

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপ ঘনিয়ে এলেই যেন তাসকিন আহমেদকে লক্ষ্য করে ওত পেতে থাকে ইনজুরি। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। মাংসপেশীর ইনজুরিতে পড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনিশ্চিত তাসকিনের খেলা। তবে এখনো আশা হারায়নি বিসিবি। তাসকিনকে পেতে শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি সংস্থাটি।
তবে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে যে প্রস্তুতিটা নেওয়া দরকার, সেটি নিতে পারছেন না তাসকিন। আসর শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু ইনজুরির কারণে এই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন তাসকিন। তার বিকল্প হিসেবে ডাক পেতে পারেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। বিসিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খেলতে না পারলেও দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন তাসকিন। সেখানে চিকিৎসা করা হবে তার। এরপর সময় মতো যদি চোট থেকে সেরে উঠতে পারেন তাসকিন, তাহলে বিশ্বকাপে খেলবেন। যদি চোট কেটে উঠতে না পারেন, তাহলে দেশে ফিরে আসতে হবে ডানহাতি সেনসেশনাল এই পেসারকে।
আগামী ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হিউস্টনে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচগুলো হবে ২১, ২৩ ও ২৫ মে। বিশ্বকাপের আগে এটিই হবে বাংলাদেশের শেষ প্রস্তুতি।
এদিকে আজ সোমবার বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার জোর সম্ভাবনা থাকলেও তাসকিনের চোটের রিপোর্ট দেখার অপেক্ষায় দল ঘোষণা করেনি বিসিবি। আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দল ঘোষণা করা বলে জানিয়েছে বিসিবি।
মন্তব্য করুন


ব্যালন ডি’অর পুরস্কার নিয়ে গত বছর বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পরিবর্তে ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার রদ্রিগেকে ব্যালন ডি’অর দেওয়া হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ক্ষোভে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। এমনকি তার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের হাতে ব্যালন ডি’অর না যাওয়ার খবর পেয়ে রিয়াল মাদ্রিদ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। ভিনিসিয়ুস কেন প্যারিসে যাননি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন পর এবার তিনি নিজেই কথা বলেছেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ব্যালন ডি’অর নিয়ে ভিনিসিয়ুসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমাকে আমার ক্লাব যা করতে বলেছে, আমি তা-ই করেছি। তারা আমাকে মাদ্রিদে থাকতে বলেছে, আমি সেটাই করেছি। কোনো সমস্যা নেই। আমরা এখন পরের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।"
ব্যালন ডি’অর জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার হওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি না পাওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে ভিনিসিয়ুস বলেন, "আমি কখনোই ব্যালন ডি’অর জেতার স্বপ্ন দেখিনি। তবে আপনি যদি এত কাছাকাছি যান, তাহলে অবশ্যই সেটা পেতে চাইবেন। তবে আমার জন্য এখনও ব্যক্তিগত পুরস্কার এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জেতার সুযোগ আছে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি ইতিমধ্যে দুটি ইউরোপীয় ট্রফি জিতেছি। আরও জেতার জন্যই আমি এখানে আছি।"
ভিনিসিয়ুস শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, "আমি এখানে ইতিহাস লেখার জন্য এসেছি। এই ক্লাব এবং প্রেসিডেন্ট আমাকে যা দিয়েছেন, আমি তা শোধ করতে চাই। আশা করি, আমি গোল করে যেতে পারব এবং এই জার্সি গায়ে দিয়ে আরও অনেক ম্যাচ খেলব। এখন আমি জয়ের স্বাদ পেয়েছি এবং এখানে আমার ইতিহাস লেখা শুরু করেছি। আমি আরও চাই।"
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিম ইকবালের যুগের সমাপ্তি হয়েছে। জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তাকে আরও এক-দুই মৌসুম দেখা যাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাট-প্যাড গুটিয়ে রাখার আগেই নিজেকে সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলতে চান বাংলাদেশের এই সেরা ওপেনার।
সেই লক্ষ্যে ঢাকা লিগের একটি ক্লাব কিনে তিনি ইতিমধ্যে এগিয়েও গেছেন। ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমানের সঙ্গে যৌথভাবে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব কিনেছেন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) একটি সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল ক্রিকেট সংগঠক হওয়ার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, রাজনীতি নয়, ক্রিকেট নিয়েই থাকতে চান। ক্রিকেট ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়াটা তার সেই পরিকল্পনারই প্রথম ধাপ। গুলশান ক্রিকেট ক্লাব আগে বেক্সিমকো গ্রুপের মালিকানাধীন ছিল।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে বেক্সিমকোর পক্ষে স্পোর্টস ক্লাব পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছিল না। এ কারণে ক্লাবটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) নতুন যুক্ত হওয়া গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিবির সাবেক পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তামিম জানান, ক্লাবের সভাপতি করা হয়েছে মিজানুর রহমানকে। তিনি নিজে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু প্রকাশ করা হবে বলে জানান তামিম। সভাপতি মিজানুর রহমানও ক্লাব কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিসিবির নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্রিকেট সংগঠকদের অনেকেই ক্লাব কেনার চেষ্টা করছেন। বিসিবির সাবেক পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিকের মালিকানাধীন ২৩টি ক্লাবের মালিকানা পেতে চেষ্টা করছেন অনেকে। তবে তামিম ও মিজানুর রহমান সে পথে না গিয়ে সরাসরি বেক্সিমকো স্পোর্টসের কাছ থেকে টাকা বিনিয়োগ করে ক্লাবটি কিনেছেন।
তামিমের আগেও ক্রিকেটাররা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। সাকিব আল হাসান মোহামেডান ক্লাবের সদস্য। বিসিবির নির্বাচন সামনে রেখে আরও অনেক ক্রিকেটারই ক্লাবে বিনিয়োগ করতে পারেন। কারণ এই বছর অক্টোবরে বিসিবির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। পরিচালক পদে নির্বাচন না করলেও কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ তো রয়েছেই।
মন্তব্য করুন


রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে চলেছে সাফল্যের পথে। তবে ফুটবল মাঠের পাশাপাশি এবার ভিনিসিয়ুসের নজর ব্যবসায়িক দিকেও। পর্তুগালের একটি দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ক্লাব কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ইএসপিএন জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনায় বৈচিত্র্য আনার জন্য এবং অবসরের পরের জীবনকে মাথায় রেখে ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে থাকা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে একটি কিনতে আগ্রহী তিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, ক্লাব কেনার জন্য ভিনিসিয়ুসের পাশে রয়েছে একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপে-এর সাংবাদিক রবার্তো আন্তোলিন প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন যে, ভিনিসিয়ুস ইতোমধ্যে ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন।
যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ঠিক কোন ক্লাবটি কিনতে আগ্রহী ভিনিসিয়ুস, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ভিনিসিয়ুস আলভেরকা ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
লিসবনের কাছাকাছি অবস্থিত এই ক্লাবটি বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা আনুমানিক ১ কোটি ইউরো দিয়ে ক্লাবটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২০২৪ সালে ভিনিসিয়ুসের আয় হবে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৪ কোটি ডলার আসবে তার বেতন থেকে এবং বাকি ১.৫ কোটি ডলার আসবে স্পনসরশিপ থেকে।
ভিনিসিয়ুসের স্পনসরদের মধ্যে গ্যাটোরেড, পেপসি, ইউনিলিভার এবং নাইকির মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া, ব্রাজিলে ভিনিসিয়ুসের একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলো ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
মন্তব্য করুন


রমজান মাস মুসলিমদের জন্য আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের বিশেষ সময়। এই মাসে মুসলিমরা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে সিয়াম পালন করেন। শুধু সাধারণ মানুষই নন, পেশাদার ক্রীড়াবিদরাও রোজা রেখে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। রোজা রেখে ফুটবলের মতো শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং খেলা খেলা সহজ কাজ নয়। তবুও বিশ্বের অনেক মুসলিম ফুটবলার সৃষ্টিকর্তার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে রোজা রাখেন এবং মাঠে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স দেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হলো বার্সেলোনার স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামাল।
লামিন ইয়ামালের বাবা মরক্কোর এবং মা গিনির বংশোদ্ভূত। তবে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা স্পেনে। মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার ইতিমধ্যেই বার্সেলোনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন। পবিত্র রমজান মাসে তিনি অন্যান্য মুসলিমদের মতোই রোজা রাখছেন এবং রোজা অবস্থায়ই লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলছেন।
সম্প্রতি কিছু গুঞ্জন উঠেছিল যে, ক্লাবের পক্ষ থেকে লামিন ইয়ামালের রোজা রাখার বিষয়ে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের রাউন্ড অব সিক্সটিনের প্রথম লেগে তাকে দ্রুত বদলি করে নেওয়ার পেছনেও রোজা রাখাকে কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছিল। তবে স্প্যানিশ গণমাধ্যম ডিয়ারিও এএস জানিয়েছে, ট্যাকটিকাল কারণেই সেদিন ইয়ামালকে বদলি করেছিলেন বার্সেলোনার কোচ হ্যান্সি ফ্লিক।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোজা রাখার ক্ষেত্রে ইয়ামালকে কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। বরং ক্লাবের মেডিক্যাল টিম তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্লাবের পুষ্টিবিদরা ইয়ামালের সাহরি ও ইফতারের মেন্যু ঠিক করে দিচ্ছেন, যাতে তিনি রোজা রাখার পাশাপাশি খেলায় সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিতে পারেন।
চলতি মাসে ইয়ামাল বার্সেলোনার নিজস্ব আবাসন প্রকল্প লা মাসিয়া ত্যাগ করে তার দাদি ফাতিমা ও চাচা আব্দুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন। সেখানে পরিবারের সঙ্গে ইফতার ও সাহরি করছেন তিনি। ক্লাবের পক্ষ থেকে ম্যাচের দিন তার ইফতারের সময়সূচির দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
এই উদ্যোগগুলো দেখায় যে, ক্লাব লামিন ইয়ামালের ধর্মীয় বিশ্বাস ও রোজা রাখার সিদ্ধান্তকে সম্মান করছে এবং তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। রোজা রেখেও মাঠে নিজের সেরা পারফরম্যান্স দেওয়ার মাধ্যমে ইয়ামাল তার ধর্মীয় ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করছেন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
সাকিব আল হাসান ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ দিয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটকে বিদায় বলতে চেয়েছিলেন। তবে সাবেক এই আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য দেশে ফিরে খেলায় অংশগ্রহণ করুন, এটা চান না একদল ক্রিকেটপ্রেমী। তারা মিরপুর স্টেডিয়াম ঘিরে বেশকিছু কর্মসূচি পালনের পর ক্রীড়া উপদেষ্টা ও বিসিবির পরামর্শে সাকিব এই সিরিজে অংশ নিতে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।
তাই ভারতের বিপক্ষে সেপ্টেম্বরে কানপুরে খেলা টেস্টই সাদা পোশাকে তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে থাকছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের তার প্রতি ক্ষোভের বিষয়টি বিবেচনা করে সাকিব কানপুর টেস্ট দিয়েই ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাট থেকে অবসর নিতে পারতেন কিনা, সে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।
স্থানীয় একটি ক্রীড়াবিষয়ক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে আলাপচারিতায় সাকিব ইস্যুতে আশরাফুলের সোজাসাপ্টা মন্তব্য, ‘আগেই বলেছি সাকিব চাইলেই তার টেস্ট ক্যারিয়ারের শেষটা কানপুরেই করতে পারতেন।’
সাবেক অধিনায়ক এবং বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষক আশরাফুল মনে করেন, সাকিবকে ঘিরে যে পরিস্থিতি এখন তৈরি হয়েছে এটা অনুমান করা খুব কঠিন কিছু ছিল না। তাই ‘রাজনীতিবিদ’ সাকিবের দেশের মাটিতে খেলে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, ‘তাকে ঘিরে দেশে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সেটা তো তিনি আগেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। আমার কাছে তো মনে হয় সাকিব এখানেও হয়তো বা এই বিষয়ে একটা গেম খেলেছেন। যেহেতু সে এখন রাজনীতিবিদ। আওয়ামী লীগের সাতমাসের এমপি ছিলেন তিনি।’
কানপুর টেস্ট দিয়েই সাকিব লাল বলের ক্রিকেটকে বিদায় বললে ভালো করতেন বলে মত আশরাফুলের, ‘কানপুরেই সাকিব টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করলে আজ হয়তো আমাদের এই পরিস্থিতি দেখতে হতো না।’
মন্তব্য করুন


অনেকদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল ওপেনার তামিম ইকবাল নামতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী মাঠে। অবশেষে সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।
তবে সরাসরি সভাপতি পদে লড়ার সুযোগ নেই তার সামনে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আগে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হতে হবে, তারপরই সভাপতি হওয়ার পথ খোলা। তামিমও সেই প্রক্রিয়াতেই অংশ নিচ্ছেন।
এক শীর্ষ গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন,‘যদি প্রশ্ন করেন আমি নির্বাচনে আসছি কি না—খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। আমি নির্বাচন করছি। আমি ক্রিকেটে বিনিয়োগ করেছি, দুটি ক্লাবের সঙ্গে জড়িত আছি। ফলে কাউন্সিলর তো আমি হবোই।’
তার এই ঘোষণার পর বোর্ডের ভেতরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হলেও ভবিষ্যতে সভাপতির আসনেই চোখ রাখছেন তিনি। গত এক বছরে বিসিবির নেতৃত্বে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর দীর্ঘদিনের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দেশ ছাড়েন। এরপর নতুন সরকার এসে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কোটায় আরেক সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদকে সভাপতি বানায়। কিন্তু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মাত্র ৯ মাসের মাথায় পদ ছাড়তে হয় তাকে।
বর্তমানে বোর্ডের হাল ধরেছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। অনেকের চোখে তিনি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের প্রতীক হলেও, তামিমের মতো জনপ্রিয় এক সাবেক অধিনায়কের মাঠে নামা বিসিবির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে নতুন মাত্রা যোগ করল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দীর্ঘদিন সেবা দেয়া তামিম ইকবাল মাঠের ভেতরে যেমন ছিলেন নির্ভরতার নাম, মাঠের বাইরেও তার অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও ক্রিকেট-জ্ঞান এবার তাকে তুলে ধরছে বোর্ড পরিচালনার জন্য একটি যোগ্য প্রার্থী হিসেবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন না তামিম ইকবাল। একসময় বোর্ডে সরাসরি কাজ করার আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
তিনি সাধারণ পরিচালক হিসেবে কাজ করতে চেয়েছিলেন, বিশেষ করে ক্রিকেট অপারেশনে মনোযোগ দিতে চেয়েছিলেন। তবে শেষমেশ তিনি সরে দাঁড়ালেন। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৬ অক্টোবর। আর তার আগে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১ অক্টোবর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তামিম সরে দাঁড়ালেন বিসিবি নির্বাচন থেকে।
তামিম বাংলাদেশের অন্যতম সফল ক্রিকেটার। দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়কদের তালিকাতেও তার নাম থাকবে ওপরের দিকে।
সেই তামিম এবার খেলোয়াড়ি জীবনের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে অবদান রাখতে চেয়েছিলেন বোর্ডে এসে। বিশেষ করে ক্রিকেট অপারেশনে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। তবে সেটা এবার আর হচ্ছে না।
এদিকে তামিম না থাকায় নির্বাচনে পরিচালক পদ নিয়ে লড়াইয়ের চিত্র অনেকটাই বদলে যাবে। অন্য প্রার্থীদের জন্য সুযোগ বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ম্যানচেস্টার সিটিকে দেওয়ার মতো যেন আর কিছুই নেই পেপ গার্দিওলার হাতে। যা ছিল, তার সব এরইমধ্যে দিয়ে দিয়েছেন তিনি। গত মৌসুমে সিটিকে ট্রেবল জিতিয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ। চলতি মৌসুমে শিষ্যদের চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জেতাতে ব্যর্থ হলেও প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতিয়েছেন ঠিকই।
গতকাল রোববার প্রিমিয়ার লিগে মৌসুমের শেষ ম্যাচে ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডকে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতেছে সিটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এর আগে কোনো দল টানা চার শিরোপা জিততে পারেনি।
প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে রেকর্ড গড়ে অনেকটাই অপ্রত্যাশিত এক মন্তব্য করেন গার্দিওলা। সমর্থকদের চমকে দিয়ে ম্যানসিটি ছাড়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে এখনই নয়, ইতিহাদে আরও এক মৌসুম থাকবেন বলে জানিয়েছেন গার্দিওলা। ২০২৪-২৫ মৌসুম শেষ করে সিটিকে বিদায় জানাতে পারেন তিনি।
গার্দিওলার বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে, সিটির সঙ্গে নতুন করে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে চান না তিনি। চলমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই সিটিকে বিদায় বলবেন গার্দিওলা। ২০২৫ সালে চলমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ৫৩ বছর বয়সী এই কোচের।
গার্দিওলা বলেন, ‘বাস্তবতা হলো- আমি থাকার চেয়ে চলে যাওয়ার বেশি কাছে। আমি ক্লাবের সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমার অনুভূতি হলো, আমি এখন থাকতে চাই। পরের মৌসুমেও থাকবো এবং সে মৌসুম চলাকালীন আমরা (ক্লাবের সঙ্গে) কথা বলবো। সেটা ৮ বছর শেষে নাকি ৯ বছর পরে, সেটা আমরা দেখবো।’
কেন সিটি ছাড়তে চান, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন গার্দিওলা। জানান, গেল ৮ বছর ধরে কাজ করতে করতে এখন তিনি ক্লান্ত। তার বিশ্রাম দরকার। আর বিশ্রাম নিতেই সিটি ছাড়তে চান তিনি।
গার্দিওলা বলেন, ‘আমার একটি চুক্তি আছে। আমি এখনও এখানে আছি। কিছু মুহূর্তে আমি ক্লান্ত। কিন্তু এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যা আমি ভালোবাসি এবং আমরা এখানে খেলা জিতেছি। নতুন খেলোয়াড়দের সঙ্গে থাকতেও ভালো লাগছে।’
সিটি কোচ বলেন, ‘আমি ভাবতেছি, কেউ টানা চারটি শিরোপা জিততে পারেনি। এটা এ কারণে যে, আমরা চেষ্টা করি না। আমি মনে করি, এখন এটি সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে কী করা যায়, সেটিই আমাদের ভাবতে হবে।’
২০১৬ সালে সিটিতে যুক্ত হওয়ার পর ১৫টি বড় শিরোপা জিতেছেন গার্দিওলা। আগামী সপ্তাহে এই সংখ্যাকে ১৬-তে পরিণত করতে পারেন তিনি। সামনের ম্যাচে এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারাতে পারলেই সেটি সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ইউরো ২০২৪ শুরু হতে এক মাসের কম সময় সময় বাকি। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই আসরটির আগে ইনজুরিতে পড়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন এই ফরোয়ার্ড।
কেইন অবশ্য এখনও তার ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখেই আছেন। যেখানে বায়ার্ন কোচ টমাস টুখেল শুক্রবার জানিয়েছেন, পিঠের সমস্যায় ভুগছেন কেইন। বুন্ডেসলিগায় শেষ রাউন্ডে শনিবার হফেনহাইমের মাঠে খেলবে বায়ার্ন, ম্যাচটিতে তারকা স্ট্রাইকার খেলতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন টুখেল।
তারকা এ স্ট্রাইকারকে নিয়ে টুখেল বলেন, ‘ব্যক্তিগত চিকিৎসকের অধীনে হ্যারির চিকিৎসা চলছে। এই অবস্থায় সে যাত্রা করতে পারবে না। মাদ্রিদে ম্যাচেই সে তার সহ্যসীমার শেষ পর্যায়ে ছিল। তার লাম্বার স্পাইন ব্লকেজ, অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে এবং নড়াচড়া করলেই সে ব্যথা অনুভব করছে।’
এর আগে গত সপ্তাহে ভলফসবুর্কের বিপক্ষে লিগ ম্যাচেও খেলতে পারেননি কেইন। ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছিল বায়ার্ন।
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মৌসুমজুড়েই আলো ছড়িয়েছেন কেইন। বুন্ডেসলিগায় চারটি হ্যাটট্রিকসহ মোট ৩৬ গোল করেছেন তিনি। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেছেন ৪৪ গোল, সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছেন ১২টি। তবে দলগত পারফরম্যান্সের বিচারে বায়ার্নের জার্সিতে অভিষেক মৌসুটা একেবারেই ভালো কাটেনি তার। ১১ মৌসুম পর দলটি হারিয়েছে বুন্ডেসলিগার মুকুট, কোনো শিরোপাই জিততে পারেনি তারা।
এদিকে কেইনের এই চোট ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জন্য হতে পারে বড় দুর্ভাবনার। আগামী ১৪ জুন জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় ইউরোয় ইংলিশদের শিরোপাস্বপ্ন অনেকটাই এই তারকাকে ঘিরে। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে প্রথম শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে দলটি।
আগামী মঙ্গলবার দল ঘোষণা করবেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারি সাউথগেট। চোটাক্রান্ত হওয়ার পরও কেইনের দলে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ধাপে ধাপে আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করছে আইসিসি। এর আগে শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করা হয়েছিল সেরা দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিংকে।
এবার তিন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ব্যাট-বল হাতে দারুণ কিছু প্রদর্শনী দেখানোয় তাকে এই সম্মান জানিয়েছে আইসিসি।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি। সে আসরের ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে গিয়েছিল তার দল পাকিস্তান।
তবে পরের আসরে (২০০৯ সালে) ঠিকই শিরোপা জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। ওই আসরের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি।
শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিকত হওয়ার বিষয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের। উদ্বোধনী সংস্করণে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে ট্রফি জয় পর্যন্ত এই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমার ক্যারিয়ারের কিছু পছন্দের বিষয় এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমি এই সংস্করণের অংশ হতে পেরে রোমাঞ্চিত। যেখানে আগের চেয়ে আরও বেশি দল, আরও ম্যাচ এবং আরও বেশি আনন্দ দেখতে পাবো। আমি ৯ জুন ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার জন্য বিশেষভাবে মুখিয়ে আছি। এটি খেলাধুলার অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নিউইয়র্ক হবে দুটি দুর্দান্ত দলের মধ্যকার লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত মঞ্চ।’
মন্তব্য করুন