

চলতি বছরের এপ্রিলে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রায় ২ কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠাটির কাছ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিলের তুলনায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কম রাজস্ব পেয়েছে সরকার। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, এপ্রিলে পুঁজিবাজারে মোট ১৮ কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে। এই ১৮ দিনের মধ্যে ১২ কর্মদিবস উত্থান আর ৬ কর্মদিবস বাজারে পতন হয়েছে। সব মিলিয়ে মাসটিতে ১৮ লাখ ৭০ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) ধারী বিনিয়োগকারীরা ১০ হাজার ২৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৪ টাকার শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও বন্ড কেনা-বেচা করেছেন। সেখান থেকে কর বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা।
এর আগের বছর ২০২২ সালে এপ্রিল মাসে ১২ হাজার ১০৫ কোটি ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৬১২ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছিল। সেখান থেকে ২১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ২৯৯ টাকা রাজস্ব আয় অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৪৯২ টাকা রাজস্ব কমেছে। লেনদেন কম হওয়ায় সরকার পুঁজিবাজার থেকে রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে।
তবে এর মধ্যে ভালো খবরও রয়েছে। সেটি হলো- চলতি বছরের মার্চের মাসের তুলনায় এপ্রিলে লেনদেন বেড়েছে। আর লেনদেন বাড়ায় মার্চের তুলনায় ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার রাজস্ব বেশি পেয়েছে সরকার।
চলতি মার্চে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৪০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুায়ল ফান্ডের ইউনিটের। সেখান থেকে লেনদেনের ওপর কমিশন বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ২৯২ টাকা।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দুই ধরনের শেয়ার কেনাবেচা থেকে সরকার রাজস্ব আয় করে। প্রথমটি হলো- কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার কেনাবেচা থেকে রাজস্ব আয়। দ্বিতীয়টি হলো- বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচায় ব্রোকারেজ হাউজের ওপর আরোপিত কর।
ডিএসইর তথ্য মতে, দুই ধরনের করের মধ্যে প্রথমটি হলো- ৫৩ বিধি ধারা, এই ধারায় ডিএসইর স্টেক হোল্ডারদের অর্থাৎ ব্রোকার হাউজের প্রতিনিধিদের লেনদেনের ওপর দশমিক ০৫ শতাংশ কর। এ খাত থেকে এপ্রিলে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৫৩ টাকা। যা এর আগের বছরের একই মাসে ছিল ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৯২ হাজার ৫১৭ টাকা।
অন্যদিকে, বিএসইসি রুলস ৫৩-এম অনুসারে, স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার কেনাবেচা বাবদ লেনদেন ও শেয়ার হস্তান্তর থেকে ৫ শতাংশ হারে কর বাবদ রাজস্ব আয় হয়েছে ৯ কোটি ৬৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৪ টাকা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২ টাকা।
সব মিলিয়ে ডিএসই থেকে এপ্রিল মাসে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা। ডিএসই এই টাকা সরকারের কোষাগার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


রমজানে সিএনজি স্টেশনগুলো খোলা রাখার নতুন সময় পুনর্নিধারণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, ১২ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন। এছাড়া, ৭ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনগুলোকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রমজান মাসে বিদ্যুৎ চাহিদার দৈনিক পিক আওয়ারে গ্যাস বিতরণ নেটওয়ার্কে সম্ভাব্য স্বল্প-চাপ পরিস্থিতি নিরসনের লক্ষ্যে প্রথম রমজান থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত বর্তমানে সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধের সময়কাল সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত ১১টা পর্যন্ত পরিবর্তন করে বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়।
পাশাপাশি ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য ৭-১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে স্টেশনগুলো।
এছাড়া ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি সরবরাহের সুবিধার্থে ৭-১৮ এপ্রিল সিএনজি স্টেশনগুলো সার্বক্ষণিক খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি)
নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ।
সোমবার
সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।
সোমবার
(৩ মার্চ) বিকেলে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১২ কেজি সিলিন্ডারের
দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া
ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূল্য ১ টাকা ৩১ পয়সা কমিয়ে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা
হয়েছে।
এর
আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৮ টাকা নির্ধারণ
করা হয়। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৭ টাকা ৭৪ পয়সা।
প্রসঙ্গত,
২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ৪ দফা কমানো হয়েছিল এবং ৭ দফা বাড়ানো হয়েছিল।
এর
মধ্যে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বাড়ানো
হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে দাম কমানো হয়েছিল।
তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।
মন্তব্য করুন


মাংস ও মাংসজাত পণ্যকে নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে আনার প্রস্তাব আসতে পারে আসন্ন বাজেটে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া পণ্যটির দাম কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রস্তাব আসতে পারে।
এই পণ্যের উৎসে গড় অগ্রিম আয়কর ৫- ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হতে পারে আসছে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটে। কারণ, গড়ে ৫-৭ শতাংশ অগ্রিম আয়কর দেশের মাংস উৎপাদন ও সরবরাহকারী ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করছে।
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম মাংস ও মাংসজাত পণ্যের ওপর অগ্রিম আয়কর কমানোসহ এই পণ্য নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে আনার প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মাংস ও মাংসজাত পণ্যের ওপর অগ্রিম আয়কর কমানোর প্রস্তাব গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
• আরও পড়ুন : বিদেশ ভ্রমণে গুণতে হবে বাড়তি কর
সে কারণে বাজেটে মাংসের অগ্রিম কর কমানোর প্রস্তাবনা আসতে পারে। এনবিআর এবং অর্থ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে ঢাকা পোস্টকে বলেন, মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি মেটানোর জন্য অবশ্যই এ পণ্যকে নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি অবশ্যই বিবেচনায় আনা দরকার।
তারা বলেন, গরুর মাংস মুসলমানের অনেক পছন্দের খাবার। কয়েক বছরের মধ্যে এ পণ্যের দাম কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি কেজি ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০০ টাকা হয়েছে। মাংসের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এতে দেশের মানুষ আমিষের ঘাটতিতে পড়বে।
বিভিন্ন সূত্রে আরও জানা যায়, বাংলাদেশের গরুর মাংস যেখানে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, সেখানে পাকিস্তানে গরুর মাংসের দাম বর্তমানে ৬০০ রুপি যা বাংলাদেশের টাকায় ২৩০ টাকার সমান। অন্যদিকে ভারতে প্রতি কেজি মাংসের দাম ১৭৫ রুপি যা বাংলদেশি টাকায় হয় ২২৪ টাকার মতো। ভারতের কলকাতাতে ১৭৫ রুপি থেকে ১৮০ রুপির মধ্যে গরুর মাংস পাওয়া যাচ্ছে। ভারতে গরুর মাংসের দাম অন্যান্য দেশ থেকে অনেকটা কম।
কর্মকর্তারা আরও বলছেন, অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মূল্যস্ফীতিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর চিঠিতে বলা হয়েছে মাংস উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১০-১২ শতাংশ গ্রস মার্জিন দিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ফলে মাংস ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ নিট লাভ মার্জিন ১-৩ শতাংশের বেশি হওয়া সম্ভব হয় না। আয়কর অধ্যাদেশ অনুসারে মাংস ও মাংসজাত পণ্য সরবরাহের ওপর সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে কর কর্তন করা হয়ে থাকে; যা এই খাতের নীট মার্জিনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
• আরও পড়ুন : সাড়া দেয়নি কোনো পাচারকারীই, দেশে ফেরেনি এক পয়সাও
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর বিধি-১৬ এর ৫২ ধারার টেবিল-২- এ চাল, ডাল, গম, ময়দা, চিনি, তেল, আলু, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, পাট, সুতাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ২ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন আরোপিত রয়েছে। মাংস ও মাংসজাত পণ্যকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে একই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী। মন্ত্রীর ওই প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এনবিআর।
এর আগে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর দাবি করেছিল। সংস্থাটি বলেছে, শুল্ক-কর কমানো হলে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি। এ কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। তাই আগামী বাজেটে আমদানি ও স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি। সিপিডির পক্ষ থেকে আমদানি করা ২৮টি পণ্যের একটি তালিকাও এনবিআরকে দেওয়া হয়েছে।
সিপিডি যেসব পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব করেছিল তার মধ্যে রয়েছে- বিভিন্ন ধরনের হিমায়িত পশুর মাংস (গরু, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদি), মুরগি, মাছ (রুই, কাতলা, পাঙাশ, কার্প ইত্যাদি), ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, টমেটো, পেঁয়াজ, রসুন, খেজুর, দারুচিনি, গোলমরিচ (পিপার), ধনিয়া, আদা, হলুদ, ভুট্টা, চাল, পাম তেল ও লবণ।
অন্যদিকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির বিবেচনায় সরকার পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের কর ছাড় প্রত্যাহারেও উদ্যোগ নিয়েছে। এনবিআরের মতে হাঁস-মুরগি ও মাছ এখন আমদানি হয় না। তাই বিদেশি উৎপাদকদের সঙ্গে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এই দুটি খাতে কর অব্যাহতির প্রয়োজন নেই। বরং আমদানিতে কর ছাড় প্রত্যাহার হলে স্থানীয় শিল্পগুলো নিজেদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে বাধ্য হবে বলে মনে করে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২১ ট্রাকে সাড়ে ৩০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
আজকে আরও পেঁয়াজের ট্রাক প্রবেশ করতে পারে বলে জানিয়েছে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের কর্মকর্তারা।
সাতক্ষীরার আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক জানান, পেঁয়াজভর্তি আরও ট্রাক ভোমরা বন্দরের বিপরীতে ঘোজাডাঙ্গায় অবস্থান করছে যেকোন মুহূর্তে প্রবেশ করবে ট্রাক।
ভোমরা স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের সংগঠন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খাঁন জানান, প্রতি টন পেঁয়াজ ২২০ মার্কিন ডলার থেকে ২৫০ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং স্থানীয় মিলসমূহের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এনে
চিনির দাম প্রতিকেজি খোলা চিনি ৫ টাকা কমিয়ে ১৩০
টাকা এবং পরিশোধিত প্যাকেট চিনি ৫ টাকা কমিয়ে ১৪০ টাকা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
নতুন এই দাম কার্যকর
করা হবে সোমবার (১৪ আগস্ট) থেকে।
রোববার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স
অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়েছে, অপরিশোধিত চিনির আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলসমূহের
উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স এসোসিয়েশন পরিশোধিত চিনির
দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি কেজি পরিশোধিত প্যাকেট চিনি ১৪০ টাকা থেকে
৫ টাকা কমিয়ে ১৩৫ টাকা এবং প্রতি কেজি পরিশোধিত খোলা চিনি ১৩৫ টাকা থেকে ৫ টাকা
কমিয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলো।
মন্তব্য করুন


সোমবার (০৪ মার্চ) দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশনে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,রমজানে ঢাকায় সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ ও মাংস বিক্রি করবে সরকার। আগামী ১০ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত রাজধানীর ৩০টি জায়গায় তা পাওয়া যাবে।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, রমজান উপলক্ষে গরুর মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০ টাকা ও সলিড ব্রয়লার ২৮০ টাকায় বিক্রি করা হবে। এছাড়া ডিম বিক্রি হবে প্রতিটি ১০ টাকা ৫০ পয়সায়। এটাই হলো আমাদের একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। আগামী ১০ মার্চ সেটা উদ্বোধন করা হবে।
তবে এটা সারা দেশে করা হবে কিনা জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় ত্রিশটি জায়গায় এটা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সামর্থ্য অনুসারে এ ব্যাপারগুলো আরও বেশি জায়গায় প্রসারিত করার চেষ্টা করব। ঢাকার বাইরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার তাগিদ আছে। ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ, আপনারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করবেন না।
ইলিশ সংরক্ষণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জাটকা ধরার জায়গা থেকে মৎস্যজীবীদের সরিয়ে আনতে হবে। এটা বন্ধ হলে ইলিশ উৎপাদন বাড়বে। যতক্ষণ পর্যন্ত মাছটি নদীতে থাকতে পারবে, ততই এর বৃদ্ধি ঘটবে।জাটকা নিধন বন্ধে কিছুদিন ইলিশ ধরা বন্ধ রেখেছি। আগামী ১১ মার্চ থেকে এটা শুরু হবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে যারা মৎস্যজীবী আছেন, তাদের একটা সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে তাদেরকে রেশনিংয়ের মধ্যে নিয়ে আসার ব্যবস্থার কথা বলেছি। কারণ ওই সময়টায় তাদের যদি একটা প্রণোদনা দিই, তাহলে মাছ না ধরার কারণে তাদের ক্ষতি তারা পুষিয়ে নিতে পারবে।
মৎস্যমন্ত্রী বলেন, মাছ উৎপাদন, প্রাণিসম্পদে আমরা সন্তোষজনক অবস্থায় আছি। এটার প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের মাথায় আরও কিছু পরিকল্পনা আছে। আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে আছে, কারেন্ট জাল। এটা দিয়ে যত্রতত্র মাছ ধরা হয়। যেই মাছ থেকে মাছের বিস্তার হবে, সেটাও কারেন্ট জাল দিয়ে ধরা হয়। এ বিষয়টা আমরা ডিসিদের বলেছি। মাইকিং করে জালগুলো তুলে ফেলতে হবে। না করলে জেলাপ্রশাসকদের নেতৃত্ব আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে জালগুলো আটক করতে হবে।
মন্তব্য করুন


রপ্তানি বন্ধের নিষেধাজ্ঞার আগে সরকার ভারত থেকে আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের (এলসি) ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
দ্রুত পেঁয়াজ আনতে ভারতে বাংলাদেশ দূতবাসকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রোববার চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া দেশে যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটারিং করার জন্য সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। তবে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে সেখান থেকে বাংলাদেশে ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়। এখন এ পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগেই সেখান থেকে আমদানির জন্য ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের এলসি খোলা হয়। এ পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আমরা বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। কীভাবে বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়ানো যায়, সে চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে টিসিবির মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে পেঁয়াজ বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
দেশের সর্বত্র যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান বাণিজ্য সচিব।
দেশের মানুষ কষ্ট পায় এমন কিছু করা ঠিক হবে না উল্লেখ করে ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের এ জ্যেষ্ঠ সচিব ।
তিনি বলেন, ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো আর দেশে একদিনের ব্যবধানে পণ্যটির দাম হঠাৎ বেড়ে গেল, এটা ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ নয়।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম
সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো উন্নয়ন কাজ বন্ধ করেনি, করবেও না।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুইদিনের
বিশেষ সফরে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন,
অনেকেই মনে করেছিলেন কী না কী হয়, প্রকল্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে আমরা কোনো কাজ
বন্ধ করিনি। অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো প্রকল্প গ্রহণ করবে না। বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে যেসব পণ্য
আমদানি করে, তার মধ্যে থেকে ২০-৩০ শতাংশ পায়রা বন্দরের মাধ্যমে করা যায় কি না, সে বিষয়ে
পদক্ষেপ নিতে হবে। তা করতে পারলে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের চাপ কমবে। পায়রা সমুদ্র
বন্দরে যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে, সেগুলো নিজস্ব গতিতেই চলবে। এছাড়া বন্দরের সার্বিক
উন্নয়ন এবং অগ্রগতির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের অসংগতি থাকায় পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) আবেদন বাতিল করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে বিএসইসি।
তৈরি পোশাক খাতের কোম্পানি পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি ডিবিএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এটি তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য সুতা তৈরি করে। এটি ২০০৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে দিনে ৩৫ হাজার পিস কার্টুন সুতা উৎপাদন করে।
কোম্পানি এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে কিউআইওর মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে পাঁচ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য বিএসইসির কাছে আবেদন করেছিল। কোম্পানিটি কার্যকরী মূলধন এবং কিউআইওর খরচ মেটাতে তহবিল ব্যবহার করতে চেয়েছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোম্পানির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, চলতি বছরের জুনের পরে আবার কিউআইওর জন্য আবেদন করতে চান।
বিএসইসির তথ্যমতে, পার্কওয়ে প্যাকেজিং ২০২২ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য আর্থিক বিবৃতি জমা দিয়ে কিউআইও এর জন্য আবেদন করেছিল, তাও কোনো ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (DVS) নম্বর ছাড়াই। শুধু তাই নয়, আর্থিক প্রতিবেদনও যাচাই না করেই। তাই আবেদনে সম্মতি দেয়নি।
এছাড়া বিএসইসি দেখতে পেয়েছে যে, পার্কওয়ে প্যাকেজিং ব্যাংক থেকে ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ৩২ কোটি ৯ লাখ টাকা। এতে ব্যাংকে কোম্পানির মোট ৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা নগদ রয়েছে।
কোম্পানির তথ্যমতে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরে কোম্পানির গ্রস প্রফিট ১৪ দশমিক ২৩ শতাংশ থেকে ১৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়েছে। এতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ মুনাফা অতিরিক্ত দেখিয়েছে। পাশাপাশি কমিশনের পর্যবেক্ষণে এসে যে, তিন বছরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪৫ লাখ টাকা থেকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তারপরও কোম্পানিটি তার সম্পদ, ইক্যুইটি, অবমূল্যায়ন-অবমূল্যায়ন এবং প্রশাসনিক ব্যয়কে অতিমূল্যায়িত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমআই/এমজেইউ
মন্তব্য করুন