উচ্চ রক্তচাপ : এক নীরব ঘাতক

উচ্চ রক্তচাপ : এক নীরব ঘাতক

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হচ্ছে আজ (১৭ মে)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ ও ইন্টারন্যাশনাল হাইপারটেনশন সোসাইটি এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‌‘সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপুন, নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং দীর্ঘজীবী হোন।’

অসংক্রামক ব্যাধির মধ্যে অন্যতম হলো উচ্চ রক্তচাপ, যা প্রায়ই একটি স্থায়ী রোগ হিসেবে বিবেচিত। এর জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধ খুবই জরুরি। না হলে বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি হঠাৎ করে মৃত্যুরও ঝুঁকি থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কি?

স্বাভাবিক রক্তচাপ হলো সেই বল, যার সাহায্যে রক্ত শরীরের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পৌঁছায়। হৃদপিণ্ডের পাম্পিং ক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তচাপ তৈরি হয়। রক্তচাপের কোনো একক নির্দিষ্ট মাত্রা নেই। বিভিন্ন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে একেক জনের রক্তচাপের মাত্রা ভিন্ন এবং একই মানুষের বেলায় বিভিন্ন সময়ে রক্তচাপও কম-বেশি হতে পারে। উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, অধিক পরিশ্রম, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। ঘুম ভালো হলে ও পরিমিত বিশ্রাম নিলে রক্তচাপ কমে যায়। রক্তচাপের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক। সাধারণত বয়স যত কম, রক্তচাপও তত কম হয়। যদি কারও রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামের সময়ও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

রক্তচাপ কত প্রকার

রক্তচাপ সাধারণত দুই ধরনের, যথা- সিস্টোলিক ও ডায়াস্টলিক। নরমাল সিস্টোলিক ১০০ থেকে ১৪০ এবং ডায়াস্টলিক ৬০ থেকে ৯০ মি.মি মার্কারি। কারও ব্লাড প্রেশার যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে। তবে বয়স ভেদে তারতম্য হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ কি আসলেই কোনো জটিল ব্যাধি?

উচ্চ রক্তচাপ ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষ্মণ দেখা যায় না। এটাই উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে খারাপ দিক। যদিও অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের রোগীর কোনো লক্ষ্মণ থাকে না, তবুও নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় ‌‘নীরব ঘাতক’। অনিয়ন্ত্রিত ও চিকিৎসাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী কী জটিলতা হতে পারে?

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি অঙ্গে (হৃদপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক ও চোখ) মারাত্মক জটিলতা হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে পারে না। এই অবস্থাকে বলা হয় হার্ট ফেইলিওর। রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি বিকল হয়ে কার্যকারিতা হারাতে পারে, যার অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক হয়ে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। আবার চোখের রেটিনাতে রক্তক্ষরণ হয়ে অন্ধত্ব বরণ করতে হতে পারে।

যেসব কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়

শতকরা ৯০ ভাগ রোগীর উচ্চ রক্তচাপের কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না। একে প্রাইমারি বা এসেন্সিয়াল রক্তচাপ বলে। সাধারণত বয়স্ক মানুষের উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয়ে থাকে। কিছু কিছু বিষয় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়, যেমন-

• বংশানুক্রমিক : উচ্চ রক্তচাপের বংশগত ধারাবাহিকতা আছে। যদি বাবা-মায়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকে তবে সন্তানেরও উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি নিকটাত্মীয়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকলেও অন্যদের রক্তচাপের ঝুঁকি থাকে।

• ধূমপান : ধূমপায়ীদের শরীরে তামাকের নানা রকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনী, শিরার নানা রকম রোগ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। তামাক, জর্দা, গুল ব্যবহারে একই সমস্যা হতে পারে।

• অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ : খাবার লবণে সোডিয়াম থাকে যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের আয়তন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ বেড়ে যায়।

• অধিক ওজন ও অলস জীবনযাত্রা : যথেষ্ট পরিমাণে ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম না করলে শরীরে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ফলে অধিক ওজন সম্পন্ন লোকদের উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকে।

• অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস : অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার, যেমন- মাংস, মাখন ও ডুবা তেলে ভাজা খাবার খেলে ওজন বাড়বে। কলিজা, গুর্দা, মগজ এসব খেলে রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হলে রক্তনালীর দেয়াল মোটা ও শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

• অতিরিক্ত মদ্যপান : যারা নিয়মিত অত্যধিক পরিমাণে মদ্যপান করেন, তাদের উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয়। অ্যালকোহলে অতিরিক্ত ক্যালরি থাকে। এর ফলে ওজন বেড়ে যায় ও রক্তচাপ বেড়ে যায়।

• ডায়াবেটিস : ডায়াবেটিস রোগীদের অথারোসক্লেরোসিস বেশি হয়। ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। এছাড়া তাদের অন্ধত্ব ও কিডনির নানা রকম রোগ হতে পারে।

• অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা : অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি ও মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে। যদি মানসিক চাপ অব্যাহত থাকে এবং রোগী ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারেন, তবে এই উচ্চ রক্তচাপ স্থায়ী রূপ নিতে পারে।

অন্যান্য কারণসমূহ : কিছু কিছু অঙ্গ আক্রান্ত হলে রোগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া গেলে একে বলা হয় সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন। এই কারণগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো:
   • কিডনির রোগ।
   • অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ও পিটুইটারি গ্রন্থির টিউমার।
   • ধমনীর বংশগত রোগ।
   • গর্ভধারণ অবস্থায় অ্যাকলাম্পসিয়া ও প্রি-অ্যাকলাম্পসিয়া হলে।
   • অনেকদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির ব্যবহার, স্টেরয়েড গ্রহণ ও ব্যথা নিরামক কিছু কিছু ওষুধ সেবন করলে।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে কী করা উচিত?

জীবন যাত্রার পরিবর্তন এনে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বংশগতভাবে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা কমানো সম্ভব না। তবে এ রকম ক্ষেত্রে যেসব উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেগুলোর ব্যাপারে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। যেমন- অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে, খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম ও কায়িক পরিশ্রম করতে হবে।

• খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা : কম চর্বি ও কম কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। খাসি বা গরুর গোস্ত , কলিজা, মগজ, গিলা, গুর্দা ইত্যাদি কম খেতে হবে। কম তেলে রান্না করা খাবার ও ননী তোলা দুধ, অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন- সয়াবিন, ক্যানোলা, ভুট্টার তেল অথবা সূর্যমুখীর তেল খাওয়া যাবে। বেশি আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা ভালো। আটার রুটি ও সুজি জাতীয় খাবার পরিমাণ মতো খাওয়া ভালো।

• লবণ নিয়ন্ত্রণ : তরকারিতে প্রয়োজনীয় লবণের বাইরে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে। 

• মদ্যপান : অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করতে হবে।

• নিয়মিত ব্যায়াম : সকাল-সন্ধ্যা হাঁটা-চলা, সম্ভব হলে দৌড়ানো, হালকা ব্যায়াম, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার ইত্যাদি।

• ধূমপান বর্জন : ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দুরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্দা, গুল লাগানো ইত্যাদিও পরিহার করতে হবে।

• ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : যাদের ডায়াবেটিস আছে, তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।  

• মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবে : নিয়মিত বিশ্রাম, সময় মতো ঘুমানো, শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতে হবে। নিজের সখের কাজ করা বা নিজ ধর্ম চর্চা করা এসবের মাধ্যমে মানসিক শান্তি বেশি হবে।

• নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা : নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। যত আগে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তত আগে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কি চিকিৎসা করাতেই হবে?

উচ্চ রক্তচাপ সারে না, একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে। অনেক রোগী কিছু দিন ওষুধ খাওয়ার পর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলে ওষুধ বন্ধ করে দেন। মনে করেন রক্তচাপ ভালো হয়ে গেছে, কাজেই ওষুধ খাওয়ার দরকার কি? এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনোক্রমেই চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না। 

অনেকে আবার উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত জানার পরেও ওষুধ খেতে অনীহা প্রকাশ করেন বা খেতে চান না। কারো কারো ধারণা, একবার ওষুধ খেলে তা আর বন্ধ করা যাবে না। আবার কেউ কেউ এমনও ভাবেন, উচ্চ রক্তচাপ দৈনন্দিন জীবন প্রবাহে কোনো সমস্যা করছে না বা রোগের কোনো লক্ষণ নেই, তাই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেতে চান না বা প্রয়োজন মনে করেন না। তাদের ধারণা, ভালই তো আছি, ওষুধের কি দরকার? এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল। এ ধরনের রোগীরা হঠাৎ করে হৃদরোগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, এমন কি মৃত্যুও হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে, যারা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারদের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত সারা জীবন ওষুধ সেবন করতে হবে। নিয়মিত চেক করাতে হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় সারা দেশে ১ হাজার ২৪৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (২৭ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ।      

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৬৭ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫১ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪ জন রয়েছেন।      

গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে ৫২ হাজার ৫৬০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনসকে (বিসিপিএস) কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন।

(২৪ জুন) সোমবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর নির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ এর বিষয়টি নিয়ে ব্রিফ করে ।

প্রেস সচিব জানান, বিসিপিএস এর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সাক্ষাতকালে বিসিপিএস-এর সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি বিসিপিএস এর একাডেমিক কার্যক্রম ও ডিগ্রি প্রদানের সার্বিক প্রক্রিয়া রাষ্ট্রপতিকে জানান।

বিসিপিএস এর কার্যকরী ভূমিকা রাখা নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন উদ্ভাবনের ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞানেও দ্রুত পরিবর্তন আসছে। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ারও তাগিদ দেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা গেলে চিকিৎসা সেবার জন্য বিদেশমুখীতার প্রবণতা কমবে। পাশাপাশি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। জনগণও কম খরচে উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে।

অধ্যাপক সহিদুল্লা জানান, বিসিপিএস থেকে ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৮১৫ জন চিকিৎসক ফেলাশিপ (এফসিপিএস) এবং ৩ হাজার ৭৯১ জন চিকিৎসক মেম্বারশীপ (এমসিপিএস) লাভ করেছেন। বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৬ জুন রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজগুলোর আদলে বিসিপিএস প্রতিষ্ঠা করেন।

এই কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য নতুন ১০ নির্দেশনা

বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য নতুন ১০ নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‌সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। আর এ ১০ নির্দেশনা হলো :


১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।


২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।


৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনাভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।


৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।


৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।


৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।


৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।


৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।


১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

সেন্ট্রাল হাসপাতালে বন্ধ সব ধরনের অস্ত্রোপচার : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সেন্ট্রাল হাসপাতালে বন্ধ সব ধরনের অস্ত্রোপচার : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আইসিইউ ও জরুরি সেবার মান সন্তোষজনক না হওয়ায় রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার দেয়া এ ঘোষণায় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. দাউদ আদনান ও অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার উপ-পরিচালক ডা. মঈনুল আহসান সই করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালে কর্মরত ডা. সংযুক্ত সাহা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লিখিত অনুমোদন ছাড়া পরবর্তীতে সেন্ট্রাল হাসপতালে কোনো বিশেষজ্ঞ সেবা দিতে পারবেন না।

ভুক্তভোগী মাহবুবা রহমান আঁখির চিকিৎসাজনিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত পরিদর্শন টিমের পরিদর্শন শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হলো ।

এ ঘোষণাতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী মাহবুবা রহমান আঁখির পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া চিকিৎসা ববদ সব খরচ এবং চিকিৎসাজনিত জলিতার যাবতীয় ব্যয় সেন্ট্রাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে। ভুক্তভোগী রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সব চিকিৎসকের তথ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র বিএমডিসিতে পাঠাতে হবে। এরপর বিএমডিসি থেকে ওই চিকিৎসকদের নিবন্ধন বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়াও আদালতে চলমান মামলায় অভিযুক্ত ডা. শাহজাদী মোস্তাকি ও ডা. মুনা সাহার যাবতীয় খরচ সেন্ট্রাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার কোন ক্ষতিপূরণ দাবি করলে বিদ্যমান আইনে তা নিষ্পন্ন করতে হবে।

এসব নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

‘শহরের রোগ’ এখন ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেও

‘শহরের রোগ’ এখন ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেও

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত সমস্যা; যা অসংখ্য মানুষের অকালমৃত্যু ঘটায়। 

একটা সময়ে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ আর স্ট্রোককে ‘বড়লোকের রোগ’ বলে মনে করতেন অনেকে। তবে বর্তমানে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে এ রোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং নানা শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পরামর্শ তাদের।

বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে- ২০১৮ অনুযায়ী, দেশে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ২১ শতাংশ (নারী ২৪.১%, পুরুষ ১৭.৯%) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মাত্র ১৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে একজনেরও কম।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০১৭-১৮ সাল সময়ের মধ্যে, ৩৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই সময়ে পুরুষের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৪ শতাংশে এবং নারীর ক্ষেত্রে এই হার ৩২ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা রয়েছে এমন নারী এবং পুরুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার হার যথাক্রমে ৪৯ শতাংশ এবং ৪২ শতাশ, যেখানে স্বাভাবিক ওজনের নারী এবং পুরুষের মধ্যে এই হার যথাক্রমে ২৫ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।

উচ্চ রক্তচাপ কী? কিভাবে বুঝবেন আপনি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিতে?
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক, ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, উচ্চ রক্তচাপ হলো একটি নীরব ঘাতক রোগ। গতানুগতিক কিছু কারণ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের বেশ কিছু কারণ রয়েছে। উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, অধিক পরিশ্রম, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ব্যয়ামের ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। ঘুম ভালো হলে এবং বিশ্রাম নিলে রক্তচাপ কমে যায়। রক্তচাপের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক। যদি কারও রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চাইতে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামকালীনও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, একবার কারও উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে গেলে তা একেবারে সারে না, তবে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত কিছু ওষুধপত্র খেতে হবে। এক্ষেত্রে এমন অসংখ্য রোগী আমরা পাই, যারা কিছুদিন ওষুধ খাওয়ার পর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলে পরে ওষুধ বন্ধ করে দেন। তারা মনে করেন, তাদের রক্তচাপ ভালো হয়ে গেছে, এখন আর ওষুধ খাওয়ার দরকার কী? এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনোক্রমেই ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না।  

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

গত ৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।

মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।


শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।

হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।

গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।

কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।

২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।

সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের

মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

 গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।

 মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।

 কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।

 বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।

 পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।

 কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।


২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

 ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

তাপপ্রবাহে বন্ধ থাকার পর শনিবার থেকে যথারীতি মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

বৃহস্পতিবার (২ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার থেকে যথারীতি মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলবে।

তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২ মে) পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার জন্য আদালত যে নির্দেশনা দিয়েছিল আদালত। সে অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বন্ধ রাখা হয় মাধ্যমিক স্তুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।  

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা আজ কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে।

শনিবার ১৭ই আগস্ট কুমিল্লা সদর হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে হাসপাতালে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কিছু অনিয়ম, লোকবল সংকট এবং রোগীদের থাকা নানা অভিযোগ নিয়ে এই আলোচনা করা হয়েছে।

কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে কিভাবে কি কি সমাধান আনা যাবে সে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়।

আজকের আয়োজিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা: নাসিমা আক্তার, কুৃমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার

ডা: আব্দুল করিম খন্দকারসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার এবং সিনিয়র স্টাফ নার্সবৃন্দ । 

সদর হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, ইব্রাহিম খালিদ হাসান এবং মোঃ রফিকুল ইসলাম (রকি) উপস্থিত ছিলেন।

 

আজকের এই আলোচনা সভায় সমস্যার সমাধানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান আনয়নে তারা কাজ করবেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আর ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ১২৯৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সোমবার (৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানানো হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।     

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৮৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৬৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন রয়েছেন।        

গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে মোট ৬১ হাজার ৩০৪ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।                   

চলতি বছরের ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৬৫ হাজার ৭৬৮ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক দুই শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক আট শতাংশ নারী রয়েছেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০