

কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
৯ জানুয়ারি থেকে আজ ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ৬ জেলার ১৮ টি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ মানুেষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উক্ত কর্মসূচির আওতায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এ সহায়তায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ জনগণের মাঝে মোট ৪ হাজার পিস শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।
দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চরগোপাল, চাঁদপুর সদর আর্মি ক্যাম্পের অধীনে মাস্টারপাড়া এতিমখানা, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে দক্ষিণ সদর জোর কানন ভূমি অফিস এলাকা, চৌদ্দগ্রাম আর্মি ক্যাম্পের অধীনে শুভপুর ইউনিয়ন, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে অনন্যপুর আশ্রয় প্রকল্প, কুমিল্লা মেঘনা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন, দেবিদ্বার আর্মি ক্যাম্প, বুড়িচং আর্মি ক্যাম্প, আখাউড়া আর্মি ক্যাম্প, নোয়াখালী সদর এলাকা, বেগমগঞ্জ এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ এলাকা, সোনাইমুড়ি এলাকা, ফেনী সদর, দাগনভূঞা এলাকা, ফুলগাজী, লক্ষীপুর সদর ও রায়পুর এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।
শীত মৌসুমে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সেনাবাহিনী সূত্র।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়া এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা অপুর বাড়ি থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়া এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা অপুর বাড়ি থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা রবিউল হোসেন অপু চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়ার আবুল বাশার মুহুরির ছেলে। সে শুভপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাতে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পাইপ গান ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মালামাল পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে দুটি পিস্তল ও বুলেটসহ সোহাগ (৩২) নামের একজনকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬ টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনী হোমনা উপজেলার মাথাভাঙা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ওই এলাকার তারু মিয়ার ছেলে অস্ত্রধারী মোঃ সোহাগকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ০২ টি পিস্তল এবং ১৪ রাউন্ড এ্যামুনেশন উদ্ধার করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়।
আটক হওয়া ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র হোমনা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুর জেলায় বিদেশি অস্ত্র সহ দুজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি টিম।
দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর)ভোররাত ৩ টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনী লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বিরাহিমপুর ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচলনা করে। উক্ত অভিযানে অস্ত্রধারী মোহাম্মদ পারভেজ (২২) এবং মোঃ আলাউদ্দিনকে (৩০) আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ০১ টি বিদেশী রিভালবার, ৬ রাউন্ড রিভালবারের এ্যামোঃ, ০২ টি এলজি, ০২ টি পাইপ গান, ১০ টি শটগানের এ্যামোঃ এবং ০৩ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে কুমিল্লা সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালীর বাউফলে জমি লিখে না দেওয়ায় শ্বশুর ও শাশুড়িকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে জামাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৪ মে) রাতে বাউফল সদর ইউনিয়নের নকুলের হাট সংলগ্ন মিস্ত্রী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন রাতে ওই বাড়ির হীরালাল মিস্ত্রী (৬৫) ও তার স্ত্রী কিরন বালা (৬০) নিজ বাসায় টিভি দেখছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে তাদের মেয়ের জামাই ফনি ভূষণ (৩৫) ছুরি নিয়ে আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে দুইজনকে জখম করেন। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে জামাই ফনি ভূষনকে আটকে বাউফল থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফনি ভূষনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে হীরালালের মেয়ে শিল্পী রানী বলেন, সম্প্রতি আমার বাবা আমাকে ৮ কড়া (স্থানীয় মাপ) জমি লিখে দেন। ওই জমি আমার স্বামী ফনি ভূষণ তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ প্রয়োগ করেন। বাবা এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ফনি ভূষণ দুইজনকে কুপিয়ে জখম করেন।
এ ব্যাপারে বাউফল থানান পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ফনি ভূষণকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিএস
মন্তব্য করুন


জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হৃদরোগ, বাতজ্বর ও ডায়াবেটিকস এর মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মো: রুহুল আমিনকে ফাঁসাতে নানা অপবাদ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে কিশোরগঞ্জ জেলার একটি মহল। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ডাক্তার রুহুল আমিন জানান, কিশোরগঞ্জের নিকলী ও বাজিতপুর এলাকায় আমি ১২ বছর যাবত চেম্বার করি।এ এলাকার হাজার হাজার রোগী আমার চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। নিকলী হেল্থকেয়ার ডায়াগনস্টিক এর মালিক ওমর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস বিভিন্ন সময় রিপোর্ট জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট করে আমার কাছে ধরা পড়ে। এসব কারনে বিভিন্ন সময় আমি চেম্বার ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেই।তারা আর এসব ভুল করবেনা মর্মে ক্ষমা চায় এবং আমাকে বিভিন্নজনকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে চেম্বার করার অনুরোধ করে। আমি ভুল ও জালিয়াতি না করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে চেম্বার অব্যাহত রাখি। উল্লেখ্য আমি নিকলী ও পাশ্ববর্তী সরারচর বাজারে দুইটি চেম্বার করি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরারচর, শুক্রবার সকালে নিকলী ও শুক্রবার বিকেলে পুনরায় সরারচর চেম্বার করি। বৃহস্পতিবার রাতে আমি নিকলী চেম্বার মালিকের বাসায় একটি রুমে থাকি। আমার পরিবার ২০১৭ সালে বাজিতপুর থেকে ঢাকায় চলে আসার পর থেকে আমি ওদের বাসায় প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান করতে হয়। চলতি বছরের ২৩ মার্চ সেহরির সময় চেম্বার মালিক ওমর ফারুক চৌধুরীর মাদকাসক্ত ছেলে ওমর বেলায়েত (পূণ্য)আমার কক্ষে মাদকাসক্ত অবস্থায় প্রবেশ করে আমার মানিব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে যায় এবং আমাকে শারীরিকভাবে আহত করে।
তখন ওর বাবা-মা ৯৯৯ এ কল দিলে মাদকাসক্ত ও উন্মাদ ছেলেকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় পুলিশ দেশীয় অস্ত্রসহ ও আমার লুন্ঠিত মালামালসহ আটক করে।ছেলে পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় বের হওয়ার পর আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।আমি চেম্বার মালিককে জানাই ছেলেকে জেল থেকে বের করলে আমাকে জানাতে এবং জেল থেকে রিহ্যাবে দিতে।কিন্তু তারা তা না করে আমাকে না জানিয়ে ছেলেকে জেল থেকে মুক্ত করে। আমি বিষয়টি জেনে আমার নিরাপত্তা ইস্যুটিতে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে ওদেরকে নিকলী চেম্বার ছেড়ে দেয়ার মৌখিক নোটিশ দেই। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজের চেষ্টা করে।তারপরও আমি ১৮ এপ্রিল চেম্বারে না বসলে আমাকে নারীঘটিত ব্যাপারে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ঐদিন সন্ধ্যার পর কয়েকজন ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার সরারচর চেম্বারে এসে জানায় - নিকলীর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন।
এর মধ্যে তারা বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে এবং সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু ব্যাক্তি আমার কাছে নিউজ করার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করতে থাকে। এতে আমি ১৯ এপ্রিল টঙ্গী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি। আমি কাউকে টাকা না দেয়ায় ২২ এপ্রিল কিছু ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ফেসবুকে পোস্ট করতে থাকে। ২৩ এপ্রিল তারা ঠিক একমাস আগে যে মামলায় তাদের নিজের ছেলের বিরুদ্ধে আমার ও তার নিজের বাবা-মায়ের উপর হামলার করেছিলো সেই ঘটনাকেই ভিন্নখাতে সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির মামলা করে। আমি মাত্র একটি চেম্বার না করার পরপরই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করে। অথচ আমি ১২ বছর তাদের চেম্বারে রোগী দেখার পরও তারা কোনদিন আমার বিরুদ্ধে ন্যুনতম অভিযোগ করেনি।
এমতাবস্থায় বিভিন্ন ফেসবুক প্রোফাইল ও সংবাদপত্র আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মুখরোচক ভুয়া নিউজ করে আমার ও আমার পরিবারের জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলেছে। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে নিকলী থানায় ভুয়া অভিযোগ দায়ের করে আমাকে প্রচন্ড হয়রানি করছে। এমতাবস্থায় দেশের বিবেকবান মানুষ, ছাত্রজনতা, ডাক্তার সমাজ, বিবেকবান সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার অনুরোধ একজন ডাক্তারকে ভয়াবহ হয়রানি থেকে রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জাফরিন হক অনন্যা নগরীর ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে মন্ডপে দায়িত্বরতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
মঙ্গলবার রাতে নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মন্ডপ, খলিফা বাড়ির সাথের পূজামন্ডপসহ বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক ফারহা এমদাদ ইম্পা, যুবশক্তি কুমিল্লা জেলা কমিটির সদস্য জাহিদুল হক অনিকসহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর মহান সিপাহী জনতা সংগতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের মাজারে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল লতিফ, মহাসচিব প্রফেসর ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ, যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনোয়ার সরকার,ঢাকা মহানগর সভাপতি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শফিকুল হাসান রতনসহ থানা ও সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী।
মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) ভোররাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মৌটুপি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রার্থী সামিরা আজিম দোলার নেতৃত্বে লাকসামে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল গণমিছিল।
আজ (৭ নভেম্বর) বিকেল চারটার দিকে লাকসাম বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক সমবেত হন। পরে উপস্থিত হন মরহুম কর্নেল আনোয়ার আজিমের সুযোগ্য কন্যা ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সামিরা আজিম দোলা। তাকে দেখতে ও সমর্থন জানাতে আসা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।
দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মিছিলের নেতৃত্ব দেন সামিরা আজিম দোলা নিজে। মিছিলটি লাকসাম শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, “গত ৩ নভেম্বর বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকায় কুমিল্লা-৯ আসনে আবুল কালামের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা এই মনোনয়ন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আমরা চাই তৃণমূলের জনপ্রিয় নেত্রী সামিরা আজিম দোলাকে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হোক।”
যুবদল নেতা জাহিদ বলেন, “আমরা বিএনপির হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান জানাই—জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সামিরা আজিম দোলাকেই মনোনয়ন দিন। তারেক রহমান সাহেব বলেছেন—জনপ্রিয় যার, ধানের শীষ তার। আমরা চাই এই নীতির প্রতিফলন হোক কুমিল্লা-৯ আসনে।”
লাকসাম বিএনপি নেতা জসিম বলেন, “লাকসামে ৮০ শতাংশ জনগণ মরহুম কর্নেল আনোয়ার আজিমের সমর্থক ছিলেন। আজ তার উত্তরসূরী সামিরা আজিম দোলা সেই জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। যদি আবুল কালামকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়, তবে এই আসনে বিএনপি বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”
মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সামিরা আজিম দোলা। তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর আস্তা আছে দলের ওপর ভরসা আছে “জনতার জরিপে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, আমি সবার এগিয়ে আছি। প্রাথমিক তালিকায় নাম না থাকলেও চিন্তার কিছু নেই। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা হবে তফসিলের পরে।”
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই গণমিছিলে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন, যা লাকসাম শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
মন্তব্য করুন


ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ ১০টি যানবাহনের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফরহাদ হোসেন (৪০), যিনি ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বাসের চালক ছিলেন।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া জানান, এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কিছু দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনগুলো ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল।
জানা যায়, ভোরে প্রথমে দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এরপর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একটি বাস পেছন থেকে আরেকটি বাসকে ধাক্কা দেয়, এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকারকে চাপা দেয়, যার ফলে আরও কয়েকজন আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, "দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।"
তিনি আরও জানান, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার মধ্যে অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন