

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে যদি অল্প কিছু সংস্কার এবং নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়, তবে ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যদি রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে হয়তো আরও ছয় মাস অতিরিক্ত সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস।
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়ে তিনি বলেন, এই সরকারের মেয়াদে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোট প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা তৈরি করা জরুরি।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, যা এখন দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং জাতীয় সংহতি বিনষ্টের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি সবাইকে সচেতন থেকে জাতীয় ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির মুখে সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে কর্মচারীরা স্মারকলিপি দিতে গেলে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
সম্প্রতি সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর থেকেই এটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবারও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অধ্যাদেশকে কালো আইন উল্লেখ করে তারা এটি বাতিলে স্লোগান দেন। এসময় অধ্যাদেশটি জারির আগেও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কর্মপরিবেশের কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি মন্তব্য করে ঐক্য ফোরাম নেতারা বলেন, এই আইনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।
আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা না থাকায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তারা জানান, কর্মচারীদের সঙ্গে এ ধরনের বিমাতাসুলভ আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এসময় ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন ঐক্য ফোরামের কো চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম এবং বাদিউল কবীর।
পরে অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা জানায়, অধ্যাদেশটির সার্বিক দিক পরিচালনার জন্য সচিবদের একটি কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৯ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
২০০৭ সালের ২৭ মে যৌথবাহিনী বাবরকে আটক করে। গ্রেপ্তারের সাত দিন পর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল লাইসেন্সবিহীন রিভলবার রাখার অভিযোগে তাকে ১৭ বছরের সাজা দেন। তবে হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারিক আদালতের এই সাজা অবৈধ ছিল।
আদালতে বাবরের পক্ষে আইনজীবীরা যুক্তি তুলে ধরে বলেন, যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তারের সাত দিন পর এই মামলা উদ্দেশ্যমূলকভাবে দায়ের করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল যে একটি লাল-কালো ব্যাগ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জব্দকৃত তালিকায় সেই ব্যাগের কোনো উল্লেখ ছিল না। এই অসঙ্গতির ভিত্তিতে হাইকোর্ট বাবরকে খালাস দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর মুক্তি পেয়েছেন ১৬৮ জন বিডিআর সদস্য। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৪১ জন, কাশিমপুর-১ কারাগার থেকে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে ৮৯ জন এবং কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে ১২ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ আসামির নাম প্রকাশ করেন। তাদের মধ্য থেকে ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েই মুক্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে কারাকর্তৃপক্ষ।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটে যায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা। বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়।
হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। সেই রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২৭৮ জন খালাস পান।
২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। একই সঙ্গে ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন সাজা এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৮৩ জন আসামি খালাস পান।
বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণে মনোযোগ দেওয়ার কারণে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
এদিকে, হাইকোর্টের রায়ের আগে ৫৪ জন আসামির মৃত্যু ঘটে। হত্যা মামলায় দণ্ডিতদের মধ্যে ২২৬ জন আপিল করেছেন। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ ৮৩ জন আসামির খালাস ও সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে শহিদ পরিবারের সদস্যরা গত ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার আল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করে। তাদের ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ১৬৮ বিডিআর সদস্যের মুক্তি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এই ঘটনা পিলখানা বিদ্রোহের ক্ষত আবারও উন্মোচন করেছে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালানো প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, “ডেভিল যতদিন শেষ না হবে, ততদিন পর্যন্ত অপারেশন চলবে।”
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের নতুন মৃত্তিকা ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, “গাজীপুরে যারা ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের অনেককেই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের টার্গেট করে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চলবে।”
গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নড়েচড়ে বসে। এরপরই ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযান শুরু করা হয়। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই যৌথ বাহিনী সাড়াশি অভিযান শুরু করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টহল জোরদার করা হয়।
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ৪০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার চৌধুরী যাবের সাদেক।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের অপরাধ দেশবাসীর জানা রয়েছে।”
মন্তব্য করুন


এখন থেকে সারা দেশের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের হাতে থাকবে বলে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা নিয়ে পঞ্চদশ সংশোধনী ও চতুর্থ সংশোধনীর বিধান বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়াও আগামী তিন মাসের মধ্যে আলাদা সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর আগে সকালে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের রায় ঘোষণা শুরু হয়।
১৩ আগস্ট বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে এ বিষয়ে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করা হয়েছিল।
ওইদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।
২৩ এপ্রিল বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।
গত ২০ এপ্রিল বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
এর আগে মামলাটি বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি ও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। তবে গত ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সেই বেঞ্চটি ভেঙে যায়। এরপর সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য নতুন বেঞ্চ নির্ধারণের আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তিনি গত বছরের ২৫ আগস্ট ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মূল সংবিধানের ১৯৭২ সালের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। পরে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চান– বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।
বর্তমানে প্রযোজ্য (সংশোধিত) সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে। কিন্তু ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, ‘বিচারকর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্বে নিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকবে।
বিদ্যমান সংবিধানের অনুযায়ী বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাবিধির ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব রয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামের একহন মাটি কাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
তিনি লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল- লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলার মুন্সীরহাট ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা। এসময় আহত হয়েছেন আরেক শ্রমিক একই এলাকার মজিবুর রহমান।
আহত মজিবুর রহমান জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ করছিলাম আমরা ১০/১২ জন শ্রমিক। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থেমে থেমে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারুল হকের মৃত্যু হয়। আমাদের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার মধ্যে আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ মজিবুর রহমান নামের আরেক জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। সময়মতো দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় তিনি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানায়। লন্ডনের বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া নির্বাচন নিয়ে সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান আমীর খসরু।
এর আগে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো ডায়াস ফেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির তিন সদস্যদের প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
বৈঠকে দু’দেশের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রোববার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আয়োজিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক কোনো দলের বিশেষ সুবিধা নেওয়া ও নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী ভাববেন না। মনে রাখবেন পেশি শক্তি কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। আপনাদের সব কাজ জনস্বার্থ ও আইন দ্বাড়া পরিচালিত হয়।
রাজনৈতিক দলের নেতাদের তোষামোদ করতে বারণ করে তিনি বলেন, আপনারা রাজনৈতিক দল থেকে দূরে থাকবেন। আমি বারবার আপনাদের বলছি, আপনারা এখন যদি তেল দেওয়া শুরু করে দেন তাহলে আপনাদের তেল কিন্তু নির্বাচনের পর শেষ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, অতএব এখন যার কাছে যে তেলটা আছে রিজার্ভ করে রাখবেন। পরে কিন্তু তেলটা কাজে লাগাতে পারবেন। এজন্য আপনারা কোনো দলের দিকে যাবেন না। আপনারা একেবারে জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা এটা পূরণ করার জন্য আপনারা চেষ্টা করবেন।
মন্তব্য করুন


নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির কিংস পার্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নতুন রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ধারার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে শুধু নতুন দল গঠন করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, ব্যাপারটি এমন নয়। আমাদের জাতিগতভাবে পরিবর্তন হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের সমালোচনা থাকাটা স্বাভাবিক, না থাকাটাই অস্বাভাবিক। অন্তর্বর্তী সরকারের সরাসরি রাজনীতি করার আকাঙ্ক্ষা আমরা দেখি না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন দরকার।’
যে শক্তি দেশের জন্য ইতিবাচকভাবে কাজ করবে, তাদের সবাইকে শুভকামনা জানান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
মন্তব্য করুন


ঈদুল আজহা সামনে রেখে শ্রমিকদের পাওয়া পরিশোদের জন্য চলতি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত মালিকদের সময় দিয়েছে সরকার। এই সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের দেনা-পাওনা পরিশোধ না করলে যেসব মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
উপদেষ্টা জানান, ঈদ সামনে রেখে শ্রমিকের পাওনা ২৮ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। ঈদ সামনে রেখে শ্রমিকের পাওনা ২৮ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
যেসব মালিকের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে তারা বিদেশে থাকলে রেড অ্যালার্ট জারি করতে বলেছি।
বুধবার (২১ মে) সকালে সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে শৃঙ্খলা ও নিরাপদ যাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভা করেন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। সভা শেষে গণমাধ্যমে এসব কথা জানান তিনি।
বেতন পরিশোধ না করলে মালিকরা দেশের বাইরে তো দূরের কথা ঢাকার বাইরে যেতে পারবে না জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন না দেওয়ায় পাঁচজন মালিকের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা হয়েছে। আরো অনেকের বিরুদ্ধে হবে। হয় পাওনা শোধ করতে হবে, অন্যথায় জেলে যেতে হবে।
ঈদে নৌপথের নিরাপত্তায় লঞ্চে অস্ত্রধারী চার জন করে আনসার থাকবে, বাল্কহেড ঈদের আগে ও পরে তিনদিন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন