

তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানের পারস্পারিক দ্বন্দ্বের কথা একাধিকবার গণমাধ্যমে এসেছে। যদিও এ নিয়ে কখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি এই দুই ক্রিকেটারের কেউই। অথচ একটা সময় তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা কতটা ছিল, তা সবারই জানা। লম্বা সময়ের এই সম্পর্কে সম্প্রতি কিছুটা ভাটা পড়লেও অধিনায়ক তামিমের প্রশংসা করতে একটুও কার্পণ্য করেননি সাকিব।
পরিসংখ্যান অধিনায়ক তামিমের পক্ষে কথা বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এই অভিজ্ঞ ওপেনারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে, গত কয়েক মাস ধরেই কথা বলছে না তার ব্যাট। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে দীর্ঘ ৯ মাস পর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল তার স্ট্রাইকরেট। ব্যাট হাতে তার এমন ফর্মের কারণেই প্রশ্ন উঠছে তার নেতৃত্ব নিয়েও। তবে তামিমের নেতৃত্বেই আস্থা রাখার পক্ষে মত সাকিবের।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'এগুলো তো সবই প্রাথমিক পর্যায়। এখানে যে ভুলগুলো হচ্ছে কিংবা যে ভালো জিনিসগুলো হচ্ছে এসবই বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপ থেকে ঠিক হওয়া শুরু হবে। আমাদের সামনে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচও নেই। আমি নিশ্চিত কোচ, অধিনায়ক এসব চিহিৃত করে। তারা খুবই ভালো চিন্তা করে যে কোন জায়গাতে আরও ভালো করলে আরও একটু ভালো হতো। আমি নিশ্চিত কখনই কোনো দলের নেতা, দেশের প্রধান দেশের জন্য বা দলের জন্য খারাপ চায় না। তাদের ইন্টেনশন কখনই খারাপ থাকে না।সিদ্ধান্ত ঠিক, ভুল সবই হতে পারে।'
এবছর ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। কন্ডিশন আর নিজেদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই মেগা আসরে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা দেখছেন অনেকেই। এই বিশ্বকাপ ঘিরে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আশাবাদী সাকিবও।
বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আইসিসির টুর্নামেন্টে কন্ডিশন সবসময় ফেয়ার থাকে। সব দলের জন্যই ব্যাপারগুলো একই রকম। আমাদের সবকিছুই ভালো করতে হবে, ভালো রেজাল্ট করতে হবে। সবশেষ বিশ্বকাপে আমাদের ভালো সুযোগ ছিল সামান্য কিছু কারণে হয়ত সফল হতে পারিনি।'
মন্তব্য করুন


হংকংয়ের বিপক্ষে শমিত, জায়ান ও ফাহামিদুলসহ তারা চারজনই ম্যাচের শুরু থেকে খেলতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। শুরুবার (১০ অক্টোবর) হংকংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন তিনি।
তবে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে হংকংয়ের কাছে হারের পর বিষণ্ন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। অ্যাওয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন সবাই। আগামী ১৪ অক্টোবরের হংকংয়ের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ।
জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি, শমিত, ফাহামিদুল, জায়ান একসঙ্গে ওয়ার্ম-আপ করি। সে সময় ওদের বলেছি, আমরা যখন নামবো তখন ম্যাচের গতিপথ বদলাতে হবে। আমাদের চার জনের ইমপ্যাক্ট ভালো ছিল। চার জনই শুরুর একাদশে খেলতে চাই। সব মিলিয়ে আমরা ভালো খেলেছি।’
তবে কে খেলবেন তা কোচ ঠিক করবেন। জামাল তেমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন না খেলি সেটা তো ভুল, এটা আমি বলবো। আমি সব ম্যাচ খেলতে চাই। কিন্তু দিনশেষে কারা খেলবে এটা কোচের সিদ্ধান্ত। আমি চাই খেলতে।’
বাংলাদেশ দলের শেষ মুহূর্তে গোল হজম নিয়ে জামাল বলেন, ‘এই দলের একটা হিস্টরি আছে, আমরা শেষ মুহূর্তে গোল হজম করি। এই ম্যাচের আগে আমরা আলাপ করেছি, আমাদের ফুল ম্যাচ ফোকাসড থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি, আমরা যদি জিততে চাই বা পয়েন্ট নিতে চাই, আমাদের পুরো ম্যাচে মনোযোগী থাকতে হবে। কিন্তু আমরা পারিনি।’
সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে জামাল বলেন, হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইতিবাচক কিছু করতে চান। ‘তাদের তিন পয়েন্ট দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। আরও তিন পয়েন্ট... ইনশাআল্লাহ আমরা কিছু দিতে পারবো।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
গত বছরের জুনে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন লিওনেল মেসি। মায়ামিতে ভিড়েই দলকে শিরোপা জিতিয়েছেন মেসি। তবে ব্যক্তিগত অর্জন ছিল না। অবশেষে ইউরোপ ছাড়ার ১০ মাস পর সুখবর পেলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। এপ্রিল মাসে মেজর লিগের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন তিনি।
মায়ামিতে যোগ দিয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করলেও চলতি বছরটা ভালো যায়নি মেসির। ইনজুরির কারণে অনেক ম্যাচেই খেলতে পারেননি। তবে গত মাসে মাঠে ফিরে দারুণ ছন্দে ছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। তারই পুরস্কার এই মাসসেরা হওয়া।
এপ্রিল মাসে মায়ামির হয়ে সবগুলো ম্যাচেই মাঠে ছিলেন মেসি। ৪ ম্যাচ খেলে একটি ম্যাচেও হারেনি ডেভিড বেকহ্যামের যৌথ মালিকানাধীন এই দলটি। ম্যাচগুলোতে প্রতিপক্ষের জালে ১২ গোল দিয়েছেন মেসি-লুইস সুয়ারেজরা। এই ১২ গোলের ১০টিতেই অবদান আছে মেসির। নিজে ৬টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল।
ইনজুরির কারণে এই মৌসুমের অনেকগুলো ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকলেও মেজর লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসিই। ৯ গোল করেছেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। ৮টি করে গোল করে যৌথভাবে দুই নম্বরে আছেন রিয়েল সল্ট লেকের কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ান আরাঙ্গো ও ডিসি ইউনাইটেডের বেলজিয়ান ফুটবলার ক্রিস্টিয়ান বেনটেকে।
মন্তব্য করুন


রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে চলেছে সাফল্যের পথে। তবে ফুটবল মাঠের পাশাপাশি এবার ভিনিসিয়ুসের নজর ব্যবসায়িক দিকেও। পর্তুগালের একটি দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ক্লাব কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ইএসপিএন জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনায় বৈচিত্র্য আনার জন্য এবং অবসরের পরের জীবনকে মাথায় রেখে ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে থাকা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে একটি কিনতে আগ্রহী তিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, ক্লাব কেনার জন্য ভিনিসিয়ুসের পাশে রয়েছে একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপে-এর সাংবাদিক রবার্তো আন্তোলিন প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন যে, ভিনিসিয়ুস ইতোমধ্যে ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন।
যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ঠিক কোন ক্লাবটি কিনতে আগ্রহী ভিনিসিয়ুস, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ভিনিসিয়ুস আলভেরকা ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
লিসবনের কাছাকাছি অবস্থিত এই ক্লাবটি বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা আনুমানিক ১ কোটি ইউরো দিয়ে ক্লাবটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২০২৪ সালে ভিনিসিয়ুসের আয় হবে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৪ কোটি ডলার আসবে তার বেতন থেকে এবং বাকি ১.৫ কোটি ডলার আসবে স্পনসরশিপ থেকে।
ভিনিসিয়ুসের স্পনসরদের মধ্যে গ্যাটোরেড, পেপসি, ইউনিলিভার এবং নাইকির মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া, ব্রাজিলে ভিনিসিয়ুসের একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলো ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে সাবিনাদের অলিম্পিক বাছাইয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই নানা সমালোচনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সর্বশেষ আজ হাইকোর্ট থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চার মাসের মধ্যে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করার।
আজ সকালে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশনা আসার ঘন্টা দু’য়েকের মধ্যে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ফেডারেশনে আসেন। ভবনের নিচেই উপস্থিত সাংবাদিকরা সালাউদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে কিছুক্ষণ পর উপস্থিত সবাইকে ডেকে কথা বলবেন বলে জানান। ফেডারেশনে তার কক্ষে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদেরও তিনি বলেছিলেন মিডিয়ায় এই বিষয়ে কথা বলবেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সাংবাদিকরা অবশ্য বাফুফে ভবনে অপেক্ষায় থাকেন দীর্ঘক্ষণ। প্রবেশের মতো সালাউদ্দিন বেরিয়ে যাওয়ার পথেও সাংবাদিকদের সামনে পড়েন। তখন পুনরায় তাকে জিঞাসা করলে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গণমাধ্যমে কথা বলতে এসেই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাই এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, 'এখনো আমরা নির্দেশনার কোনো কপি পাইনি। আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আপনাদেরও অবহিত করা হবে।’
আরও পড়ুন>>> দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত কাজী সালাউদ্দিন
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তার অধীভুক্ত সংস্থাগুলোতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে না। তৃতীয় পক্ষের বড় ধরনের হস্তক্ষেপ থাকলে সেই সংস্থাকে বহিষ্কারও করে। দুদকের প্রতি হাইকোর্টের এই নির্দেশনা ফিফার আইন ও দৃষ্টিতে কেমন এ নিয়েও বাফুফে কর্তারা কিছু বলেননি।
বাফুফেতে দুর্নীতির বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে দুদক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, নির্বাহী সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেনকে চিঠি দিয়েছিল। সেই তদন্ত বেশ কিছু দিন চলার পর কাজী সালাউদ্দিনের তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি বলে চিঠি দিয়ে নিষ্পত্তিও করেছিল।
মন্তব্য করুন


ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পারফর্ম করা তরুণ ক্রিকেটারদের চান রবি শাস্ত্রী। এদের গড়ে তুলতে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সাময়িক সময়ের জন্য দলের বাইরে চান ভারতের সাবেক এই কোচ। অবশ্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যদি রোহিত-কোহলিরা ফর্মে না থাকেন বা ধারাবাহিক না হন- সেক্ষেত্রে ওই সময়ে এগিয়ে থাকা ক্রিকেটারকেই দলে চান তিনি।
এবারের আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, জিতেশ শর্মা, তিলক ভার্মা, নেহাল ওয়াধেরা, রিঙ্কু সিং, প্রভসিমরান সিং, আনমলপ্রীত সিংদের মতো ক্রিকেটাররা। জয়সাওয়াল, রিঙ্কু, জিতেশরা যেমন আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত রান করে দল জেতাচ্ছেন, বাকিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী দারুণ খেলছেন।
বিশেষ করে ১২০-৩০ বা ১৭০-৮০, এমনকি দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটেও রান করছেন অনেকেই। এসব প্রতিভাবানদের হারাতে চান না শাস্ত্রী। দ্রুতই তাদের ভারতীয় দলে চান সাবেক এই ক্রিকেটার।
শাস্ত্রী বলেন, 'এরপর প্রথম যে টি-টোয়েন্টি সিরিজই আসে, এই তরুণদের খেলানো উচিত। এদের সামনে আনা উচিত। তাদের এখনই প্রস্তুত করা উচিত। রোহিত, কোহলির মতো ক্রিকেটাররা আগেই প্রমাণিত। আপনি জানেন তারা কী করতে পারে।'
'আমি আইপিএলে পারফর্ম করাদেরই দলে চাইব যেন তারা সুযোগ পায়। এতে তারাও যেমন সুযোগ পাবে, রোহিত-কোহলিরাও ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজেদের সতেজ রাখতে পারবে।'
ক্রিকইনফোর সেই অনুষ্ঠানে শাস্ত্রীর এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হয়, 'তাহলে রোহিত, কোহলি বা লোকেশ রাহুলরা কি জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না?'
