

গণভোট নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন তাদের জানার পরিধি কম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব (সিনিয়র সচিব) শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘পুরো পৃথিবীতেই সরকার গণভোট নিয়ে পক্ষ নেয়। কখনো হ্যাঁ এর পক্ষ নেয়, কখনো না।’
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আসেন তিনি।
এরপর তিনি আখাউড়ার শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (রহ.) এর মাজার শরীফ জিয়ারত করেন। এ সময় আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ-উল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদসহ মাজার কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শফিকুল আলম বলেন, ‘‘আমরা সংস্কারের পক্ষে, দেশের অপশাসন দূর করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো যেন আর দৈত্য দানব না হয় সেজন্য ‘হ্যাঁ’ দিতে বলছি।
চুরি চামারি বন্ধ করতে হলে হ্যাঁ ভোটের পক্ষ নিতে হবে। কারণ আপনারা দেখেছেন যে, তারা (বিগত সরকার) ব্যাংকের টাকা চুরি-চামারি করে চেটে চেুটে খেয়ে গেছে। এখন এটার দায়িত্ব এসে পড়েছে বর্তমান সরকারের ওপর।’’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব আরো বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।
নির্বাচন খুব ভালোভাবে হবে। গতকালও কেবিনেট মিটিংয়ে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে কি ধরনের প্রস্তুতি আছে। এবার ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। যত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া দরকার সেটা করা হয়েছে।
নিরাপত্তার প্রস্তুতি শেষ। রিটানিং, পোলিং অফিসারসহ অন্যান্যসহ কার্যক্রমও শেষ। আমরা ওয়েট করছি ভোটের। সংস্কারের বিষয়টিই প্যাকেজ আকারে হ্যাঁ ভোটে এসেছে।’
ভোট নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার আশঙ্কার বিষয়টি তিনি উড়িয়ে দেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘রুমিন ফারহানার আশঙ্কা অমূলক। আমরা আমাদের কাজ দিয়েই তা প্রমাণ করব। এই সরকারের কারো প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই।’
যমুনায় তারেক রহমানের পরিবার নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ পারিবারিক সাক্ষাত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন ডিনার হয়েছে। এটা ডাহা মিথ্যা। এটি ছিল পারিবারিক সৌজন্য সাক্ষাত। এখানে আমাদের অফিসিয়াল কেউ ছিলেন না।’
মন্তব্য করুন


দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিরুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন এ বছর সারাদেশে পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫টি। এটা গতবারের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। পূজার নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা দুই অক্টোবর পর্যন্ত মোট নয় দিন এ দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবে। সারাদেশে প্রায় ২৪টি বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে বিজিবির ৪৩০ প্লাটুন কাজ করছে। ২ লক্ষ ৩ হাজার ৫৬৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পূজা মণ্ডপে কমিটির সাতজন সদস্য পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসির অ্যাপের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পূজায় সারাদেশে ৭০ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। পুলিশ এবং আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গতবারের ন্যায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পূজা মণ্ডপে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিরুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গাতেই গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সেদিন কালিমন্দির পরিদর্শন করতে গিয়ে কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তারাও এরকম গুজবের খবর পেয়েছেন।
পূজা উপলক্ষ্যে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। এবার যেহেতু পূজা মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে, সেহেতু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংখ্যা বেড়েছে। এবার পূজা অবশ্যই ভালো হবে। আমি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছি, কোথাও কারও মধ্যে কোনো শঙ্কা দেখিনি। কিছুসংখ্যক ফ্যাসিস্টের দোসর আছে, তারাই এসব প্রচার করে।
মন্তব্য করুন


আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণের একপর্যায়ে বলেন, আমরা সকল বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনের মতো গণভোটও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্থে একইদিনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংস্কারের লক্ষ্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর ও সাশ্রয়ী হবে। গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে উপযুক্ত সময়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নও নির্ধারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি প্রশ্নটি এখন আপনাদের সামনে পাঠ করে শোনাচ্ছি। প্রশ্নটি হবে এ রকম—
আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছেসেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।
গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে ভোটাররা মতামত জানাতে পারবেন। গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিগণ একইসাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হবার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্তভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এর মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ পুলিশের চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বদলি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত আইজিপি এবং দুইজন ডিআইজি রয়েছেন।
বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ-১ শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উপসচিব আবু সাঈদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন
মন্তব্য করুন


আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে মাঠ প্রশাসনের ব্যবহারের জন্য ৩০০ গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি কেনার প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়নি।
একই অনুষ্ঠানে ড. সালেহউদ্দিন আরও জানান, জাপানে এক লাখ কর্মী পাঠানো হবে। জাপানি ভাষা জানলেই চাকরির সুযোগ মিলবে, পাশাপাশি যেকোনো দক্ষতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ব্যাংক একীভূতকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ২২টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। তবে এ কারণে আমানতকারীদের কোনো ঝুঁকি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেশ কিছু পণ্য ও সেবার ওপর থেকে বাড়তি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য করতে ওষুধ শিল্পের ওপর ব্যবসায়িক পর্যায়ে যে ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে আগের অবস্থায় আনা হয়েছে। এখন থেকে এই খাতে দুই দশমিক চার শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে।
ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে মোবাইল ফোনের সিম ও রিম কার্ড এবং ইন্টারনেট সেবার ওপর থেকে সম্পূরক শুল্ক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে, রেস্তোরাঁর খাবারের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে তিন-তারকা, চার-তারকা ও পাঁচ-তারকা হোটেল ব্যতীত সব রেস্তোরাঁয় আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া, মোটরগাড়ির গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ, এবং নিজস্ব ব্র্যান্ডের তৈরি পোশাক বাদে অন্য পোশাক বিপণনে আরোপিত অতিরিক্ত ভ্যাট সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে।
নন-এসি হোটেল, মিষ্টির দোকান এবং নিজস্ব ব্র্যান্ডের তৈরি পোশাক বিপণনের ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার কমিয়ে ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির কারণে শতাধিক পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ভ্যাট বৃদ্ধির সমালোচনা করেন অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এবং জাতীয় নাগরিক কমিটিও।
মন্তব্য করুন


সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে অধস্তন আদালতের বিচারকরা সরকারের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম, বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
গত বৃহস্পতিবার, হাইকোর্টে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানিয়ে জারি করা রুলের শুনানির সময় এই মন্তব্য করেন শিশির মনির।
এদিন, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চে এই রুলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
শিশির মনির আরও বলেন, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে অধস্তন আদালতের বিচারকরা সরকারের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন এবং তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। বিচারকদের ওপর এমন চাপ রয়েছে যে, তাদের রাতে কোর্ট বসিয়ে সাজা দিতে বাধ্য করা হয়েছে, এবং সরকারের পছন্দের আদেশ না দেওয়ার কারণে অনেক বিচারককে পদবিন্যাস করে বান্দরবানে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিচারককে কষ্টে চোখের পানি ফেলতে দেখা গেছে।
তিনি যুক্ত করেন, এই অনুচ্ছেদটি অপসারণ করা হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয়ের স্বপ্ন পূরণ হবে।
এছাড়া, ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিষয়টি কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছিল। এর আগে, ২৫ আগস্ট এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে দাবি করা হয়, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ এবং শৃঙ্খলাবিধির দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়।
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে ছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মো. আসাদ উদ্দিন, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জহিরুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শাইখ মাহাদী, আবদুল্লাহ সাদিক, মো. মিজানুল হক, আমিনুল ইসলাম শাকিল এবং যায়েদ বিন আমজাদ।
রিট আবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা হয়।
রিটে ২০১৭ সালে প্রণীত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (ডিসিপ্লিনারি) রুলসের সাংবিধানিক বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়। রিটে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা এবং ২০১২ সালের সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে আরও বলা হয়:
১. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। ১১৬ অনুচ্ছেদ এটি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, এবং একইসাথে বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি বাস্তবায়ন কার্যত আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
২. সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী বিলুপ্ত হয়েছে, পঞ্চম সংশোধনী অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১১৬ এর বিধান বহাল রাখা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থি।
৩. পৃথক সচিবালয় না থাকার কারণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা অধস্তন আদালতের বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন


মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যমেয়াদি সংস্কারে না গিয়ে সরকার দেশে কিছু মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন, তিনি নিজেও অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বলে জানান।
আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং সামিট’– এ ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শাসনে এফআরসির ভূমিকা ও প্রভাব’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দীর্ঘদিন থাকছি না, খুব বেশি হলে হয়তো ৭-৮ মাস। বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা এবং আমি কিছু মৌলিক সংস্কার করতে খুবই সিরিয়াস। আমরা কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যমেয়াদি সংস্কার করব না।’
তিনি বলেন, ‘যতটুকু সংস্কার শুরু হয়েছে, আমরা তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।
আমরা অনেক প্রতিবন্ধকতা ও বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। বহু জটিল বিষয় আছে যেগুলো বাইরে থেকে বুঝতে পারবেন না।’
এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ব্যবসায়ী ও ঋণদানকারী সংস্থাগুলোর সমর্থনের প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘তারা খুব ভালো সমর্থন দিয়েছে।’
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মানসুর, ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সোলেয়মান কুলিবালি প্রমুখ।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার। এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের লিড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট সুরাইয়া জান্নাত।
বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের (আইসিএমএবি) সভাপতি মাহতাব উদ্দিন আহমেদও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি পুরো মাত্রায় থাকলেও তফশিল ঘোষণার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
শনিবার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা জানানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফশিল ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল ইসির। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনও জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফশিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের জাতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
আখতার আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১১টা থেকে আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে আয়োজিত মিটিংয়ে ছিলাম।’
তফশিল ঘোষণার প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত তফশিল ঘোষণার দিন নির্ধারণ করতে পারে নাই।’
তবে নির্বাচন আয়োজনে ইসি পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করি, সঠিক তথ্যটা দেন...নিশ্চয়ই নির্বাচনের ব্যাপারে জোর প্রস্তুতি চলছে।’
সাংবাদিকদের নিয়ে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ); সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ) এবং নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ এর পরিচিতি’ শিরোনামের কর্মশালায় বক্তব্য দেন আখতার আহমেদ। এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করে ইউএনডিপি ও রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে যে সমালোচনা করা হয়, তার বেশির ভাগই পুরো বাস্তব চিত্র তুলে ধরে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তার মতে, স্বার্থান্বেষী নানা গোষ্ঠীর তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বল্প সময়ে সরকার যে পরিমাণ কাজ করতে পেরেছে, তা উপদেষ্টামণ্ডলীর নিষ্ঠা ও অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকারিতার বহিঃপ্রকাশ।
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্ট্যাটাসে নীতি প্রণয়ন, নির্দেশনা তৈরির প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শফিকুল আলম লিখেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগে নীতিমালা, দিকনির্দেশনা বা প্রস্তাবিত আইন-বিধি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিটি মতামত ও প্রতিবেদন তিনি গভীরভাবে অনুসরণ করতেন। তবে দায়িত্বের পর পরিস্থিতি বদলে গেছে- কোনো নীতি বা আইন পাস বা বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত এখন তার আগ্রহ জন্মায় না।
প্রযুক্তির উন্নতির কারণে নীতিমালা বা সংস্কার নিয়ে লেখা সহজ হলেও বাস্তব প্রয়োগ যে অনেক কঠিন, তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ চাইলে চ্যাটজিপিটিকে বললেই বাংলাদেশকে বদলে দিতে ৪৫০ পৃষ্ঠার সংস্কার-প্রস্তাব পাওয়া যায়; চাইলে নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়েও সেই প্রস্তাব তৈরি সম্ভব।’
কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন- গত ১৬ মাসের অভিজ্ঞতা থেকে এমনটাই জানালেন তিনি। তার ভাষায়, বাজারবান্ধব, কর্মসংস্থানমুখী ও জনবান্ধব আইন বা নীতি প্রণয়ন আমাদের মতো দেশের জন্য অত্যন্ত কঠিন। ব্যবসায়ী লবি গ্রুপ, রাজনৈতিক গোষ্ঠী, বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, পেশাজীবী সংগঠন থেকে শুরু করে অদক্ষ ও স্বল্পদৃষ্টি সম্পন্ন আমলাতন্ত্র- সব জায়গা থেকেই বাধা আসে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক সময় খুব সাধারণ ও সহজে পাসযোগ্য আইনও মাসের পর মাস আটকে থাকে। আবার যেসব সংস্কার কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ বাড়াতে পারে, সেগুলো বাস্তবায়নেও অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হয়।
মন্তব্য করুন


একটি মহল খাগড়াছড়ি পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি মহল শান্তিপূর্ণভাবে যাতে দুর্গাপূজা না হয়, সেই চেষ্টা চালাচ্ছে। এই মহলই খাগড়াছড়িতে এসব করছে। ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে এই ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনা যাতে না ঘটে, সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার রাজধানীর রমনায় ডিএমপির পাঁচটি থানার ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দাবি, দেশে দুর্গাপূজা যেন উৎসবমুখর না হয়, সে জন্যই খাগড়াছড়িতে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তিনি বলেন, খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আটকা পড়া পর্যটকদের বেশির ভাগকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পরিস্থিতি এখন সন্তোষজনক।
দেশে ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। এই উৎসবের সময় কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে এবং পূজা যেন নির্বিঘ্নে আয়োজিত হয়, এ জন্য সবাইকে সহায়তা করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন