

গত কয়েক বছর ধরেই নিজের টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলায় একক অনুষ্ঠান করে নিয়মিতই গান শোনাচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। মাঝে মধ্যে তাকে বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও গান গাইতে দেখা গেছে ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) একটি অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সঙ্গে এটিএন বাংলার এই চুক্তি সই হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে খালি গলায় বাংলা ও হিন্দি গান গেয়ে শোনান মাহফুজুর রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, ইদানিং মেহেদী হাসানের গজল কিছু গাওযা শুরু করেছি। গজল গাওয়ার পর দেখলাম, যে আমার বাংলা গানের থেকে এর শ্রোতা অনেকে বেশি। মিলিয়ন মিলিয়ন শ্রোতা পাচ্ছি আমি।
গান গাওয়ার এক পযার্য়ে পাঁচ বছরের সাধনায় গলা ঠিক করেছেন জানিয়ে মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি কথা বলি একটা ভয়েসে, গান গাই আরেকটা ভয়েসে। এটি রপ্ত করতে আমার পাঁচ বছর সময় লাগছে। যেমন- আমি কথা বলার সঙ্গে গানের গলার কোনও মিল নেই।
অনুষ্ঠানে সিনেমা প্রযোজনা করার ঘোষণাও দেন ড. মাহফুজুর। তিনি জানান, আগামী ঈদ-উল-ফিতরের আগে ছয়টি সিনেমা প্রযোজনা করবেন।
চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও ইমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল, পরিচালক শাহ আলম কিরন, জাকির হোসেন রাজু, মনতাজুর রহমান আকবর, চিত্রনায়ক সোহেল রানা, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
ভালোবাসার আরেক নাম আমাদের সালমান শাহ্ । স্বপ্নের নায়ক "সালমান শাহ্"এর মৃত্যুর ২৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ৬ সেপ্টেম্বর। সালমান শাহ্ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্। সালমানের মতো অভিনেতার অকাল মৃত্যু সত্যিই আমাদের জন্য অনেক বেদনার, অনেক কষ্টের।
বাংলাদেশের রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ধ্রুবতারা, অমর কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ্ আমাদের চলচ্চিত্র জগতে নুতন এক স্পন্দন জাগিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজও অবধি সিনেমাপ্রেমীদের অন্তরে দীর্ঘশ্বাসের সাথে উচ্চারিত হয় সালমান শাহ্ এর নাম । কেননা সালমান শাহ্ পরবর্তী সময়ে যারা চলচ্চিত্রে নায়ক হওয়ার জন্য এসেছেন তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, এখনো - সালমান শাহ্ -ই ছিলেন তাদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
আমাদের চলচ্চিত্র জগতের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন চলচ্চিত্র প্রেমিদের হৃদয়ে। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। আমাদের রুপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ্ নামেই পরিচিত।
জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিশিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'। সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে ধূমকেতুর মতোই নায়ক রূপে ঢালিউড চলচ্চিত্র জগতে উদিত হয়েছেন সালমান শাহ্।
এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান শাহ্ । এরপরে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নুতন ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সালমানের এই অভিযাত্রা ছিল যেন " এলাম, পা- রাখলাম, জয় করলাম এর মতো।
পর্দায় সালমান শাহ্ এর উপস্থিতি, পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, হাঁটা কিংবা অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে এতোটুকু সময় লাগেনি এ স্বপ্নের নায়কের। সালমান শাহ্ খুব তাড়াতাড়ি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তরুণদের ফ্যাশন আইকন।
বাংলা সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ্ যে স্টাইল তৈরি করে গেছেন, এখন পর্যন্ত সেটা থেকে কেউ বের হতে পারেনি।
সালমান শাহ্ এর মাথায় রুমাল কিংবা চোখে গোল কালো ফ্রেমের চশমা। বড় শার্ট গিট্টু দিয়ে বেধে রাখা, মাথায় গামছা বাঁধা কিংবা তার স্টাইলিশ টুপি। যুগ যুগ দর্শক তা মনে রাখবে। টি শার্ট, সামনের দিকে ইন করে রাখলেও, পিছনের দিকে একটু খুলে রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাঁটা, চারকোণা সানগ্লাসের ট্রেন্ড ভেঙ্গে, গোল বা ওভাল সানগ্লাস পরা শুরু করা, মিলাদে বা, কারও জানাজায় পকেটে টুপি থাকা সত্ত্বেও রুমাল গিট্টু মেরে মাথায় পরা, স্নিকারস বা ক্যানভাস সু , কালো জুতার সাথে সাদা মোজা পরা, প্যান্টের বেল্টের ফুঁটা থেকে দ্বিগুণ তিনগুন সাইজে বড় গলার মেডেলের মত বড় বাকেলসেরওয়ালা বেল্ট পরা, ডায়াল নিচের দিকে দিয়ে হাত ঘড়ি পড়া, মাঝে মাঝে ডান হাতে ঘড়ি পরা, একটু পর পর চশমায় হাত দেয়া, তার এরকম হাজারটা স্টাইল আছে যা বলে শেষ করা যাবে না।
সালমান শাহ্ এই স্টাইল থেকে কি প্রজন্ম এখনো বের হতে পারছে? সেটা হয়তো সময় বলে দেবে। সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল আমাদের চলচ্চিত্র জগতে ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য, তিনি তা করতেও পেরেছিলেন।
সালমান শাহ্ ধুমকেতুর মতো ক্ষণিকের চলচ্চিত্র জগতের অবস্থানে মাত্র ৩ বছরের তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের উপহার দিয়েছেন ২৭ টি ব্যবসা সফল ছবি।
আজও কৌতূহলী মানুষের মনে প্রশ্ন, সালমান শাহ্ এর বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দর্শক হৃদয়ে? কেন মৃত্যুর দুই যুগ পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও ম্লান হয়নি এতোটুকুও কমেনি?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকলে সালমান শাহ্ এর বয়স হতো এখন ৫২ বছর। সালমান শাহ্ এখন আর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।
হয়তো স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল চলচ্চিত্র জগতে ক্ষণিকের বিচরণে উনার কারিশমাটিক অভিনয়ের সৃজনশীলতায় এমনি করে দর্শকের হৃদয়ে বেঁচে থাকার জন্য।
এই দেশের চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন পৃথিবীর বুকে আর কারোও নেই। আজকের এই দিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের সন্তান আব্রাম খান জয় যে স্কুলে পড়ছে সে স্কুলেই ভর্তি হয়েছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা বুবলির সন্তান শেহজাদ খান বীর।
রাজধানীর
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে শেহজাদ
খান বীর কে।
৭
সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কুলের প্রথম দিন বীরকে সেখানে
পৌঁছে দেন তার বাবা
শাকিব ও মা বুবলি।
সে
তথ্য নিশ্চিত করে নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন বীরের মা চিত্রনায়িকা শবনম
বুবলী।
যেখানে
বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা গেছে, স্কুলের
করিডরে, ক্লাসরুমে বীরকে কোলে নিয়ে শাকিব
খান। পাশেই বুবলী।
বুবলী
ছবিগুলোর ক্যাপশনে
লিখেছেন, আজকের দিনটি আমার জন্য অনেক
আবেগ, ভালোবাসা এবং মায়ার। কারণ,
আজ আমাদের শেহ্জাদ বাপজানের স্কুল এর প্রথম দিন।
এখনও মনে হয় এইতো
সেদিন তুমি পৃথিবীতে এলে
বাবা, হাঁটি হাঁটি পা পা করে
আস্তে আস্তে বড় হচ্ছো, আজকে
থেকে তুমি স্কুলে পড়ো,
তোমার আবার একটি ক্লাস
আইডি নম্বরও আছে। আলহামদুলিল্লাহ! অনেক
বড় হও বাবা, ভীষণ
ভালোবাসি তোমাকে।
বুবলী
ভক্ত-অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন,সবাই আমার শেহজাদ
বাবার জন্য দোয়া করবেন
এবং আপনাদের ভালোবাসায় রাখবেন।
মন্তব্য করুন


টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নিজেকে এখনও ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ রেখেছেন। বিয়ে নিয়ে তার চিন্তা অনেকটাই ‘নেতিবাচক’। বর্তমানে কাজ নিয়েই সব ব্যস্ততা তার। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিয়ের বিষয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করেছেন মিমি চক্রবর্তী । সেখানে দেখা গেল, বিয়ের আগেই ডিভোর্সের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে অভিনেত্রীর মাথায়। মিমির ভাষ্য, অর্ধেকের বেশি বিয়ে টেকে না। স্টোরিতে মিমি লিখেছেন, ৫০ শতাংশ বিয়ে গড়ায় ডিভোর্সে।
তার ভক্তরা ধারণা করছেন, মজার ছলেই বিষয়টি লিখেছেন অভিনেত্রী মিমি।
মন্তব্য করুন


কোরবানির ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো হলো: নির্মাতা রায়হান রাফির ‘সুড়ঙ্গ’, বন্ধন বিশ্বাসের ‘লাল শাড়ি’, হিমেল আশরাফের ‘প্রিয়তমা’, সৈকত নাসিরের ‘ক্যাসিনো’ ও চয়নিকা চৌধুরীর ‘প্রহেলিকা’।
গত ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ৮টি সিনেমা। কিন্তু এবার ঈদে এর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫-এ। আলোচনায় রয়েছে ছোটপর্দার সুপারস্টার আফরান নিশো অভিনীত ‘সুড়ঙ্গ’। সিনেমাটির মাধ্যমে প্রথমবার বড় পর্দায় অভিষেক হলো তার। নিশোর বিপরীতে আছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী তমা মির্জা। আফরান নিশো ও তমা মির্জা অভিনীত এই সিনেমার আইটেম গানে দেখা যাবে দুই বাংলার আলোচিত নায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে। সিনেমাটি সিনেপ্লেক্সসহ আরও ২৭টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। তার মধ্যে আলোচনায় এগিয়ে আছে সুপারস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’। আর অপু বিশ্বাস হাজির হলেন তার প্রথম প্রযোজিত সিনেমা ‘লাল শাড়ি’ নিয়ে।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন


আজ
৬ জানুয়ারি, আলিঙ্গন দিবস। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি উদযাপন করা হয়। কিন্তু কবে
কীভাবে এই দিবসের শুরু হয়েছিল, তা জানা যায়নি। তবে আলিঙ্গন কেবল প্রেমিক-প্রেমিকা বা
স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক আলাপে সীমাবদ্ধ নয়। তীব্র শীতে কষ্ট পাওয়া শীতার্ত মানুষের
মধ্যে আলিঙ্গনের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে এ দিবসের শুরু।
কেবল
রোমান্টিক সম্পর্ক নয় আন্তরিক যেকোনো সম্পর্কে আলিঙ্গন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জাঁকিয়ে
বসা শীতে আলিঙ্গন যেমন উষ্ণতা জোগায়, তেমন এর ভিন্ন উপকারিতাও আছে।
আলিঙ্গন
মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। গবেষণা বলছে, প্রীতিপূর্ণ
আলিঙ্গন রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। কমায় রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি। নানা রকম শারীরিক
ব্যথাও দূর করে। আলিঙ্গনে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এর মাধ্যমে নির্গত হয় অক্সিটোসিন
হরমোন, যার ফলে মানসিক অবসাদ কমে গিয়ে সুখানুভূতি তৈরি হয়। কমে দুশ্চিন্তা, আসে স্বস্তি।
শীতের
এই তীব্রতার সময়ে আপনি চাইলে উষ্ণতা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন শীতে কাবু হওয়া মানুষদের পাশে।
তাদের জন্য করতে পারেন শীত কাপড়ের ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী
কুইনজী চেং শুটিং সেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় মালয়েশিয়ান এ অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৩৭
বছর।
গেল
২৮ নভেম্বর অভিনেত্রীর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
চায়না
প্রেসের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, চেং ব্রেন অ্যানিউরিজমে
ভুগছিলেন।
স্থানীয়
আর্টিস্ট চাই জি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা সময়ে আমরা দামানসারাতে
উপস্থিত হই। সকালের নাস্তা শেষ করে সাড়ে ৮টার দিকে শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং পুরোপুরি
সুস্থ ছিলেন। বিরতি নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং জানান,
তার মাথা ঘুরাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে, বমিবমি লাগছে। এক পর্যায়ে চেং বমি করেন; দ্রুত
অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। চেংয়ের স্টাফরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চেং যখন জ্ঞান হারান
তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছিল। দ্রুত তার ঠোঁট, হাত-পা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে।
কল করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বেলেন্স ঘটনাস্থলে চলে আসে। মেডিক্যাল টিম এসে তার
জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়; পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জানা
যায়, ১৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কুইনজী চেং। ২০১৫ সালে ‘ব্যাড স্টুডেন্টস’ সিনেমার
মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন কুইনজী চেং।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন