

কুমিল্লায় সাংবাদিক সাফির উপর হামলাকারি ৪ আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাংবাদিক সাফির উপর হামলার ১১ দিন পার হলেও কোতয়ালি থানা পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ স্থানীয় সূত্রমতে, আসামি নিজ বাড়িতে, এলাকাতে অবাধে ঘোরাঘুরি করেছেন। হামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)মো: সাইফুল গতকাল ১৪ জুন রাতে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে খোজে আসেন।কোতয়ালি থানা পুলিশের এমন আচরণকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
৪ জুন বুধবার দুপুরে কুমিল্লা দুর্গাপুর গোমতির ভেড়িবাঁধ এলাকায় বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক মো: সাফির উপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারিরা। বুধবার দুপুরে কুরবানির গরু ক্রয় করার জন্য শাফি বাবুবাজার এলাকায় যাচ্ছিলেন। সেখানে আগে থেকে উৎপাতে থাকা দুর্গাপুর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে জনি, মৃত মনু মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, মাহাবুব এবং মাহবুবের ছেলে সায়িমসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের একটি চক্র তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা গরু ক্রয়ের দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
৪ জুন রাতে আহত সাফির মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে ১০ জুন পর্যন্ত অভিযোগ এফআইআর করেনি কোতয়ালি থানা পুলিশ। ওই দিন সাংবাদিকরা এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরদিন ১১ জুন পুলিশ মামলা হিসেবে অভিযোগটি নেয়। তবে আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশ সব সময় রহস্যজনক ভূমিকা পালন করেছে। আজ ধরবো, কাল ধরবো, ২৪ ঘন্টায় আসামি গ্রেফতার হবে ইত্যাদি বলে সময় কালক্ষেপন করেছেন কোতয়ালি থানা পুলিশ। এমনটাই মনে করছেন কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আসামিরা প্রকাশ্যেই এলাকায় ঘোরাঘুরি করেছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করবে না, এটা তো এলাকায় আলোচিত বিষয় ছিল। তাই হয়েছে। আজ সব আসামি জামিন পেয়েছে।
আহত সাংবাদিক মো: সাফি জানান, গতকাল রাতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই সাইফুল সাহেব আমাদের লোককে ফোন করে আসামির বাড়ির ঠিকানা চেয়েছেন। আজ তো সবাই জামিন পেলেন। আজ আদালতে আসামিরা জামিন পাওয়ার পর এসআই সাইফুল সাহেব আমাকে বললো-আপনার বিরুদ্ধে মামলা দিবে আসামি পক্ষ। একটু সজাগ থাকেন।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু জানান, আমরা অসংখ্যবার পুলিশকে অনুরোধ করেছি, তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য। কিন্তু কোথাও না কোথাও চরম অবহেলা হয়েছে। আসামিদের জামিন নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যা দু:খজনক ও লজ্জার বিষয়।আমাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল, আসামিরা গ্রেফতার হবে না। এ বিষয়টি আমি ১০ জুন কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক সাহেবকে অবহিত করেছি। তিনি আমাদের বলেছিলেন, আজই আসামি গ্রেফতার হবে। কিন্তু দিন শেষে সবই হতাশাজনক।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক জানান, আসামিদের এতদিনেও গ্রেফতার করতে না পারাটা চরম ব্যর্থতার শামিল। খুবই দু:খজনক বিষয়টি।
কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক জানান, আমরা চেষ্টা করেছি আসামি গ্রেফতার করার জন্য ।
কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিনুল ইসলাম জানান, আসামি গ্রেফতার জন্য আমার চেষ্টার ত্রুটি ছিল না।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, হামলার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বেপরোয়া গতির বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৬ জন নিহত হয়েছে।এই ঘটনায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে র্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসচালক আত্মগোপনে সিদ্ধিরগঞ্জ লুকিয়ে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩ টি গাড়িতে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী একটি বাস। এতে একই পরিবারের ৪ জনসহ দুটি গাড়ির ৬ আরোহী নিহত ও ৪ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই ৫ জন ও বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৪০), তার বড় মেয়ে ইসরাত জাহান (২৪), ছোট মেয়ে রিহা মনি (১১), ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন (২), মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার (২৬) ও তার ছেলে মো. আবদুল্লাহ (৭)।
আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলম (৪২), তার বোন ফাহমিদা আক্তার (১৭), প্রাইভেটকারের চালক হাবিবুর রহমান (৩৮) ও মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়া (৪২)।
শুক্রবার দুর্ঘটনার পর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় আহত ব্যক্তিদের।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় ১০ জনকে এ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান। আহত ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ জনের মধ্যে গুরুতর আহত রেশমাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছিল। পরে তারা জানতে পারেন, শুক্রবার বিকেলে সেখানে রেশমার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালীর বাউফলে জমি লিখে না দেওয়ায় শ্বশুর ও শাশুড়িকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে জামাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৪ মে) রাতে বাউফল সদর ইউনিয়নের নকুলের হাট সংলগ্ন মিস্ত্রী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন রাতে ওই বাড়ির হীরালাল মিস্ত্রী (৬৫) ও তার স্ত্রী কিরন বালা (৬০) নিজ বাসায় টিভি দেখছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে তাদের মেয়ের জামাই ফনি ভূষণ (৩৫) ছুরি নিয়ে আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে দুইজনকে জখম করেন। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে জামাই ফনি ভূষনকে আটকে বাউফল থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফনি ভূষনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে হীরালালের মেয়ে শিল্পী রানী বলেন, সম্প্রতি আমার বাবা আমাকে ৮ কড়া (স্থানীয় মাপ) জমি লিখে দেন। ওই জমি আমার স্বামী ফনি ভূষণ তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ প্রয়োগ করেন। বাবা এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ফনি ভূষণ দুইজনকে কুপিয়ে জখম করেন।
এ ব্যাপারে বাউফল থানান পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ফনি ভূষণকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিএস
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চকের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের কোরবান আলী (৩৫) ও তার মেয়ে কোহেলী খাতুন (১০)। কোরবান আলী বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, কোরবান আলী সকালে মেয়েকে নিয়ে রাণীনগর বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। এসময় উত্তরবঙ্গগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেন চকের ব্রিজ অতিক্রম করার সময় কাটা পড়ে মারা যান বাবা এবং মেয়ে। পরে রেল লাইনের ওপর তাদের বাবা ও মেয়ের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
নিহত কোরবানের ভাই ইউসুফ আলী জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বাকপ্রতিবন্ধী কোরবান আলী মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করার জন্য সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর মহান সিপাহী জনতা সংগতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের মাজারে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল লতিফ, মহাসচিব প্রফেসর ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ, যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনোয়ার সরকার,ঢাকা মহানগর সভাপতি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শফিকুল হাসান রতনসহ থানা ও সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় একই পরিবারের ৩জন মাদক কারবারীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতারা হলেন, কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি(৫০), তার ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫),
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রোকসানা আক্তার রুবি নিজে ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিল।
যারাই রুবির মাদক ব্যবসায় বাধা দিত, তাদেরকেই মামলা দিয়ে হয়রানি করত রুবি। বিভিন্ন সময় তাদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরা সহ বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে।
ফলে স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী রুবির বাড়িতে হামলা করে তাদেরকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই রোকসানা আক্তার রুবি, তার ছেলে রাসেল মিয়া ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার মৃত্যুবরণ করে।
অপরদিকে রোকসানা আক্তার রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০) এই গণপিটুনির শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি গণপিটুনিতে রুমা আক্তারও নিহত হয়েছে।
তবে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান ৩ জনের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সিলেটে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। দুই দফা পরীক্ষা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করা হয়। এতে মাত্র এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মেলে।
সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পুরাতন গ্যাসকূপ সিলেট-৭ নম্বরে চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে মেরামতে কাজ করছি। ১৪ অক্টোবর দুই হাজার ১০ মিটার গভীরতায় পরীক্ষা করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। আজ ওই কূপের আরেকটি জোনে এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় ফের গ্যাসের সন্ধান মেলে।
তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা করলে জানা যাবে কী হরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে। গ্যাস পরীক্ষা করতে আরও তিন-চারদিন সময় লাগতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।
মিজানুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে সিলেটে আনার প্রস্তুতি চলছে। তিনি এলে আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু বলা যাবে।
এর আগে ২৪ মে সিলেটের কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপে গ্যাস পাওয়ার কথা জানায় সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)। এ নিয়ে গত এক বছরে সিলেটের পাঁচটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললো।
১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর আবিষ্কার হতে থাকে একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র। দেশে বর্তমানে গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা হচ্ছে ২৯টি। তার মধ্যে এসজিএফএল নিয়ন্ত্রণে আছে পাঁচটি। এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ড।
মন্তব্য করুন


মৃত তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও পরিবারের ৪ জন সদস্য সোমবার রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এর সাথে তার অফিস কক্ষে সাক্ষাত করেন।
এ সময় তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন জিওসি এবং নিহতের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন যে, এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং দোষীসাব্যস্তদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো জানান যে, তৌহিদের পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়ে সেনাবাহিনী সব সময় পাশে থাকবে এবং সকল প্রকার সহযোগিতা করবে।
তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও পরিবার এতে আশ্বস্ত হয়েছেন। এছাড়াও প্রতারণার মাধ্যমে যারা সেনা ক্যাম্পে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার দাবী করেছেন। তবে তারা তৌহিদের মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি মামলা দায়ের করার সকল প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কুমিল্লার ৯টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।
সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে দলীয় প্রার্থীদের নামের প্রাথমিক তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
কুমিল্লা -১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) সংসদীয় আসনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা -৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা -৪( দেবিদ্বার) সংসদীয় আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৫ ( বুড়িচং ও বি পাড়া) আসনে হাজী জসিম, কুমিল্লা -৬ (সদর ও সদর দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা -৮ (বরুড়া) সংসদীয় আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন , কুমিল্লা -৯ ( লাকসাম-মনোহরগন্জ) আসনে আবুল কালাম ওরফে চৈতি কালাম, কুমিল্লা -১০ ( লালমাই ও নাঙ্গলকোট) আসনে আব্দুল গফুর ভূইয়া, কুমিল্লা -১১ ( চৌদ্দগ্রাম) আসনে কামরুল হুদা।
কুমিল্লা -২ ( হোমনা-তিতাস) ও কুমিল্লা -৭ (চান্দিনা) আসনে পরে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে ।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এম.কে আনোয়ারের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোয়ার সরকার।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মরহুম এমকে আনোয়ারের হোমনা বাসভবনে অবস্থিত মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন মনোয়ার সরকার।
এরপর তিনি মরহুমের কবর জিয়ারত করেন ও তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেন।
এসময় তিনি বলেন, মরহুম এম.কে আনোয়ার ছিলেন হোমনা-মেঘনা-তিতাসের উন্নয়নের রুপকার। তিনি সারা বাংলার গর্ব এবং মাটি মানুষের নেতা। তিনি তার অসাধারণ গুণাবলি ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে এখনো আমাদের মাঝে চীর অম্লান হয়ে আছেন। আমরা তার ন্যায়, নীতি ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের কে আরো উদ্ধুদ্ধ করতে চাই। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি ও তার জন্য দোয়া করি।
এরপর তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মরহুম এম.কে আনোয়ারের পরিবারবর্গের আয়োজনে মিলাদ, মাহফিল ও দোয়ায় অংশ গ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন