

ঢাকাই
সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের জন্মদিন আজ। আজ ২৮ মার্চ শাকিব খানের ৪৫ বছর পূর্ণ
হয়েছে। ১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’ দিয়ে ঢালিউডে তাঁর অভিষেক।
ধীরে ধীরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
দুই
দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন অভিনেতা শাকিব খান। একের
পর এক সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন।
১৯৭৯
সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদীতে মাসুদ রানা হিসেবে জন্মগ্রহণ
করেন শাকিব খান। তার বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী এবং মাতা নূরজাহান
একজন গৃহিণী।
মন্তব্য করুন


ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অভিনেত্রী জামিলা জামিল। এরপর থেকে তার ভেতর সব সময় একধরনের ট্রমা কাজ করে। এড়িয়ে চলেন রগরগে দৃশ্যে অভিনয়, এমনকী কোনো ছবিতে এমন দৃশ্য থাকলে তা দেখেনও না তিনি। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘ইউ’-এর অডিশন থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি ‘দ্য গুড প্লেস’ খ্যাত তারকা পডক্রাশড পডকাস্টে তার নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। জামিলা বলেন, “নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'ইউ'-এর চতুর্থ সিজনের জন্য আমার অডিশন দেওয়ার কথা ছিল। তবে যখন জানতে পারি এই চরিত্রটি বেশ সেক্সি, তখনই আমি অডিশন থেকে সরে আসার কথা জানিয়ে দিই। কারণ, এ ধরনের যৌন দৃশ্যে আমি স্বচ্ছন্দ নই।’ যদিও ঠিক কোন দৃশ্যের জন্য তিনি অডিশন দিচ্ছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনেননি জামিলা জামিল।
কেন যৌন দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন, তার অন্যতম কারণ হিসাবে শৈশবের 'ট্রমা' (মানসিক আঘাত), শৈশবের যৌন নির্যাতনের কথা সামনে এনেছেন জামিলা জামিল। অভিনেত্রী জানান, তার শৈশব ভীষণই কঠিন, নোংরা ছিল। শৈশবে তার ওপর চলা যৌন নির্যতনের কথা তিনি ভুলতে পারেননি, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর তারই ফলস্বরূপ তিনি নিজের জন্য এই নিয়ম তৈরি করেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো কোনো যৌন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না।
তার কথায়, ‘অন্য অভিনেতাদের কাছে যৌনদৃশ্য যেমন, আমার কাছে এটা ঠিক তেমন নয়। এমনকী ছবিতে কোনো যৌন দৃশ্য থাকলে সেটা আমি দেখি না, এড়িয়ে যাই।’
জামিলা জামিল জানান, তিনি ‘ইউ’-এর নির্মাতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি যৌন দৃশ্য ছাড়া সিরিজে অন্য কোনো চরিত্রে তাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে তারা ডাকতে পারেন।
‘সি-হাল্ক’ অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা লজ্জার কিছু নয়। তবে আমি অনুভব করি যে এটির চারপাশে একটি বিশ্রীতা রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে ডিগবাজি দিয়ে আবারও খবরের শিরোনাম
হয়েছেন।
রবিবার
(২৪ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজা হোটেল হলরুমে এক অনুষ্ঠানে ডিগবাজি দেন জায়েদ।
অনুষ্ঠানে
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুবাই কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, এশিয়ান টেলিভিশন
ও এশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হারুন উর রশিদ (সিআইপি)। ইভেন্টের উপস্থাপনায়
ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও মডেল প্রিয়াঙ্কা জামান। এ আয়োজনে ঢাকা থেকে গেছেন জায়েদ খান,
বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, তানজিন তিশা, মুশফিক ফারহান, জিয়াউল হক পলাশ।
অনুষ্ঠানের
মাঝে দর্শকদের মধ্যে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। কী কারণে এই হট্টগোল হলো তা জানা যায়নি। তবে
হট্টগোলের সময় জায়েদ খান ডিগবাজি দেন। নায়কের ডিগবাজি দেখে আনন্দে মেতে ওঠেন আগতরা।
দর্শকদের অনুপ্রাণিত করতে একটি মিউজিকের তালে তালে দুহাতে ভর দিয়ে ডিগবাজি দেন জায়েদ
খান।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী
কুইনজী চেং শুটিং সেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় মালয়েশিয়ান এ অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৩৭
বছর।
গেল
২৮ নভেম্বর অভিনেত্রীর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
চায়না
প্রেসের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, চেং ব্রেন অ্যানিউরিজমে
ভুগছিলেন।
স্থানীয়
আর্টিস্ট চাই জি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা সময়ে আমরা দামানসারাতে
উপস্থিত হই। সকালের নাস্তা শেষ করে সাড়ে ৮টার দিকে শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং পুরোপুরি
সুস্থ ছিলেন। বিরতি নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং জানান,
তার মাথা ঘুরাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে, বমিবমি লাগছে। এক পর্যায়ে চেং বমি করেন; দ্রুত
অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। চেংয়ের স্টাফরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চেং যখন জ্ঞান হারান
তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছিল। দ্রুত তার ঠোঁট, হাত-পা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে।
কল করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বেলেন্স ঘটনাস্থলে চলে আসে। মেডিক্যাল টিম এসে তার
জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়; পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জানা
যায়, ১৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কুইনজী চেং। ২০১৫ সালে ‘ব্যাড স্টুডেন্টস’ সিনেমার
মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন কুইনজী চেং।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
নব্বই দশকের এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম ‘সালমান শাহ্’। স্টাইলিশ এই অভিনেতাকে এখনো মিস্ করে তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তকুলেরা। সালমান শাহ্ গত জেনারেশনে যেমন বেস্ট একজন ছিল, তেমনি বর্তমান ও আগামী কয়েক জেনারেশনেও বেস্ট এবং সুপার থাকবে। সালমানের মত কোনো বিকল্প সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে আগে কোনোদিন আসেনি, বর্তমানেও নেই, নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও আসবে না।
একজন শিল্পীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তার অনুসারীরা ভুলতে শুরু করেন। তবে ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ্ এর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে বিপরীত! অকালে চলে যাওয়ার ২৭ বছর পরেও সালমান শাহ্ এর জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারোও নেই।
স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ ভক্তদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। সম্প্রতি প্রয়াত এই অভিনেতাকে নিয়ে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য জানান, রাজীব জাহান ফেরদৌস। তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়ই দেশ বিদেশের সিনেমার তারকাদের নতুন রূপে নিয়ে আসেন ভার্চুয়াল জগতে।
সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, রবিবার ( ২৭ আগস্ট ২০২৩ইং) রাতে রাজীব জাহান ফেরদৌস তার ফেসবুক আইডিতে সালমান শাহ্ এর ছবি পোস্ট করে রাজীব লিখেছেন, প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ! অতুলনীয় ফ্যাশন আইকন একটি গৌরবময় প্রত্যাবর্তন করছেন! মিডজার্নি এআই-এর জাদুতে তৈরি সম্পূর্ণ সিরিজ ড্রপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাথে থাকুন!
সালমান শাহ্ এর নতুন লুকের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের তো নয়ই, বিদেশি কোনো নায়কের সৌন্দর্যকেও হার মানিয়ে দিয়েছে সালমান শাহ্ এর সে ছবি।
রাজীবের সে ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হ্যান্ডসাম পুরুষ। এরপরই তিনি জুরে দিয়েছেন ভালোবাসার প্রতীকের চিহ্ন। আরেকজন লিখেছেন, চিত্রজগতে আপনার তুলনা শুধুই আপনি, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ তখনো - এখনো সব স্থানে অতুলনীয়।
তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
আমরা যখন কোন সিনেমার গান শুনি তখন বলি এই গানের শিল্পী নাম এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রুনা লায়লা সাবিনা ইয়াসমিন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন সালমান শাহ্ এর সিনেমার কোন গান শুনি অবলীলায় তখন বলে ফেলি, "আরেহ এইটা তো সালমান শাহ্ এর গান"।
দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের ৬ -ই সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্।
মৃত্যুর দুই যুগ পরও চলচ্চিত্রের মানুষেরা আফসোস করে বলেন, "আজও সালমান শাহ্ এর শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারেননি।"
৯০ এর দশকে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্ এর আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। ভক্তদের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের মানুষরাও তার স্মৃতিগুলো এখনও লালন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো চলচ্চিত্র মাধ্যমটি আরও বর্ণিল করতে পারতেন।
সালমান শাহ্ এর অভিনয় একটা প্রজন্মের কাছে আইডলে পরিণত হয়েছিলেন সালমান শাহ্ নামের সেই পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় বাংলা চলচ্চিত্রে বিপ্লব ঘটেছিল।
তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের এমন ধ্রুবতারা যিনি দূর আকাশে অবস্থান করেও আলোকিত করেন মানুষের হৃদয়। সালমানের মৃত্যুদিন এলে তাই স্বভাবতই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আবার এই ভেবে ভালো লাগে যে সালমান শাহ্ স্বল্পায়ু হলেও অন্তত বাংলাদেশে জন্মেছিলেন সেটাই আমাদের সৌভাগ্য।
প্রিয় নায়ক সালমান শাহ্কে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আমাদের সবার প্রিয় ‘সালমান শাহ্’।
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন


মানুষ বড় হয়ে শৈশবে ফিরে যেতে চায়। শৈশবের তোলা ছবি সাামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে বর্তমানের সঙ্গে মিল খোঁজার চেষ্টা করেন অনেকেই। সম্প্রতি ভারতের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তার শৈশবের একিটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। কে এই অভিনেত্রী? চলুন জেনে নিই─
থ্রোব্যাক ছবির সুন্দর ছোট্ট মেয়েটি বড় হয়ে এখন অভিনেত্রী আদাহ শর্মা। আসলে এই মেয়েটি আর কেউ নয়, ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ নায়িকা। তবে ছবিতে তাকে মোটেও চেনা যাচ্ছে না। তবে ছোট থেকেই সে খুব সুন্দরী ছিল।
‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সিনেমাতে অন্যতম মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছে আদাহ শর্মাকে। আদাহ হিন্দি এবং তেলুগু সিনেমায় অভিনয় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব সক্রিয় তিনি।অভিনেত্রী আদাহ শর্মা টিভি শোতে অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। চলচ্চিত্রে আসেন ২০০৮ সালে। ‘১৯২০’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ। আদাহ শর্মা ‘হাসি তো ফাসি’, ‘সুব্রামানিয়াম ফর সেল’, ‘বাইপাস রোড’ এবং ‘হাম হ্যায় রাহি কার কে’-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন।
আদাহ শর্মা ওয়েব শো ‘পতি পাতনি ওউর পাঙ্গা’য় একজন ট্রান্সজেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র শালিনী উন্নীকৃষ্ণণের চরিত্রের জন্য শিরোনামে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া টিকটকের বার্ষিক আয়োজন ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ উদযাপিত হয়েছে।
আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন শহীদ দম্পতি ভিডিও তৈরিতে বর্ষসেরা ক্রিয়েটরের পুরস্কার পেয়েছেন । দুই ক্যাটাগরিতে তারা দুজনে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে “ইয়ার অন টিকটক-২০২৩” অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। দেশের অনেক পরিচিত ভিডিও নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।
ভিডিও ক্রিয়েটরদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ পুরস্কার দেয়া হয়। ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার ২০২৩ পুরস্কার পেয়েছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক আর এডুকেশন বা শিক্ষণীয় ভিডিও শ্রেণিতে পুরস্কার জিতেছেন মুনজেরিন শহীদ।
এছাড়া, স্পোর্টস শ্রেণিতে নিয়ন অন, ফ্যাশন ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে স্টাইল হাট। ফুড ক্রিয়েশনে ফুডখোর, ব্যতিক্রমধর্মী ভিডিওর জন্য আমার বাংলাদেশ শ্রেণিতে দ্য মাহিম মেইকস, লং ফর্ম কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রেণিতে রবিন রাফান পুরস্কার পেয়েছেন। বিউটি ক্রিয়েশন অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে লাইফ ইজ মেও এবং বেস্ট ইউজ অব লোকেশন ট্যাগিং বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তানহা ইসলাম।
চলতি বছর এই আয়োজনের জন্য ১২ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকটক অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলে।
এখানে টিকটক ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ডস অপশনে মোট ৮টি ক্যাটাগরিতে ভোট নেয়া হয়। পুরস্কারের জন্য মনোনীতরা এতে প্রায় ১ মিলিয়নেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ
৬ জানুয়ারি, আলিঙ্গন দিবস। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি উদযাপন করা হয়। কিন্তু কবে
কীভাবে এই দিবসের শুরু হয়েছিল, তা জানা যায়নি। তবে আলিঙ্গন কেবল প্রেমিক-প্রেমিকা বা
স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক আলাপে সীমাবদ্ধ নয়। তীব্র শীতে কষ্ট পাওয়া শীতার্ত মানুষের
মধ্যে আলিঙ্গনের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে এ দিবসের শুরু।
কেবল
রোমান্টিক সম্পর্ক নয় আন্তরিক যেকোনো সম্পর্কে আলিঙ্গন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জাঁকিয়ে
বসা শীতে আলিঙ্গন যেমন উষ্ণতা জোগায়, তেমন এর ভিন্ন উপকারিতাও আছে।
আলিঙ্গন
মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। গবেষণা বলছে, প্রীতিপূর্ণ
আলিঙ্গন রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। কমায় রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি। নানা রকম শারীরিক
ব্যথাও দূর করে। আলিঙ্গনে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এর মাধ্যমে নির্গত হয় অক্সিটোসিন
হরমোন, যার ফলে মানসিক অবসাদ কমে গিয়ে সুখানুভূতি তৈরি হয়। কমে দুশ্চিন্তা, আসে স্বস্তি।
শীতের
এই তীব্রতার সময়ে আপনি চাইলে উষ্ণতা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন শীতে কাবু হওয়া মানুষদের পাশে।
তাদের জন্য করতে পারেন শীত কাপড়ের ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন


টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নিজেকে এখনও ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ রেখেছেন। বিয়ে নিয়ে তার চিন্তা অনেকটাই ‘নেতিবাচক’। বর্তমানে কাজ নিয়েই সব ব্যস্ততা তার। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিয়ের বিষয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করেছেন মিমি চক্রবর্তী । সেখানে দেখা গেল, বিয়ের আগেই ডিভোর্সের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে অভিনেত্রীর মাথায়। মিমির ভাষ্য, অর্ধেকের বেশি বিয়ে টেকে না। স্টোরিতে মিমি লিখেছেন, ৫০ শতাংশ বিয়ে গড়ায় ডিভোর্সে।
তার ভক্তরা ধারণা করছেন, মজার ছলেই বিষয়টি লিখেছেন অভিনেত্রী মিমি।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন