

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির পায়ুপথে ছয় ইঞ্চি ডাব ঢুকে গেছে। পরে অস্ত্রোপচার করে ওই ডাব অপসারণ করা হয়।
শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ওয়ারুক বাজারের মেডিল্যাব হসপিটাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের অপারেশন থিয়েটারে এক ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে ডাবটি অপসারণ করেন চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল ও রোগীর স্বজন সূত্র হতে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রামের ওই ব্যক্তির পায়ুপথে ডাবটি ঢুকে যায়। পরে এক্সরে করে ডাবটি অনেক বড় দেখলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আরিফ উল হাসান অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
হাসপাতালে আগত আরেক রোগীর স্বজন মো. শেখ ফরিদ জানান, অপারেশনের পরে বের হওয়া ডাবের আকার দেখে তিনি তাজ্জব বনে গেছেন।
তবে এ ঘটনায় রোগী বা তার সঙ্গে আগত স্বজনরা গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ডা. আরিফ উল হাসান বলেন, ঢিলা-কুলুপ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত রোগীর মলদ্বার দিয়ে ডাবটি ঢুকে যায়। আমরা এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ডাবটি বের করতে সক্ষম হই।
মন্তব্য করুন


হিট পিডিমা
গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়।
চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে
যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই।
বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা
যায়।
হিট স্ট্রোক
গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে
হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।
শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়।
শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা
সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে
ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
হিট ক্র্যাম্প
গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে
কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড়
এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না
খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ
এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।
হিট টিটানি
অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময়
হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই
ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই
সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই
ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।
হিট সিঙ্কোপ
মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে
অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়।
এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে
সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে
পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।
ঘামাচি
ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড়
সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই
ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে
ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি
নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আর ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ১২৯৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সোমবার (৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানানো হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৮৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৬৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে মোট ৬১ হাজার ৩০৪ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৬৫ হাজার ৭৬৮ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক দুই শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক আট শতাংশ নারী রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


প্রচণ্ড গরমে দেশব্যাপী জারি রয়েছে তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট
অ্যালার্ট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা
মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও এদিন ছিল
৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দাবদাহে দেশের বিভিন্ন
স্থানে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তীব্র দাবদাহের কারণে হিটস্ট্রোক বা
সানস্ট্রোকে সারা দেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই যখন অবস্থা, তখন গরমের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এদিন
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর
কোনোটিরই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল না।
এছাড়া ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে ২১ ডিগ্রি, বাহরাইনের রাজধানী মানামার
তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, ইরানের তেহরানে ২৬ ডিগ্রি, সিরিয়ার আলেপ্পোতে ২৫ ডিগ্রি,
তুরস্কের আঙ্কারায় ১১ ডিগ্রি, ইরাকের বসরাতে ৪০ ডিগ্রি, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে
২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সৌদির জেদ্দাতে ৩৩ ডিগ্রি, কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে ৩৬
ডিগ্রি, ওমানের মাস্কাটে ২৮ ডিগ্রি, ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ২৫ ডিগ্রি এবং
ইসরায়েলের তেলআবিবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াভিত্তিক অ্যাপ ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব
আমিরাতের আবুধাবিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জর্ডানের রাজধানী
আম্মানের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি, ইরাকের বাগদাদের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, লেবাননের
রাজধানী বৈরুতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, কাতারের দোহারে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি,
তুরস্কের ইস্তাম্বুলের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ
অন্য সময়ের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। এপ্রিলের পাশাপাশি এবার মে মাসও উষ্ণতম মাস হতে
যাচ্ছে। মে মাসে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে
দেশের আবহাওয়া বিভাগ।
একনজরে দেখে নিন হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো
প্রচণ্ড মাথাব্যথা : হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ
ছাড়া গরমে মানুষের মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে। এটি হিটস্ট্রোকের অন্যতম একটি
লক্ষণ হতে পারে।
বেশি তৃষ্ণা অনুভব ও অতিরিক্ত ঘামানো : হিটস্ট্রোকের আগে অনেক বেশি তৃষ্ণা অনুভব হবে, সেইসঙ্গে
ডিহাইড্রেটেড এবং আড়ষ্টতা অনুভব হতে পারে। শরীর নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অতিরিক্ত
ঘাম তৈরি করতে পারে।
হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।
শ্বাসকষ্ট : হিটস্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট এবং দ্রুত ও ভারী
শ্বাস-প্রশ্বাসও।
দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া : তীব্র গরমের কারণে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে। এতে শরীরে
ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হয়। ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এগুলো হিটস্ট্রোকের
লক্ষণ।
পেশিতে ব্যথা : হিটস্ট্রোকের আগ মুহূর্তে পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। যদিও
সাধারণ ব্যথা ভেবে অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।
কথা জড়িয়ে যাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়, তারমধ্যে একটি হলো কথা
জড়িয়ে যাওয়া। ব্যক্তি অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করতে পারে।
বমি বমি ভাব : মাথাব্যথা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন ও হাইপারভেন্টিলেশন থেকে অক্সিজেনের
অভাব ইত্যাদির কারণে হিটস্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব হতে পারে।
বিরক্তি-বিভ্রান্তি : মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকের আগে মানুষ বিরক্ত বোধ
করতে পারে, রাগান্বিত হতে পারে, অযৌক্তিক কথা বলতে পারে এবং এমনকি প্রলাপ বকতে
করতে পারে।
ঘাম না হওয়া : হিটস্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো প্রচণ্ড গরমেও ঘাম না হওয়া।
সাধারণত এর মানে হচ্ছে, শরীরে ঘাম হওয়ার মতো পানি আর নেই বা শরীরের প্রাকৃতিক শীতল
প্রক্রিয়াটি কাজ করছে না।
চিকিৎসকদের মতে, হিটস্ট্রোক এড়াতে শরীর হাইড্রেট রাখার কোনো বিকল্প
নেই। তাপমাত্রা বেশি হলে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের পোশাক পরে ঘরের বাইরে যেতে হবে।
সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে সানগ্লাস ব্যবহার করা। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ
পানি পান করতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় ১হাজার ৭৫৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২০ জুলাই বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১হাজার ৭৫৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৮৪৫ জন ও ঢাকার বাইরে ৯১০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১হাজার ৩৬১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৬৮৫ জন ও ঢাকার বাইরে ৬৭৬ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৮জন ও ঢাকার বাইরে ১জন।
এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১২১ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৪ জন।
চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৫৪৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১৭ হাজার ২৪৩ জন ও ঢাকার বাইরে ১০ হাজার ৩০৪ জন। এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৪৫৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩ হাজার ৬০০ জন ও ঢাকার বাইরে ৭ হাজার ৮৫৫ জন।
বর্তমানে সারা দেশে ৫ হাজার ৯৩৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ হাজার ৫২২ জন ও ঢাকার বাইরে ২হাজার ৪১৫ জন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক
মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনসকে (বিসিপিএস)
কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন।
(২৪ জুন) সোমবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড
সার্জনস (বিসিপিএস)-এর নির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ এর বিষয়টি নিয়ে
ব্রিফ করে ।
প্রেস সচিব জানান, বিসিপিএস এর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাতকালে বিসিপিএস-এর সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব
দেন। তিনি বিসিপিএস এর একাডেমিক কার্যক্রম ও ডিগ্রি প্রদানের সার্বিক প্রক্রিয়া রাষ্ট্রপতিকে
জানান।
বিসিপিএস এর কার্যকরী ভূমিকা রাখা নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসা মানুষের অন্যতম
মৌলিক অধিকার। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন উদ্ভাবনের ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞানেও
দ্রুত পরিবর্তন আসছে। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার
পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ারও তাগিদ দেন।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি
করা গেলে চিকিৎসা সেবার জন্য বিদেশমুখীতার প্রবণতা কমবে। পাশাপাশি মূল্যবান বৈদেশিক
মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। জনগণও কম খরচে উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে।
অধ্যাপক সহিদুল্লা জানান, বিসিপিএস থেকে ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৮১৫ জন চিকিৎসক ফেলাশিপ
(এফসিপিএস) এবং ৩ হাজার ৭৯১ জন চিকিৎসক মেম্বারশীপ (এমসিপিএস) লাভ করেছেন। বাঙালি জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৬ জুন রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে যুক্তরাজ্যের
রয়েল কলেজগুলোর আদলে বিসিপিএস প্রতিষ্ঠা করেন।
এই কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য
ভূমিকা রাখছে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গরুর মাংসের মুঠো কাবাব তৈরির করার জন্য আপনাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হবে না। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক গরুর মাংসের সুস্বাদু মুঠো কাবাব তৈরির রেসিপি-
** তৈরি করতে যা লাগবে
১. গরুর কিমা- আধা কেজি
২. গরম মসলা বাটা- ১ টেবিল চামচ
৩. লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
৪. সরিষার তেল- মাখানোর জন্য
৫. পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ
৬. ধনিয়া পাতা ও কাঁচা মরিচ কুচি- ২ টেবিল চামচ
৭.তেল- ভাজার জন্য
৮.আদা ও রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ।
** যেভাবে তৈরি করবেন
গরুর মাংসের কিমা ভালো করে ধুয়ে পানি ছেঁকে নিতে হবে। এবার তাতে সব বাটা মসলা, লবণ, সরিষার তেল, পেঁয়াজ, ধনিয়া পাতা ও কাঁচা মরিচ কুচি ব্লেন্ড করে ভালো করে মিশিয়ে নিবেন।
হাতের মুঠোয় নিয়ে চেপে চেপে মুঠো কাবাবের আকৃতি করে নিন। এরপর গরম তেলে ভেজে তুলুন। পছন্দের সস দিয়ে সুস্বাদু মুঠো কাবাব পরিবেশন করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
আদর্শ সদরে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কালির বাজার ইউনিয়নের কালির বাজার মডেল
হাসপাতালটি পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক
লিটন দেবনাথকে ক্লিনিকটিতে অবৈধভাবে ফার্মেসি, অপারেশন, রোগী ভর্তি, রক্ত সঞ্চালন,
অনুমোদন বিহীন রক্ত পরীক্ষা, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোন
চিকিৎসক বা নার্সের নিয়োগ না থাকা এবং নিজেই
চিকিৎসক সেজে রোগীদের প্রেসক্রিপশন প্যাডে চিকিৎসা প্রদান করার কারণে তৎক্ষণাৎ
তাকে গ্রেফতার করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মোবাইল
কোর্টটি পরিচালনা করেন, আদর্শ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
রোমেন শর্মা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউএইচএফপিও ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম, কুমিল্লা
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, মোঃ আমিরুল ইসলাম, (উপ-পুলিশ
পরিদর্শক) ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ি, জীবন চক্রবর্তী (হেলথ ইন্সপেক্টর), আবুল কালাম
আজাদ (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর)।
উপজেলা
স্বাস্থ্য অফিস, গ্রামীন কল্যাণ জাগুল ঝুলি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিদর্শনের আবেদনের
ভিত্তিতে পুনঃ পরিদর্শনে গিয়ে, সেখানে পরিচালিত ফার্মেসিটির নিবন্ধন না থাকায় তা বন্ধ
করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রোমেন শর্মা জানান, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। বড় রকমের কোন অসঙ্গতি পেলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হচ্ছে। আমরা আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিচ্ছি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, মানসম্মত
স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে, মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সকল আদেশ বাস্তবায়নে
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সদা প্রস্তুত। কুমিল্লার আদর্শ সদরে প্রতি মঙ্গলবার জনসাধারণের
স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি বিষয়ক অভিযোগ সমূহ উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসে সরাসরি দাখিল এবং
গন শুনানির ব্যবস্থা রয়েছে। বিধি মোতাবেক
সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং বেসরকারি পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের
লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত অভিযানসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে । এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে
বিনা মূল্যে সব সেবা ও বেসরকারি হাসপাতালে বিল গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার
(১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব ছাত্র-জনতা আহত
হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার
বহন করবে।
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
হতাহতের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে
একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে আগামীকাল
রবিবার বৈঠক করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অপরদিকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসা বিল গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে এসব
বেসরকারি হাসপাতালে চিকিংসাধীন ছাত্র-জনতার সব বিল সরকার বহন করবে বলে জানানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদে গরু, খাসির রান্নায় তেল-চর্বির কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও অনেক বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্রোগে যারা আক্রান্ত তাদের জন্য গরু-খাসির ফ্যাট অনেক ক্ষতি করে। রান্নার পরে ওপরে যে তেল টা ভাসতে থাকে সেটা ফেলে দিয়ে শুধু মাংসটুকু খেতে হবে।
কলিজা, মগজ এগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ। তরুণদের জন্য সমস্যা না হলেও বয়স্করা মগজ, কলিজা, হাড়ের মজ্জা এসব পরিহার করুন।
ঈদে অনেক বাসাতেই বিভিন্ন রকম কাবাব তৈরি করা হবে, কাবাবের একটা সুবিধা হচ্ছে ঝলসানোর কারণে রান্না মাংসের থেকে কাবাবে চর্বির পরিমাণ কমে যায়। তাই এক আধটু কাবাব খেতে পারেন। খেয়াল রাখবেন কাবাবের মাংস যেন আধাসিদ্ধ না থাকে, না হলে ফিতা কৃমির হওয়ার ভয় থেকে যায়।
ঈদের সময় খাবারে সবজির কোনো স্থান থাকবে না তাই সালাদের সাথে যোগ করতে পারেন অতিরিক্ত সবজি। খাবার পরে কোল্ড ড্রিঙ্কসের বদলে দই, বোরহানি, লাবাং, মাঠা ইত্যাদি পানীয় নিয়ে আসুন।
ঈদের সময়ে বদহজম আর কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ সমস্যা। বদহজম হলে অ্যান্টাসিড জাতীয় ট্যাবলেট খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ঘরে রাখুন ইসবগুলের ভুসি, প্রয়োজনে মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রচুর পানি পান করুন। কয়েক প্যাকেট ওরস্যালাইন হাতের কাছে রাখতে ভুলবেন না। অনেকের গরুর মাংসে অ্যালার্জি আছে, ঈদের সময় অ্যালার্জির ওষুধ সাথে রাখুন।
মন্তব্য করুন


দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘হিটস্ট্রোকে’
গত এক সপ্তাহে ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) তিনজনের মৃত্যু
হয়েছে হিটস্ট্রোকে।
এছাড়াও হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দেশের
বিভিন্ন হাসপাতালে আরও পাঁচজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৩০এপ্রিল) সকাল ৯টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি
অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এসব তথ্য জানায়।
কন্ট্রোল রুম জানায়, এ পর্যন্ত সারা
দেশে হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ ও দুজন নারী। হিটস্ট্রোকে নতুন
করে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাদারীপুর জেলায়। আরেকজনের মৃত্যু
হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে দুজন মাদারীপুরের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা,
খুলনা, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় একজন করে
মারা গেছেন।
উষ্ণতাজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় একটি
গাইডলাইন তৈরি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন