

নারায়ণগঞ্জের তরুণ আলি হাসান ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ শিরোনামে একটি গান দিয়ে রাতারাতি আলোচনায় আসেন। এরপর আলি হাসানকে বেশ কিছু গানে কণ্ঠ দিতে দেখা যায়।
সম্প্রতি কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান ‘মা লো মা’তে অংশ নিয়েছেন আলি হাসান। যেখানেও নিজের র্যাপের তালে দর্শকদের মাতিয়েছেন আলি হাসান। মাত্র ৭ দিনের প্রস্তুতিতে এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানান আলি হাসান।
সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল, তবে সম্প্রতি এক মন্তব্যের জন্য নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন আলি হাসান।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ‘গানবাজনার টাকা হারাম’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ওই সাক্ষাৎকারে আলি হাসান বলেছেন, ‘গান বাজনার টাকা হারাম। এতে কোনো হাদিস চলব না, যেটা হারাম সেটা হারামই। আমার অটো বিজনেসের টাকা হালাল। সংগীত থেকে আয় হারাম।
গান নিয়ে এমন মন্তব্যের পরই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন আলি হাসান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা।
বিষয়টি নিয়ে আলি হাসান বলেছেন, ‘আমি শুনেছি, আমার বক্তব্যে নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। আসলে গান কখনোই আমার ক্যারিয়ারের প্রধান লক্ষ্য ছিল না। আমি অটোর ব্যবসা করি, সারাদিন নিজের ব্যবসা, গ্যারেজ এগুলো নিয়েই ব্যস্ত থাকি। আগামীতে ব্যবসাতেই পুরোপুরো সময় দেব।’
আলি হাসান বলেন, সম্প্রতি ‘‘মা লো মা’’ গানটি মুক্তি পেয়েছে। এই গানেও ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছি। আরও দুই-তিনটা গান প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। তবে আগামীতে কাজের পরিমাণ আরও কমিয়ে দেব। শিগগিরই গানবাজনা ছেড়ে দিব।’
কেন গান ছাড়বেন জানতে চাইলে আলি হাসান বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই ধার্মিক। স্ত্রী মাদরাসায় পড়ালেখা করেছেন, ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করেছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গানবাজনা ছেড়ে দেব।’
সমালোচকদের সমালোচনার জবাবে আলি হাসান বলেন, ‘হারাম-হালালের বিষয়টি হয়তো আমি সেভাবে গুছিয়ে বলতে পারিনি। তবে যারা আমাকে পছন্দ করেন, তারা হয়তো আমার জায়গা থেকে বিষয়টা বুঝতে পারবেন। আর আমি বিশ্বাস করি, খ্যাতি অর্জন বা হারানো সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার হাতে। তাই কেউ আমাকে ভুল বুঝলেও করার কিছু নেই।’
মন্তব্য করুন


১৪ জুলাই শুক্রবার
প্রকাশ করা হয় ‘আমি কী তুমি?’ সিরিজের ফার্স্টলুক পোস্টার।
যেখানে মেহজাবীনের চোখেমুখে বিস্ময়!
পোস্টারটি প্রকাশের পর অন্তর্জালে বেশ রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
এতে ব্যতিক্রম এক লুকে দেখা গেছে মেহজাবীনকে।
মুখে অক্সিজেন মাস্ক, রহস্যময় চোখ, গড়িয়ে পড়ছে কাজল।
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
মেহজাবীন ফেসবুকে পোস্টারটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমি কী তুমি? এই প্রশ্নের উত্তর কখনো শুধু “হ্যাঁ” বা “না” হতে পারে না। উত্তরটা আপনাদের জানাতে শিগগির আসছি আমরা।’
ওয়েব সিরিজটি নিয়ে নির্মাতা ভিকি জাহেদ বলেন, এটি থ্রিলার ও হররের বাইরে রোমান্স ও ড্রামা বেইজ একটি কনটেন্ট। দর্শক অনেক দিন পর আমার ভিন্ন জনরার কাজ দেখতে পাবেন।’
শিগগিরই সিরিজটি মুক্তি পাবে বলে জানান এ নির্মাতা।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
আজ ১৯ সেপ্টেম্বর স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর ৫২ তম জন্মদিন। শুভ জন্মদিন প্রিয় স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্। সালমান শাহ্ বেঁচে থাকলে আজ ৫৩ বছরে পা রাখতেন। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো তোমার জন্য।
সালমান শাহ্ এর জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, সিলেটের দড়িয়াপাড়ায়। তার পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। সিনেমার জন্যই তিনি সালমান শাহ্ নামটি ধারণ করেছিলেন।
সর্বকালের সেরা বাংলা সিনেমার স্টাইলিশ নায়ক হলো সালমান শাহ্ - কারণ তিনি যুগে চেয়ে ও কয়েক ধাপ এগিয়ে ছিলেন। সালমান শাহ্ এর স্টাইল, তাকানো, বাচনভঙ্গি কথা বলার ধরণ, এক কথায় তার সবকিছুই মানুষের মন কেড়ে নেওয়া মতোই ছিল। অল্প সময়ে যে তিনি বাংলা কোটি ভক্তের মন জয় করে নিয়েছে তা আর বলার বাকি রাখে না।
সালমান এই যুগেরও অভিনেতাদের আইডল। কিন্তু ১৯ শতকে করে যাওয়া সেই সিনেমা আজও মানুষ টিভির সামনে মনোযোগ দিয়ে দেখে একেই বলে ভক্তের ভালোবাসা।
আমাদের একজন সালমান শাহ্ ছিলো! যে কি না তাঁর সময়ের চেয়েও কয়েক যুগ এগিয়ে ছিলো! যার মাঝে অভিনয় আর ব্যাক্তিতের সব গুলো গুণ-ই ছিলো পরিপূর্ণ। তার মধ্যে অন্যতম বিশেষ একটা গুণ হলো তাঁর নজরকাড়া স্টাইল! যা আজও অন্য কারও মাঝে দেখা যায় না! সবাই মুগ্ধ হয়ে যায় তাঁর স্টাইল দেখে! এই জন্যই সালমান হয়তো দিন দিন বেশি প্রিয় হয়ে উঠছে নতুন যুগের নতুন প্রজন্মের কাছে।
এই নাম সহজে বাংলার মানুষের মধ্যে থেকে মুছে যাবে না। সে ছিলো,সে এখনো আছে বাংলার মানুষের মণি কোঠায় এই ভাবেই বেঁচে থাকবে আজীবন।
মাত্র ৩ বছরের অভিনয় জীবনে সর্বমোট ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। ২৭ বছর নেই, অথচ ২৭ বছর পরে আজও সিনেমায়, স্মৃতিতে, ফ্যাশনে স্টাইল আইকন হিসেবে বাঙালীর মনে জ্বলজ্বল করছেন।
সকল মানুষের ভালোবাসা পায় এমন মানুষ খুব কমই জন্ম নেয়। সালমান এমন মানুষ যে, যাকে সকলেই ভালবাসে।
এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারো নেই। শুভ জন্মদিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া টিকটকের বার্ষিক আয়োজন ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ উদযাপিত হয়েছে।
আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন শহীদ দম্পতি ভিডিও তৈরিতে বর্ষসেরা ক্রিয়েটরের পুরস্কার পেয়েছেন । দুই ক্যাটাগরিতে তারা দুজনে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে “ইয়ার অন টিকটক-২০২৩” অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। দেশের অনেক পরিচিত ভিডিও নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।
ভিডিও ক্রিয়েটরদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ পুরস্কার দেয়া হয়। ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার ২০২৩ পুরস্কার পেয়েছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক আর এডুকেশন বা শিক্ষণীয় ভিডিও শ্রেণিতে পুরস্কার জিতেছেন মুনজেরিন শহীদ।
এছাড়া, স্পোর্টস শ্রেণিতে নিয়ন অন, ফ্যাশন ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে স্টাইল হাট। ফুড ক্রিয়েশনে ফুডখোর, ব্যতিক্রমধর্মী ভিডিওর জন্য আমার বাংলাদেশ শ্রেণিতে দ্য মাহিম মেইকস, লং ফর্ম কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রেণিতে রবিন রাফান পুরস্কার পেয়েছেন। বিউটি ক্রিয়েশন অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে লাইফ ইজ মেও এবং বেস্ট ইউজ অব লোকেশন ট্যাগিং বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তানহা ইসলাম।
চলতি বছর এই আয়োজনের জন্য ১২ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকটক অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলে।
এখানে টিকটক ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ডস অপশনে মোট ৮টি ক্যাটাগরিতে ভোট নেয়া হয়। পুরস্কারের জন্য মনোনীতরা এতে প্রায় ১ মিলিয়নেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত রায়।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা
শরিফুল রাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমণির সংসার ভেঙে যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৭
সেপ্টেম্বর রাতে ডিভোর্স পেপারে সই করেছেন পরীমণি। ১৮ সেপ্টেম্বর পরীমণি রাজকে ডিভোর্স
লেটার পাঠিয়েছেন।
তবে
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে রাজ ও পরীমণির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পক্ষ থেকে
কোনো সাড়া মেলেনি।
নাম
প্রকাশ না করার শর্তে রাজ-পরীমণির এক ঘনিষ্ঠ নির্মাতা বলেছেন, রাজ-পরীর পারিবারিক কলহ
নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর গতকাল রাতে তারা কয়েজন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে আলোচনায় বসেন। এর মাঝেই
দুজনার মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে চিত্রনায়িকা পরীমণির গায়ে হাত তোলেন রাজ।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


একজন জনপ্রিয় অভিনেতা
মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ডিপজল পাশাপাশি প্রযোজক, লেখক, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী। তিনি খল অভিনেতা থেকে শুরু করে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে হৃদয়ে জায়গা করেছেন কোটি ভক্তের।
ভক্তরা ভালোবেসে কত কিছুই উপহার দেন অভিনেতাদের। তবে এবার এক ভক্ত ব্যতিক্রমী উপহার দিতে চান ডিপজলকে।
২০০৮ সালে ডিপজল অভিনীত ‘দাদিমা’ সিনেমা দেখার মাধ্যমে এই অভিনেতার প্রতি ভালোবাসা জাগে তার হৃদয়ে। এর পর থেকেই নিয়মিত ডিপজলের সিনেমা দেখা শুরু করেন তিনি। একসময় নিজের অজান্তেই ডিপজলের একজন ভক্ত হয়ে যান মীরহাটি এলাকার আবদুর সাত্তার মিয়ার ছেলে এই দুলাল মিয়া। সেই ভালোবাসা থেকে ডিপজলের জন্য বানালেন ২৫ লাখ টাকার নান্দনিক কারুকার্য খচিত একটি রাজকীয় খাট। ডিপজলের এই ভক্তের খাট তৈরির খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ তার দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।
জানা যায়, ডিপজলকে ভালোবাসে তাকে উপহার দিতে ৩ বছর ৮ মাসে নিজ হাতে সুনিপুণ কৌশলে তৈরি করেছেন এই বিশাল খাট। খাটটির দৈর্ঘ্য সাড়ে ৮ ফুট এবং প্রস্থ সাড়ে ৬ ফুট। এটি তৈরি করতে আসল আকাশি কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া নকশায় ব্যবহার করতে হয়েছে ৩৮৭টি গোলাপ ফুলের ডিজাইন ও বিভিন্ন অংশ সংযোগ করতে ব্যবহার করা হয় ৮০টি নাট। প্রতিদিনই অসংখ্য উৎসুক মানুষ আসছেন দুলালের তৈরি করা খাট দেখার জন্য। দুলালের ইচ্ছা, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডিপজল এ খাট উপহার হিসেবে গ্রহণ করবেন।
এ বিষয়ে ফার্নিচার ব্যবসায়ী দুলাল জানান, অভিনেতা ডিপজলের সঙ্গে সরাসরি কোনো দিন কথা না হলেও তার প্রতি ভালোবাসা থেকে ডিপজলকে মামা নামে ডাকেন। ডিপজল মামার প্রতি ভালোবাসার কারণে উনাকে নিজের হাতে বানিয়ে ভিন্ন কিছু উপহার দেওয়ার ইচ্ছা হয়। পরে ৩ বছর ৮ মাসে তাজমহলের ডিজাইনে খাট তৈরি করেছি।
মন্তব্য করুন


মিস এশিয়া বিকিনির খেতাব জয়ী শিল্পী, শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে পর্নকাণ্ডে জড়ানো অভিনেত্রী গহনা বশিষ্ঠ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেলেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, তিনি বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তবে বিয়ে নিয়ে মুখ খোলেননি এ অভিনেত্রী।
দীর্ঘদিনের প্রেমিক ফাইজান আনসারিকে বিয়ে করেছেন গহনা। বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি। তবে বিয়ে নিয়ে মুখ খোলেননি এ অভিনেত্রী। এদিকে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি ফাঁস হয়েছে।
গহনার ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, গহনা ও ফাইজান একে অপরের প্রেমে মগ্ন। তাদের সম্পর্কে কোনো খাদ নেই। গহনা বিয়ের জন্য ধর্মান্তরিত হননি, এটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ। তার স্বামী ফাইজান আনসারি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তাকে অ্যামাজন মিনিটিভি রিয়েলিটি শো ‘ডেটবাজি’তেও দেখা গেছে।
একাধিক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২১ সালে রাজ কুন্দ্রার পর্নকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল গহনার। এ ঘটনায় ভারতীয় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করেছিল। পরে জামিনে ছাড়া পান এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে গহনা জিতেছিলেন মিস এশিয়া বিকিনির খেতাব। বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে আইটেম সংয়ে দেখা গেছে তাকে। ‘গান্দি বাত’ নামের একটি ওয়েব সিরিজেও দেখা গিয়েছিল তাকে। বেশ আলোচিত ছিল এটি।
মন্তব্য করুন