

দেশে চলতি আগস্ট মাসের ১২ দিনে (১ থেকে ১২ আগস্ট) এক বিলিয়ন ডলারের (১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার) বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১২ হাজার ৮৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগস্ট মাসের ১২ দিনে ১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে (২০২৪ সালের আগস্টের প্রথম ১২ দিন) দেশে এসেছিল ৭২ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। এ হিসাবে চলতি বছর আলোচ্য সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ৬৩ কোটি টাকা বেশি এসেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। তবে জুলাই মাসে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি খাতে কমিউনিটি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক এবং বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল বছরের রেকর্ড পরিমাণ। পুরো অর্থবছর (২০২৪-২৫) জুড়ে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই মাসে আসে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি ডলার, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে আসে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি ডলার। পরবর্তী মাস অক্টোরে আসে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। এরপর জানুয়ারি মাসে আসে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চ মাসে আসে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার, মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুনে আসে ২৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ। এ লক্ষ্যে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
৭৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে ৫০ টন করে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়ে পাওয়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্ত সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নামের নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।
রপ্তানির শর্তে বলা হয়, রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এর বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানির অনুমতি পাওয়া পণ্যের কায়িক পরীক্ষা যথাযথভাবে করতে হবে, প্রতিটি কনসাইনমেন্ট জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র ই-মেইল করতে হবে এবং অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না।
প্রতিটি পণ্যচালান রপ্তানিকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষ এসোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম পরীক্ষা করে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানি না করার বিষয়টি নিশ্চিত হবেন, এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।
এতে আরও বলা হয়, সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ইলিশ মাছ রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ব্যতীত সাব কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটিতে ৯টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৪টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৩টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের ১টি প্রস্তাব রয়েছে। অনুমোদিত ৯টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৯৬ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৬ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৩৮ কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৬ টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বৈদেশিক ঋণ ১ হাজার ৩৪৯ কোটি ৫৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৮০ টাকা।
মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ২টার সময় ক্রয় কমিটির বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন।
অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো হচ্ছে
প্রস্তাবনা- ১ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১২ হাজার ৫০০ (+৫%) মেট্রিক টন চিনি Accentuate Technology Inc., USA (Local Agent: OMC Ltd., Dhaka)-এর নিকট থেকে ৬৬ কোটি ২৭ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ২ স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ‘বাংলাদেশের ২৩টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োজিত Joint Venture of (১) Ranhill; (২) Farhat এবং (৩) DDC-কে ভেরিয়েশন বাবদ অতিরিক্ত ১১ কোটি ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৬ টাকা ব্যয় বৃদ্ধির ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৩ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেড-এর জন্য ১০ হাজার মেট্রিক টন (+১০%) ফসফরিক এসিড মেসার্স সান ইন্টারন্যাশনাল এফজেডই, ইউএই (স্থানীয় এজেন্ট: মেসার্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনপুট, ঢাকা) হতে ৬০ কোটি ৯৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৪ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশের নিকট থেকে ১৭তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১২০ কোটি ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৭৫০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৫ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক SABIC Agri-nutrients Company, সৌদি আরব থেকে ২২তম লটে ৩০ হাজার মে.টন (১০%+) বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৬ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার ১৮০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৬ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় MA’ADEN, সৌদিআরব হতে ৩য় লটে ৪০ হাজার মে.টন ডিএপি সার ২২৯ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬০০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৭ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর OCP, S.A হতে ২য় লটে ৩০ হাজার মে.টন টিএসপি সার ১২৬ কোটি ৫৭ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৮ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর OCP, S.A হতে ৩য় লটে ৪০ হাজার মে.টন ডিএপি সার ২৩৩ কোটি ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ২০০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনা- ৯ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় Canadian Commercial Corporation হতে ৪র্থ লটে ৫০ হাজার মে.টন মিউরেট-অব-পটাশ (এমওপি) সার ২২৫ কোটি ২৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া ৬০ হাজার ৮০২ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই গমবাহী জাহাজটি এসেছে।
চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে। এর মধ্যে প্রথম চালান হিসেবে ২৫ অক্টোবর ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম দেশে এসেছে।
জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নমুনা পরীক্ষার পর দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


দেশে চলতি আগস্ট মাসের ১২ দিনে (১ থেকে ১২ আগস্ট) এক বিলিয়ন ডলারের (১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার) বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১২ হাজার ৮৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগস্ট মাসের ১২ দিনে ১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে (২০২৪ সালের আগস্টের প্রথম ১২ দিন) দেশে এসেছিল ৭২ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। এ হিসাবে চলতি বছর আলোচ্য সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ৬৩ কোটি টাকা বেশি এসেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। তবে জুলাই মাসে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি খাতে কমিউনিটি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক এবং বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল বছরের রেকর্ড পরিমাণ। পুরো অর্থবছর (২০২৪-২৫) জুড়ে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই মাসে আসে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি ডলার, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে আসে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি ডলার। পরবর্তী মাস অক্টোরে আসে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। এরপর জানুয়ারি মাসে আসে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চ মাসে আসে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার, মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুনে আসে ২৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।
মন্তব্য করুন


ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচ্যুইটি সুবিধা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির মতে, চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কোনো প্রভিডেন্ড ফান্ড সৃষ্টির প্রয়োজন নেই। পাবেন না গ্রাচ্যুইটি সুবিধাও। কারণ এই দুই সুবিধা নিতে অনিয়মের আশ্রয় নিচ্ছেন ব্যাংকাররা।
সোমবার (১৫ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
এতে বলা হয়, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা, সুশাসন এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী এবং অধস্তন অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বয়সসীমার অসমতা দূরীকরণার্থে চুক্তিভিত্তিক নিযুক্ত কর্মীর বয়সসীমা ৬৫ (পঁয়ষট্টি) বছর নির্ধারণ করা হয়।
ওই সার্কুলারের মাধ্যমে বেসরকারি ব্যাংকের নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবসর গ্রহণের বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য অবসর গ্রহণের বয়সসীমার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বীয় ব্যাংকের অবসর গ্রহণের বয়স সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করবে মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এক্ষেত্রে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, কতিপয় ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়মিত চাকরির মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের মধ্য থেকে কোনো কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে চুক্তিভিত্তিক নিযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের নিয়মিত চাকরিকালীন জমা করার আগের প্রভিডেন্ড ফান্ডের ওপর সুদ হিসাবায়ন অব্যাহত রাখা হয়েছে। তাছাড়া চুক্তিভিত্তিক সময়কেও নিয়মিত চাকরির সময়ের সঙ্গে যোগ করে সর্বমোট চাকরির মেয়াদ গণনাপূর্বক তার ভিত্তিতে প্রাপ্ত সর্বশেষ বেতনের অর্থকে ভিত্তি ধরে গ্রাচ্যুইটি বাবদ অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে; যা বিধি অনুযায়ী কোনোভাবেই প্রাপ্য নয়।
এই প্রেক্ষাপটে ব্যাংক খাতে অধিকতর শৃঙ্খলা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংকে কর্মরত নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের নিয়মিত চাকরিকাল সমাপ্ত করার পর ব্যাংকের অত্যাবশ্যক প্রয়োজনে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিযুক্তির ক্ষেত্রে প্রভিডেন্ড ফান্ড এবং গ্রাচ্যুইটি বাবদ প্রাপ্যতা নির্ধারণে এখন থেকে নিম্নোক্ত নীতিমালা অনুসরণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
(ক) ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়মিত চাকরিকাল সমাপ্ত হওয়ার পর চূড়ান্ত অবসরের সময় বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণপূর্বক প্রভিডেন্ড ফান্ড এবং গ্র্যাচুইটি বাবদ প্রাপ্য অর্থ সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে।
(খ) চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য কোনো প্রভিডেন্ড ফান্ড সৃষ্টির প্রয়োজন নেই এবং তারা এরূপ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।
(গ) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী নতুন করে কোনো গ্র্যাচুইটি সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।
ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ২০ শতাংশ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার জন্য সরকারের সব মহল থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সে আলোচনা এখনো চলমান। চূড়ান্ত চুক্তির আগে সেটা হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, আশা করছি শুল্ক কমতে পারে। তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। কারণ যারা আরোপ করেছেন (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের ওপর বিষয়টি বেশি নির্ভর করে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কোনো তারিখ এখনো পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের হার ২০ শতাংশের ঘোষণা এলেও দেশটির সঙ্গে এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। চুক্তি এ মাসের শেষে হতে পারে। চুক্তির খসড়া তৈরির কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর)।
মন্তব্য করুন


ভোজ্যতেলের (সয়াবিন তেল) বাজারে কয়েকদিন ধরে চলা ‘অস্থির’ অবস্থার মধ্যেই বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন এবং পাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন এবং পাম তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে কত বাড়ানো হয়েছে তা ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হবে।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের অজুহাতে ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে তোড়জোড় শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্যবসায়ীরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি থাকলেও বাংলাদেশে তার প্রভাব সব সময় উল্টোভাবে পড়ে। এতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে ৯৮ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা দেশিয় মুদ্রায় ১২ হাজার ২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকা)।
রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অক্টোবরেও প্রবাসী আয়ের উচ্চ ধারা অব্যাহত রয়েছে।
অক্টোবরের ১১ দিনে প্রতিদিন প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৮২ হাজার ৭২৭ ডলার। আগের বছরের অক্টোবরে প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছিল ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৩৬ হাজার ডলার। আর আগের মাস সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ৮ কোটি ৯৫ লাখ ২৯ হাজার ৩৩৩ মার্কিন ডলার।
প্রবাসীদের পাঠানো ১১ দিনের প্রবাসী আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যেমে এসেছে ২০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার; রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ডরার; বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৮ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর বাংলাদেশে ব্যবসারত বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। জুলাই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৪০৩ থেকে ৩৯ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমেছে অটোগ্যাসের দামও। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম এক টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন মাসে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা ছিল।
আজ বুধবার নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। নতুন এ দাম আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজির বোতলজাত এলপিজির দাম ৬২৫ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম এক হাজার ৪২১, ১৫ কেজির দাম এক হাজার ৭০৫, ১৬ কেজির দাম এক হাজার ৮১৮, ১৮ কেজির দাম দুই হাজার ৪৬, ২০ কেজির দাম দুই হাজার ২৭৩, ২২ কেজির দাম আড়াই হাজার, ৩০ কেজির দাম তিন হাজার ৪০৯, ৩৩ কেজির দাম তিন হাজার ৭৫০, ৩৫ কেজির দাম তিন হাজার ৯৭৭ এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ জুন সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ২৭ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চার দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে সাত দফা। এ দফা ছিল অপরিবর্তিত। গত বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম কমেছিল এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সারা দেশের বাজারে চলমান সংকটের মধ্যেই সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি জানান, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে ১৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে সরবরাহ সংকট হয়েছে। এর ফলে দেশে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মজুতদারি করছে, সেই তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন