

গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত রায়।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন


৫ জুন সোমবার বিকেলে ঢাকার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তোলার ঘোষণা দিয়েছেন হিরো আলম। সংসদ সদস্য আকবর হোসেন খান পাঠান ওরফে নায়ক ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে চান তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসন ঘুরে দেখলাম। এলাকার মানুষজন তো আমাকে আশ্বস্তই করলেন। সবাই বলছেন তুমি আসো আমরা তোমাকে চাই। সাহস পেয়েই নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। আমি বস্তির ছেলে অনেকেই গালি দিয়ে বলে। ভাষানটেক, মহাখালী কড়াই বস্তি এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কে ভাইটাল, কে ভাইটাল না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি হিরো আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউকে গুনি না।
তিনি বলেন, আমি বগুড়ায় নির্বাচন করতে গিয়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন চলচ্চিত্র জগতের মিয়া ভাই ফারুক ভাই। তিনি মিডিয়া ব্যক্তি। তিনি নানা কারণে এলাকায় কাজ করতে পারেননি। আমিও মিডিয়াকর্মী। সেজন্য তার অসমাপ্ত কাজগুলো করতে চাই।
মন্তব্য করুন


একমাত্র ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে নিয়ে ফেসবুকে ফের আবেগঘন পোস্ট করেছেন নায়িকা পরীমণি।
জানালেন, ছেলেকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি- কয়েক দিন ধরে রাজ্যকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন। জ্বরে আক্রান্ত ছোট্ট রাজ্যর হাতে ক্যানোলা পরানো একটি ছবি পোস্ট করে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এমনটাই জানান পরীমণি।
তিনি লিখেছেন, আমার পদ্মফুল, মনে পড়ে তোমার প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়ার দিন আমি ভয়ে, কষ্টে কান্নায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে সামলানোর কেউ ছিল বলেই হয়তো কাঁদতেও সহজ লাগছিল আমার। আজ তোমার হাতে ক্যানোলা পরানো হলো তোমার ব্লাড টেস্টের জন্য। আমি একা তোমাকে বুকে ধরে সাহস জোগাই। সামনের এমন আরও কঠিন সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করি। অনেক কঠিনরে মোকাবিলা করব বলে। আমি জানি তুমি আমার অনেক স্ট্রং বয়। মায়ের সমস্ত বিশ্বাস জুড়ে থেকো। আর আমাকে এমন করে আম্বা বলেই ডেকো।
আমি জানি এই আম্বাটা কী। আমি তোমার আম্মাও, আব্বাও। বাচ্চা আমার, আমি তো এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। এরপর স্যাড ইমোজি দিয়ে তার নিচে পরীমনি লিখেছেন, কিছু চিঠি খোলাই হয়...।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


রাশিয়ার বেলগোরোডের ইয়ানা বোভরোভা এক নারী উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি শরীরের গড়ন নিয়ে তার স্বামী তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি খুব মোটা হয়ে যাচ্ছ। গালের মাংস ঝুলে যাচ্ছে।’ স্বামীর এ কথা ভালো লাগেনি ইয়ানার। ওই মন্তব্য শোনার পর থেকেই নিজের চেহারা নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠেন তিনি।
রাশিয়ার টিভি চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চেহারা নিয়ে স্বামীর মন্তব্য তার ভালো লাগেনি। ফলে চেহারায় কিভাবে সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিয়মিত জিম করে শরীরের মেদ কমানোর কাজ শুরু করেন ইয়ানা। একই সাথে দিন দিন নিজের খাবারের পরিমাণও কমিয়ে দেয়া শুরু করেন তিনি।
ইয়ানা জানান, তার খাবারের তালিকা থেকে অনেক কিছু বাদ দিয়েছেন। তার খাবারের তালিকায় ছিল বিস্কুট, চা, ক্যান্ডি, এক টুকরো চিজ, অর্ধেক গ্লাস স্যুপ।
এভাবে দিনের পর দিন জিম ও খাবারের তালিকায় অসামঞ্জস্যে দ্রুত ওজন কমতে থাকে ইয়ানার। একটা সময় তার ওজন ২২ কেজিতে পৌঁছায়। এরপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
চিকিৎসকেরা জানায়, ইয়ানার শরীর ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় ভেতর থেকে খোকলা হয়েছে। যেন শরীর শরীরকেই খেতে শুরু করেছিল।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক আরিফিন শুভর মা খাইরুন নাহার মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি
বুধবার রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল
করেছেন। বিষয়টি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক
ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান।
চিত্রনায়ক
জায়েদ খান জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং রাজধানীর শহীদ
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনকাজ সম্পন্ন হবে।
জানা
যায়, গত ৮ বছর ধরে শুভর ঢাকার বাসায়ই থাকতেন তার মা খাইরুন নাহার। ২০১৭ সাল থেকে সিজোফ্রেনিয়া
নামক রোগে ভুগছিলেন তিনি। এছাড়াও বার্ধক্যজনিক আরও নানান সমস্যা ছিল । কাজের ফাঁকে
মায়ের সেবা-ডাক্তার-ওষুধ নিয়েও ছোটাছুটির মধ্যে থাকতে হতো নায়ক আরিফিন শুভকে।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা পূজা চেরির মা ঝর্ণা রায় এ বছরের ২৪ মার্চ সকালে মিরপুরের নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। অভিনেত্রী পূজা চেরি মাকে হারানোর বেদনা এখনও সামলাতে পারেননি।
আজ মা দিবস। জীবনের প্রথম মাকে এছাড়া দিবসটি পালন করতে হচ্ছে। তাই মায়ের মুখটাই বেশি মনে পরছে পূজার।
সামাজিকমাধ্যমে পূজা লেখেন, মামুনি দেখেছো? তুমি কি পচা কাজ করেছো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অঝরে চোখ থেকে জল পরতে দিলে! সারাজীবনই তো এই জল পরবে মা। কি করে থামাবো? উফ খুব কষ্ট হচ্ছে মামুনি। আর লিখতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ভালো থেকো মামুনি। আর মনে রেখো, তোমার হাতে লাঠিটা অনেক মিস করে। অনেক অনেক অনেক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
অন্য একটি পোস্টে পূজা লেখেন, আমি তো এতো ভেঙ্গে পরার মতো মেয়ে না। তবে আজকে কেনো এতো ভেঙ্গে পরছি!
এছাড়া ‘বিশ্ব মা দিবস’ উপলক্ষে দেশের একটি গণমাধ্যমে মাকে নিয়ে পূজা বলেন, মায়ের ডানায় নিজেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবতাম আমি। আমাদের বয়সের পার্থক্য অনেক। তবুও ছিলাম বন্ধু আমরা। আমি যেমন মাকে বিশ্বাস করতাম, মাও বিশ্বাস করতেন আমাকে। সারাক্ষণ আমার আশপাশেই থাকতেন। প্রায়ই বলতেন, পূজা আমার হাতের লাঠি, আমার শক্তি। আমার মন এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে চায় না যে, আমার মা আর নেই। মনে হয় আমার সঙ্গেই আছেন মা।
মন্তব্য করুন


শরিফুল রাজ ও পরীমণি মান
অভিমান ভুলে সম্প্রতি এক হয়েছেন । একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যর মুখের
দিকে তাকিয়ে শরিফুল রাজ জানিয়েছেন, তিনি এখন থেকে নিজেকে শুধরে নেবেন। মন দেবেন সংসার জীবনে।
১৮ আগস্ট শুক্রবার রাতে
রাজের রক্তাক্ত ছবি প্রকাশ্যে আসে। অপর দিকে, পরীমণিও শুক্রবার জ্বর নিয়ে হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার
মাথায় আঘাত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন শরিফুল রাজ। তবে কখন, কোথায়, কীভাবে রাজের
মাথায় এই ক্ষত হয়েছে তা জানা যায়নি। আর পরীমণি বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালের
চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ বিষয় রাজের কোনো
মন্তব্য পাওয়া না গেলেও কথা বলেছেন পরীমণি। তার কথায়, রাজ কোথায় আমি জানি না। আমি
হাসপাতালে। আমার অনেক জ্বর। কথা বলতে পারছি না।
ফেসবুকে পরী একটি ছবি
প্রকাশ করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, ক্যানোলা লাগানো তার ২ হাতে। ক্যাপশনে লেখেন,
‘আমরা পরীতমা। ’ চেক ইন দিয়েছেন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে।
মন্তব্য করুন


শাহরুখ
খান অভিনীত সিনেমা ‘জওয়ান’ বাংলাদেশেও মুক্তি পেতে যাচ্ছে । সারা বিশ্বের পাশাপাশি
এটি ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। ‘জওয়ান’ ৭ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বে মুক্তি পাচ্ছে।
২৭
আগস্ট রোববার বিকেলে সিনেমার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকশন কাট
এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রধান ও নির্মাতা অনন্য মামুন এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর যেহেতু বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৮
সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কারণ বাংলাদেশে শুক্রবার ছাড়া সিনেমা মুক্তির নিয়ম নেই। সাপ্টা
চুক্তির আওতায় সিনেমাটি মুক্তির জন্য বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি
পেয়েছে। এটি বাংলাদেশে আমদানি করছে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট ও রংধনু গ্রুপ।
অ্যাটলি
কুমারের পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করছে রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট।
এ
সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে দেখা যাবে দক্ষিণী সুপারস্টার নয়নতারাকে। আরও আছেন
দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়া আরও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বিজয় সেতুপতি, সানিয়া
মালহোত্রা, প্রিয়ামণি, সুনীল গ্রোভার, যোগি বাবু প্রমুখ।
মন্তব্য করুন