

স্পোর্টস ডেস্ক:
বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গতকাল ৭৫ মিনিটে মাঠে নামেন লুকা মদ্রিচ। নেমেই ডিফেন্সচেরা পাসে মনে করিয়ে দেন ফুরিয়ে যাননি এখনো। ম্যাচে দারুণ একটি মাইলফলকও অর্জন করেন ৩৮ বছরের মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে মদ্রিচই এখন সবচেয়ে বেশি বয়সে ম্যাচ খেলা ফুটবলার।
মদ্রিচ ছাড়িয়ে গেছেন রিয়াল কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাসকে। অ্যারিয়েঞ্জ অ্যারিনায় গতকালের ম্যাচের দিন মদ্রিচের বয়স ছিল ৩৮ বছর ২৩৪ দিন। পুসকাস রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলেছিলেন ৩৮ বছর ২২৯ দিন বয়সে।
পুসকাসের তৈরি করা কীর্তি ৫৯ বছর পর ভাঙলেন মদ্রিচ। ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ইউরোপিয়ান কাপে কিলমারনকের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিলেন পুসকাস। রিয়ালের হয়ে সবমিলিয়ে ৫২৮তম ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১১৮তম ম্যাচে কীর্তিটি গড়লেন মদরিচ। তথ্য বেইন স্পোর্টসের।
ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও এদিন ভাগ বসিয়েছেন মদ্রিচ। ছাড়িয়ে গেছেন ৫২৭ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার রবার্তো কার্লোসকে। রিয়ালের ইতিহাসে ১৪তম সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার এখন মদ্রিচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি এখন পঞ্চম। রিয়ালের হয়ে এই প্রতিযোগিতায় তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন ইকার ক্যাসিয়াস, করিম বেনজেমা, রাউল গঞ্জালেস ও সার্জিও রামোস।
ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলার মদ্রিচ ৩৯ বছরে পা দিচ্ছেন চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর। তবে রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হবে আগামী ৩০ জুন। রিয়ালের ইতিহাসের সবেচেয়ে বুড়ো খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়তে তাই নতুন চুক্তির আওতায় আসতে হবে মদ্রিচকে। ১৯৬৬ সালের মে মাসে পুসকাস যখন কোপা দেলরেতে রিয়ালের হয়ে শেষ পেশাদার ম্যাচটি খেলেন, তখন তার বয়স হয়েছিল ৩৯ বছর ৩৬ দিন।
রিয়ালের হয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলা সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলার
লুকা মদ্রিচ: ৩৮ বছর ২৩৪ দিন
ফেরেঙ্ক পুসকাস: ৩৮ বছর ২২৯ দিন
বুয়ো: ৩৮ বছর ৫৩ দিন
দি স্তেফানো: ৩৭ বছর ৩২৮ দিন
দুদেক: ৩৭ বছর ২৬০ দিন
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটির জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ১৫ সদস্যের এই দলে আছেন সাকিব আল হাসান। আর বাদ পড়েছেন ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে থাকা খালেদ আহমেদ।
১ম টেস্টের বাংলাদেশ দল
নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, জাকির হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা।
মন্তব্য করুন


ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে। তবে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে এখনও পদত্যাগ করেননি তিনি।
অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন।
এর আগে এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তার দত্যাগের দাবি করে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। তিনি বলেন, ‘মাঠে যাবো একটাই শর্তে, বিসিবি থেকে এসে যদি কমিটমেন্ট করে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই লোক বিসিবিতে থাকবে না। যদি থাকে, তাহলে খেলা বন্ধের দায় ক্রিকেটাররা নেবে না। যদি বিসিবি থেকে অফিশিয়াল ডিক্লেয়ার করে।’
তবে নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে পরিচালকের পদ থেকে নাজমুলকে সরাতে পারবে না বিসিবি। ক্রিকেট বোর্ডের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী শুধুমাত্র মৃত্যু হলে, মানসিক ভারসাম্য হারালে, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি হলে, অর্থনৈতিভাবে দেওলিয়া হলে, পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকলে অথবা নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে কারো পরিচালক পদ বাতিল হয় না। এখানে প্রথম পাঁচটি কারণ নাজমুলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে তিনি নিজ থেকে পদত্যাগ করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তিনবারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিসিবির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন নাজমুল। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা (ক্রিকেটাররা) গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, তাহলে ওদের পেছনে আমরা যে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা ওদের কাছ থেকে ওই টাকা ফেরত চাইছি নাকি!’
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিসিবির এই পরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা যে ওদের পেছনে এত খরচ করছি, বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ওরা কিছুই করতে পারছে না। আজ পর্যন্ত আমরা একটাও বৈশ্বিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি? কোনো একটা জায়গায় আমরা কতটুকু কী করতে পারছি? আমরা তাহলে তো প্রত্যেকবারই বলতে পারি, তোমরা খেলতে পারনি, তোমাদের পেছনে যা খরচ করেছি, এটা এবার তোমাদের কাছ থেকে আমরা নিতে থাকি, ফেরত দাও।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ২০ জুন কোপা আমেরিকার ট্রফি ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন লিওনেল মেসিরা। একটিতে প্রতিপক্ষ লাতিন আমেরিকার ইকুয়েডর, আরেকটিতে মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কাল আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ দুটির প্রতিপক্ষ ও ভেন্যু নিশ্চিত করেছে।
কোপা আমেরিকার আগে আর্জেন্টিনা দলের প্রীতি ম্যাচের খবর জানা গিয়েছিল আগেই। তবে একটি ম্যাচের প্রতিপক্ষ ও ভেন্যুর বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল না। এএফএ ওয়েসবাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৯ জুন শিকাগোর সোলজার ফিল্ড স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। আর গুয়েতেমারার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৪ জুন ওয়াশিংটন ডিসিতে।
দুটি ম্যাচের মধ্যে লাতিন আমেরিকান দল ইকুয়েডরকে প্রস্তুতির জন্য সেরা প্রতিপক্ষ মনে করছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। ২০২৬ বিশ্বকাপের আঞ্চলিক বাছাইয়ে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে হেরেছে ইকুয়েডর, সর্বশেষ পাঁচটিতে ৩ জয় ২ ড্র তাদের। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনা–ইকুয়েডর দু দলই নিজ গ্রুপ থেকে প্রত্যাশিতভাবে এগোতে পারলে মুখোমুখি দেখা হবে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালে।
ইকুয়েডরকে ‘কঠিন প্রতিপক্ষ’ আখ্যা দিয়ে স্কালোনি বলেন, খেলোয়াড়েরা লম্বা একটা মৌসুম শেষ করে খেলতে নামবে। অনেকেরই মৌসুমজুড়ে প্রচুর ম্যাচ খেলতে হয়েছে। যে দুটি ম্যাচ আছে, এর মধ্যেই দল প্রস্তুত হয়ে যাবে। ইকুয়েডর কঠিন প্রতিপক্ষ। আর গুয়েতেমালা ম্যাচে অনেক দর্শক হয়। সেটাও ভালো ম্যাচই হবে। কারণ, মানুষ দিন শেষে ভালো ফুটবলই দেখতে আসে।
এদিকে কোপা আমেরিকায় প্রতিটি দলকে ২৩ জনের পরিবর্তে ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণার সুযোগ দিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এর আগে উয়েফাও এবারের ইউরোয় ২৬ জনের দলের অনুমোদন দিয়েছে।
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ২০ জুন কানাডার বিপক্ষে, আটালান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম। ২৫ জুন নিউজার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ চিলি। আর ২৯ জুন মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের শেষ প্রতিপক্ষ পেরু।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
চ্যাম্পিয়ন লিগে ৫০ তম গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। নবম ফুটবলার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন ২৫ বছর ৩৫৬ দিনে।
মঙ্গলবার আটালান্টার বিপক্ষে ম্যাচের ১০ মিনিটে গোলটি করেন তিনি। কিন্তু পরেই ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্রান্সম্যান। শেষ ৪ ম্যাচের তিনটিতে গোল করেছেন তিনি।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে এমবাপ্পের বদলি করা হয় রদ্রিগো গোয়েসকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডও ইনজুরিতে ছিলেন। ম্যাচ শেষে জানা গেছে, ঊরুর মাংসপেশির ইনজুরিতে পড়েছেন এমবাপ্পে। কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে তা অবশ্য পরিষ্কার করা হয়নি। তবে শনিবার রাতে রায়ো ভায়োকানোর বিপক্ষে তার খেলার সম্ভাবনা কম।
এমবাপ্পের ইনজুরির বিষয়ে ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘এমবাপ্পের মাংসপেশিতে টান লেগেছে। ঊরুতে কিছুটা অস্বস্তি আছে। দেখতে হবে, তার বিষয়টি কী। খুব একটা সিরিয়াস ইনজুরি মনে হয়নি। আমি পরিষ্কার জানিও না। তবে সে দৌড়াতে পারছিল না।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কোপা আমেরিকার চলতি আসরের শুরু থেকেই ছন্দে নেই আনের্জন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। আসরে এখনও পর্যন্ত গোলের দেখা পাননি ইন্টার মিয়ামির এই তারকা।
চিলির বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনজুরিতে পড়েন মেসি। যে কারণে পেরুর বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। কোয়ার্টারে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেললেও মেসি ছিলেন না ফর্মে। টাইব্রেকারে পেনাল্টিও মিস করেন।
মেসির এমন ইনজুরি সঙ্গে ফর্ম নিয়ে সমর্থকরা চিন্তিত হলেও চিন্তিত নন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি যদি শতভাগ ফিট নাও থাকেন, তবুও তাকে কানাডার বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী কোচ।
মেসির খেলা প্রসঙ্গে কোচ বলেন, আমরা জানি, সে যদি পুরোপুরি ফিট নাও থাকে, তবুও সে দলের জন্য কী দিতে পারে। ৯৯ শতাংশ সময়ে সে সুস্থ থাকে খেলার জন্য। সে সুস্থ না হয়ে খেলতে নামবে, আমার সঙ্গে এমনটা হয়নি কখনো। সে যখনই খেলতে নামে, পুরোপুরি সুস্থ থেকেই খেলতে নামে। আগামীকালকের ম্যাচের জন্যেও সে পুরোপুরি প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, এটা আমার জন্য একদমই সহজ সিদ্ধান্ত যে, মেসি পুরোপুরি সুস্থ থাকলে পুরো সময় খেলবে এবং কিছুটা ফিট না থাকলে শেষের ৩০ মিনিট খেলবে। সে সুস্থ থাকলে কেন খেলবে না? এটা নিয়ে কি আপনাদের সন্দেহ রয়েছে? আমি দলের কোচ। আমার কোনো সন্দেহ নেই এই ব্যাপারে। সে যদি শতভাগ সুস্থ নাও থাকে, তবুও খেলবে। আমিই এটার দায়িত্ব নিচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় কিছুতেই যেন পল পগবার চোট পিছু ছাড়ছে না। জুভেন্তাসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই একের পর এক ইনজুরিতে ভুগছেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার। এই দুর্ভাগ্যের কারণে এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন পগবা। যা তাকে ফ্রান্সের হয়ে সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপেও অংশ নিতে দেয়নি। দীর্ঘ সময় পর মাঠে ফিরে ১ ম্যাচ খেলেই ফের চোট পান। এরপর ৯ ম্যাচেই মাঠে নামেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। সর্বশেষ গত রোববার (১৪ মে) ম্যাচের ২৪ মিনিট যেতেই চোট নিয়ে বিশ্বজয়ী এই ফুটবলার কান্নাভেজা চোখে মাঠ ছেড়েছেন।
সিরি-আ’য় ক্রেমোনেসের বিপক্ষে জুভেন্তাসের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন পগবা। একটি ক্রস করার পর বাম ঊরুতে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তার। যা তাকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দিয়েছে। ম্যাচটি জুভেন্তাস ২-০ গোলে জিতলেও কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রির কণ্ঠে পগবার জন্য হতাশা ঝরেছে।
২০২২ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম শুরুর একাদশে মাঠে নামেন পগবা। গত বছরের ওই ম্যাচটি ছিল তার তখনকার ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে লিভারপুলের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে পায়ের পেশিতে চোট পান পগবা, যা তাকে গত মৌসুমের বাকি অংশ থেকে ছিটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
বিয়ের সাড়ে পাঁচ বছর পর সুখবর দিয়েছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। বুধবার মুস্তাফিজ ও তার স্ত্রী সামিয়া পারভীন শিমুর ঘর আলোকিত করেছে পুত্র সন্তান।
ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে একটি পোস্ট দিয়ে সুখবরটি জানিয়ে মোস্তাফিজ জানান, বর্তমানে মা এবং নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এর আগে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে পারিবারিক কারণে ছুটি নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। স্ত্রীর সন্তানসম্ভবা অবস্থায় পাশে থাকার জন্যই তিনি এই ছুটি নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে নিজ জেলা সাতক্ষীরার মেয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সামিয়া পারভীন শিমুর সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন মোস্তাফিজ। বিয়ের পর থেকে তারা সুখী দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছেন।
মন্তব্য করুন


নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় আরেকটি নতুন মাইলফলকের ঘোষণা দিল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবারের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ পরিচালনা করবেন নারীরা। এবারই প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অফিসিয়ালই থাকছেন নারীরা।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) আসন্ন নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে ১৪ আম্পায়ারের মধ্যে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের সাথিরা জাকির জেসি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হবেন তিনি।
সব নারী ম্যাচ অফিসিয়াল দিয়ে এর আগে কমনওয়েলথ গেমস ও দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিচালনা করা হয়েছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেই ধারার সূচনা হচ্ছে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় এবারের আসর থেকে। যা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তার মতে, অল-উইমেন ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেলের অন্তর্ভুক্তি বিশ্বজুড়ে নারী ক্রিকেটের সফলতা অর্জনের পথ আরও প্রশস্ত করবে।
তিনি বলেন, ‘নারী ক্রিকেটের যাত্রায় এটি একটি দারুণ মুহূর্ত, যা আমরা আশা করি ভবিষ্যতে খেলাধুলার সব ক্ষেত্রেই পথপ্রদর্শক হবে। শুধু নারীদের নিয়ে গঠিত ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেল অন্তর্ভুক্ত করা এক বিশাল মাইলফলক। এটি আইসিসির নারী-পুরুষ সমতা অর্জনের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারেরই একটি শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি।’
এবারের উইমেন’স ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রাইজমানিতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। নারী বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানিসহ সামগ্রিক অর্থ পুরস্কার রাখা হয়েছে ছেলেদের গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়েও কয়েক গুন বেশি।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া সাথিরা কদিন আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটেও গড়েছেন একটি ইতিহাস। দেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ছেলেদের ক্রিকেটে। সম্প্রতি সিলেটে বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস সিরিজে টিভি আম্পায়ার ছিলেন তিনি।
৩৪ বছর বয়সী সাবেক এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের শুরুর দিকের সেনানিদের একজন। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ হয়নি, খেলেছেন দুটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি। তবে দেশের হয়ে খেলেছেন তিনি আরও নানা টুর্নামেন্টে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সময়ই তিনি কোচিং কোর্স করে কোচ হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটার, কোচ ও ক্লাব কর্মকর্তার ভূমিকাতেও দেখা গেছে তাকে। পরে তিনি পা রাখেন আম্পায়ারিংয়ে। এখানে এগিয়ে যান দ্রুত পায়ে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ করে নেন দ্রুতই। গত বছর আইসিসি ডেভেলপমেন্ট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন সাথিরা। পরে উইমেন’স এশিয়া কাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ উইমেন’স এশিয়া কাপে আম্পায়ারিং করেন। ছেলেদের একটি ম্যাচের পাশাপাশি মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠের আম্পায়ার ও টিভি আম্পায়ার মিলিয়ে ৮ ওয়ানডে ও ২২টি টি-টোয়েন্টি পরিচালনা করেছেন সাথিরা।
এবারের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে হাইব্রিড মডেলে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করবে আসরটি। রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তান নারী দল ভারতে না গিয়ে তাদের ম্যাচ খেলবে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।
আট দলের আসরে ৩৩ দিনে হবে ৩১টি ম্যাচ। বাংলাদেশ এবার দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেন নেইমার। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক রাজকীয় আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেইমারকে বরণ করে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস। নেইমারের ফেরাকে ঘিরে সান্তোসের স্লোগান ছিল—‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন নেইমার। এর আগে, ব্রাজিলের স্থানীয় সময় সকালে সাও পাওলোতে অবতরণ করে তার ব্যক্তিগত বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের পর হেলিকপ্টারে করে সান্তোসে পৌঁছান ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মাঠের মাঝখানে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে উঠে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন নেইমার।
ঘরের ছেলেকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও তাকে স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান। মাঠে মাথা ও হাত নুইয়ে নিজের বিখ্যাত গোল উদযাপনের ভঙ্গিমা করেন তিনি। এরপর সান্তোসের মাটিতে চুমু খান। ‘নেইমার মিথ’-এর জন্ম তো এই ভিলা বেলমিরোর মাটিতেই।
নেইমার মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতেই দর্শকরা তার পায়ে ড্রিবলিং দেখতে চান। উত্তরে নেইমার বলেন, ‘আমি খুবই সুখী। এখানে দারুণ সময় কেটেছে। সামনে তেমন সময় আরও আছে। (ড্রিবল করতে) সাহসের অভাব হবে না।’
গত সোমবার রাতে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল। ২০২৩ সালে আল-হিলালে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। পরে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই চুক্তি বাতিল হয়।
নেইমারের চুক্তি নিয়ে সান্তোসের সহসভাপতি ফার্নান্দো বোনাভিদেস ক্যানাল বলেন, ‘এই চুক্তিপত্র প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের। তবে তাকে ধরে রাখতে আমরা সব রকম চেষ্টাই করব। আমরা চাই, সে যেন আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকে।’
কালো ক্যাপ ও কালো গেঞ্জি পরা নেইমার ছয় মাসের চুক্তিপত্রে সই করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তোস শহর এবং ক্লাবটির রাজা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সান্তোস। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পেলের কণ্ঠে নেইমারকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেটারই দ্বিতীয় সংস্করণে প্রয়াত কিংবদন্তি পেলের প্রতি নেইমারকে বলতে শোনা যায়, ‘কিং পেলে, আপনার ইচ্ছাই আমার জন্য নির্দেশ। সিংহাসন ও মুকুট আপনারই আছে। কারণ, আপনি চিরকালীন। কিন্তু পবিত্র ১০ নম্বর জার্সিটি পরা হবে সম্মানের সঙ্গে, যা সান্তোস এবং এই পৃথিবীর জন্য অনেক কিছু। আপনার রেখে যাওয়া লিগ্যাসিকে সম্মান দিতে আমি সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সান্তোসের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হয়নি। সবাই জানত, সৌদি আরবের আল-হিলালের পাট চুকিয়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার। তার জন্য স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে একটি কনসার্টেরও আয়োজন করে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগের এই ক্লাব। বৃষ্টির মধ্যেই ভিলা বেলমিরোর গ্যালারিতে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ভিড়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার এটাই নেইমারের শেষ সুযোগ। সে জন্য ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরতে হলে আগে নিয়মিত ম্যাচ খেলার দরকার, যা আল-হিলালে হচ্ছিল না। সান্তোসে সেই সুযোগ পাবেন নেইমার। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরতে চাই। অর্জনের জন্য এখনো একটি (বিশ্বকাপ) মিশন বাকি আছে, যা আমার শেষ সুযোগ বলে মনে করি। যা–ই হোক না কেন, আমি এটার পেছনে ছুটব।’
সংবাদ সম্মেলনে সান্তোসে ফেরার কারণও ব্যাখ্যা করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির বাইরে। আল-হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবারও ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
ফেরার পর কেমন লাগছে, তা-ও জানান নেইমার। তিনি বলেন, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, ১৭ বছর বয়সে ফিরে গেছি। খুব ভালো লাগছে এবং খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
সান্তোসের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা নেইমারের। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ক্লাবটির মূল দলে। এরপর ইউরোপযাত্রা। প্রথমে বার্সেলোনা, এরপর পিএসজি হয়ে দেড় বছর আগে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন। তবে ব্রাজিল ছাড়ার সাড়ে ১১ বছর পর আবারও সান্তোসে ফিরে নেইমার যেন ক্যারিয়ারের চক্র পূরণ করলেন। এর মধ্যে অনেকবার চোটে পড়েছেন। মৌসুমে নিয়মিত মাঠেও নামতে পারেননি। আগের সেই ধারা আছে কি না, সান্তোস ঠিক নিশ্চিত না হলেও ঘরের ছেলেকে আগের মতো হৃদয় দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন ক্লাবটির সমর্থকেরা। পার্থক্য একটাই, প্রথম দফায় খেলেছেন ১১ নম্বর জার্সিতে, এবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছেন।
সেই জার্সিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নেইমার ফটোসেশনও করেন। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠে ফিরে খেলার। গত বছর নভেম্বরে আল-হিলালের হয়ে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামা হয়নি তার। সংবাদ সম্মেলনে নেইমার জানান, শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলেও এখনো ১০০ শতাংশ ফিরে পাননি।
ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় আগামী বুধবার বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, এই ম্যাচে সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয় দফায় অভিষেকের সম্ভাবনা আছে নেইমারের।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বর্তমান সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার টনি ক্রুস। গতকাল নিজের ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে এক দীর্ঘ পোস্টের মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুম শেষে ক্লাব ফুটবল ও আগামী মাসে নিজেদের ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউরো শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার বিদায় জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
এরআগে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হওয়া ২০১৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপে শিরোপা জিতে জার্মানি। ঐ আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েন ক্রুস। পরে ২৫ মিলিয়ন ইউরোতে স্বদেশী ক্লাব বায়ান মিউনিখ ছেড়ে নাম লেখান নিজের স্বপ্নের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। এরপর আস্তে আস্তে ক্লাবটির মিডফিল্ডে সবচেয়ে বড় আস্থার নাম হয়ে ওঠেন তিনি। আর ইতিমধ্যে তার গায়ে লেগেছে মাদ্রিদের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারের তমকা। ক্লাবটির হয়ে মোট ২৪টি শিরোপা জিতেন এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার।
গতকাল ফুটবলকে বিদায় জানানোর সেই পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদ নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৭ জুলাই ২০১৪। সেদিন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম। সেদিনটি আমার জীবন বদলে দিয়েছে। একজন ফুটবলার হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে। ঐদিন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবের হয়ে আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পর চলতি মৌসুম শেষে আমার রিয়াল মাদ্রিদের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। আমি এই সময়গুলো কখনো ভুলবো না। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। যারা আমাকে এখানে স্বাগত জানিয়েছে এবং আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছে। প্রিয় মাদ্রিদস্তাস, ধন্যবাদ প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের স্নেহ ও ভালোবাসার জন্য।’
এছাড়াও রিয়াল মাদ্রিদ নিয়ে ক্রুস বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি। রিয়াল মাদ্রিদ আমার শেষ ক্লাব হবে। আমি অনেক আনন্দিত ও গর্বিত। আমার কাছে মনে হয় আমি সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ অন্যদিকে নিজ দেশ জার্মানির জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি একজন ফুটবলার হিসেবে এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপের মধ্যে দিয়ে আমি জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় জানাব।’
মন্তব্য করুন