

স্পোর্টস ডেস্ক:
ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বর্তমান সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার টনি ক্রুস। গতকাল নিজের ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে এক দীর্ঘ পোস্টের মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুম শেষে ক্লাব ফুটবল ও আগামী মাসে নিজেদের ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউরো শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার বিদায় জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
এরআগে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হওয়া ২০১৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপে শিরোপা জিতে জার্মানি। ঐ আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েন ক্রুস। পরে ২৫ মিলিয়ন ইউরোতে স্বদেশী ক্লাব বায়ান মিউনিখ ছেড়ে নাম লেখান নিজের স্বপ্নের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। এরপর আস্তে আস্তে ক্লাবটির মিডফিল্ডে সবচেয়ে বড় আস্থার নাম হয়ে ওঠেন তিনি। আর ইতিমধ্যে তার গায়ে লেগেছে মাদ্রিদের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারের তমকা। ক্লাবটির হয়ে মোট ২৪টি শিরোপা জিতেন এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার।
গতকাল ফুটবলকে বিদায় জানানোর সেই পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদ নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৭ জুলাই ২০১৪। সেদিন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম। সেদিনটি আমার জীবন বদলে দিয়েছে। একজন ফুটবলার হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে। ঐদিন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবের হয়ে আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পর চলতি মৌসুম শেষে আমার রিয়াল মাদ্রিদের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। আমি এই সময়গুলো কখনো ভুলবো না। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। যারা আমাকে এখানে স্বাগত জানিয়েছে এবং আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছে। প্রিয় মাদ্রিদস্তাস, ধন্যবাদ প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের স্নেহ ও ভালোবাসার জন্য।’
এছাড়াও রিয়াল মাদ্রিদ নিয়ে ক্রুস বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি। রিয়াল মাদ্রিদ আমার শেষ ক্লাব হবে। আমি অনেক আনন্দিত ও গর্বিত। আমার কাছে মনে হয় আমি সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ অন্যদিকে নিজ দেশ জার্মানির জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি একজন ফুটবলার হিসেবে এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপের মধ্যে দিয়ে আমি জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় জানাব।’
মন্তব্য করুন


১০ বছর পর বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ টেস্টে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ৩-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় অজিরা। সিরিজ হারলেও পুরো সিরিজে দাপট দেখিয়েছেন ভারতীয় পেসার জসপ্রীত বুমরাহ। সিরিজ হেরে হতাশ হলেও প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়াকে ক্রেডিট দিয়েছেন এই ভারতীয় পেসার।
ম্যাচ শেষে বুমরাহ বলেন, “সিরিজে ভালোই লড়াই হয়েছে। আজ সকালে আমরা লড়াইয়ে ছিলাম। এই সিরিজ আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা দেবে। অনেক কিছু শিখেছি আমরা। আমাদের দলে এখন অনেক তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে, যারা প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছে। এই সিরিজ তাদের ভবিষ্যতে সাহায্য করবে। এই অভিজ্ঞতা আগামী দিনে তাদের আরও শক্তিশালী করবে।”
যোগ্য দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এখানে যেগুলো শিখলাম, সেগুলো আগামী দিনে কাজে লাগাতে হবে আমাদের। ক্রিকেট যেমন শেখার বিষয়, তেমনি পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ও। সব মিলিয়ে একটা দারুণ সিরিজ হলো। যোগ্য দল হিসেবে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের অভিনন্দন।”
পিঠের চোটের জন্য সিডনি টেস্টের শেষ দু'দিন দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বল করতে পারেননি বুমরাহ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খুব হতাশ লাগছে। কিন্তু কখনও কখনও শরীরের কথা ভাবতেই হয়। শরীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না। ইচ্ছা না থাকলেও তাই মেনে নিতে হয়। এই সিরিজে বোলিং খুব উপভোগ করেছি। আজ বল করতে পারলে ভালো লাগত। কিন্তু প্রথম ইনিংসের পর থেকে একটা অস্বস্তি হচ্ছিল। সকালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলি। সতীর্থদের ওপর অবশ্য ভরসা ছিল। প্রথম ইনিংসে আমাদের অন্যান্য বোলাররা বেশ ভালো বল করেছে।”
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পাকিস্তানের যুবাদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথম সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে সমান ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত। আগামী ৮ ডিসেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের আসরে আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার লড়াই আজিজুল হাকিম তামিমের দলের।
শুক্রবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতেই অর্ধেক কাজ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। দুই পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ও মারুফ মৃধা অগ্নিঝরা বোলিংয়ে মোট ৬ উইকেট তুলে নেন পাকিস্তানের।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ৩৭ ওভারে মাত্র ১১৬ রান করে। জবাব দিতে নেমে ২২.১ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৩২ রান করেন ফারহান ইউসুফ। ৬৫ বলে ২৮ রান করেন মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ। ৪১ বলে ১৮ রান করেন অধিনায়ক সাদ বাইগ। ৩০ বলে ১০ রান নেন হারুন আরশাদ। বাকিরা ছিলেন এক অংকে আটকা।
জবাব দিতে নেমে দলীয় ২৮ রানে দুই ওপেনার কালাম সিদ্দিকি (১৪ বলে ০) ও জাওয়াদ আবরারকে (২৫ বলে ১৭) হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে আজিজুল হাকিম ও শিহাব জেমসের ৫৭ রানের জুটিতে জয়ের সুবাস পায় যুব টাইগাররা। ৩৬ বলে ২৬ রান করে শিহাব জেমস আউট হয়ে গেলে রিজান হোসেনকে নিয়ে ম্যাচ জেতান আজিজুল হাকিম।
৪২ বলে ৬১ রানের হার না মানা অনবদ্য ইনিংস খেলেন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। তার সঙ্গে রিজান অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দারুণ খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। সেঞ্চুরির খুব কাছেই চলে গিয়েছিলেন। তার এই ফিফটি অবশ্য দলকে জেতাতে পারেনি। তবে ৮৯ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসের পথে দারুণ এক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৪২ ইনিংসে এক হাজার রান পূর্ণ করলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তাতেই তামিম বনে যান বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম এক হাজার রান করা ব্যাটার। এর আগে ৪৫ ইনিংসে হাজার রান পূর্ণ করার রেকর্ড ছিল তাওহিদ হৃদয়ের। তিন ইনিংস আগেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলেন ২৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ ওভারে আউট হয়ে যান তানজিদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৬২ বলে ৮৯ রান, যেখানে ছিল চারটি ছক্কা ও নয়টি চার। কিন্তু তার এই ইনিংসেও বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জেতে পাঁচ উইকেটে, তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।
তামিম বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়লেও টি-টোয়েন্টিতে এখনো দ্রুততম এক হাজার রানের বিশ্বরেকর্ড ইংল্যান্ডের দাভিদ মালানের। তিনি করেছিলেন মাত্র ২৪ ইনিংসে।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নামার সময় তানজিদের রান ছিল ৯৬৭। ইনিংসের শুরুতে দুবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি, রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান আরেকবার। এরপর নিজের ছন্দে খেলতে থাকেন একের পর এক শট মেরে।
৩৭ বলে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দশম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। সবশেষ ১২ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি এবং টানা দ্বিতীয়।
মন্তব্য করুন


মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আজ (১৯ নভেম্বর) ১০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তার এই ঐতিহাসিক ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে জমকালো আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মিরপুর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে সতীর্থদের নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন মুশফিক। এসময় গ্যালারিতে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার নিয়ে উপস্থিত ছিলেন ভক্ত-সমর্থকরাও। এই বিশেষ মুহূর্তে মুশফিকের সঙ্গে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরাও।
মুশফিককে সম্মাননা জানাতে বোর্ড ও সতীর্থরা তার হাতে নানা স্মারক তুলে দেন। তার হাতে শততম টেস্ট উপলক্ষে বিশেষ ক্যাপ পরিয়ে দেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, যিনি ২০০৫ সালে তার অভিষেক টেস্টেও তাকে ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছিলেন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার আকরাম খানও তাকে একটি বিশেষ ব্যাগি ক্যাপ উপহার দেন।
এছাড়াও, মুশফিকের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং হাবিবুল বাশার যৌথভাবে মুশফিকের প্রথম ও শততম টেস্টের সতীর্থদের স্বাক্ষর করা জার্সি তাকে উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরদিন, মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্লাব সতীর্থদের কাছ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ পান মুশফিকুর রহিম। ম্যাচ শেষে কেক কেটে তাকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন দেখা যায়নি। অবসর নেওয়ার দুদিন পর, বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
আজ মিরপুরে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, মুশফিকের জন্য বিশেষ আয়োজনের ভাবনা তাদের আছে। তিনি মুশফিককে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এগিয়ে যাওয়ার পথে ‘নাবিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘এটা (মুশফিককে বিদায়ী সংবর্ধনা) আমরা পরিকল্পনা করব। এটা তো খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। মুশফিক সম্ভবত দেশের একজন কিংবদন্তি। দীর্ঘ ১৯ বছরের পথপরিক্রমায় বাংলাদেশ ক্রিকেট যে আজকে এই অবস্থায় এসেছে, তার মধ্যে সে অন্যতম একজন নাবিক, যে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে পথ দেখিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করতে পারি, ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সে যে পথটা দেখিয়েছে, তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য তা অনেক বড় অনুপ্রেরণা। ক্রিকেট বোর্ড অত্যন্ত কৃতজ্ঞচিত্তে তার সব অর্জন স্মরণ করেছি আমরা। বিসিবি থেকে একটা বার্তা দিয়েছি, আমার লেখা ছিল। আমরা চেষ্টা করব, ক্রিকেট বোর্ড থেকে পরিকল্পনা করব কীভাবে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া যায়।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যেখানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিবিয়ানদের শেষ সিরিজের দল থেকে স্কোয়াডে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে।
হায়ডেন ওয়ালশ জুনিয়র ও জুয়েল অ্যান্ড্রুর জায়গা নিয়েছেন আমির জাঙ্গু ও জাস্টিন গ্রিভস। টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পুরস্কার পেয়েছেন গ্রিভস।
আমির জাঙ্গুকে স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো ডাকা হয়েছে। আর নেতৃত্বে আছেন শেই হোপ। সহ-অধিনায়কের ভূমিকায় ব্রেন্ডন কিং।
এর আগে সোমবার বিকালে বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়। নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর চোটের কারণে এই সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দেবেন মেহেদী হাসান মিরাজ। চোটের কারণে আরও নেই তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। নেই সাকিব আল হাসানও।
সেন্ট কিটসে ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ তিনটি হবে ৮, ১০ ও ১২ ডিসেম্বন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল: শেই হোপ (অধিনায়ক), ব্রেন্ডন কিং (সহ-অধিনায়ক), কেসি কার্টি, রোস্টন চেজ, ম্যাথু ফোর্ড, জাস্টিন গ্রিভস, শিমরন হেটমায়ার, আমির জাঙ্গু, আলজারি জোসেফ, শামার জোসেফ, এভিন লুইস, গুড়াকেশ মোটি, শেরফানে রাদারফোর্ড, জায়ডেন সিলস ও রোমারিও শেফার্ড।
মন্তব্য করুন


ফিফা কর্তৃক আনীত অভিযোগের ওপর বাফুফে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তিনটি সভা করেছে। আজ তৃতীয় সভায় বাফুফের চার জন স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
বাফুফের নির্বাহী সভায় তদন্ত কমিটির প্রথম সভার পর ৩০ কার্যদিবসের সময়সীমা দিয়েছে। বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই তাদের কাজ সম্পন্ন করার আশাপোষন করলেন, ‘৩০ কার্যদিবস জুনের মাঝামাঝি হয়। আমরা এই সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করতে পারব। হয়তো ২/১ দিন বেশি লাগতে পারে।’
প্রথম সভায় কমিটি তাদের কর্মপরিধি ও পন্থা নিয়ে আলোচনা করেছে। দ্বিতীয় সভা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে তলব করেছে। দ্বিতীয় সভা তিন জনের পর আজ তৃতীয় সভায় চারজনকে তলব করেছে। বাফুফে স্টাফদের কাছ থেকে তদন্ত কাজে আন্তরিকতা পাচ্ছেন বলে জানান আহ্বায়ক, ‘যারা তদন্তে আসছেন তারা আমাদের আন্তরিকতা দিয়ে তথ্য দিচ্ছেন’।
ফিফার ৫১ পাতার রিপোর্টে ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে অসঙ্গতি ছিল অনেক। বাফুফে যে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। তাদেরকে তদন্তে আনা হবে কিনা এই প্রসঙ্গে নাবিল বলেন, ‘এই বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে’।
তদন্ত কমিটি এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি সভা করেছে। চতুর্থ সভাটিও আগামী সপ্তাহের শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR) ফেসবুক পেজে কিছুদিন ধরে পোস্টগুলোতে ‘অ্যাংরি’ এবং ‘হাহা’ রিঅ্যাকশনের ঢেউ বইছে। নেতিবাচক মন্তব্যও তীব্রভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে। শেষ ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ার হারিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ফেসবুক পেজ।
এই ধারাটি শুরু হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর। নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা বাঁহাতি এই টাইগার পেসারকে বাদ দেওয়ার পর কলকাতার ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে কমে ১ কোটি ৭০ লাখে নেমেছে। এর মানে, প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ফলোয়ার কমছে, যা প্রতি মিনিটে ৩৪৭ এবং প্রতি সেকেন্ডে ৫ ফলোয়ারের হার।
মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পোস্টে ২ লাখ ৩ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ‘অ্যাংরি’ এবং ৪০ হাজার ‘হাহা’। মন্তব্যের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি, যার বেশির ভাগই বিসিসিআই, আইপিএল এবং ভারতকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
মোস্তাফিজের বাদ দেওয়ার পর কলকাতার পেজে আরও ৯টি পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে বরুণ চক্রবর্তী, নিউজিল্যান্ড সিরিজ, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও অস্ট্রেলিয়ার পেসার ক্যামেরন গ্রিনের খবর ছিল। সেগুলিতেও অ্যাংরি-হাহা রিঅ্যাকশন এবং নেতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে।
মোস্তাফিজ এখন পর্যন্ত আইপিএলের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন—সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে ৬০ ম্যাচে ৬৫ উইকেট নেন, যার ইকোনমি রেট ৮.১৩। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছে। তবে এবার রাজনৈতিক কারণে মোস্তাফিজ আইপিএলে খেলতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গতকাল ৭৫ মিনিটে মাঠে নামেন লুকা মদ্রিচ। নেমেই ডিফেন্সচেরা পাসে মনে করিয়ে দেন ফুরিয়ে যাননি এখনো। ম্যাচে দারুণ একটি মাইলফলকও অর্জন করেন ৩৮ বছরের মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে মদ্রিচই এখন সবচেয়ে বেশি বয়সে ম্যাচ খেলা ফুটবলার।
মদ্রিচ ছাড়িয়ে গেছেন রিয়াল কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাসকে। অ্যারিয়েঞ্জ অ্যারিনায় গতকালের ম্যাচের দিন মদ্রিচের বয়স ছিল ৩৮ বছর ২৩৪ দিন। পুসকাস রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলেছিলেন ৩৮ বছর ২২৯ দিন বয়সে।
পুসকাসের তৈরি করা কীর্তি ৫৯ বছর পর ভাঙলেন মদ্রিচ। ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ইউরোপিয়ান কাপে কিলমারনকের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিলেন পুসকাস। রিয়ালের হয়ে সবমিলিয়ে ৫২৮তম ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১১৮তম ম্যাচে কীর্তিটি গড়লেন মদরিচ। তথ্য বেইন স্পোর্টসের।
ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও এদিন ভাগ বসিয়েছেন মদ্রিচ। ছাড়িয়ে গেছেন ৫২৭ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার রবার্তো কার্লোসকে। রিয়ালের ইতিহাসে ১৪তম সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার এখন মদ্রিচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি এখন পঞ্চম। রিয়ালের হয়ে এই প্রতিযোগিতায় তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন ইকার ক্যাসিয়াস, করিম বেনজেমা, রাউল গঞ্জালেস ও সার্জিও রামোস।
ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলার মদ্রিচ ৩৯ বছরে পা দিচ্ছেন চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর। তবে রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হবে আগামী ৩০ জুন। রিয়ালের ইতিহাসের সবেচেয়ে বুড়ো খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়তে তাই নতুন চুক্তির আওতায় আসতে হবে মদ্রিচকে। ১৯৬৬ সালের মে মাসে পুসকাস যখন কোপা দেলরেতে রিয়ালের হয়ে শেষ পেশাদার ম্যাচটি খেলেন, তখন তার বয়স হয়েছিল ৩৯ বছর ৩৬ দিন।
রিয়ালের হয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলা সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলার
লুকা মদ্রিচ: ৩৮ বছর ২৩৪ দিন
ফেরেঙ্ক পুসকাস: ৩৮ বছর ২২৯ দিন
বুয়ো: ৩৮ বছর ৫৩ দিন
দি স্তেফানো: ৩৭ বছর ৩২৮ দিন
দুদেক: ৩৭ বছর ২৬০ দিন
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে সাবিনাদের অলিম্পিক বাছাইয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই নানা সমালোচনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সর্বশেষ আজ হাইকোর্ট থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চার মাসের মধ্যে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করার।
আজ সকালে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশনা আসার ঘন্টা দু’য়েকের মধ্যে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ফেডারেশনে আসেন। ভবনের নিচেই উপস্থিত সাংবাদিকরা সালাউদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে কিছুক্ষণ পর উপস্থিত সবাইকে ডেকে কথা বলবেন বলে জানান। ফেডারেশনে তার কক্ষে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদেরও তিনি বলেছিলেন মিডিয়ায় এই বিষয়ে কথা বলবেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সাংবাদিকরা অবশ্য বাফুফে ভবনে অপেক্ষায় থাকেন দীর্ঘক্ষণ। প্রবেশের মতো সালাউদ্দিন বেরিয়ে যাওয়ার পথেও সাংবাদিকদের সামনে পড়েন। তখন পুনরায় তাকে জিঞাসা করলে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গণমাধ্যমে কথা বলতে এসেই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাই এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, 'এখনো আমরা নির্দেশনার কোনো কপি পাইনি। আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আপনাদেরও অবহিত করা হবে।’
আরও পড়ুন>>> দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত কাজী সালাউদ্দিন
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তার অধীভুক্ত সংস্থাগুলোতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে না। তৃতীয় পক্ষের বড় ধরনের হস্তক্ষেপ থাকলে সেই সংস্থাকে বহিষ্কারও করে। দুদকের প্রতি হাইকোর্টের এই নির্দেশনা ফিফার আইন ও দৃষ্টিতে কেমন এ নিয়েও বাফুফে কর্তারা কিছু বলেননি।
বাফুফেতে দুর্নীতির বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে দুদক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, নির্বাহী সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেনকে চিঠি দিয়েছিল। সেই তদন্ত বেশ কিছু দিন চলার পর কাজী সালাউদ্দিনের তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি বলে চিঠি দিয়ে নিষ্পত্তিও করেছিল।
মন্তব্য করুন