

ডেস্ক রিপোর্টঃ
১৭ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি বের হন।
আবদুস সালাম পিন্টুর কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএনপির মিডিয়া সেল।
বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির মিডিয়া সেল জানায়, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ১৭ বছর কারাগারে বন্দি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু।
অবশেষে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
পোস্টে বেশ কিছু ছবিও দেয়া হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে, নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন পিন্টু। এসময় ছাদ খোলা গাড়িতে মাথা বের করে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


উপকূলীয় অঞ্চলের সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বঙ্গোপসাগরে জরিপ চালিয়ে মৎস্য আহরণের সঠিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। আর এজন্য বাড়াতে হবে গবেষণা।
আজ সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মাছ আমাদের জন্য প্রকৃতির উপহার, আল্লাহর দান। কিন্তু প্রকৃতির উপর আমরা নির্মম, নির্দয়। আমরা প্রকৃতির উপর এতো নির্দয় যে, এভাবে চললে মাছ একদিন কপাল থেকে উঠে যাবে। আমরা নদী শাসনের কথা বলছি, নদী পালনের কথা বলছি না। এতে আরও ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা আছে। কিন্তু আমরা তা এখনও পুরোপুরি আহরণ করতে পারিনি। আমাদের এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। সামুদ্রিক মৎস্যের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। মাছের সম্ভাবনা প্রচুর, আবার দুর্ভাবনাও প্রচুর। প্রকৃতির প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অবৈধ জাল ব্যবহার করে মৎস্যহরণ খুব উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নদীতে সব ধরনের বর্জ্য ফেলে পানিকেও নষ্ট করছি আমরা। জলাশয় দূষণ ও ফসল উৎপাদনে নিষিদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার করছি। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মৎস্য উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে টেকসই পদ্ধতি আবিষ্কার করতে হবে।
অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মাছের রপ্তানি বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নিতে হবে এজন্য সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক ও তিনটি নোট বিনিময় করেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও নোট বিনিময় হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যেসব বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি বিষয়ক সহযোগিতা, ব্যবসায়িক কাউন্সিল গঠন (এফবিসিসিআই ও এনসিসিআইএম), বিএমসিসিআই ও মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান এমআইএমওএসের মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আইএসআইএস) মধ্যে সহযোগিতা সংক্রান্ত।
এর আগে সকাল ৯টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। সেখানে ড. ইউনূসকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
গার্ড অব অনার প্রদান শেষে আনোয়ার ইব্রাহিম তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পরে ড. ইউনূস প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী কর্তৃত্ববাদী সরকার নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে এখন বেসামাল হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, অবৈধ শাসকগোষ্ঠী বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নানা কায়দায় জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে দেশের মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত রাখতে নিষ্ঠুর পথ অবলম্বন করছে।
বৃহস্পতিবার ( ১৮ মে) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, জেলা সমাবেশকে বানচাল করার লক্ষ্যে আওয়ামী সরকারের মদদে জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলাধীন বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনও মামলা ছাড়াই বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার এবং বাড়িতে বাড়িতে ব্যাপক তল্লাশি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, গতকাল ১৭ মে রাতে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৯নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ৮নং ফুলকোচা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, ২নং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল, সাবেক ছাত্রনেতা ও শেরপুর জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. কামাল হোসেনকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে বাড়িতে বাড়িতে ব্যাপক পুলিশি তল্লাশি চালানো হয়। তার আগে শেরপুর জেলায় জেলা সমাবেশের প্রস্তুতি সভার আগের রাতে ১১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।
জেলাগুলোতে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশকে বানচাল করার লক্ষ্যে জনবিচ্ছিন্ন সরকার এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত করছে বলেও দাবি করেন মির্জা ফখরুল।
মন্তব্য করুন


অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক গাড়িচালক আব্দুল মালেককে পৃথক দুটি ধারায় ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৩ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক জাকারিয়া হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন আদালত।
২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি আব্দুল মালেক দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৯৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪৮ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া, তিনি তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে এক কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ৮১০ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখল করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এর আগে, ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও জাল টাকাসহ র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন মালেক। তার বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ আদালত তাকে উভয় ধারায় ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।
এদিকে, আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে দুদকের আরেকটি মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৬ এপ্রিল তারিখ ধার্য করেছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক জাকারিয়া হোসেন।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে, সারা বিশ্বের কাছে এটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর তিনি এক ভাষণে এ কথা বলেন।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫–এ স্বাক্ষর করেন তারা। এর আগে বিকাল চারটা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতে শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত হয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে আগেই জানিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা এখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করবে না।
মন্তব্য করুন


আগামী বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত পাঠাতে পারবো কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৭ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না আগামী বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত পাঠাতে পারব কিনা, আমাদের চাপ সৃষ্টি করে যেতে হবে যাতে তারা স্বেচ্ছায়, পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়।
তিনি জানান, বার্মিজ সামরিক জান্তাকে খুশি করার জন্য তথাকথিত ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’র ঘনিষ্ঠ চাটুকার ও কিছু কূটনীতিক রোহিঙ্গাদের জন্য এক নতুন নাম তৈরি করেছিলেন- FDMN, অর্থাৎ 'জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক'। এই শব্দটি আসলে বার্মিজ গণহত্যার মূল আখ্যানকে মেনে নেয়ার একটি কৌশল, যেখানে রোহিঙ্গাদের অস্তিত্বই অস্বীকার করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রোহিঙ্গারা কোনো 'FDMN' নয়- তারা শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাস, শিল্প ও সংস্কৃতির ধারক একটি জাতি। 'FDMN' শব্দটি ব্যবহার করে তাদের প্রকৃত পরিচয়, সম্মান ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, চীনের কুনমিং শহরে এবং ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমসটেক (BIMSTEC) শীর্ষ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গে আলোচনা করে, তখন তারা দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়নের শিকার জনগোষ্ঠীকে তাদের প্রকৃত পরিচয়ে পরিচিত করে ‘রোহিঙ্গা’ হিসেবে। জান্তার কর্মকর্তারাও শেষমেশ এই পরিচয় স্বীকার করতে বাধ্য হন। আমাদের সঙ্গে বৈঠকে তারাও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। (আমি নিজে ওই দুটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম)
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না যে আগামী বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত পাঠাতে পারব কিনা। বিশেষ করে রাখাইনে আরাকান আর্মির (এএ) দখল প্রক্রিয়ার ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তবে গত কয়েকদিনে যেটা দেখেছি, তা আমাদের নেতৃত্ব এবং শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকদের এক সাহসী ও দৃঢ় অবস্থান। মিয়ানমার জান্তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে। এখন দরকার টানা কূটনৈতিক চাপ বজায় রাখা, যাতে তারা রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তার সঙ্গে ফিরিয়ে নেয়।
মন্তব্য করুন


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা প্রদানের যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, তা খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেসুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (আজ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
সচিব ড. মোখলেসুর রহমান বলেন, “মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তবে আমি এই কমিটির একজন সদস্য। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দুইটি বৈঠক হয়েছে। আশা করছি, মহার্ঘ ভাতা খুব শিগগিরই কার্যকর হবে। তবে এবার কিছু পরিবর্তন আসছে। আগে পেনশনভোগীরা মহার্ঘ ভাতা পেতেন না, এবার তারাও এ সুবিধা পাবেন। তারা একটি যৌক্তিক পরিমাণ ভাতা পাবেন। আগামী বছর ইনক্রিমেন্টের সময় এই ভাতা মূল বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।”
এই অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত, এই বাজেটের মধ্যেই এটি কার্যকর হবে। ৩০ জুনের আগেই এটি বাস্তবায়িত হবে, ইনশাআল্লাহ।”
মহার্ঘ ভাতার হার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বলা ঠিক হবে না। অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থসচিব এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দিতে পারবেন।”
ভাতা কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আরও যোগ করেন, “কোনো নির্দিষ্ট তারিখ অনুমান করা সঠিক হবে না। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সঠিকভাবে জানাবেন।”
মন্তব্য করুন


দেশের পরিস্থিতি একদম স্থিতিশীল আছে। শুধু সরকার বলেছে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন এমন নয়, সব রাজনৈতিক দলও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পক্ষে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ আছে বলে মনে করি না। সংস্কার, বিচার চলমান প্রক্রিয়া। বিচার নিজস্ব গতিতে চলছে। বিচার কীভাবে চলছে সেটি সবাই দেখতে পাচ্ছে। বিচারের ক্ষেত্রে সরকার তার অঙ্গীকার দেখিয়েছে। যখন দেখেছি একটি ট্রাইব্যুনালের ওপর চাপ বেশি হয়ে যায়, তখন আরেকটি ট্রাইব্যুনাল বাড়ানো হয়েছে। বিচারকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিচার অবশ্যই চায় এবং অবশ্যই সুবিচার নিশ্চিত করতে চায়। সেজন্য যে পদ্ধতি করা প্রয়োজন সেটি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত হয়নি কথাটা ঠিক নয়। অনেক বড় বড় বিষয়ে ঐক্যমত হয়েছে। সংস্কারকেন্দ্রিক যেসব বিষয়ে ঐক্যমত, সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বাস্তবায়নের বিভিন্ন অপশন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দু’একটি অপশনে রাজনৈতিক দলগুলো বেশি সমর্থন দিচ্ছে। রাজনৈতিক পদ্ধতিতে কিছু প্রশ্নের সমাধান চাইলে সেখানে আপস-ডাউন থাকবেই। সবাই আলোচনায় বসছেন, মতামত দিচ্ছেন। পরিবর্তন কীভাবে হবে সেটি নিয়ে রাজনৈতিক ডিবেট থাকবেই। তবে সেটি নিয়ে আশঙ্কিত- আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সংস্কার চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়, চাপিয়ে দিলে কোনো কিছু টেকসই হবে না। চাপিয়ে না দিয়ে যেটুকু সবাই একমত হবে করতে চাইবেন সেদিকেই যাবো। রাজনৈতিক আলোচনায় তাপ-উত্তাপ থাকবেই, একমত থাকবে; সবই স্বাভাবিক। সরকার আগে থেকে বলতে পারবে না কখন বিচারের রায় হবে। শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এটি বলা যাবে।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সরকার প্রথম থেকেই বলছে স্বচ্ছ নির্বাচন চায়। জনগণ যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, সে নির্বাচন চায়। জনগণের অংশগ্রহণের পথে যেন কোনো কিছু কোনো অন্তরায় না হয়, সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করছে সরকার। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ করা না করার বিষয়টি আইনি হতে পারে। অংশগ্রহণ করা না করার বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী মীমাংসিত হবে।
সম্প্রতি উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট নিয়ে কথা বলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ বিষয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, নাহিদ ইসলাম কেন কোন কথা বললেন কিংবা যে নাম এবং আলোচনার বিষয় প্রকাশ করেননি, সেটি নিয়ে কেমন করে মন্তব্য করবো। খোলা চোখে দেখতে পাই, সব রাজনৈতিক দলের মতো নবগঠিত রাজনৈতিক দলের সাথেও সরকারের ভালো একটি ওয়ার্কিং রিলেশনশিপ আছে। অভিমান থেকে নাকি আসলে কোনো একটি ব্যাপারে অভিযোগ আছে, সেটি তাকেই পরিষ্কার করতে হবে। ওনি যদি কখনও পরিস্কার করেন, তখন সরকারের বক্তব্য নিয়ে কথা আসে। তার আগে তো সরকারের বক্তব্যের কোনো সুযোগ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন করবে নাকি ছোট আকারে নির্বাচনকালীন সরকার হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোনো কথা শোনেননি। এই অন্তর্বর্তী সরকারই নির্বাচন করবে। এখন পর্যন্ত এটাই অবস্থান। অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা নানা বিষয়ে নানা কথা বলছেন। এটাই বলা তাদের অধিকার, এটাই গণতান্ত্রিক চর্চা। প্রতিটি বিষয় নিয়ে যদি প্রতিক্রিয়া দেখাই কিংবা চিন্তা করি তাহলে মন্ত্রণালয় কখন চালাবো? যখম কোনো বিষয় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হবে তখন অবশ্যই সরকার সে নিয়ে কথা বলবে, কাজ করবে। অনানুষ্ঠানিক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তো সরকারের কিছু বলা সম্ভব না।
উপদেষ্টা বলেন, সেফ এক্সিট নিয়ে তাকে (নাহিদ) তার বক্তব্যের প্রমাণ দিতে হবে। তার বক্তব্য আমার প্রমাণ করা কিংবা খণ্ডানোর বিষয় না। বক্তব্যটা স্পেসিফিক হলে হয়তো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কথা বলা হতো। হয়তো তাদের ধারণা, তারা মনে করে, তাদের বক্তব্য হিসেবে বলেছে। এখানে সরকারের অবস্থান নেয়ার কিংবা বক্তব্য দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি কোনো এক্সিট খুঁজছি না। আগেও অনেক ঝড়ঝাপ্টা এসেছে। সব প্রতিহত করে দেশে থেকেছি বাকিটা জীবনও দেশেই কাটিয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন


পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলমের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তাদের মধ্যে এ সাক্ষাৎ করেছেন।
পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ সংস্কার ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশকে সহায়তাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত দেশের চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচনকালীন সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আইজিপি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ সদস্যদের নিবিড় ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি নির্বাচনী শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ গৃহীত সার্বিক প্রস্তুতির বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের নিরাপত্তা প্রদানে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোকপাত করেন এবং পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০০ পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ সময় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকগণ বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারি ও নিরাপত্তা প্রটোকল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা লাভ করবেন।
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কয়েকদিনের মধ্যেই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় কৃষিসচিব এ তথ্য জানান।
সচিব বলেন, কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের বাজার সবসময় মনিটর করছি। এই মুহূর্তে বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেশি। কয়েকদিনের মধ্যেই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবীন্দ্রশী বড়ুয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্ৰ বিশ্বাস, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ অধিশাখার উপসচিব মুনসুর আলম খান প্রমুখ।
সভায় পেঁয়াজের উৎপাদন, চাহিদা ও আমদানির তথ্য তুলে ধরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত দুই বছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ১০ লাখ টনেরও বেশি। এ বছর দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টনের বেশি। আর বর্তমানে মজুদ রয়েছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টন।
মন্তব্য করুন