

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে মাঠে নামছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯–এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য প্রতি উপজেলা/থানায় ন্যূনতম দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এজন্য আচরণবিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা/থানায় ন্যূনতম দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো অব্যবস্থাপনা ছিল কি-না তা তদন্তের জন্য চার দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো.জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় কোনো অব্যবস্থাপনা ছিল কিনা সেটি তদন্তের জন্য আমরা চার দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। প্রথমে ইংল্যান্ডকে পরে আরও তিনটি দেশ—অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক ও চীনকে তদন্তের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেসব দেশ থেকে বিশেষজ্ঞ দল আসবে এবং তারা তদন্ত করবে কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।’
শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজ ও ই-গেট পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এক প্রশ্নের জবাবে মো.জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগুন নেভাতে বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ব্যর্থ হননি। তারা যদি ব্যর্থ হতেন তাহলে আগুন নেভালো কী করে। তারা আগুন না নেভালে তো সব জায়গায় ছড়াতো।
বিমানবন্দরের ভেতরে ফায়ার সার্ভিসের টিম থাকার পরও পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসতে পারলো না কেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই। বিমানবন্দরের ভেতরে ফায়ার সার্ভিসের যে ইউনিটগুলো রয়েছে সেগুলো ৪ মিনিটের মাথায় সেখানে এসেছে। ফায়ার ব্রিগেডের অন্যান্য ইউনিটগুলো পর্যায়ক্রমে ২০ মিনিটে চলে এসেছে। অন্য টিমগুলো একটু দেরিতে আসায় হয়তো আগুন ছড়িয়ে গেছে। এজন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লেগেছে। গুদামগুলোতে কেমিক্যাল থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা জানেন, আমাদের যারা রেমিটেন্স যোদ্ধা তাদের পদে পদে কষ্ট হয়। রেমিটেন্স যোদ্ধাদের পাসপোর্ট ফি কীভাবে কমানো যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যারা ২০১৪,২০১৯ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের বাছাই করে বাদ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশের অনেক কর্মকর্তা যাঁরা অপরাধে জড়িত ছিলেন দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনা হবে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘তারা আইনের চোখে অপরাধী। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।’
পুলিশের অনেক কর্মকর্তা যারা সাবেক ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময় দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অনেকেই এখন রাজধানীতে ওসির দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা ২০১৪,২০১৯ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের বাছাই করে বাদ দেওয়া হবে।’
নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর হাতে ম্যাজিস্ট্রেসি থাকবে কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন যেহেতু তারা ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার ব্যবহার করছেন নির্বাচনের সময়ও তা বহাল থাকবে।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ছোট-খাটো যে সমস্যা তা সমাধান করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে আলোচনার বিষয় ছিল- মাদক, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, সীমান্ত ইস্যু, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। এছাড়া লুট হওয়া অস্ত্র কীভাবে দ্রুত উদ্ধার করা যায় সে বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিএনপির প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর কয়েকটি জায়গায় ছোট-খাটো কিছু ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এ বক্তব্যগুলোর অনেক সময় সত্যতা থাকে না। কিন্তু সাংবাদিকদের বক্তব্য সত্যি থাকে। সেজন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করবো উসকানিমূলক বক্তব্যগুলো সাংবাদিকরা বেশি প্রতিহত করতে পারেন, যদি আপনারা সত্য সংবাদটা দিয়ে দেন। কোনো ধরনের সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম জানিয়েছেন যে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে দুই হাজার ১১১ জন বাদ দেওয়া হবে।
বুধবার নিজ মন্ত্রণালয়ে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি প্রস্তুতির জন্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ফারুক ই আজম বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। এর চেয়ে কম বয়সী ২ হাজার ১১১ জন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন, তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।”
তিনি আরো বলেন, “বহু অভিযোগ এসেছে যে অনেক ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা না হয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং তারা সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। এটা জাতির সাথে প্রতারণা। আদালতের সিদ্ধান্তের পর তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তালিকা সংশোধন করতে একটু সময় লাগবে, তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা যাতে ক্ষুণ্ন না হয়।”
উপদেষ্টা জানান, “তবে তাদের একটি সুযোগ দেওয়া হতে পারে। যদি তারা স্বেচ্ছায় তালিকা থেকে সরে যান, তাহলে তাদের সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। যদি তারা স্বেচ্ছায় সরে না যান, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রণালয় থেকে ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বর্তমানে এক লাখ ৯৬ হাজার ৪৫৪ জন, এর মধ্যে বীরাঙ্গনা ৪৬৪ জন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৮৯৫ জন, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৩৩৩ জন এবং খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩৬৮ জন। সব মিলিয়ে মোট ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুই লাখ ৮ হাজার ৫০ জন।”
তিনি আরও জানান, “সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের মোট সংখ্যা ৮৯ হাজার ২৩৫ জন এবং শহিদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা ৫৬০ জন।”
মন্তব্য করুন


দেশ থেকে পাচার হওয়া কয়েকশ কোটি ডলার এ বছরের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "আমরা চেষ্টা করছি, বিশাল অংকের টাকা। সব টাকা আনতে সময় লাগবে। তাদের শনাক্ত করতে হবে। পাচারের সঙ্গে জড়িতরা বিভিন্ন দেশে আছেন। এখানে কতগুলো আইনের পদক্ষেপও রয়েছে, আবার সে আইনের পদক্ষেপগুলো বিদেশের সঙ্গেও জড়িত। এ জন্য একটি বিশেষ আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, শিগগিরই যা অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।"
সরকার কয়েকশ কোটি ডলার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এটা কি সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, "হ্যাঁ, এটা সম্ভব। অনেক সময় দেখা যায় ১১-১২ জন দিয়েছে, ২০০ কোটি টাকার ওপরে অনেকের শনাক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে হয়তো আমরা আনতে পারব।"
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টিনা থেকে ৫২ হাজার ৫০০ টন গম নিয়ে এমভি ইন্ডিগো ওমেগা জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের (প্যাকেজ-০৩) মাধ্যমে আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি করা ৫২ হাজার ৫০০ টন গম নিয়ে এমভি ইন্ডিগো ওমেগা জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
গমের নমুনা পরীক্ষা শেষে খালাসের কার্যক্রম আজই শুরু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
এর আগে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি করা ৫০ হাজার ২০০ মেট্রিক টন গম বাংলাদেশে এসেছিল।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রমজানের আগেই দেশে ত্রয়োদশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভিডিও কলে ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। এসময় ড. ইউনূস এসব কথা বলেন।
বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বাসস জানিয়েছে, ড. ইউনূস জর্জিয়েভাকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পর তিনি (ড. ইউনূস) তার পূর্ববর্তী কাজে ফিরে যাবেন।
বাসসের প্রতিবেদন জানিয়েছে, আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ড. ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং এই কৃতিত্ব তার নিজেরই।
ড. ইউনূস জানান, তার সরকার এরইমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।
অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, আপনার অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি।
তিনি নিউইয়র্কে গত বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সময় জর্জিয়েভার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, সেই সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে আগামী ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের আগে নির্ধারিত সময়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো স্পষ্ট করেন, নির্বাচন শেষে তিনি তার পূর্বের কাজে ফিরে যাবেন।
ফোনালাপে আইএমএফ প্রধান বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের এই অমূল্য সময়ে শক্ত অবস্থানে যেতে হলে সাহসী সংস্কার অনিবার্য।
এসময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। আলোচনাকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অর্থসচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
মন্ত্রিসভার আবারও সম্প্রসারণ হতে যাচ্ছে বলে একাধিক মহল থেকে গুঞ্জন উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুই দফায় ৪৪ সদস্যের মন্ত্রিসভা আরও বড় হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী একাধিক মহলকে ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে নিশ্চিত করেছে। তবে ঠিক কখন কীভাবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক ব্যক্তির কাছে ঈদের পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে বলছেন যে, মন্ত্রিসভা আরও বড় করছি। কারণ এখন সরকার বড় হয়েছে এবং কাজকর্ম বেড়েছে। মন্ত্রীদের কাজের পরিধি বাড়ায় মন্ত্রিসভাকে বড় করতে হবে। এরকম আলাপ করা একজন আওয়ামী লীগের নেতা বাংলা ইনসাইডারের কাছে স্বীকার করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন যে, মন্ত্রিসভা আরও করা হতে পারে। তবে ঠিক কবে বড় করা হবে সে সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী নেই। কোথাও কোথাও প্রতিমন্ত্রীরও প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে যে মন্ত্রিসভা রয়েছে সেই মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুধুমাত্র প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এইখানে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী দেওয়া হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে এটি কখন দেওয়া হবে বা কাকে দেওয়া হবে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে মন্ত্রিসভায় শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া হয়েছে। বিজিএমইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখানে একজনকে আইন জানা এবং সিনিয়র নেতাকে মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং বিজিএমইর পক্ষ থেকে একজন এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথেও কথা বলেছেন বলে একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইর ওই নেতাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, শ্রম আইন জানা একজন ব্যক্তিকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