জবাবে শাস্ত্রী বলেন, 'এক বছর অনেক লম্বা সময়। কেউ ফর্মে থাকতে পারে। ফর্ম হারাতেও পারে। আপনার ওই সময়ের সেরা ক্রিকেটারকে খুঁজে বের করতে হবে। অবশ্যই অভিজ্ঞতা বা ফিটনেস- এসবও বিবেচনায় আসবে। কে সেই মুহূর্তে ধারাবাহিক, রান করছে কিনা, কোথায় রান করছে- এসবও দেখতে হবে।'
'দলে সঠিক পজিশনের জন্য সঠিক ক্রিকেটারকে দরকার। কেউ যদি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিন-চারে ব্যাটিং করে তাহলে জাতীয় দলে তাকে দিয়ে আপনি ওপেন করাবেন বা ছয়ে নামাবেন- ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়।'
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
চলতি মৌসুমের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফর্ম করে চলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির ইংলিশ ফুটবলার ফিল ফোডেন। তার পুরস্কারও এবার পেলেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। ইংল্যান্ডের ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফডব্লিউএ) বিচারে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন তিনি। মেয়েদের বিভাগে এই পুরস্কার জিতেছেন সিটিরই জ্যামাইকান ফরোয়ার্ড খাদিজা শ।
আজ শুক্রবার এই দুজন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এটি নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নারী-পুরুষ দুই বিভাগেই বর্ষসেরা পুরস্কার উঠল সিটির ঘরে। ২০১৯ সালে ছেলেদের বিভাগে পুরস্কার জিতেছিলেন রাহিম স্টার্লিং। মেয়েদের বিভাগে জিতেছিলেন নিকিতা প্যারিস।
২০২৩-২৪ মৌসুমে সিটির হয়ে আক্রমণভাগে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের নাম হয়ে উঠছেন ফোডেন। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এরই মধ্যে করেছেন ২৪ গোল। এছাড়া সতীর্থদের দিয়ে আরও ১০টি গোল করিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
৪২ শতাংশ ভোট পেয়ে বর্ষসেরা হয়েছেন ফোডেন। পরের স্থানগুলোতে আছেন ফোডেনের ক্লাব সতীর্থ রদ্রি ও আর্সেনালের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস। গত বছর এই পুরস্কার জিতেছিলেন সিটির ফরোয়ার্ড আর্লিং হল্যান্ড।
মেয়েদের বিভাগে খাদিজা পেয়েছেন ৫৩ শতাংশ ভোট। চলতি মৌসুমে উইমেনস সুপার লিগে এখনো পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার ওপরেই আছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
মন্তব্য করুন


ফুটবল বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের মধ্যে বর্তমানে অন্যতম আর্জেন্টাইন তারকা এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তিনি টানা দুই মৌসুমে ব্যালন ডি'অরের মঞ্চে 'ইয়াশিন ট্রফি' জিতেছেন এবং একদিন আগেই 'ফিফা দ্য বেস্ট' গোলরক্ষকের পুরস্কারও অর্জন করেছেন। এসব অর্জন তার মাঠের পারফরম্যান্স এবং দলের প্রতি অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। এই পরিস্থিতিতে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কবে গ্লাভস তুলে রাখবেন তিনি।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ২০২২, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ী দলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলবিসেলেস্তে ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ) একটি সাক্ষাৎকার আয়োজন করে। ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এএফএ আয়োজিত 'ফুটবল টক' অনুষ্ঠানে মার্টিনেজ বলেন, "যদি আমি আর্জেন্টিনার হয়ে দু'বার বিশ্বকাপ জিততে পারি, তবে আমি অবসর নেব। আমি আজই প্রতিজ্ঞা করছি, বিশ্বকাপের পর আমি গ্লাভস তুলে রাখব।" পরে তিনি আরও বলেন, "এখন আমার বয়স মাত্র ৩২, যখন বিশ্বকাপ আসবে তখন ৩৩ হবে, অর্থাৎ তখনও যথেষ্ট তরুণ থাকব।"
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি ছিল ইতিহাসমুখী। সাড়ে তিন যুগ পর আর্জেন্টিনা ফ্রান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করে। নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে বড় অবদান ছিল এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। তিনি ফরাসি ফরোয়ার্ড কোলো মুয়ানির একটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন, যা আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে মার্টিনেজ বলেন, "এমন আরও অনেক কঠিন শট আমি ঠেকিয়েছি, কিন্তু ওই মুহূর্তে আমি চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করছিলাম, 'যদি প্রয়োজন হয়, আমার মুখ উড়ে যাক।'"
ফাইনালে, লিওনেল মেসি দুটি গোল করেন এবং এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেন। এরপর টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন মার্টিনেজ, এবং আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়। পিটার ড্রুরির কণ্ঠে পুরো ফুটবলবিশ্ব মোহিত হয়ে ওঠে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
দুর্দান্ত ফর্ম থাকার পরও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হয়নি শাহিন আফ্রিদির। অথচ ওয়ানডে সিরিজে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭ উইকেট শিকার করেন তিনি। পাকিস্তানের সিরিজ জয়ে তার আগুনে বোলিংয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তবু কেন পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হলো না আফ্রিদির? পাকিস্তানের ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তান জানিয়েছে, মূলত নির্বাচকদের সঙ্গে বিবাদের জেরেই এমনটা হয়েছে।
ওয়ানডে সিরিজের পর নির্বাচকরা তাকে একটি চারদিনের ম্যাচে অংশ নিতে বলেছিলেন। তবে আফ্রিদি সে ‘আদেশ’ না মানার কারণেই নাকি তাকে টেস্ট দলে রাখা হয়নি। তবে একইভাবে বাবর আজমও চারদিনের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও তাকে ঠিকই দলে রাখা হয়েছে।
টিম ম্যানেজমেন্ট চাইলে টেস্ট সিরিজের জন্য দলের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন আফ্রিদি। তবে এক্ষেত্রে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে কোনো ইতিবাচক সিগন্যাল দেয়নি।
এদিকে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে একজন বাঁহাতি পেসারের অভাব বোধ করছে পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির পাশাপাশি আরেক বাঁহাতি পেসার মীর হামজাকেও স্কোয়াডে রাখেননি নির্বাচকরা।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেন নেইমার। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক রাজকীয় আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেইমারকে বরণ করে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস। নেইমারের ফেরাকে ঘিরে সান্তোসের স্লোগান ছিল—‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন নেইমার। এর আগে, ব্রাজিলের স্থানীয় সময় সকালে সাও পাওলোতে অবতরণ করে তার ব্যক্তিগত বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের পর হেলিকপ্টারে করে সান্তোসে পৌঁছান ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মাঠের মাঝখানে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে উঠে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন নেইমার।
ঘরের ছেলেকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও তাকে স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান। মাঠে মাথা ও হাত নুইয়ে নিজের বিখ্যাত গোল উদযাপনের ভঙ্গিমা করেন তিনি। এরপর সান্তোসের মাটিতে চুমু খান। ‘নেইমার মিথ’-এর জন্ম তো এই ভিলা বেলমিরোর মাটিতেই।
নেইমার মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতেই দর্শকরা তার পায়ে ড্রিবলিং দেখতে চান। উত্তরে নেইমার বলেন, ‘আমি খুবই সুখী। এখানে দারুণ সময় কেটেছে। সামনে তেমন সময় আরও আছে। (ড্রিবল করতে) সাহসের অভাব হবে না।’
গত সোমবার রাতে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল। ২০২৩ সালে আল-হিলালে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। পরে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই চুক্তি বাতিল হয়।
নেইমারের চুক্তি নিয়ে সান্তোসের সহসভাপতি ফার্নান্দো বোনাভিদেস ক্যানাল বলেন, ‘এই চুক্তিপত্র প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের। তবে তাকে ধরে রাখতে আমরা সব রকম চেষ্টাই করব। আমরা চাই, সে যেন আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকে।’
কালো ক্যাপ ও কালো গেঞ্জি পরা নেইমার ছয় মাসের চুক্তিপত্রে সই করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তোস শহর এবং ক্লাবটির রাজা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সান্তোস। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পেলের কণ্ঠে নেইমারকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেটারই দ্বিতীয় সংস্করণে প্রয়াত কিংবদন্তি পেলের প্রতি নেইমারকে বলতে শোনা যায়, ‘কিং পেলে, আপনার ইচ্ছাই আমার জন্য নির্দেশ। সিংহাসন ও মুকুট আপনারই আছে। কারণ, আপনি চিরকালীন। কিন্তু পবিত্র ১০ নম্বর জার্সিটি পরা হবে সম্মানের সঙ্গে, যা সান্তোস এবং এই পৃথিবীর জন্য অনেক কিছু। আপনার রেখে যাওয়া লিগ্যাসিকে সম্মান দিতে আমি সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সান্তোসের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হয়নি। সবাই জানত, সৌদি আরবের আল-হিলালের পাট চুকিয়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার। তার জন্য স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে একটি কনসার্টেরও আয়োজন করে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগের এই ক্লাব। বৃষ্টির মধ্যেই ভিলা বেলমিরোর গ্যালারিতে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ভিড়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার এটাই নেইমারের শেষ সুযোগ। সে জন্য ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরতে হলে আগে নিয়মিত ম্যাচ খেলার দরকার, যা আল-হিলালে হচ্ছিল না। সান্তোসে সেই সুযোগ পাবেন নেইমার। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরতে চাই। অর্জনের জন্য এখনো একটি (বিশ্বকাপ) মিশন বাকি আছে, যা আমার শেষ সুযোগ বলে মনে করি। যা–ই হোক না কেন, আমি এটার পেছনে ছুটব।’
সংবাদ সম্মেলনে সান্তোসে ফেরার কারণও ব্যাখ্যা করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির বাইরে। আল-হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবারও ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
ফেরার পর কেমন লাগছে, তা-ও জানান নেইমার। তিনি বলেন, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, ১৭ বছর বয়সে ফিরে গেছি। খুব ভালো লাগছে এবং খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
সান্তোসের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা নেইমারের। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ক্লাবটির মূল দলে। এরপর ইউরোপযাত্রা। প্রথমে বার্সেলোনা, এরপর পিএসজি হয়ে দেড় বছর আগে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন। তবে ব্রাজিল ছাড়ার সাড়ে ১১ বছর পর আবারও সান্তোসে ফিরে নেইমার যেন ক্যারিয়ারের চক্র পূরণ করলেন। এর মধ্যে অনেকবার চোটে পড়েছেন। মৌসুমে নিয়মিত মাঠেও নামতে পারেননি। আগের সেই ধারা আছে কি না, সান্তোস ঠিক নিশ্চিত না হলেও ঘরের ছেলেকে আগের মতো হৃদয় দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন ক্লাবটির সমর্থকেরা। পার্থক্য একটাই, প্রথম দফায় খেলেছেন ১১ নম্বর জার্সিতে, এবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছেন।
সেই জার্সিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নেইমার ফটোসেশনও করেন। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠে ফিরে খেলার। গত বছর নভেম্বরে আল-হিলালের হয়ে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামা হয়নি তার। সংবাদ সম্মেলনে নেইমার জানান, শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলেও এখনো ১০০ শতাংশ ফিরে পাননি।
ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় আগামী বুধবার বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, এই ম্যাচে সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয় দফায় অভিষেকের সম্ভাবনা আছে নেইমারের।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তান সিরিজে খেলবেন সাকিব আল হাসান। আজ বুধবার শেরে বাংলায় বোর্ডের মিটিংয়ের আগে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি ফারুক আহমেদ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর সময় ঘনিয়ে এলেও এখনও দল ঘোষণা করা হয়নি। সাকিব এই সিরিজে খেলবেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বিসিবির পক্ষ থেকে। সেজন্য সাকিবের সম্পর্কে জানতে চাইলে বোর্ড সভাপতি বলেন, “সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে বলতে চাই, যেহেতু আফগানিস্তানের বিপক্ষে দলের নাম এখনও দেওয়া হয়নি, তাই তার (সাকিব) বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।”
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে টেস্ট খেলতে সাকিবকে বোর্ড নিষেধ করেছে, এই বিষয়ে স্পষ্টতা দিতে ফারুক বলেন, “সাকিবকে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ টেস্ট খেলতে দেশে ফিরতে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে বোর্ডের কোনো দায় নেই। আমরা ওই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত নই। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সরকার এবং সাকিব (জড়িত) ছিল। আমরা শুধু সহায়ক ভূমিকা পালন করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে সাকিব ঘরের মাঠে খেলতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “সাকিব শুধু একজন খেলোয়াড় নন, তিনি আগের সরকারের (পতিত শেখ হাসিনা সরকার) সময়ে একজন এমপি ছিলেন। সেক্ষেত্রেও কিছু বিষয় আছে। সব মিলিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা আর ক্রিকেট বোর্ডের ভাবনা এক ছিল না। আমি একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে দেখেছি, একজন ছেলে ১৭ বছর ক্রিকেট খেলেছে। সে একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর, বাংলাদেশ জন্য অনেক কিছু করেছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি সে খেলতে পারতো, তাহলে এটি ভালো হতো।”
ফারুক আহমেদ যোগ করেন, “আমাদের অন্যান্য বিষয়গুলো দেখতে হবে। সেগুলো বিবেচনা করে সে শেষ মুহূর্তে আসতে পারেনি। তবে বোর্ডের করার কিছু ছিল না। এটি সম্পূর্ণ আইনি বিষয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়। এটি ছিল সাকিব এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর নির্ভরশীল। বোর্ডের এ ব্যাপারে কিছু করার ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, “বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী যদি সাকিব আসতেন, তাহলে আমরা যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারতাম। যেহেতু তিনি আসেননি, তাই এ নিয়ে কথা বলার কোনো মানে নেই।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হোমভেন্যু হিসেবে নিয়ে এই সিরিজ আয়োজন করবে আফগানিস্তান। ৬ নভেম্বর সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ ও ১১ নভেম্বর সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন