

বিয়ে
করেছেন ‘হাবু ভাই’খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
২৫
আগস্ট গত শুক্রবার ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র
নির্মাতা ও অভিনেতারা। কিন্তু দেখা যায়নি
‘কাবিলা’খ্যাত অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশকে।
জানা
যায়, ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যাওয়ায় গিয়েছিলেন জিয়াউল
হক পলাশ। আর সেকারণে হাবু ভাইয়ের বিয়েতে উপস্থিত হতে পারেননি পলাশ।
একাধিক
ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, জিয়াউল হক
পলাশ ছোটবেলা থেকেই তাবলিগ জামাতে যান। মাঝে অনেক দিন দূরে ছিলেন। তবে গত ২৪ আগস্ট
তিনি ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যান। ইবাদত শেষে বাসায় ফেরেন ২৭ তারিখ।
এদিকে,
পলাশের তাবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইলার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


একমাত্র ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে নিয়ে ফেসবুকে ফের আবেগঘন পোস্ট করেছেন নায়িকা পরীমণি।
জানালেন, ছেলেকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি- কয়েক দিন ধরে রাজ্যকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন। জ্বরে আক্রান্ত ছোট্ট রাজ্যর হাতে ক্যানোলা পরানো একটি ছবি পোস্ট করে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এমনটাই জানান পরীমণি।
তিনি লিখেছেন, আমার পদ্মফুল, মনে পড়ে তোমার প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়ার দিন আমি ভয়ে, কষ্টে কান্নায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে সামলানোর কেউ ছিল বলেই হয়তো কাঁদতেও সহজ লাগছিল আমার। আজ তোমার হাতে ক্যানোলা পরানো হলো তোমার ব্লাড টেস্টের জন্য। আমি একা তোমাকে বুকে ধরে সাহস জোগাই। সামনের এমন আরও কঠিন সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করি। অনেক কঠিনরে মোকাবিলা করব বলে। আমি জানি তুমি আমার অনেক স্ট্রং বয়। মায়ের সমস্ত বিশ্বাস জুড়ে থেকো। আর আমাকে এমন করে আম্বা বলেই ডেকো।
আমি জানি এই আম্বাটা কী। আমি তোমার আম্মাও, আব্বাও। বাচ্চা আমার, আমি তো এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। এরপর স্যাড ইমোজি দিয়ে তার নিচে পরীমনি লিখেছেন, কিছু চিঠি খোলাই হয়...।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেতা আনিকা কবির শখ। বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমায় ছড়িয়েছিলেন সৌন্দর্যের দ্যুতি।
কিন্তু বিয়ে করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শখ। সম্প্রতি ফিরেছেন তিনি।
ফিরেই জানালেন, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। প্রতিযোগিতা না থাকলে খেলে মজা
পাওয়া যায় না।
আনিকা কবির শখ বলেন, ব্রেক নিয়েছি। আসলে আমার কিছু কাছের মানুষ ব্রেক
নিতে বাধ্য করেছে। কারণ আমার সঙ্গে একটা ডিজাস্টার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আমার
সেলফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো ফিরিয়ে আনতে আনতে
আমি আসলে হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। একটা সময় গিয়ে মনে হলো, ঠিক আছে বাদ দেওয়া যাক। তবে
আমি বিশ্বাস করি কারও জায়গা কেউ নিতে পারে না। আর আমি এত ছোট থেকে কাজ শুরু করেছি
যে, আমার বিশ্বাস ছিল- আমার দর্শক আমাকে ভুলে যাবে না। আমিও কারও সন্তান। আমারও
সংসার, সন্তান আছে। ওই জায়গাটা তো ভুলে গেলে চলবে না। ওই জায়গাটাও আমার ঠিক রাখতে
হবে। শুধু যে আমি একজন শিল্পী তা তো নয়। একটু ব্রেক নিয়ে আমার পারিবারিক জায়গাটাও
আমি ঠিক রেখেছি। এখন আবার ফিরে এসেছি। নিয়মিত কাজ করব। আর উৎসব আয়োজনেও শখকে পাওয়া
যাবে। কারণ খালি মাঠে সবাই গোল মারতে পারে। ভরা মাঠে পারে না। আমি গোল দিয়েছি ভরা
মাঠে। আমি বিশ্বাস করি, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। তাকে যে মাঠে ছেড়া দেওয়া
হোক না কেন। হ্যাঁ, প্রতিযোগিতা না থাকলে আসলে খেলে মজা পাওয়া যায় না। আমার মনে
হচ্ছে মাঠটা খালি। প্লিজ কেউ আসো, আমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায়।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী
কুইনজী চেং শুটিং সেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় মালয়েশিয়ান এ অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৩৭
বছর।
গেল
২৮ নভেম্বর অভিনেত্রীর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
চায়না
প্রেসের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, চেং ব্রেন অ্যানিউরিজমে
ভুগছিলেন।
স্থানীয়
আর্টিস্ট চাই জি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা সময়ে আমরা দামানসারাতে
উপস্থিত হই। সকালের নাস্তা শেষ করে সাড়ে ৮টার দিকে শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং পুরোপুরি
সুস্থ ছিলেন। বিরতি নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং জানান,
তার মাথা ঘুরাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে, বমিবমি লাগছে। এক পর্যায়ে চেং বমি করেন; দ্রুত
অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। চেংয়ের স্টাফরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চেং যখন জ্ঞান হারান
তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছিল। দ্রুত তার ঠোঁট, হাত-পা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে।
কল করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বেলেন্স ঘটনাস্থলে চলে আসে। মেডিক্যাল টিম এসে তার
জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়; পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জানা
যায়, ১৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কুইনজী চেং। ২০১৫ সালে ‘ব্যাড স্টুডেন্টস’ সিনেমার
মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন কুইনজী চেং।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি জুটির প্রথম সিনেমা ‘যন্ত্রণা’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী শুক্রবার। ভালোবাসা ও অ্যাকশন গল্পে নির্মিত আব্দুল্লাহ জহির বাবুর গল্পে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আরিফুর জামান আরিফ।
চিত্রনায়ক
আদর আজাদ বলেন, ভালোবাসার গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। গল্পে নতুনত্ব আছে। আশা করছি, সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শক পছন্দ করবেন।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি বলেন, সিনেমার গল্প ও চরিত্রটি ভালো। চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করতে। তবে দর্শক এখন যে ধরনের গল্পের সিনেমা দেখতে চায় এটি তেমনই। চেষ্টা করেছি নিজের চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। অনেক দিন পর বড় পর্দায় আসছি। আশা করছি, গল্প ও চরিত্র মিলিয়ে সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।
সিনেমার পরিচালক আরিফুর জামান আরিফ বলেন, প্রথমবার সিনেমা পরিচালনা করেছি। আশা করি, ‘যন্ত্রণা’ সবার ভালো লাগবে।
আদর-প্রকৃতি ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, ডন, বড়দা মিঠু, সায়মা স্মৃতি, আশরাফ কবির, সোহেল রশিদ, গাঙ্গুয়া, জাহিদ, পারভেজ সুমন, শেখ স্বপ্না, পারভিন আক্তার, অতিথি শিল্পী তনামি হকসহ আরো অনেকেই।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
বিমানবন্দর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়কের মরদেহ মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


৭ আগস্ট সোমবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা হঠাৎ নিজের অসুস্থতার কথা জানান। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এসময় সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করেন তানজিন তিশা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চিকিৎসকদের ধারণা, ডায়েটের ও দুশ্চিন্তার কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে এখন সুস্থ রয়েছেন অভিনেত্রী, ফিরছেন হাসপাতাল থেকে বাসায়ও।
তানজিন তিশা জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন। এরপর জ্বর ওঠে ১০৩ ডিগ্রি। অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গুসহ আরও কিছু পরীক্ষা করিয়েছি। এসব হয়নি। আমি কিছুদিন ধরে ডায়েট করছিলাম। তা ছাড়া দুশ্চিন্তাও করছিলাম। চিকিৎসকের ধারণা, এসব মিলিয়েই এমনটি হয়েছে। আপাতত, আমাকে ডায়েট বন্ধ করতে বলেছেন। প্রচুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসক এটা দেখার পরে একটা ওষুধ দেন। ওষুধটি নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হলো, পুরো শরীরে আগুন ধরে গেছে। মনে হচ্ছিল, আমি মারা যাব। যেন মৃত্যুযন্ত্রণা কাছ থেকে দেখেছি। ওই সময় আমার মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। প্রায় ৩ঘণ্টা পর কিছুটা সুস্থবোধ করি।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসেন তিশা।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন