্যৎ নিয়েও গুঞ্জন ডালপালা মেলেছিল। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকায় ধারণা করা হচ্ছিল, ৩৮ বছর বয়সী এই গোলমেশিন হয়তো নিজ দেশে ফিরে যাবেন। তবে নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপাতত মায়ামিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইন্টার মায়ামির সাফল্যের পেছনে গত মৌসুমে সুয়ারেজের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ, যার ৪৭টিতেই ছিলেন শুরুর একাদশে। গোল করেছেন ১৭টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৭টি। যদিও এর আগের মৌসুমে ৪৩ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা (প্রথম ছিলেন লিওনেল মেসি) ছিলেন তিনি।
মৌসুমের শেষভাগে নিষেধাজ্ঞার কারণে কয়েকটি ম্যাচ বেঞ্চে কাটালেও সেমিফাইনালে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিজের প্রভাব বজায় রাখেন তিনি। ইনজুরির কারণে ভ্যাঙ্কুভারের বিপক্ষে ফাইনাল মিস করলেও পুরো মৌসুম জুড়ে তার পারফরম্যান্স ছিল অনবদ্য।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল জার্মানির অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার টিমো ভার্নার ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিতে পারেন। তবে সুয়ারেজের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করার পর আপাতত চেজ স্টেডিয়ামে ভার্নারের আগমনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রিয় ‘মেসি-সুয়ারেজ’ জুটিকে আরও কিছুদিন একসঙ্গে মাঠ মাতাতে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন মায়ামি সমর্থকরা, যা ক্লাবটির জন্য বড় এক স্বস্তির খবর।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কয়েকদিন ধরে চলা গুঞ্জন অবশেষে সত্যি হলো। জাভি হার্নান্দেজকে ছাঁটাই করেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা।
শুক্রবার বার্সেলোনা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ মৌসুমে জাভির আর কোচ হিসেবে না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এই বৈঠকে জাভি ছাড়াও বার্সেলোনার গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বার্সেলোনা জাভিকে কোচ হিসেবে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক হিসেবে অনবদ্য ক্যারিয়ারের জন্যও তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ভালো কিছুর জন্য জাভির জন্য শুভকামনা রইল।’
ক্লাবের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে গত জানুয়ারিতেই মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন জাভি হার্নান্দেজ। গত মাসে তিনি নেন ইউটার্ন, জানান কাতালানদের সঙ্গেই থাকছেন। এরপর আবারও আসে ভিন্ন খবর। জাভিকে ছাঁটাই করার বিষয়ে প্রতিবেদন আসে গণমাধ্যমে। অবশেষে শেষই হলো বার্সার সঙ্গে তার পথচলা।
বার্সেলোনার ডাগআউটে শেষবারের মতো আগামী সোমবার (২৭ মে) সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দেখা যাবে জাভিকে।
এদেকে, বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটির কোচ হিসেবে এরপর দেখা যাবে হানসি ফ্লিককে। ২০২০ সালে যিনি বায়ার্নের হয়ে জিতেছিলেন ট্রেবল। এরপর জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করেন এই কোচ। যদিও ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে তাকে ছাঁটাই করা হয়।
২০২১ সালে কাতারের ক্লাব আল সাদ থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেন জাভি। ২০২২-২৩ মৌসুমে তার অধীনে দল জেতে লিগ শিরোপা। এরপর থেকে দিন দিন খারাপ হতে থাকে পারফরম্যান্স। চলতি মৌসুমে পিএসজির কাছে হেরে তাদের বিদায় নিতে হয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে। বাজে ফর্মে তারা খুঁইয়েছে লিগ শিরোপাও।
মন্তব্য করুন


পুরো সিরিজে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটারদের ব্যর্থতা ছিল একবারে চোখে পড়ার মতো। হাতেগোনা কয়েকটা ইনিংস ছাড়া ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে ভালো খেলতে পারেননি বাংলাদেশের যুবারা। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও চোখে পড়েছে ব্যাটারদের দৈন্যদশা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮০ রানে হেরে পাকিস্তানের কাছে ৪-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারল বাংলাদেশের যুবারা।
রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সাজ্জাদ আলীর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ৫ রান করা আশিকুর রহমান শিবলি। আরেক ওপেনার মইনুল ইসলাম তন্ময় আউট হয়েছেন পরের ওভারেই।
রানের খাতা খোলার আগেই আলী আসফান্দের বলে লেগ বিফোর হন তন্ময়। পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে বিপদজনক হয়ে উঠার আগেই জিসান আলমকে প্যাভিলিয়নে পাঠান সাজ্জাদ। ডানহাতি এই পেসারের বলে বোল্ড হয়েছেন দুই চার ও এক ছক্কায় ৬ বলে ১৪ রান করা জিসান।
পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগে আরিফুল ইসলামকে বিদায় করেছেন আরাফাত মানহাজ। স্ট্রেইট ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেট দিয়েছেন ২৪ বলে ৯ রান করা আরিফুল। ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে টাইগারদের টেনে তোলেন আহরার আমিন পিয়ান ও শিহাব জেমস।
বিপদ সামলানোর পাশাপাশি দারুণ ব্যাটিংয়ে ৫২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন আহরার আমিন। যদিও হাফ সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। আরাফাতের বলে টপ এজ হয়ে থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৫৩ রান করা এই ব্যাটার। এদিকে তাকে সঙ্গ দেয়া শিহাব হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৬৮ বলে।
এরপর দ্রুতই জাকারিয়া ইসলাম শান্ত, মাহফুজুর রাব্বি, শিহাব, একান্ত শেখ, ওয়াসি সিদ্দিকীকে হারায় বাংলাদেশ। ফলে ১৩ ওভার বাকি থাকতেই ১৬৪ রানে অল আউট হয় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের যুবাদের হয়ে আলী আসফান্দ ও আরাফাত তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান তোলে পাকিস্তান। সফরকারীদের হয়ে হামজা নওয়াজ ৭২, শাহজাইব খান ৬৭, আজান আওয়াইজ ৪১ এবং আরাফাত ৪০ রান করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন মাহফুজুর রাব্বি।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেন নেইমার। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক রাজকীয় আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেইমারকে বরণ করে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস। নেইমারের ফেরাকে ঘিরে সান্তোসের স্লোগান ছিল—‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন নেইমার। এর আগে, ব্রাজিলের স্থানীয় সময় সকালে সাও পাওলোতে অবতরণ করে তার ব্যক্তিগত বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের পর হেলিকপ্টারে করে সান্তোসে পৌঁছান ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মাঠের মাঝখানে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে উঠে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন নেইমার।
ঘরের ছেলেকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও তাকে স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান। মাঠে মাথা ও হাত নুইয়ে নিজের বিখ্যাত গোল উদযাপনের ভঙ্গিমা করেন তিনি। এরপর সান্তোসের মাটিতে চুমু খান। ‘নেইমার মিথ’-এর জন্ম তো এই ভিলা বেলমিরোর মাটিতেই।
নেইমার মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতেই দর্শকরা তার পায়ে ড্রিবলিং দেখতে চান। উত্তরে নেইমার বলেন, ‘আমি খুবই সুখী। এখানে দারুণ সময় কেটেছে। সামনে তেমন সময় আরও আছে। (ড্রিবল করতে) সাহসের অভাব হবে না।’
গত সোমবার রাতে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল। ২০২৩ সালে আল-হিলালে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। পরে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই চুক্তি বাতিল হয়।
নেইমারের চুক্তি নিয়ে সান্তোসের সহসভাপতি ফার্নান্দো বোনাভিদেস ক্যানাল বলেন, ‘এই চুক্তিপত্র প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের। তবে তাকে ধরে রাখতে আমরা সব রকম চেষ্টাই করব। আমরা চাই, সে যেন আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকে।’
কালো ক্যাপ ও কালো গেঞ্জি পরা নেইমার ছয় মাসের চুক্তিপত্রে সই করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তোস শহর এবং ক্লাবটির রাজা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সান্তোস। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পেলের কণ্ঠে নেইমারকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেটারই দ্বিতীয় সংস্করণে প্রয়াত কিংবদন্তি পেলের প্রতি নেইমারকে বলতে শোনা যায়, ‘কিং পেলে, আপনার ইচ্ছাই আমার জন্য নির্দেশ। সিংহাসন ও মুকুট আপনারই আছে। কারণ, আপনি চিরকালীন। কিন্তু পবিত্র ১০ নম্বর জার্সিটি পরা হবে সম্মানের সঙ্গে, যা সান্তোস এবং এই পৃথিবীর জন্য অনেক কিছু। আপনার রেখে যাওয়া লিগ্যাসিকে সম্মান দিতে আমি সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সান্তোসের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হয়নি। সবাই জানত, সৌদি আরবের আল-হিলালের পাট চুকিয়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার। তার জন্য স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে একটি কনসার্টেরও আয়োজন করে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগের এই ক্লাব। বৃষ্টির মধ্যেই ভিলা বেলমিরোর গ্যালারিতে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ভিড়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার এটাই নেইমারের শেষ সুযোগ। সে জন্য ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরতে হলে আগে নিয়মিত ম্যাচ খেলার দরকার, যা আল-হিলালে হচ্ছিল না। সান্তোসে সেই সুযোগ পাবেন নেইমার। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরতে চাই। অর্জনের জন্য এখনো একটি (বিশ্বকাপ) মিশন বাকি আছে, যা আমার শেষ সুযোগ বলে মনে করি। যা–ই হোক না কেন, আমি এটার পেছনে ছুটব।’
সংবাদ সম্মেলনে সান্তোসে ফেরার কারণও ব্যাখ্যা করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির বাইরে। আল-হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবারও ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
ফেরার পর কেমন লাগছে, তা-ও জানান নেইমার। তিনি বলেন, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, ১৭ বছর বয়সে ফিরে গেছি। খুব ভালো লাগছে এবং খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
সান্তোসের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা নেইমারের। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ক্লাবটির মূল দলে। এরপর ইউরোপযাত্রা। প্রথমে বার্সেলোনা, এরপর পিএসজি হয়ে দেড় বছর আগে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন। তবে ব্রাজিল ছাড়ার সাড়ে ১১ বছর পর আবারও সান্তোসে ফিরে নেইমার যেন ক্যারিয়ারের চক্র পূরণ করলেন। এর মধ্যে অনেকবার চোটে পড়েছেন। মৌসুমে নিয়মিত মাঠেও নামতে পারেননি। আগের সেই ধারা আছে কি না, সান্তোস ঠিক নিশ্চিত না হলেও ঘরের ছেলেকে আগের মতো হৃদয় দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন ক্লাবটির সমর্থকেরা। পার্থক্য একটাই, প্রথম দফায় খেলেছেন ১১ নম্বর জার্সিতে, এবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছেন।
সেই জার্সিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নেইমার ফটোসেশনও করেন। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠে ফিরে খেলার। গত বছর নভেম্বরে আল-হিলালের হয়ে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামা হয়নি তার। সংবাদ সম্মেলনে নেইমার জানান, শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলেও এখনো ১০০ শতাংশ ফিরে পাননি।
ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় আগামী বুধবার বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, এই ম্যাচে সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয় দফায় অভিষেকের সম্ভাবনা আছে নেইমারের।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে (ইপিএল) ২০২৩-২৪ মৌসুম মোটেই ভালো কাটেনি চেলসির। ১ ম্যাচ বাকি থাকলেও লিগে তারা আছে ষষ্ঠ অবস্থানে। তবে আপন আলোয় উজ্জ্বল ছিলেন দলটির তরুণ ফুটবলার কোলে পালমার। ভোটাভুটিতে হয়েছেন প্রিমিয়ার লিগের সেরা তরুণ ফুটবলার।
গত গ্রীষ্মের দলবদলে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই দুর্দান্ত পারফর্ম করে আসছেন পালমার। এই মৌসুমে ২২টি গোল দেওয়া ছাড়াও ১০টি অ্যাসিস্ট করেছেন এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। গোলে অবদানের দিক বিবেচনায় প্রিমিয়ার লিগে যেটি যৌথ সর্বোচ্চ।
কয়েকদিন আগেই ২২তম জন্মদিন পালন করেছেন পালমার। তার আগেই গড়ে ফেলেছেন দারুণ একটি রেকর্ড। প্রিমিয়ার লিগের কোনো মৌসুমে ২১ বছর বা তার আগে ৩০টির বেশি গোলে অবদান রাখা মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় পালমার। এর আগে এই কীর্তি দেখিয়েছেন রবি ফাওলের ও ক্রিস সাটন।
লিগে গোল্ডেন বুটের (সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার) লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হল্যান্ডের পরেই আছেন পালমার। অ্যাসিস্টের দিক দিয়েও যৌথভাবে লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পালমার। ১৩ অ্যাসিস্টে সবার ওপরে অ্যাস্টন ভিলার ওলি ওয়াটকিনস।
২০২৩-২৪ মৌসুমে পালমার
গোল সংখ্যা: ২২, প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয়
অ্যাস্টিস্ট: ১০টি, যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
গোলে অবদান: ৩২টি, যৌথভাবে সর্বোচ্চ
গোল ও অ্যাসিস্ট দুই বিভাগেই দুই সংখ্যায় পৌঁছানো চার ফুটবলারের একজন পালমার। তিনি ছাড়া এই মাইলফলকে আছেন ওয়াটকিনস, মোহাম্মদ সালাহ ও অ্যান্থনি গর্ডন। এছাড়াও দিদিয়ের দ্রগবা ও ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে চেলসির ঘরের মাঠে এক মৌসুমে ১৬ গোল দেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন পালমার। আগামী রবিবার স্টামফোর্ড ব্রিজে এএফসি বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচে সেই রেকর্ড ভাঙার দারুণ সুযোগ আছে পালমারের সামনে।
প্রিমিয়ার লিগে আগের মৌসুমগুলোতে সেরা তরুণ খেলোয়াড়
২০১৯-২০: ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আরনল্ড (লিভারপুল)
২০২০-২১: ফিল ফোডেন (ম্যানচেস্টার সিটি)
২০২১-২২: ফিল ফোডেন (ম্যানচেস্টার সিটি)
২০২২-২৩: আর্লিং হল্যান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি)
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কিংস কাপের উত্তাপ ছড়ানো ফাইনাল ম্যাচে শুক্রবার (৩১ মে) রাতে আল নাসরকে হারিয়েছে আল হিলাল। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও ১-১ গোলে সমতায় ছিল ম্যাচ। টাইব্রেকারে ৫–৪ গোলে জিতে যায় আল হিলাল। তবে ম্যাচের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে গেছে রোনালদোর কান্নায়। ম্যাচ শেষে দলের হারের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় পর্তুগিজ মহাতারকাকে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছড়িয়েছে উত্তাপ। ৭ মিনিটে রোনালদোদের জালে বল জড়ান আল হিলাল তারকা আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচ। এরপর থেকেই আল নাসরের সমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু। তবে প্রথমার্ধে একাধিক চেষ্টা করেও জালের দেখা পায়নি দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আল নাসর। তবে এই অর্ধে আরও বড় ধাক্কা খায় রোনালদোর দল। ৫৬ মিনিটে ডেভিড ওসপিনা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আল নাসর। তবে লড়াই থামায়নি দলটি।
ম্যাচের ৮৫ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরেও পিছিয়ে ছিল নাসর। একসময় মনে হচ্ছিল, লড়াইবিহীন এক ম্যাড়মেড়ে ফাইনাল হতে যাচ্ছে এটি। তবে শেষদিকে আসে চমক। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় আল হিলালের আলি আলবুলাইহিকে। খেলোয়াড় সংখ্যা সমতায় আসার পর ১ মিনিটের মধ্যে গোল করে আল নাসর।
ম্যাচের ৯০ মিনিটে আল হিলালের কালিদু কুলিবালি লাল কার্ড দেখায় ৯ জনের দলে পরিণত হয় প্রো লিগ চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি রোনালদোর দল। টাইব্রেকারে গড়ানোর পর ম্যাচ জিতে নেয় আল হিলাল।
পুরো ম্যাচ মাঠে থেকেও তেমন কোনো বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারেননি রোনালদো। সে কারণে ম্যাচ হারের পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন মাঠে না থাকলেও আল হিলালের শিরোপা–উৎসবে যোগ দেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরোপা উৎসবের ছবিও পোস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
মন্তব্য করুন


চোটের কারণে লিগস কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। সঙ্গী জর্দি আলবাও ছিলেন চোটে ভুগছেন। সেমিফাইনালে দুজনকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ছিল সংশয়। তবে ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে মাঠে নামতেই মেসি-আলবার জুটি যেন ফিরিয়ে এনেছে বার্সেলোনার সোনালি দিনের স্মৃতি।
অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে সেমিফাইনালে মেসির জোড়া গোল আর সুয়ারেজের সঙ্গে তেলেসকো সেগোভিয়ার দারুণ বোঝাপড়ায় আসে আরেক গোল—এই তিন গোলেই ৩-১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে উঠেছে ইন্টার মায়ামি।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখালেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে বসে মায়ামি। ডিফেন্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো ফ্যালকনের ভুলে বল পান অরল্যান্ডোর উইঙ্গার মার্কো পাসালিচ। বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
ফ্যালকন তখন হ্যান্ডবলের দাবি তুললেও রেফারি তা খারিজ করে দেন।
এরপর ৭৫ মিনিটে সমতায় ফেরে মায়ামি। বক্সে মায়ামির উইঙ্গার তাদেও আয়েন্দেকে ফেলে দেন ডেভিড ব্রেকালো। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় অরল্যান্ডোর ডিফেন্ডারকে, আর মেসি গোলকিপারের বাঁ পাশে নিখুঁত শটে পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেন।
৮৮ মিনিটে আসে বার্সেলোনার দিনগুলো মনে করিয়ে দেওয়া গোল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে বক্সের মাথায় আলবাকে পাস দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। আলবার নিখুঁত ফিরতি পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে জালে বল পাঠান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এ বছর মায়ামির হয়ে এটি মেসির ৩৩ ম্যাচে ২৭তম গোল।
তবে অরল্যান্ডোর দুঃস্বপ্ন শেষ হয়নি এখানেই।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে গোল করেন ভেনেজুয়েলান মিডফিল্ডার তেলেসকো সেগোভিয়া। এতে ৩–১ ব্যবধানে জয় পায় মেসির মায়ামি।
অন্য সেমিফাইনালে লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সি ও সিয়াটল সাউন্ডার্সের মধ্যে জয়ী দলের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি। রোববারের ফাইনালে ওঠার মধ্য দিয়ে আগামী বছরের কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করেছে হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল।
মন্তব্য করুন