

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নিজ জেলা পাবনায় এসে পৌঁছেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৫ মে) বেলা ১২টা ৮ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে রাষ্ট্রপতি এসে পৌঁছান। এরপর ১২টা ১৫ মিনিটে পাবনা সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন।
পাবনার জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার নবিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি আজ দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে জেলা পরিষদে বঙ্গবন্ধু চত্বরের নামফলক উদ্বোধন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর ১টা ৪৫ মিনিটে পাবনা সদরের আরিফপুর কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে বাবা-মায়ের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ২টায় স্কয়ার বাগানবাড়িতে পারিবারিক সমাধিস্থলে উপস্থিত হয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং প্রার্থনায় অংশ নেবেন। সেখান থেকে সার্কিট হাউসে ফিরে রাত্রিযাপন করবেন।
পরের দিন মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় পাবনা বিসিক শিল্পনগরীতে স্কয়ার সায়েন্স অ্যান্ড লাইফ প্লান্ট উদ্বোধন করবেন। বেলা ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বিকেল ৩টায় পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হৃদরোগ, বাতজ্বর ও ডায়াবেটিকস এর মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মো: রুহুল আমিনকে ফাঁসাতে নানা অপবাদ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে কিশোরগঞ্জ জেলার একটি মহল। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ডাক্তার রুহুল আমিন জানান, কিশোরগঞ্জের নিকলী ও বাজিতপুর এলাকায় আমি ১২ বছর যাবত চেম্বার করি।এ এলাকার হাজার হাজার রোগী আমার চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। নিকলী হেল্থকেয়ার ডায়াগনস্টিক এর মালিক ওমর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস বিভিন্ন সময় রিপোর্ট জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট করে আমার কাছে ধরা পড়ে। এসব কারনে বিভিন্ন সময় আমি চেম্বার ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেই।তারা আর এসব ভুল করবেনা মর্মে ক্ষমা চায় এবং আমাকে বিভিন্নজনকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে চেম্বার করার অনুরোধ করে। আমি ভুল ও জালিয়াতি না করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে চেম্বার অব্যাহত রাখি। উল্লেখ্য আমি নিকলী ও পাশ্ববর্তী সরারচর বাজারে দুইটি চেম্বার করি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরারচর, শুক্রবার সকালে নিকলী ও শুক্রবার বিকেলে পুনরায় সরারচর চেম্বার করি। বৃহস্পতিবার রাতে আমি নিকলী চেম্বার মালিকের বাসায় একটি রুমে থাকি। আমার পরিবার ২০১৭ সালে বাজিতপুর থেকে ঢাকায় চলে আসার পর থেকে আমি ওদের বাসায় প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান করতে হয়। চলতি বছরের ২৩ মার্চ সেহরির সময় চেম্বার মালিক ওমর ফারুক চৌধুরীর মাদকাসক্ত ছেলে ওমর বেলায়েত (পূণ্য)আমার কক্ষে মাদকাসক্ত অবস্থায় প্রবেশ করে আমার মানিব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে যায় এবং আমাকে শারীরিকভাবে আহত করে।
তখন ওর বাবা-মা ৯৯৯ এ কল দিলে মাদকাসক্ত ও উন্মাদ ছেলেকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় পুলিশ দেশীয় অস্ত্রসহ ও আমার লুন্ঠিত মালামালসহ আটক করে।ছেলে পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় বের হওয়ার পর আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।আমি চেম্বার মালিককে জানাই ছেলেকে জেল থেকে বের করলে আমাকে জানাতে এবং জেল থেকে রিহ্যাবে দিতে।কিন্তু তারা তা না করে আমাকে না জানিয়ে ছেলেকে জেল থেকে মুক্ত করে। আমি বিষয়টি জেনে আমার নিরাপত্তা ইস্যুটিতে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে ওদেরকে নিকলী চেম্বার ছেড়ে দেয়ার মৌখিক নোটিশ দেই। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজের চেষ্টা করে।তারপরও আমি ১৮ এপ্রিল চেম্বারে না বসলে আমাকে নারীঘটিত ব্যাপারে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ঐদিন সন্ধ্যার পর কয়েকজন ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার সরারচর চেম্বারে এসে জানায় - নিকলীর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন।
এর মধ্যে তারা বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে এবং সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু ব্যাক্তি আমার কাছে নিউজ করার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করতে থাকে। এতে আমি ১৯ এপ্রিল টঙ্গী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি। আমি কাউকে টাকা না দেয়ায় ২২ এপ্রিল কিছু ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ফেসবুকে পোস্ট করতে থাকে। ২৩ এপ্রিল তারা ঠিক একমাস আগে যে মামলায় তাদের নিজের ছেলের বিরুদ্ধে আমার ও তার নিজের বাবা-মায়ের উপর হামলার করেছিলো সেই ঘটনাকেই ভিন্নখাতে সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির মামলা করে। আমি মাত্র একটি চেম্বার না করার পরপরই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করে। অথচ আমি ১২ বছর তাদের চেম্বারে রোগী দেখার পরও তারা কোনদিন আমার বিরুদ্ধে ন্যুনতম অভিযোগ করেনি।
এমতাবস্থায় বিভিন্ন ফেসবুক প্রোফাইল ও সংবাদপত্র আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মুখরোচক ভুয়া নিউজ করে আমার ও আমার পরিবারের জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলেছে। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে নিকলী থানায় ভুয়া অভিযোগ দায়ের করে আমাকে প্রচন্ড হয়রানি করছে। এমতাবস্থায় দেশের বিবেকবান মানুষ, ছাত্রজনতা, ডাক্তার সমাজ, বিবেকবান সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার অনুরোধ একজন ডাক্তারকে ভয়াবহ হয়রানি থেকে রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চুলডগি এলাকার জামালের বাড়ির বাথরুমের সেপটি ট্যাংকি থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.রবিন হোসেন (১৬) একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের রাজহরিতালুক গ্রামের মাকু মিয়া সওদাগর বাড়ির মো.ইউনূসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিন পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। সে তার সৎমা রুনা আক্তারের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করত। নভেম্বর মাসে তার বাবা ঢাকা যাওয়ার সময় তার অটোরিকশা ছেলেকে চালাতে দিয়ে যান। গত ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ডিবি রোড থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন রবিন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের জুয়েল (২৬) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন লোককে স্থানীয়রা তার সাথে মোবাইল নিয়ে ধস্তাধস্তি করতে দেখেন। এ বিষয়ে জুয়েলকে রবিনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এলামেলো কথাবার্তা বলেন। পরে জুয়েলকে স্থানীয়রা মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাথরুমের সেপটি ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, গলায় কাপড় পেঁচিয়ে রবিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎমা ৫ ডিসেম্বর প্রথমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ ভিকটিমকে না পেয়ে সেটিকে অপহরণ মামলা হিসেবে রুজু করে। এর পর পরই ভিকটিমের মোবাইলের সূত্র ধরে দুজনকে আটক করা করা হয়। তারা ভিকটিমের মোবাইল ব্যবহার করছিল।
ওসি কামরুল ইসলাম আরও বলেন, আজ সকালে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকির সামনে গিয়ে একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকের স্ল্যাবের মুখ খুললে রবিনের মরদেহ দেখতে পায়।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার মনোহরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি ম্যাগাজিন ও ০১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এসময় অজ্ঞাতনামা ০১ জন আসামী পালিয়ে যায়।
২৯ জুন ভোররাতে র্যাব এই অভিযান পরিচালনা করে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামী কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল।
উক্ত বিষয়ে অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে একটি বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এ মেডিকেল ক্যাম্পে নবীনগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ১,৩৯৩ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন, যার মধ্যে পুরুষ ৩২৪ জন, নারী ৭০৬ জন এবং শিশু ৩৬৩ জন। পাশাপাশি স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়ার মাধ্যমে ৫টি সফল অপারেশন সম্পন্ন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল স্টাফরা বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও ওষুধ প্রদান করেন।
এ মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে সরকারবিরোধী ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করা ১২ জন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা ও ডিবি পুলিশ।
জানা যায়, বিভিন্ন বৈষম্য বিরোধী মামলার ঘটনায় জড়িত পলাতক ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা গত ৩০ অক্টোবর ভোরে ২ টি সিএনজিতে করে ৮/১০ জন সদস্য গোপনে এসে নগরীর ঈদগাহ মাঠের সিএনজি স্ট্যান্ড গলিতে ও পার্কের সামনে এসে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে অতি অল্প সময়ে ৩০/৪০ সেকেন্ড ঝটিকা মিছিল করে পার্কের গেট হতে সিএনজি যোগে পালিয়ে যায়।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলার আইন শৃঙ্খলা সম্বন্বত রাখতে কোতয়ালী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ দিনভর অভিযান করে উক্ত মিছিল সংশ্লিষ্ট ১২ জন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আকরাম হোসেন ওকি (২৮}, মো: সাগর (২৪), মোঃ মহিউদ্দিন সুমন (৩২), মোহাম্মদ রাসেল হোসেন (৩০ ), মোঃ ফয়সাল (২৮), মাকসুদুর রহমান প্রকাশ বাবলু (৩১), আমিন খান নাহিদ (৩০), তুহিন আলম(২৮), কাজী শামসুল আলম (৫২), মোহাম্মদ মোবারক হোসেন রুবেল (৩৫), আব্দুল্লাহ আল হাদী (৩৬) ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী (২৭)।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, মিছিল করছে সিএনজিতে আসা ৮/১০ জনসহ ১৫/২০ জন ৩০/৪০ সেকেন্ডে ৩০/৪০ গজের মধ্যে মিছিল করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউকে পায়নি। পরে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মন্তব্য করুন


নাফ নদীর মোহনায় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আটক করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজ ১৬ দিন পর মুক্তি পেয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি পণ্যসহ টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ১৬ জানুয়ারি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে পণ্যবাহী চারটি জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু রাখাইন সীমান্তে নাফ নদীতে আরাকান আর্মি জাহাজগুলো আটকে দেয়। এর দুই দিন পর ধাপে ধাপে তিনটি জাহাজ ছেড়ে দেওয়া হয়। অবশেষে ১৬ দিন পর বাকি একটি জাহাজও ছেড়ে দেওয়া হলে শনিবার দুপুরে সেটি টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
জসিম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, আরাকান আর্মি জাহাজগুলো তল্লাশির জন্য আটকে রেখেছিল বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
এদিকে, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে টেকনাফের ব্যবসায়ীদের পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়া তিনটি জাহাজ গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে নাফ নদীর মোহনার নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছালে আরাকান আর্মি তল্লাশির নামে সেগুলো আটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে রমজানের প্রথম ৫ দিনে ইফতার পেলেন প্রায় আড়াই হাজার রোজাদার ।
প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার বিকেলেও কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্রায় ৫৫০ জন দুস্থ ও ছিন্নমুল লোকের মাঝে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।
রমজানের পঞ্চম দিনেও এই ইফতার বিতরণের মত মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে সেনাবাহিনী।
কুমিল্লা সেনানিবাসের আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ প্রতিদিন সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ইফতার পাচ্ছেন।
সেনাবাহিনীর ইফতার পেতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন অসহায় ও নিঃস্ব শ্রেণীর লোকজন।
বেশ কয়েকজন রোজাদার জানান, সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের সময় যখন আসে তখন চিন্তা হয় ইফতার কি খেতে পারবো? আমাদের অনেকের কাছে ইফতার কেনার টাকা নেই। আমাদের সেই দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তারা বরাবরের মতো আমাদের মত অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রতিদিন সেনাবাহিনীর দেয়া ইফতার খেতে পারছি। এমন মানবিক সেনাবাহিনী পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি সেনাবাহিনী এই মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে আর আমাদের মত অসহায় মানুষের পাশে সব সময় থাকবে। আল্লাহ এ জাতির সূর্যসন্তানদের সহায়ক হোন।
সেনাবাহিনীর এ মহতী উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে সর্ব মহলে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় সেনাবাহিনী নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদক ও অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ অক্টোবর যৌথ বাহিনী ও তিতাস থানা পুলিশ তিতাস উপজেলার শাহপুর এলাকায় অভিযান পরিচলনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে অস্ত্রধারী নাজিয়া সুলতানা (২৭), ময়না (৩২), ফারজানা (২৮) এবং শান্তি রানীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১ টি রিভলবার, ৩ টি স্থানীয় বন্দুক, ৩ টি বড় ছুরি, ১ টি সুইচগিয়ার, ১ টি ছোট কুঠার এবং ১০ টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত সরঞ্জামাদী তিতাস থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জাফরিন হক অনন্যা নগরীর ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে মন্ডপে দায়িত্বরতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
মঙ্গলবার রাতে নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মন্ডপ, খলিফা বাড়ির সাথের পূজামন্ডপসহ বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক ফারহা এমদাদ ইম্পা, যুবশক্তি কুমিল্লা জেলা কমিটির সদস্য জাহিদুল হক অনিকসহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বিজয়পুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পল্টারপাড় এলাকায় কৃষক রুহুল আমিন হত্যা মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে নিহতের পরিবারকে হত্যা মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় নিহতের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আসামিদের ভয়ে কোন সাক্ষী আদালতে যেতে চায় না।
এ ঘটনায় হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিতে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও কন্যা রোকেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, কৃষক রুহুল আমিন মসজিদে আজান দিতেন। এই আজানকে কেন্দ্র করে হত্যাকারীরা কিছু বখাটে ছেলে রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় স্থানীয় মৃত. আব্দুল লতিফের ছেলে মো: লোকমান হোসেন (৩৮), মো: কবির হোসেন (৩৫) ও মোঃ মীর হোসেন (৩০), শফিক মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (২২) ও কবির হোসেনের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় রুহুল আমিন কে সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা তাদেরকে আসামি করে পরদিন হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে তারা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আমরা মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমাদের পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে দুই হাত জোড় করে অনুরোধ করছি এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসি প্রদান করুন।
হত্যাকারীরা একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তারা এখন বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে ঘুরাঘুরি করে।
মন্তব্য করুন