

চোট কাটিয়ে ফেরার ম্যাচেই জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। বদলি নামার পর এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে ইন্টার মায়ামিকে ৩-১ ব্যবধানে জয় এনে দিলেন তিনি। শনিবার রাতে চেজ স্টেডিয়ামে এলএ গ্যালাক্সিকে হারিয়ে সাপোর্টার্স শিল্ড ধরে রাখার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিল মায়ামি।
প্রথমার্ধে জর্দি আলবার গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি।
বিরতির পর সমতা ফেরে গ্যালাক্সি। তবে শেষ ১০ মিনিটে মেসির মন্ত্রমুগ্ধ পারফরম্যান্সেই বদলে যায় ম্যাচের রূপ। ৮৪তম মিনিটে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। পাঁচ মিনিট পর রদ্রিগো দি পলের পাস হিল ফ্লিকে বাড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজকে, গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড।
চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না উঠলেও মেসির এমন পারফরম্যান্সে মুগ্ধ মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো। তিনি বলেন, ‘সে অসাধারণ খেলোয়াড়। যদিও আমি দেখেছি, সে পুরোপুরি স্বস্তিতে ছিল না। তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে আরো ছন্দে এসেছে।
আগামীকাল কেমন অনুভব করছে, সেটি দেখতে হবে। আপাতত দিন দিন এগোতে হবে।’
এই গোলেই এমএলএস মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছেন মেসি। গোল ও অ্যাসিস্ট মিলে তার অবদান এখন ৩০। টানা চতুর্থবার বদলি হিসেবে নেমে গোল করলেন তিনি।
চোটের কারণে গত সপ্তাহে মেসিকে ছাড়া নামা মায়ামি অরল্যান্ডো সিটির কাছে হেরেছিল ৪-১ ব্যবধানে। তাই গ্যালাক্সির বিপক্ষে এই জয়কে মৌসুমের জন্য ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলছে মাসচেরানো। ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা জানি, হারা যায়, কিন্তু কেমনভাবে হারা হচ্ছে সেটিই আসল বিষয়। আমরা যদি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত লড়তে চাই, বড় কিছু জিততে চাই, তবে প্রতিটি ক্ষুদ্র বিষয়ই হয়ে উঠবে নির্ণায়ক।’
মন্তব্য করুন


গোল যেন হচ্ছিলই না! তবে যখন হলো, তখন একেবারে নাটকীয়ভাবে—যোগ করা সময়ে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল। বদলি হিসেবে নামা দারউইন নুনেজের সেই দুই গোলেই ব্রেন্টফোর্ডের মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরল লিভারপুল।
ম্যাচের শুরু থেকেই লিভারপুল ছিল আধিপত্য বিস্তারকারী দল। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সময় যত গড়িয়েছে, তাদের চাপ ততই বেড়েছে। কিন্তু গোলের দেখা কিছুতেই মিলছিল না।
অন্যদিকে, স্বাগতিক ব্রেন্টফোর্ড খেলেছে প্রতি আক্রমণের কৌশলে। বেশ কয়েকবার সুযোগ পেলেও দুর্বল ফিনিশিংয়ের কারণে তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা।
লিভারপুল অবশ্য একের পর এক ব্যর্থ আক্রমণের পরও আশা হারায়নি। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে তাদের ধৈর্যের ফল মেলে।
৯১ মিনিটে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ডের নিচু পাস থেকে গোল করে লিভারপুলের সমর্থকদের স্বস্তি দেন নুনেজ। এরপর, ৯৩ মিনিটে হার্ভে এলিয়টের বাড়ানো পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড। দুই মিনিটের ব্যবধানে করা এই দুই গোলেই জয় নিশ্চিত করে লিভারপুল।
এই জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ২১ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে লিভারপুল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট ৪৩, ফলে তাদের সঙ্গে লিভারপুলের ব্যবধান এখন সাত পয়েন্ট।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেন নেইমার। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক রাজকীয় আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেইমারকে বরণ করে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস। নেইমারের ফেরাকে ঘিরে সান্তোসের স্লোগান ছিল—‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন নেইমার। এর আগে, ব্রাজিলের স্থানীয় সময় সকালে সাও পাওলোতে অবতরণ করে তার ব্যক্তিগত বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের পর হেলিকপ্টারে করে সান্তোসে পৌঁছান ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মাঠের মাঝখানে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে উঠে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন নেইমার।
ঘরের ছেলেকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও তাকে স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান। মাঠে মাথা ও হাত নুইয়ে নিজের বিখ্যাত গোল উদযাপনের ভঙ্গিমা করেন তিনি। এরপর সান্তোসের মাটিতে চুমু খান। ‘নেইমার মিথ’-এর জন্ম তো এই ভিলা বেলমিরোর মাটিতেই।
নেইমার মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতেই দর্শকরা তার পায়ে ড্রিবলিং দেখতে চান। উত্তরে নেইমার বলেন, ‘আমি খুবই সুখী। এখানে দারুণ সময় কেটেছে। সামনে তেমন সময় আরও আছে। (ড্রিবল করতে) সাহসের অভাব হবে না।’
গত সোমবার রাতে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল। ২০২৩ সালে আল-হিলালে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। পরে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই চুক্তি বাতিল হয়।
নেইমারের চুক্তি নিয়ে সান্তোসের সহসভাপতি ফার্নান্দো বোনাভিদেস ক্যানাল বলেন, ‘এই চুক্তিপত্র প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের। তবে তাকে ধরে রাখতে আমরা সব রকম চেষ্টাই করব। আমরা চাই, সে যেন আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকে।’
কালো ক্যাপ ও কালো গেঞ্জি পরা নেইমার ছয় মাসের চুক্তিপত্রে সই করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তোস শহর এবং ক্লাবটির রাজা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সান্তোস। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পেলের কণ্ঠে নেইমারকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেটারই দ্বিতীয় সংস্করণে প্রয়াত কিংবদন্তি পেলের প্রতি নেইমারকে বলতে শোনা যায়, ‘কিং পেলে, আপনার ইচ্ছাই আমার জন্য নির্দেশ। সিংহাসন ও মুকুট আপনারই আছে। কারণ, আপনি চিরকালীন। কিন্তু পবিত্র ১০ নম্বর জার্সিটি পরা হবে সম্মানের সঙ্গে, যা সান্তোস এবং এই পৃথিবীর জন্য অনেক কিছু। আপনার রেখে যাওয়া লিগ্যাসিকে সম্মান দিতে আমি সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সান্তোসের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হয়নি। সবাই জানত, সৌদি আরবের আল-হিলালের পাট চুকিয়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার। তার জন্য স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে একটি কনসার্টেরও আয়োজন করে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগের এই ক্লাব। বৃষ্টির মধ্যেই ভিলা বেলমিরোর গ্যালারিতে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ভিড়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার এটাই নেইমারের শেষ সুযোগ। সে জন্য ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরতে হলে আগে নিয়মিত ম্যাচ খেলার দরকার, যা আল-হিলালে হচ্ছিল না। সান্তোসে সেই সুযোগ পাবেন নেইমার। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরতে চাই। অর্জনের জন্য এখনো একটি (বিশ্বকাপ) মিশন বাকি আছে, যা আমার শেষ সুযোগ বলে মনে করি। যা–ই হোক না কেন, আমি এটার পেছনে ছুটব।’
সংবাদ সম্মেলনে সান্তোসে ফেরার কারণও ব্যাখ্যা করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির বাইরে। আল-হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবারও ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
ফেরার পর কেমন লাগছে, তা-ও জানান নেইমার। তিনি বলেন, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, ১৭ বছর বয়সে ফিরে গেছি। খুব ভালো লাগছে এবং খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
সান্তোসের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা নেইমারের। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ক্লাবটির মূল দলে। এরপর ইউরোপযাত্রা। প্রথমে বার্সেলোনা, এরপর পিএসজি হয়ে দেড় বছর আগে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন। তবে ব্রাজিল ছাড়ার সাড়ে ১১ বছর পর আবারও সান্তোসে ফিরে নেইমার যেন ক্যারিয়ারের চক্র পূরণ করলেন। এর মধ্যে অনেকবার চোটে পড়েছেন। মৌসুমে নিয়মিত মাঠেও নামতে পারেননি। আগের সেই ধারা আছে কি না, সান্তোস ঠিক নিশ্চিত না হলেও ঘরের ছেলেকে আগের মতো হৃদয় দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন ক্লাবটির সমর্থকেরা। পার্থক্য একটাই, প্রথম দফায় খেলেছেন ১১ নম্বর জার্সিতে, এবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছেন।
সেই জার্সিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নেইমার ফটোসেশনও করেন। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠে ফিরে খেলার। গত বছর নভেম্বরে আল-হিলালের হয়ে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামা হয়নি তার। সংবাদ সম্মেলনে নেইমার জানান, শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলেও এখনো ১০০ শতাংশ ফিরে পাননি।
ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় আগামী বুধবার বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, এই ম্যাচে সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয় দফায় অভিষেকের সম্ভাবনা আছে নেইমারের।
মন্তব্য করুন


ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের দাবির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)।
এই ঘটনার পরই বাংলাদেশ-ভারত প্রতিবেশী দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে ফাটল ধরে। আগামী মাসে যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলংকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচ রাখা হয়েছিল ভারতে।
মোস্তাফিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা যাওয়ায়, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বিসিবি। যে কারণে বাংলাদেশ দলের সকল ম্যাচ ভারতের পরিবর্তে শ্রীলংকায় স্থানান্তরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ বিবেচনা করে, পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারত সফরে দল পাঠাবে না।
এই সিদ্ধান্তের আলোকে, বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বাংলাদেশের সকল ম্যাচ ভারতের শ্রীলংকায় স্থানান্তরের জন্য অনুরোধ করেছে।
প্রসঙ্গ, দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আইপিএলের সবশেষ নিলামে মোস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। মোস্তাফিজকে দলে ভেড়ানোর পর থেকেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা। কলকাতার মালিক শাহরুখ খানকে ‘গাদ্দার’ বলা থেকে শুরু করে মোস্তাফিজুর রহমানকে হুমকি দেন তারা। এমনকি ফিজকে খেলালে স্টেডিয়ামে ভাঙচুরের হুমকিও দেন তারা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
২০২৬ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের খেলার সংখ্যা এবং কোন কোন খেলা অনুষ্ঠিত হবে, সে তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। তালিকা দেখে বিশেষ করে উপমহাদেশের ক্রীড়া কর্মকর্তা এবং অ্যাথলেটদের মাথায় হাত। ২০২২ সালের চেয়ে অন্তত ৯টি খেলা কমিয়ে আনা হয়েছে ২০২৬ গ্লাসগো গেমসে। যেখানে বাদ দেয়া হয়েছে ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলা।
মূলতঃ স্থান পরিবর্তনের কারণে খেলার সংখ্যাও কমিয়ে আনা হলো। ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে হবে মাত্রটি ১০টি খেলা। ২০২২ সালে হয়েছিল ১৯টি। ৯টি খেলা কমিয়ে আনায় উপমহাদেশীয় দেশগুলোর পদক জয়ে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের।
২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমস হওয়ার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া শহরে; কিন্তু তারা জানিয়ে দেয় আর্থিক সমস্যার কারণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব না। যে কারণে, ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের সুযোগ পায় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো।
১২ বছর পর স্কটল্যান্ডের এই শহরে ফিরছে কমনওয়েলথ গেমস; কিন্তু মাত্র ১০ ধরনের খেলা আয়োজন করতে পারবে তারা। আর্থিক কারণেই কম খেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ফলে বাদ পড়েছে ক্রিকেট, হকির মতো খেলা। এছাড়া বাদ দিতে হয়েছে ব্যাডমিন্টন, শুটিং, কুস্তিও। এই খেলাগুলো থেকে ভারতেরই সবচেয়ে বেশি পদক জয়ের সম্ভাবনা ছিল।
গ্লাসগোতে ২০২৬ সালে কমনওয়েলথ গেমসে অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স, ট্র্যাক সাইক্লিং, নেট বল, ভারোত্তোলন, বক্সিং, জুডো, বাস্কেটবল এবং লন বল খেলা হবে। মোট চারটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে খেলাগুলো। গেমস উপলক্ষে ভিলেজ তৈরি করা হবে না। খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফদের রাখা হবে হোটেলে।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে গ্লাসগোয় কমনওয়েথ গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সেবার তারা খরচ করেছিলো ৫৪০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৮ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা)। এবার এই খরচ অনেক কমিয়ে আনা হবে। ৭৪টি কমনওয়েলথ দেশ এবং স্বাধীন অঞ্চল থেকে মোট তিন হাজার অ্যাথলেট গেমসে অংশ নেবে।
মন্তব্য করুন


রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে চিটাগাং কিংসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিপিএলের শিরোপা জিতেছে ফরচুন বরিশাল। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পর তৃতীয় দল হিসেবে 'ব্যাক টু ব্যাক' শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের এই দলটি।
দলের এমন সাফল্যে বেশ উচ্ছ্বসিত বরিশাল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানায় থাকা ফরচুন গ্রুপ। শিরোপা জেতায় দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় এবং টিম ম্যানেজমেন্টে থাকা সবাইকে আইফোন ১৬ উপহার দিয়েছে ফরচুন বরিশাল। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান।
এর আগে বিপিএলের একাদশ আসরের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে বরিশাল। চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে আড়াই কোটি টাকা প্রাইজমানি পেয়েছে তারা। অন্যদিকে, রানার আপ হয়ে দেড় কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে চিটাগাং কিংস।
বিপিএলের একাদশতম আসরের ফাইনালে চিটাগাংকে ৩ উইকেটে হারায় বরিশাল। ২৯ বলে ৫৪ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন তামিম ইকবাল। এছাড়া সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট হাতে ৩৫৫ রানের পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেছেন ১৩ উইকেট।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
একটা সময় নিন্দুকেরা বলছেন, নিজের জন্য এবং ক্লাবের জন্য খেলেন মেসি। জাতীয় দলের জন্য না, তার মধ্যে নেই দেশপ্রেম। তবে জাতীয় দলে হয়েও সবকিছু অর্জন করার পর সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে যখন ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়ছিলেন মেসি।
তখন তার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়েছিল বেদনার অশ্রু। একটা ট্রফির জন্য কিংবদন্তির এমন কান্না দেখে কোটি ফুটবল ভক্তদের হৃদয় কেঁদেছে। আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ককে সময়ের সেরা খেলোয়াড় তো বটেই, অনেকে এলএম-টেন মানেন সর্বকালের সেরা ফুটবলার।
এবার এই তালিকায় যোগ দিয়েছে স্প্যানিশ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম মার্কা। তার হাতে তুলে দিয়েছে সর্বকালের সেরা ও সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী ফুটবলারের পুরস্কার জিতলেন এই কিংবদন্তি। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের একটা সময় স্প্যানিশদের তল্লাটে কাটিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
এক যুগের বেশি সময় ধরে খেলেছেন স্প্যানিশ জায়েন্ট ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে। ক্লাবটিকে চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ১০টি লা লিগায় শিরোপাসহ জিতেছেন মোট ৩৪টি শিরোপা। এছাড়াও পুরো ক্যারিয়ারে ৪৬টি ব্যক্তিগত ও ৫৬টি দলগত শিরোপা জিতেছেন এই কিংবদন্তি। এবার ক্যারিয়ারে গোধূলীলগ্নে এসে স্প্যানিশ জনপ্রিয় দৈনিক মার্কা কর্তৃক সর্বকালের সেরা ও সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন সর্বোচ্চ আট বারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইতোমধ্যেই দল ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। ১৫ সদ্যসের সেই স্কোয়াডে জায়গা হয়নি কলিন মুনরোর। তাতে খানিকটা অভিমানেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন এই কিউই ওপেনার।
মুনরো বলেন, ‘ব্ল্যাক ক্যাপসের হয়ে খেলা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় অর্জন। আমি সেই জার্সিটি পরার চেয়ে অন্য কোনো কিছুতে বেশি গর্বিত বোধ করিনি। এটি সত্য যে, আমি সব ফরম্যাটে ১২৩ বার এটি করতে পেরেছি। তা নিয়ে আমি সর্বদা অবিশ্বাস্যভাবে গর্বিত হবো।’
‘যদিও আমার শেষ ম্যাচের পর বেশ অনেকটা সময় চলে গেছে। তবে আমি কখনোই আশা ছাড়িনি। আমি মনে করেছি, ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ফর্মে এসে জাতীয় ফিরতে পারবো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ব্ল্যাক ক্যাপস স্কোয়াড ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সেই দরজা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করার উপযুক্ত সময় এসেছে।’-যোগ করেন তিনি।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১২৩টি ম্যাচ খেলেছেন মুনরো। যেখানে একটি টেস্ট, ৫৭টি ওয়ানডে ও ৬৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। সাদা বলের ক্রিকেটে লম্বা সময় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন এই ওপেনার।
মন্তব্য করুন


মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রাজত্ব করার পর ইন্টার মায়ামি সমর্থকদের জন্য এলো আরও এক দারুণ খবর। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সার্জিও রেগুইলনের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরেই জানা গেল, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটিতেই থাকছেন উরুগুইয়ান তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ।
ইন্টার মায়ামির দুই স্তম্ভ জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটসের বিদায়ের ঘোষণার পর সুয়ারেজের ভবিষ্যৎ নিয়েও গুঞ্জন ডালপালা মেলেছিল। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকায় ধারণা করা হচ্ছিল, ৩৮ বছর বয়সী এই গোলমেশিন হয়তো নিজ দেশে ফিরে যাবেন। তবে নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপাতত মায়ামিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইন্টার মায়ামির সাফল্যের পেছনে গত মৌসুমে সুয়ারেজের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ, যার ৪৭টিতেই ছিলেন শুরুর একাদশে। গোল করেছেন ১৭টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৭টি। যদিও এর আগের মৌসুমে ৪৩ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা (প্রথম ছিলেন লিওনেল মেসি) ছিলেন তিনি।
মৌসুমের শেষভাগে নিষেধাজ্ঞার কারণে কয়েকটি ম্যাচ বেঞ্চে কাটালেও সেমিফাইনালে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিজের প্রভাব বজায় রাখেন তিনি। ইনজুরির কারণে ভ্যাঙ্কুভারের বিপক্ষে ফাইনাল মিস করলেও পুরো মৌসুম জুড়ে তার পারফরম্যান্স ছিল অনবদ্য।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল জার্মানির অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার টিমো ভার্নার ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিতে পারেন। তবে সুয়ারেজের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করার পর আপাতত চেজ স্টেডিয়ামে ভার্নারের আগমনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রিয় ‘মেসি-সুয়ারেজ’ জুটিকে আরও কিছুদিন একসঙ্গে মাঠ মাতাতে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন মায়ামি সমর্থকরা, যা ক্লাবটির জন্য বড় এক স্বস্তির খবর।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আইপিএলের মেগা নিলামে দল পাননি কেন উইলিয়ামসন। সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়ামসনের ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি। আগের আসরে তিনি গুজরাট টাইটানসের হয়ে খেললেও তাকে রিটেইন করেনি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি, ফলে তার নাম জমা পড়ে নিলাম তালিকায়।
উইলিয়ামসনের পর নিলামে তোলা হয় নিউজিল্যান্ডের আরেক ক্রিকেটার গ্লেন ফিলিপসকে। তিনিও অবিক্রীত রয়ে গেছেন, তার ভিত্তিমূল্যও ছিল ২ কোটি রুপি।
তবে নতুন ঠিকানায় গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ ডু প্লেসি। তাকে দলে ভিড়িয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। ৪০ বছর বয়সী প্রোটিয়া ব্যাটারকে ২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যেই দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মন্তব্য করুন