একইভাবে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মতো একটি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রীতে পদোন্নোতি দেওয়া হতে পারে এবং যেহেতু শিক্ষামন্ত্রী বয়সে তরুণ পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন, কাজেই মোহাম্মদ আলী আরাফাতও পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়াও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোন পূর্ণমন্ত্রী নেই। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন পূর্ণমন্ত্রীর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হচ্ছে। এখানে একজন প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হতে পারে বিভিন্ন সূত্র থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়াও মন্ত্রিসভায় এখন পর্যন্ত মাত্র দুইজন টেকনোক্র্যাট সদস্য রয়েছেন। আরও অন্তত দুইজন টেকনোক্র্যাট সদস্য মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, রোজার পর পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের একটি সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঠিক কতজন আবার মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অসমর্থিত একাধিক সূত্র বলছেন যে, আরও তিন থেকে চারজন প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে যুক্ত হতে পারেন।
মন্তব্য করুন


ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই মুহূর্তে ইসি অন্য কোনো নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে না। তবে সরকার চাইলে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে ইসি প্রস্তুত রয়েছে।
মঙ্গলবার ইউএনডিপিসহ উন্নয়ন সহযোগী ১৮টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ১৬ ডিসেম্বরের বক্তব্যে বলেছিলেন, যদি অল্প পরিমাণে সংস্কারসহ নির্বাচন করতে হয় এবং রাজনৈতিক মতৈক্য গড়ে ওঠে, তাহলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব। আর যদি ব্যাপক সংস্কারের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ২০২৬ সালের জুন নাগাদ নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, "আমরা বলেছিলাম, আমাদেরকে সম্ভাব্য সবচেয়ে আগের তারিখ ধরে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের অবস্থান এখনও অপরিবর্তিত।"
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "একটি প্রশ্ন উঠেছিল, দুটি নির্বাচন একসঙ্গে করা যায় কিনা। এতে কত সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।"
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা সম্ভব নয়। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজন করতে গেলে এক বছর সময় লাগে। যদি সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচনের সময় পিছিয়ে যাবে। বর্তমানে জাতীয় নির্বাচনই ইসির অগ্রাধিকার। তাই ইসি এখন শুধু জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সরকার যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ইসি তা বাস্তবায়ন করবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের।
আরেক প্রশ্নের জবাবে আবুল ফজল বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু হবে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানের হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তখন ইসি বলতে পারবে, এটা জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে কিনা। তার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।"
ইউএনডিপি ছাড়াও এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, কানাডা, জার্মানি, চীন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ এবং তুরস্কের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনাদের ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। আপনাদের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলী রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স সেমিনার হলে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জন্য আয়োজিত ‘পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের কর্মের উপর ভিত্তি করে আপনাদের নির্বাচিত করা হয়েছে। জেলা পরিষদের সার্বিক উন্নয়ন আপনাদের উপর নির্ভরশীল। কোথায় কীভাবে কাজ করলে সমাজ উন্নতি হবে, তা আপনারা জানেন। বিধিসম্মতভাবে সঠিক কাজটি করতে হবে। আপনাদের সুসংহত হতে হবে এবং মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সরকারের হস্তান্তর করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন আইন, টেকসই উন্নয়ন, উন্নয়ন কৌশল এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়া যাবে। এছাড়া টিআর, জিআর বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কেও ধারণা লাভ হবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন কীভাবে হবে তা আপনাদের পরিকল্পনা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, জীবিকা উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে উন্নয়ন, এবং পানির সমস্যার সমাধানের মতো চ্যালেঞ্জগুলো গ্রহণ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে সেই অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. আমিনুল ইসলাম, প্রদীপ কুমার মহোত্তম এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম চাকমা।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী দিনে পার্বত্য জেলা পরিষদের আইন, বিধি ও প্রবিধান সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী।
মন্তব্য করুন


ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বেলা ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী।
অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক জানান, সকালে শিশুটির দুই দফায় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। প্রথমবার সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃদস্পন্দন ফিরে এলেও বেলা ১২টায় আবারও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এবার সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরার নির্যাতিত শিশুটি আজ দুপুর ১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিএমএইচের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির সকালে তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। দুবার তাকে স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃদস্পন্দন ফিরে আসেনি। গত ৮ মার্চ সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এছাড়া শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে সেনাবাহিনী।
মন্তব্য করুন