

নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপাকে (মাহিয়া মাহি) নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে তলব করেছে ।
শুক্রবার অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালত) মো. আবু সাঈদ তাকে তলব করেন।
মাহিয়া মাহিকে পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছেন মাহি শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।
এছাড়া নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি আরো জানতে পারে ওই দিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রচার শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে ভোট চান।
চিঠিতে আরো বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬(ঘ) ও বিধি ১২ লঙ্ঘন করেছেন শারমিন আক্তার নিপা (মাহি)। যা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ) মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় সরকার অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
রোববার (২৫ জুন ২০২৩ইং) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। রোববারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্বের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মানুষের কাছেও মোবাইল ফোন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও যোগাযোগের জন্য সহজলভ্য মাধ্যম হয়ে ওঠেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকার বর্তমানে মোবাইল ফোন, আইপি কলিং আপ, ওয়াইফাই হটস্পট ইত্যাদি আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও এর জন্য প্রয়োজনীয় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও বিকাশ ঘটেছে। বর্তমানে দেশে মানুষের ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন পৌঁছে গিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতা, দ্রুত গতির ইন্টারনেটের ব্যবহার, অডিও-ভিডিও ইত্যাদির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আগে ব্যবহৃত কার্ডফোন ও বুথগুলো পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা নেই বললেই চলে। সেজন্য রাজধানী ঢাকার বহু কার্ডফোনগুলো পুনরায় চালু করার কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
মন্তব্য করুন


রাজধানী
ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা
হয়েছে।
১৯
নভেম্বর (রোববার) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ। ছয় দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন।
ছয় দফার মূল বক্তব্য ছিল, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধাসামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার সমর্থনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে গুলি চালায় পুলিশ ও ইপিআর। এতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর ছয় দফার আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।
গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছয় দফা দিবস পালন উপলক্ষে গৃহীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো এবং জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৃতীয় দিনের মতো সোমবার(২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৩৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এতে দলের আয় হয়েছে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা।
এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৫টি, চট্টগ্রামে ৮২টি, ময়মনসিংহে ২৯টি, সিলেটে ১৫টি, খুলনায় ৪৫টি, বরিশালে ৪০টি, রাজশাহীতে ২৯টি এবং রংপুর বিভাগে ৪০টি ফরম বিক্রি হয়।
এছাড়া বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে মোট ৫৮টি ফরম বিক্রি হয়েছে। অনলাইনে বিক্রি হয় মোট ২৯ লাখ টাকার ফরম।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ফরম বিক্রি শেষ হওয়ার পর দলের মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ৩০০ আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করবে আওয়ামী লীগ।
গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রথমদিনেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এক হাজার ৭৪টি । এতে পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয় ।
মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলবে ২১ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ কুমিল্লা সার্কিট হাউজে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়ল, তা আমাদের দেখার বিষয় না। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হলো কিনা, তা দেখার বিষয়।আমরা শুনছি বিএনপি নির্বাচনে আসতে চায়। দলটি যদি পর্দার আড়ালে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে আসতে চায়, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী তফসিল পেছানোর সুযোগ আছে। আমরা সব নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছি। কারা নির্বাচনে আসবে, কারা আসবে না, সেটা দেখার সুযোগ নেই। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। এটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ নেই। আমরা আশাবাদী, ভোটাররা উপস্থিত হবেন। ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা কাজ করব। রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করলে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তফসিলের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে জামালপুরের ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আগে যদি পারি, এখন কেন পারব না?
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনা চিকিৎসার জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন । তবে তার মরদেহ এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
আনার হত্যাকাণ্ডের ঘ্টনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বনগাঁও অঞ্চলের গোপাল নগরে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জিহাদ হাওলাদার। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত জিহাদ বাংলাদেশি এবং একজন ‘দক্ষ কসাই’।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা। সময় যতই গড়াচ্ছে হাড়হিম করা ভয়ঙ্কর সব তথ্য সামনে আসছে। বলা হচ্ছে, এমপি আনারকে হত্যার পর চামড়া ছাড়িয়ে টুকরো টুকরো করা হয় মরদেহ।
শুক্রবার (২৪ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে খুন হওয়ার পর বাংলাদেশের সংসদ সদস্যের মরদেহের চামড়া ছাড়ানো হয় এবং এরপর মরদেহ টুকরো টুকরো করে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের প্যাকেটে করে শহর জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জিহাদ হাওলাদার কলকাতার নিউ টাউনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বাংলাদেশের সংসদ সদস্যকে হত্যা ও টুকরো টুকরো করার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
গ্রেফতারের পর জিহাদ হাওলাদার জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন আখতারুজ্জামান নামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক মার্কিন নাগরিক। আখতারুজ্জামানের নির্দেশেই হাওলাদারসহ আরও চার বাংলাদেশি নাগরিক এমপি আনারকে নিউ টাউন অ্যাপার্টমেন্টে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতিগত প্রমাণে যে ইঙ্গিত মিলেছে তাতে বোঝা যায়, এমপিকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং তারপরে তার মরদেহকে টুকরো টুকরো করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগরের মন্ডল পাড়ায় গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন এমপি আনার। এরপর ১৩ মে পৌঁছে যান নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসে। পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, ১৩ তারিখ রাতেই তাকে হত্যা করা হয়। মরদেহ বাক্সবন্দি করে ১৪, ১৫ ও ১৬ মে প্রতিদিন একজন করে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, নাশকতাকারীরা যেখানেই থাকুক, শুধু ঢাকা শহর নয়, বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুক তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি জানিয়েছেন, আমরা নাশকতাকারীদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি, অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি।
রোববার (১২ নভেম্বর ২০২৩ইং) ঢাকার মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন ডিবিপ্রধান।
ডিবিপ্রধান বলেন, বিভিন্ন থানায় যেসব মামলা হয়, সেগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজ। সেই মামলাগুলোর তদন্ত করছি এবং যেগুলো দরকার অভিযান করে গ্রেফতার করছি।
তিনি আরও বলেছেন, অপরদিকে অবরোধের নামে যারা অবরোধের আগের দিন নাশকতা চালাচ্ছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে; তারা বিচ্ছিন্নভাবে অকেজো বাস, যেই বাসগুলো চলে না এগুলোতে আগুন লাগিয়ে ওই এলাকার জনমনে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন বা নাশকতাকারীরা তারা যেখানেই থাকুক, বাংলাদেশের যে প্রান্তে থাকুক তাদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি। অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি। আমাদের অভিযান চলছে, বাকিরাও শিগগিরই গ্রেফতার হবে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ এবং গণতন্ত্রের জয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার
(৩০ জানুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি
এ মন্তব্য করেছেন।
রেওয়াজ
অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি
ভাষণ দিয়ে থাকেন। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন।
এ
সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। অধিবেশনে অন্যান্যের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী,
বিরোধীদলীয় নেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদেরসহ সংসদ সদস্যরা।
রাষ্ট্রপতি
মো: সাহাবুদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে
দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সফলভাবে নির্বাচন পরিচালনার
মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই, জনগণের
রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের
স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সব পদক্ষেপ সার্থক
হয়েছে। নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন
করেছে।
মন্তব্য করুন