

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস কক্সবাজার সফরে এসেছেন। আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটযোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছেন তিনি। পরে জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোমে হোপ ফাউন্ডেশন ও এক্সিলারেট এনার্জি কর্তৃক নির্মিত এক্সিলারেট হোপ হসপিটাল পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সঙ্গে আরও দুইজন এসেছেন। তারা হলেন- কে এম আতিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া। এ দুই ব্যক্তির প্রাতিষ্ঠানিক কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তিনজনই বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বিআইডব্লিউটিএর ঘাট থেকে স্পিডবোটযোগে মহেশখালীতে যান। মহেশখালীতে পৌঁছার পর প্রতিনিধিদলটি কুতুবজোম ইউনিয়নে হোপ ফাউন্ডেশন ও এক্সিলারেট এনার্জি কর্তৃক নির্মিত এক্সিলারেট হোপ হসপিটাল পরিদর্শন করেন।
মহেশখালী থানার ওসি মো. মঞ্জুরুল হক বলেন, আজ বেলা ১১টার দিকে হোপ হসপিটালে প্রতিনিধি দলটি পৌঁছান। এ সময় হোপ ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি হোপ হসপিটালের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে তিনি এক্সিলারেটর এলএনজি টার্মিনাল ও হোপ যৌথ প্রযোজনায় কুতুবজোমে হাসপাতাল পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তরল প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজর হিসেবে মহেশখালী পরিদর্শন গেছেন। আজ বিকেলে তাদের ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত বছরের জুলাই-আগস্টে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিং এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি যাচাই করে বিবিসি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার’ করার অনুমতি দিয়েছেন এবং ‘তারা (এসব বাহিনীর সদস্যরা) যেখানেই তাদের (আন্দোলনকারী) পাবে, তারা গুলি করবে’।
অজ্ঞাত একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথনের ফাঁস হওয়া অডিওটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে, তিনি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের গুলি করার জন্য সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন।
ফাঁস হওয়া অডিওটি সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, গত ১৮ জুলাই নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে শেখ হাসিনা ওই ফোনালাপটি করেন। রেকর্ডিংয়ের কণ্ঠের সঙ্গে শেখ হাসিনার কণ্ঠস্বরের মিল শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
বিবিসি আলাদাভাবে ইয়ারশটের অডিও ফরেনসিক এক্সপার্টদের দিয়ে এই রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেছে এবং তারা এটিতে এডিট করার বা কোনো রকম পরিবর্তন করার কোনো প্রমাণ পায়নি। অডিওটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে এমন সম্ভাবনাও খুবই কম বলে তারা জানিয়েছে।
মানবাধিকার বা পরিবেশ রক্ষার ইস্যুতে অডিও সংক্রান্ত তদন্তের কাজ করে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইয়ারশট। তারা বলছে, ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি সম্ভবত এমন একটি ঘরে ধারণ করা হয়েছিল যেখানে ফোন কলটি স্পিকারে বাজানো হয়েছিল। কারণ এতে স্বতন্ত্র টেলিফোনিক ফ্রিকোয়েন্সি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু শব্দ ছিল।
ইয়ারশটের বিশেষজ্ঞরা রেকর্ডিংজুড়ে ইলেকট্রিক নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সি বা ইএনএফ শনাক্ত করেছে, যে ফ্রিকোয়েন্সি অন্য একটি ডিভাইস থেকে অডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই উপস্থিত থাকে।
এটি এমন এক সূচক যার মানে হলো অডিওটিতে হেরফের করা হয়নি।
তারা শেখ হাসিনার বক্তব্যে ছন্দ, স্বর এবং শ্বাসের শব্দ বিশ্লেষণ করেছে এবং ধারাবাহিক নয়েজের স্তরও শনাক্ত করেছে। অডিওতে কৃত্রিম কোনো পরিবর্তন আনার প্রমাণও খুঁজে পায়নি।
ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান বিবিসিকে বলেছেন, ‘রেকর্ডিংগুলো তার (শেখ হাসিনার) ভূমিকা প্রমাণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এগুলো স্পষ্ট এবং সঠিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং অন্যান্য প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত।’
তিনি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন যেখানে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।
আওয়ামী লীগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘বিবিসির উল্লেখ করা টেপ রেকর্ডিংটি সত্য কিনা তা আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না’।
মন্তব্য করুন


দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) তাকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।’
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, ‘এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।
জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।
২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি শপথ পাঠ করেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাহারুল আলম। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
বুধবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
পুলিশপ্রধান হিসেবে নতুন দায়িত্ব পাওয়া বাহারুল আলম একসময় এসবির প্রধান ছিলেন। দুই দফা পদোন্নতিবঞ্চিত এই কর্মকর্তা ২০২০ সালে অবসরে যান। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ সদরদপ্তরের শান্তিরক্ষা বিভাগের পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০১৫ সালে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সিনিয়র পুলিশ অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, কসোভো ও সিয়েরা লিওনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে, সাজ্জাত আলী বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১৯৮৪ সালে পুলিশে যোগ দেন। তিনি একসময় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ছিলেন এবং লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরি জীবনে তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ গঠিত হলে সেখানে ডিআইজির দায়িত্ব পান এবং পরবর্তীতে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ সদরদপ্তরে কাজ করেন। মেধাবী, কর্মঠ এবং সৎ পুলিশ অফিসার হিসেবে বাহিনীতে তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে। সাজ্জাত আলী ঝিনাইদহের শৈলকূপার বাসিন্দা।
এছাড়া, গত সোমবার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চাকরি পুনর্বহাল করে অন্তর্বর্তী সরকার।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশের মধ্যে বড় ধরনের রদবদল ঘটে। ওই সময় পুলিশের ৩২তম মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পান ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম এবং ৩৭তম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মো. মাইনুল হাসান।
মন্তব্য করুন


পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারির জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। যে ১২ জনের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করেছে, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালত থেকে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি বিদেশে পলাতক ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে পৃথক তিনটি ধাপে আবেদন করেছে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। শনিবার (১৯ এপ্রিল) পুলিশ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শেখ হাসিনা ছাড়া আরো যাদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ।
বিদেশে পালিয়ে থাকা আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করতে ইন্টারপোল সহযোগিতা করে থাকে। অন্যদিকে বিদেশে পলাতক ব্যক্তিদের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে সেটিও সংশ্লিষ্ট দেশ ইন্টারপোলকে জানায়। যে ১২ জনের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছে, সেগুলো এখন ইন্টারপোলে প্রক্রিয়াধীন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এখনো সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদনের বাইরে ভারতসহ যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে, সে চুক্তির আওতায় বিদেশে পলাতক ব্যক্তিদের ফেরানোর চেষ্টাও রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম জোর দিয়ে বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ‘এটাকে পেছানোর মতো কোনো শক্তি নেই।’ এছাড়া গণভোটের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘মাইন্ডব্রিজ ও নলেজ কম্পিটিশন-২০২৫’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হোক না কেন, জাতীয় নির্বাচন সময়মতোই হবে।’
প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মতের কথা বলছেন। আমরা এটাকে হুমকি হিসেবে দেখছি না। যেটা সবচেয়ে উত্তম, সেটাই প্রধান উপদেষ্টা করবেন।’
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার বিষয়েও তিনি কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, ‘১৩ নভেম্বর আদালত শেখ হাসিনার বিচারের দিন জানাবেন।’
তরুণদের জ্ঞান ও মেধার বিকাশকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশনের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম প্রমির সভাপতিত্বে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমাইল।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, কোনো দল যদি নিবন্ধন পায় আমাদের যে নির্ধারিত প্রতীক আছে, সেখান থেকে একটা নিতে হয়। এনসিপির চাওয়া প্রতীক আমাদের নির্ধারিত তালিকায় নেই, তাই দিতে পারিনি।
রোববার দুপুরে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, কমিশন চাইলে প্রতীকের সংখ্যা কমাতে পারে, বাড়াতে পারে। তবে শাপলা প্রতীক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।
এর আগে সকালে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এসময় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি, চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলগুলো কিছু সমস্যার সমাধান করলে এবং জনগণ সচেতন থাকলে নির্বাচন সুন্দর হবে।
রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদায়ন এবং বদলির ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না দাবি করে তিনি যে কোনো অনিয়মের খবর প্রকাশ করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানায়, একক ব্যক্তির নামে সিম কার্ডের সংখ্যা ১০টি থেকে ২টিতে কমিয়ে আনতে চায় সরকার। নির্বাচনের আগে সেটি ৫-৭টিতে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
তারেক রহমানের জন্য বুলেট প্রুফ গাড়ির অনুমতি দেয়ায় তার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শংকা আছে কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, অন্য কেউ চাইলেও অনুমতি দেওয়া হবে। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের দেড় লাখ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা পর্যায়ক্রমে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। ইতোমধ্যে দুই হাজারের অধিক সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা সারা দেশে ১৩০টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অন্যান্যদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের কৌশল।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর রাত পর্যন্ত ৪৯টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কোনোটিই বড় ধরনের বিপত্তি তৈরি করেনি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করেছি।’
সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি যেন কোনোভাবে বিনষ্ট না হয় এজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ কাজ করছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘এসব ঘটনায় থানায় জিডিসহ ১৫টি মামলা হয়েছে। আর এসব মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৮ পয়সা হিসেবে)। বিশ্বব্যাংক এই অর্থায়নটি করবে 'এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং অব পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ইন ইস্টার্ন রিজন' প্রকল্পের আওতায়।
বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বিশ্বব্যাংক এর আগে স্কেল আপ ফ্যাসিলিটি (এসইউএফ) তহবিল থেকে প্রকল্পটির মূল ঋণচুক্তি ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত করেছিল। কোভিড-১৯ চলাকালে কিছু অর্থ প্রত্যাহারের পর বর্তমানে প্রকল্পটির সফল সমাপ্তির জন্য অতিরিক্ত ৩ কোটি ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন ছিল, যা বিশ্বব্যাংক অনুমোদন করেছে।
এই ঋণের মেয়াদ ৩০ বছর, যার মধ্যে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। ঋণের সুদের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সার্ভিস চার্জ ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া, অনুত্তোলিত ফান্ডের ওপর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ থাকলেও, পূর্ববর্তী বছরের মতো এই অর্থবছরে কোনো কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে না।
মন্তব্য করুন


দিপু চন্দ্র দাস এবং ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দ্রুত শেষ করে মামলা দুটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, ‘দিপু চন্দ্র দাসের নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। একইভাবে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তেও ভাইটাল ক্লু পাওয়া গেছে এবং এরই মধ্যে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তিনি জানায়, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে এই মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ব্রিফিংয়ে প্রেসসচিব আরো জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেকোনো অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।
উল্লেখ্য, একই বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন