

এবার ঈদযাত্রায় কোনো টিকিট কালোবাজারি হয়নি এবং তাতে রেলওয়ের কোনো কর্মকর্তাও জড়ানোর সাহস পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে ঈদযাত্রার সময় প্রতি বছর ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। এতে রেলওয়ের লোকজনও জড়িয়ে পড়ে। এবার সেটা কঠোরভাবে নজরদারি করা হয়েছে। রেলের কেউ এসবে (টিকিট কালোবাজারি) জড়াতে পারেনি। ফলে যাত্রীদের অসুবিধায় পড়তে হয়নি।
রোববার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ঘরমুখো মানুষ সড়কপথের মতো ট্রেনযাত্রায়ও স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পথে পথে চাঁদাবাজি চলতো, গাড়ি থামানো হতো। সেটা কিন্তু এবার নেই। কেউ এটা করার সুযোগ ও সাহস পায়নি। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। তারা নির্দেশনা মোতাবেক ভালো কাজ করছেন। সবমিলিয়ে ঈদযাত্রায় আমরা ইতিবাচক ফলাফল পাচ্ছি।
স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বললেন, তারা কী জানালেন- এমন প্রশ্নে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সবাই খুশি। অন্যবারের চেয়ে এবার তারা সুন্দরভাবে যেতে পারছে। ভোগান্তি একেবারে কম। কোথাও বাড়তি টাকা-পয়সা চাওয়া হচ্ছে না। এগুলো যাত্রীরা জানালেন। তারা ভালোভাবে গেলেই আমাদের কষ্ট স্বার্থক হবে।
এসময় রেলের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, স্টেশন ম্যানেজার শাহাদাত হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে দ্বিতীয় ইন্টেরিম রিপোর্ট জমা দিয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন।
বুধবার বেলা ১১টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশন প্রধান বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। এটি ঘিরে শুধু বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিকভাবেও আগ্রহ রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, “কী ভয়াবহ একেকটি ঘটনা! আমাদের সমাজের ‘ভদ্রলোকেরা’, আমাদেরই আত্মীয়-পরিজনরা এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে। আপনারা যা যা কিছু পেয়েছেন তার ভিত্তিতে একটি হরর মিউজিয়াম হওয়া উচিত। গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। এই ধরনের বন্দিশালা কেমন হয়, তিন ফিট বাই তিন ফিট খুপড়ির মধ্যে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আটকে থাকার যে নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরা উচিত।”
সদস্যদের মধ্যে নূর খান, সাজ্জাদ হোসেন এবং নাবিলা ইদ্রিস উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
এ সময় ড. ইউনূস কমিশন সদস্যদের কাছে প্রতিবেদনের আশু করণীয়গুলো চিহ্নিত করে কোনটি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পড়ছে- তা সুনির্দিষ্ট করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন, যাতে করে সরকার স্বল্পসময়ের মধ্যে কাজগুলো শুরু করতে পারে।
একজন কমিশন সদস্য প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো এতটাই ভয়াবহ যে জড়িত অনেক কর্মকর্তা ও অন্যরাও অনুশোচনায় ভোগেন। তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আত্মশুদ্ধির একটা প্রচেষ্টা হিসেবে। দুজন অফিসার লিখিতভাবে এর থেকে পরিত্রাণ চেয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। চিঠিগুলো গণভবনে পাওয়া গেছে। তৎকালীন সেনাপ্রধান জনসম্মুখে এই চিঠির কথা স্বীকারও করেছেন।’
কমিশন সদস্যরা জানায়, কমিশনের কাছে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ এসেছে এবং তারমধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে।
কমিশন সদস্যরা আরও জানায়, অভিযোগের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো তিন শতাধিক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানান তারা।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার যাতে অন্তত ব্যাংক হিসাবে লেনদেন করতে পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ জানান কমিশন
প্রধান।
মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান আইনে কেউ সাত বছর নিখোঁজ থাকলে তাকে মৃত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইন সংশোধন করে এটিকে পাঁচ বছর করার সুপারিশ করেন তিনি।
অতিদ্রুত যাতে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া যায়, সে বিষয়ে করণীয় জানাতে কমিশনকে পরামর্শ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
কমিশন সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা ভয়-ভীতি, নানান রকম হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছেন। এদেশের মানুষের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। ভবিষ্যতে যারা মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করবে আপনারা তাদের অনুপ্রেরণা।’
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০টি সংসদীয় আসনের সীমানার গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ১০টি সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জুন) বিজি প্রেস থেকে সংসদীয় আসনের গেজেট ছাপানো হয়েছে।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের গত বৃহস্পতিবার (১ জুন) স্বাক্ষরিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সীমানা নির্ধারণ আইনের ধারা ৬ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী দাবি/আপত্তি/সুপারিশ/ মতামত দরখাস্তসমূহের তথ্যাবলী পর্যালোচনা করে এবং শুনানিকালে উপস্থাপিত তথ্য ও যুক্তিতর্ক বিবেচনান্তে প্রাথমিক তালিকায় প্রকাশিত নির্বাচনি এলাকার প্রয়োজনীয় সংশোধন করে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের পুনর্নির্ধারিত সীমানার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল।
সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হলো যেসব আসনের
পিরোজপুর-১ : এ আসন আগে পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিল। এখন নেছারাবাদ উপজেলা বাদ দিয়ে এই আসনে ইন্দুরকানী উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে।
পিরোজপুর-২ : ইন্দুরকানী উপজেলা আগে পিরোজপুর-২ আসনের অংশ ছিল। সেটি বাদ দিয়ে নেছারাবাদ উপজেলা পিরোজপুর-২ আসনের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গাজীপুর-২ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড গাজীপুর-২ আসনের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়ার্ড এতদিন গাজীপুর-৫ আসনে ছিল।
গাজীপুর-৫ : সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড এই আসনের আয়তন থেকে বাদ পড়েছে। অর্থাৎ আগের চেয়ে এই আসন ছোট করা হয়েছে।
ফরিদপুর-২ : এই আসনের এলাকা থেকে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফরিদপুর-৪ : আগে এই আসনে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ছাড়া সদরপুর উপজেলার বাকি এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন কৃষ্ণপুরসহ পুরো সদরপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কুমিল্লা-১ : এই আসন থেকে মেঘনা উপজেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তিতাস উপজেলাকে।
কুমিল্লা-২ : এখানে মেঘনা উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে। তিতাস উপজেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-২ : এই সংসদীয় আসন আগে সেনবাগ উপজেলা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর ও আম্বর নগর নিয়ে গঠিত ছিল। এবার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নকেও এখানে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এটির আয়তন বেড়েছে।
নোয়াখালী-১ : এই আসন থেকে সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এটি ছোট করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফিলিস্তিনের গাজাগামী ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের (এফএফসি) নৌবহর থেকে আটক হওয়ার পর ইসরায়েলের কারাগারে থাকা বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে তুরস্কের সহায়তায় মুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য জানিয়েছেন আন্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক।
তিনি আরও জানায়, তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে শুক্রবাই (১০ অক্টোবর) তাকে বিশেষ বিমানযোগে আন্কারায় নিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে । যদিও এ ব্যাপারে তুর্কি কর্তৃপক্ষ শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।
জানা যায়, শহিদুল আলম ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের দ্বারা অবৈধভাবে আটক হবার পর জর্ডান, মিশর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহকে ওইসব দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে মুক্ত করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে বলা হয়। এরপর থেকেই দূতাবাসগুলো তার মুক্তির বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
মন্তব্য করুন


নিত্য পণ্যের চড়া দামে সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে, তবে আমাদের পক্ষ থেকে ইচ্ছে করে তাদের কষ্ট দেওয়া হচ্ছে না, এমন মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, সিস্টেমের সঠিক কাজ না হওয়ার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ছয় বছর সময় লেগেছে, যা সাধারণভাবে অস্বাভাবিক। এই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অনেক আইন ও পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে, তবে সমস্যা হচ্ছে এর বাস্তবায়ন নিয়ে।
এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বলেন, আইন প্রয়োগে কঠোর হতে হবে এবং পণ্য আমদানি প্রক্রিয়ায় মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে জটিলতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রা সহজ করতে সরকার সচেষ্ট।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো উদ্বোধন হবে। এর মাধ্যমে বন্দরে আমদানি ও রপ্তানি পণ্য খালাস প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা যাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ৩৯টি সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
মন্তব্য করুন


দশমাস দশদিন গর্ভধারণ করে পৃথিবীর আলো-বাতাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে নিঃস্বার্থ আর নির্ঝঞ্ঝাট ভালোবাসায় আগলে রেখে সন্তানকে বড় করে তোলেন মা। সে ভালোবাসার কোনো সীমা নেই, পরিমাপ নেই, নেই কোন খাদ। মায়েদের এই আত্মত্যাগ আর ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ বিশ্বজুড়ে পালন করা হচ্ছে মা দিবস। মা দিবসে মাকে ঘিরে বিভিন্ন স্মৃতি ও মায়ের ভালবাসা কথায় রোমন্থন করেছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ।
তিনি বলেন, মানুষের জীবনে সফলতার জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণার উৎস ও আশীর্বাদ হলো তার মা। বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে পৃথিবীর সব মায়েদের গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই। আসলে আমার কাছে সারাজীবন অর্থাৎ প্রতিটি দিনই মা দিবস। নির্দিষ্ট একটি দিনে হয়ত আমরা মায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দিবস হিসেবে পালন করি। তবে মাকে ভালোবাসাতে কোনো দিবসের প্রয়োজন নেই। সারাটি জীবনই মা দিবসের মতো আবেগ-অনুভূতি আর ভালোবাসা ধরে রাখা বাঞ্ছনীয়। কেননা সন্তানের কাছে তার মা হচ্ছেন পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ও আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থল।
তাছাড়া মা-সন্তানের সম্পর্ক হচ্ছে পৃথিবীতে এমন একটি সম্পর্ক যেটি অবিচ্ছিন্ন। শুধু মানুষ নয় বরং আমরা যদি প্রকৃতির দিকে তাকাই সেখানেও দেখব প্রাণীকুলের মধ্যেও মায়েরা কতটা দায়িত্বশীল। সন্তানকে সবাই ফেলে যায়, কিন্তু মা কখনো ফেলে যেতে পারেন না।
মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে অধ্যক্ষ ইউসুফ বলেন, আমার মা একজন গ্রামের মানুষ। আমিও গ্রামে জন্মেছি ও সেখানেই বড় হয়েছি। আমার বেড়ে ওঠার পেছনে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমি যখন পড়ালেখা করতাম, অনেক সময় আমার পরীক্ষার ফি থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রয়োজনীয় বইপত্রসহ অন্যান্য উপকরণ সব মা জোগাড় করে দিতেন। বিশেষ করে রাত জেগে যখন পড়তাম, তখন মা তার ঘুম বাদ দিয়ে আমার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো রাত যতই হোক না কেন সবসময়ই আমাকে গরম খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতেন। তবে তাই বলে বাবাদের অবদানও অস্বীকার করার মতো নয়। বাবারাও উপার্জন করে আমাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করেছেন। সে বিষয়েও অবশ্যই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে। তবে সংগত কারণেই বাবার চেয়ে সন্তান মায়ের কাছেই বেশি সময় থাকার সুযোগ পায়। তাই আবারও বলছি, কোনো একজন মানুষের সাফল্যের পেছনের সবচেয়ে প্রেরণার ও আশীর্বাদ হচ্ছেন তার মা।
মাকে ঘিরে একটি ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, একটি ঘটনা যা এখনও আমাকে কষ্ট দেয়। আমি একবার হারিয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করতেন। ঢাকা থেকে গিয়ে যখন আমাকে মাকে জিজ্ঞেস করছিলেন আমি কোথায় আছি। মা ভয়ে একেবারে ঘরছাড়া ছিলেন চারদিন। আমি যখন ফিরে এলাম তখন এ ঘটনা শুনেছি। এটি আমাকে এখনও খুব কষ্ট দেয়।
একাল আর সেকালের মায়েদের আদর স্নেহের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগের দিনে গ্রামীণ বা শহুরে জীবনে মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক অনেক বেশি ছিল। তখন আমরা অনেক ডানপিঠে ছিলাম। সারাদিন ঘুরেছি ও খেলাধুলা করেছি। কিন্তু সবসময়ই আবার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার একটি আকুলতা ছিল। বিশেষ করে সন্ধ্যায় যখন ঘরে ফিরতাম তখন মায়েরও অন্যরকম আকুলতা খেয়াল করতাম। তাছাড়া মায়ের হাতের পিঠা পায়েসের তো তুলনাই ছিল না। বিভিন্ন পার্বণে মা যেসব খাবার তৈরি করতেন, সেটি হয়ত নাগরিক জীবনে ঘটেও, তবে গ্রামীণ জীবনে যেসব আয়োজনে যে প্রাণ ছিল সেটি এখন আর নেই। দেখা যেত, সামান্য একটি পাটিসাপটা পিঠাও আমাদের অনেক মধুর লাগতো। শীতকালে ভাঁপা পিঠা তৈরি বা আয়োজন অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করত। ছোট সময়ে মায়ের হাতে যেসব পিঠা খেয়েছি এখন অনেক মিস করি।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন জানিয়ে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার উদ্দেশ্যে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এই কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে কাজ করবে। তিনি বলেন, “আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।”
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনি ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে জাপানের ‘দৃঢ় সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এই সম্পর্ক সবসময়ই শক্তিশালী ছিল।”
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়।”
জাপানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে কোনো জাপানি কোম্পানি চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।”
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগণের পুনর্বাসন হতে পারে এবং তারা তাদের বাড়িতে ফিরতে পারবে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সহিংস ঘটনা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেছে। CA Press Wing Facts পেজে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজারসহ বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে যে, বাংলাদেশে ২০২২ সালে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি, ২০২৩ সালে ৩০২টি এবং ২০২৪ সালে ২,২০০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অথচ এই তথ্য বিভ্রান্তিকর এবং অতিরঞ্জিত।
পোস্টে আরও জানানো হয়, স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংস ঘটনার সংখ্যা ১৩৮টি। এই সময়ে ৩৬৮টি বাড়ি-ঘরে হামলা চালানো হয়েছে এবং ৮২ জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিটি ঘটনার যথাযথ তদন্ত করছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। পুলিশের সদর দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত ৯৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এ সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অভিযোগে ৭৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসব ঘটনার বেশিরভাগই ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে, যখন দেশে কোনো কার্যকর সরকার ছিল না। এসব সহিংসতার বড় অংশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে।
প্রেস উইং থেকে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এ ধরনের অপরাধ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের হিমাগার ও কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কোনো অসুবিধা নেই। সরকার এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণে তৎপর রয়েছে।
নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ নির্বাচনমুখী, তাই নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না। নির্বাচন বানচালে যারা ষড়যন্ত্র করছে, সরকার শক্ত হাতে তাদের প্রতিহত করবে।
অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান আরও জোরালোভাবে পরিচালিত হবে।
এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অনেক সচেতন এবং দেশের সীমান্তও সুরক্ষিত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে।’ কেউ কোনো পক্ষপাতিত্ব করছে না দাবি করে প্রার্থীদের অভিযোগ রাজনৈতিক বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নানা চ্যালেঞ্জ, সমস্যা ও তাদের চাহিদা তুলে ধরেন। সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নে নানা দিকনির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভোটের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেন।
যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রস্তুত আছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু করতে ১ লাখ সেনা সদস্য থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশের চামড়া শিল্পের ব্যাপারে আমরা অপরাধ করেছি, এটার সঠিক মূল্যয়ন করিনি। তিনি বলেন, ‘এ শিল্প দিয়ে আমাদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি।’
আজ বুধবার স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের প্রস্তুতি-বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ১৬টি সিদ্ধান্তের অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চারটি, শিল্প মন্ত্রণালয় তিনটি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ দুটি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তিনটি ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় চারটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান জানায়, এনবিআর ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো এর পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। ইতোমধ্যে ১৯টি সংস্থা যুক্ত হয়েছে। আরও সংস্থাকে যুক্ত করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ট্যারিফ পলিসি ২০২৩ এর বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন তিনি।
আজকের সভায় তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য রফতানি খাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও প্রণোদনা প্রদান এবং ম্যান মেইড ফাইবার সম্পর্কিত কাচামাল ও এ শিল্পের মেশিনারিজ আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান বিষয়েও আলোচনা হয়।
সাভারে অবস্থিত টানারি ভিলেজে স্থাপিত ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) পূর্ণমাত্রায় চালু করা, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাস্তবায়নাধীন এপিআই পার্ক পূর্ণমাত্রায় চালু করা ও ২০২২ সালে প্রণীত শিল্প নীতি হালনাগাদ করতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে— সে বিষয়েও আজকের সভায় আলোচনা হয়েছে।
এসময় চামড়া শিল্পের সংকট সমাধানে করণীয় সম্পর্কিত একটি পৃথক বৈঠক আয়োজনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এর পাশাপাশি, আগামী দুই মাসের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য করণীয় সম্পর্কে পরবর্তী বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ও নিজেদের অর্থনীতির স্বার্থে এ কাজগুলো করে যেতে হবে। যেসব নীতিমালা-আইন কোনও কাজে আসছে না, সেগুলো পরিবর্তন করে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথ বের করতে হবে। এগুলো মৌলিক বিষয়। নিজেদের উত্তরণের জন্যই এ কাজগুলো আমাদের করে যেতে হবে।’
সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন