

বিনোদন ডেস্কঃ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ওপেন কনসার্টের আয়োজন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। সেখানে গাইবেন বিভিন্ন প্রজন্মের একঝাঁক শিল্পী।
বিজয় দিবসের এই কনসার্টে জেমসসহ গাইবেন খুরশিদ আলম, সৈয়দ আব্দুল হাদী, বেবী নাজনীন, কনক চাঁপা, মনির খান, রাফা, প্রীতম, ইমরান, কনা, মৌসুমী, জেফার ও একদল লোকশিল্পী। এ ছাড়া কনসার্টে অংশ নেবে ডিফারেন্ট টার্চ, সোলস, আর্ক, শিরোনামহীন, আর্টসেল, সোনার বাংলা সার্কাসের মতো বেশ কয়েকটি ব্যান্ড।
আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের উদয় টাওয়ারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এই কনসার্টের ঘোষণা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।
এ বছর সার্বজনীনভাবে বিজয় দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। ভিন্নদেশী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি ও নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করাতে ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের এই কনসার্টে বাংলাদেশের গান ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে কনসার্ট চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। তরুণ প্রজন্মকে এই কনসার্টে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তার অভিনয় প্রতিভা নিয়ে সবাই প্রশংসায় পঞ্চমুখ। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে হিট। পেয়েছেন একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। বলিউড পাড়ায় কেউ কেউ তার প্রশংসায় বলে থাকেন ‘বিউটি ইউথ ব্রেইন’।
তবে অসাধারণ প্রতিভাবান এই অভিনেত্রী এক জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত। সে জন্য চিকিৎসাও চলে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের রোগের কথা প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী নিজেই।
আলিয়া জানান, তিনি ‘এডিএইচডি’ (অ্যাটেনশন ডেফিশিট/হাইপার অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার) রোগে আক্রান্ত।
এই রোগের অন্যতম লক্ষণ হল মানসিক চাঞ্চল্য, অস্থির ভাব ও অতিরিক্ত উত্তেজনা। কোনো কিছুতে মনযোগ দিতে বেগ পেতে হয়।
আলিয়া জানান, কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তিনিও এই রোগের শিকার। শৈশবে এই রোগের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে পঠনপাঠনের ক্ষেত্রেও। ক্লাস চলাকালীন প্রায়ই অন্য মনস্ক হয়ে পড়তেন আলিয়া। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেও মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলতেন। তার বন্ধুরা বিষয়টা লক্ষ করেছিলেন। কিন্তু কেন এমন হয়, বুঝতে পারতেন না আলিয়া।
তবে ক্যামেরার সামনে যখন অভিনয় করেন তখন এই সমস্যাটা তার হয় না। তখন মনযোগ অক্ষত থাকে। মস্তিষ্কও শান্ত থাকে। বর্তমানে একমাত্র কন্যা রাহার সঙ্গে সময় কাটানোর সময়ও কোনো অসুবিধা হয় না। তার মন স্থির থাকে। নিজের অভিনয়ের কাজ ও মেয়ের সঙ্গ —এই দুই সময় মন সবচেয়ে শান্ত থাকে বলে নিজেই জানিয়েছেন আলিয়া।
এমনকি বিয়ের দিন সাজগোজের জন্যও স্থির হয়ে বসে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আলিয়া। রূপটানশিল্পী পুনীত বি সইনি তার থেকে দু’ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটা সময় টানা বসে থাকতে পারবেন না বলে জানান তিনি। তার চেয়ে নিজের মতো বসে বিশ্রাম করতে চেয়েছিলেন আলিয়া।
উল্লেখ্য, বর্তমানে তিনি আলিয়া তার ছবি ‘জিগরা’ নিয়ে ব্যস্ত। বরাবরের মতোই অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। আলিয়ার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বেদাঙ্গ রায়না।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গোটা দুনিয়ার সিনেপ্রেমী দর্শকের নজর এখন ফ্রান্সের কান সৈকতে। কারণ সেখানেই যে বসেছে সিনেমার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবের আসর। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পীরা। প্রথমবারের মতো সেখানে এবার গিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে জানা যায়, প্রতিবারই কানে বলিউড অভিনেত্রীদের ভালো প্রভাব থাকে। লাল গালিচায় ভিন্ন ভিন্ন পোশাকে নজর কাড়েন তারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, অদিতি রাও হায়দারি, সবিতা ধুলিপালা ও উর্বশী রাওতেলা লাল গালিচায় নজর কেড়েছেন।
‘রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন উইমেন ইন সিনেমা’ গালায় ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। রেড কার্পেটে হাঁটার আগে নায়িকা তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের সাজসজ্জার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে কবির সিং’খ্যাত নায়িকা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘রিভেরায় মিলনমেলা।’
এ সময় নায়িকার কানে দেখা যায় মানানসই মুক্তার লম্বা দুল ও পায়ে সাদা হাই হিল। এক হাতে আংটি, অন্য হাতের কবজিতে সুন্দর কাজ করা রিস্টব্যান্ড। কিয়ারার এ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন প্রবাল গুরুং। তবে এর মূল্য প্রকাশ করা হয়নি।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল ও তার স্ত্রী ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এবার সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন ধনশ্রী।
বুধবার ধনশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, “গত কয়েকদিন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কঠিন সময় কেটেছে। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, কিছু মানুষ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভুল মন্তব্য ও ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। আমার নীরবতা কোনো দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং এটি আমার শক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচকতা খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে অন্যদের উন্নতির জন্য সহানুভূতি ও সাহসের প্রয়োজন হয়।”
ধনশ্রী আরও বলেন, “আমি সততা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এগিয়ে যেতে চাই নিজের আদর্শ মেনে। সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। তখন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে না।”
এর আগেও চাহাল একটি রহস্যজনক পোস্ট করেছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের একটি উক্তি শেয়ার করেন। উক্তিটিতে লেখা ছিল, “নিস্তব্ধতারও সুর আছে। যারা বিকট শব্দের মধ্যেও তা শুনতে পারে, তারাই সেই সুর উপলব্ধি করতে পারে।”
এরপর থেকে চাহাল ও ধনশ্রীর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। চাহাল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে স্ত্রীর সঙ্গে তোলা সব ছবি মুছে ফেলেছেন। যদিও ধনশ্রীর প্রোফাইলে এখনো তাদের একসঙ্গে তোলা ছবি রয়েছে।
চাহালের আরেকটি পোস্টও এই জল্পনাকে উসকে দিয়েছে। পোস্টটিতে তিনি লেখেন, “কঠোর পরিশ্রম মানুষের চরিত্রকে উজ্জ্বল করে। আপনি জানেন নিজের যাত্রাপথ কেমন ছিল, কীভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। সেই যাত্রায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা আপনিই ভালোভাবে জানেন। নিজের বাবা-মাকে গর্বিত করার জন্য মাথা উঁচু করে সোজা দাঁড়ান।”
এই পোস্টে চাহাল বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও স্ত্রী ধনশ্রীর নাম উল্লেখ করেননি। যা তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
উল্লেখ্য, যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী বর্মার বিয়ে হয়েছিল ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর। গুরুগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ধনশ্রী ছিলেন চাহালের নাচের শিক্ষক। করোনার সময় অনলাইনে নাচের ক্লাস করার মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা নিয়মিত একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতেন। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, তাদের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ যখনই রেড কার্পেটে হাজির হন, তখনই তিনি তার অনন্য স্টাইলের মাধ্যমে ভক্তদের হৃদয় জয় করে নেন। সম্প্রতি, তিনি একটি অনুষ্ঠানে দেখা গেছেন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড গানির একটি ডেনিম ম্যাক্সি ড্রেস পরে। এই ড্রেসটির মূল্য ৪০,৪৯৬ রুপি। ডেনিমের দুই রকম শেডের তৈরি এই পোশাকের তলাটা স্কার্টের মতো হলেও, ওপরের অংশটি শার্টের ডিজাইনে। এটি স্লিভলেস এবং এতে একটি কলার রয়েছে।
ক্যাটরিনা কাইফের উপস্থিতি মানেই তার ভক্তদের জন্য নতুন এক আনন্দের হাওয়া। যদিও সম্প্রতি তিনি পর্দায় ও প্রকাশ্যে অনেক কম দেখা দিয়েছেন, তবে তার এই ডেনিম ড্রেসের মাধ্যমে তিনি আবারও আলোচনায় এসেছেন। খোলা চুল ও কালো স্টিলেটোতে তাকে দেখা গিয়েছে, যা তাকে অসাধারণ গ্ল্যামারাস করে তুলেছে। ভক্তরা মন্তব্য করেছেন, "একমাত্র ক্যাটরিনা-ই ডেনিমেও এত গ্ল্যামারাস দেখতে পারেন।" ফ্যাশন বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পোশাক ক্যাটরিনাকে একসঙ্গে গ্ল্যামারাস ও প্রফেশনাল লুক দিয়েছে।
ক্যাটরিনার মতো এই স্টাইলকে কম খরচে নিজেরাতে চাইলে আপনার জন্যও সহজ। স্টাইলিস্টরা জানান, গোড়ালি ছোঁয়া ডেনিম স্কার্টের সঙ্গে ডেনিম শার্ট পরলেও আপনি একদম ফ্যাশনেবল দেখতে পারেন। কলকাতার পোশাকশিল্পীরা জানান, গত এক বছর ধরে ‘ডেনিম অন ডেনিম লুক’ একটি ট্রেন্ড হিসেবে উঠে এসেছে, এবং এই ট্রেন্ডে আপনি গা ভাসাতে পারেন।
মন্তব্য করুন


মা দিবসে পাত্রী চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন বলিউড অভিনেতা বিজয় ভার্মা! ছেলের এমন কাণ্ড দেখে মাথায় হাত অভিনেতার মায়ের। যদিও পুরো বিষয়টি ঘটেছে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ ‘দাহাড়’-এর প্রচারের স্বার্থে।
গত ১২ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে বিজয় ভার্মা অভিনীত ‘দাহাড়’। সেই সিরিজের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই খবরের কাগজে বেরিয়েছে ওই বিজ্ঞাপন। সিরিজে আনন্দ স্বর্ণকার নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। পাত্রী চেয়ে খবর কাগজের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে আনন্দ স্বর্ণকারের নামেই।
বিজ্ঞাপনের শিরোনামে লেখা, ‘ইন্ডিয়াজ #১ ব্যাচেলর’, অর্থাৎ দেশের এক নম্বর অবিবাহিত পাত্র তিনি। ঠিক কেমন ধরনের পাত্রী চাই তার? বিজ্ঞাপনে লেখা রয়েছে সেই সব তথ্যও। এদিকে সেই বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছে বিজয়ের মায়ের। বিজ্ঞাপনে ছেলের ছবি ও পাত্রী চাইয়ের দাবির তালিকা দেখে মাথায় হাত তার। আন্তর্জাতির মা দিবসে এমনই একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের টলিউডের তিন কন্যা বেরিয়ে পড়েছিলেন রাতের শিকাগো দেখতে। ৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়েছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, সোহিনী সরকার ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এর ফাঁকেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই শহরটির নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন তারা। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল এখন সেই ভিডিও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শিকাগোর নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন স্বস্তিকা, সোহিনী, শ্রাবন্তীরা। সেলফি মুডে ভিডিও নিজদের ভিডিওবন্দি করেছেন শ্রাবন্তী। তার পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন স্বস্তিকা। আর স্বস্তিকার পেছনে সোহিনী।
ক্লাবে তখন মায়াবী আলো আধারির খেলা। তাল মিলিয়ে চলছে মিউজিক। টলিপাড়ার তিন কন্যা উপভোগ করছিলেন এই মুহূর্ত। মেতেছিলেন উদ্দাম উন্মাদনায়। এক পর্যায়ে শ্রাবন্তীকে জড়িয়ে ধরে চুমুও খান স্বস্তিকা। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি।
আমেরিকার শিকাগোতে হয়ে গেল ৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্স। তিন দিন (৪, ৫ ও ৬ জুলাই) ব্যাপী আয়োজিত এ কনফারেন্সে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন স্বস্তিকারা। তারই এক ফাঁকে নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন সৌন্দর্যের আগুন উসকে দিতে।
কনফারেন্সে যোগ দিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, মমতা শঙ্কর থেকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ইশা সাহা, অর্জুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গত সাত বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। গত ২৩ জুন এ তারকা জুটি আইনি মোতাবেক বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর পর রিসেপশনের আয়োজন হয়। এ তারকা জুটির বিয়েতে ছিল না কোনো ধর্মীয় আচার। বিয়ের পর সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন জ়াহির ইকবালের বাবা।
এদিকে বিয়ের দিন রিসেপশেন দেখা যায়নি অভিনেত্রীর দুই ভাই লব সিনহা ও কুশ সিনহার। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। বিয়েতে এসেছিলেন শত্রুঘ্ন সিন্হাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র সমালোচনা হয়।
নানা রকম সমালোচনার মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন লব সিন্হা। সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সোনাক্ষী ও জ়াহিরের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন তিনি। লব সিনহা বলেন, এত সমালোচনা সত্ত্বেও পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা কোনোভাবেই কমবে না। পরিবারই তার কাছে প্রাথমিক বিষয়।
কেন তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকেননি জানিয়ে লব সিনহা লিখেছেন— ‘কেন আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকিনি, এটিই হলো প্রশ্ন! আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যে কথা প্রচার করে কোনো লাভ নেই। আমার কাছে সব সময় আমার পরিবারই অগ্রাধিকার পাবে।‘
এমন প্রশ্ন সোনাক্ষীর আরেক ভাই কুশ সিনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় লব বলেছিল— ‘দু’একটা দিন সময় দিন। আমার যদি মনে হয়, তা হলে আমি নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।‘
বিয়েতে আসেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বাবা হিসেবে মেয়ের বিয়েতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। সিনহা পরিবারের নয়নমণি সোনাক্ষী সিনহা। মা-বাবার চোখের মধ্যমণি। তাই বিয়ের দিনে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কন্যার জীবনের নতুন ইনিংসে যেমন তিনি উচ্ছ্বসিত, তেমনি চাপাকান্না বুকে কষ্ট।
নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট ‘অওরিয়েত’-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষী রেখে আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। পরনে নবদম্পতির দুধ সাদা পোশাক। মেয়ের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
সেই অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা বললেন, ‘মেয়েকে পছন্দের পাত্রের হাতে তুলে দেবেন বলে সব বাবাই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। জাহিরের সঙ্গে আমার মেয়েকে সব থেকে বেশি খুশি থাকতে দেখেছি। তারা সুখে থাকুক, এ প্রার্থনাই করি।‘
জাহির ইকবালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘গুড বয়’ জাহির। খুব ভালো ছেলে। আমার মেয়েকে ভালো রাখবে ওৃ।‘ তিনি আরও বলেন, ’৪৪ বছর আগে আমি একজন সফল, সুন্দরী ও ভীষণ ট্যালেন্টেড একটি মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলাম। সে হচ্ছে পুনম সিনহা। আজ আমার মেয়ে সোনাক্ষীর পালা। ওর পছন্দই আমাদের পছন্দ। ওর নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।‘
উল্লেখ্য, এর আগে সোনাক্ষী-জাহিরের বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই শোনা গিয়েছিল শত্রুঘ্ন নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন— এই প্রজন্মের সন্তান কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। ওরা শুধু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায়।
সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত যে, জামাই হিসেবে জাহির ইকবালকে হয়তো পছন্দ নয় শত্রুঘ্ন সিনহার তাই এমন কথা বলেছিলেন! তবে বিয়ের দুদিন আগেই নিন্দুকদের ‘চুপ’ করে দিয়ে জাহির ইকবালকে বুকে টেনে নেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
মন্তব্য করুন


বিদায়ঘণ্টা বাজছে ২০২৪ সালের। আর কয়েকদিন পরেই চলতি বছরকে বিদায় জানানো হবে। নানা কারণে আলোচিত ছিল বছরটি। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে বিনোদন, সব ক্ষেত্রেই ছিল উত্তাপ। বিশেষ করে সারাবছর জুড়ে দর্শকরা বেশ কয়েকটি গানে মেতে ছিলেন।
সাধারণ মানুষের মুখে মুখে তো বটেই, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন টিকটক, ইনস্টাগ্রামে ভিডিওতেও রীতিমতো ঝড় তোলে গানগুলো।
চলুন এক নজরে দেখে নিই, ২০২৪ কাঁপানো সেরা ৮ গানের নাম-
তওবা তওবা: চলতি বছরের শুরুতেই গানের জগতে ঝড় তোলে বলিউডের ‘বেড নিউজ’ সিনেমার গান তওবা তওবা। অভিনেতা ভিকি কৌশল ও অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমড়ির নাচের সঙ্গে সংগীত প্রেমীরাও লুফে নেন এ গানের মিউজিকের প্রতিটি বিট।
দুষ্টু কোকিল: শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী অভিনীত ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘তুফান’-এর গান দুষ্টু কোকিল। রায়হান রাফির পরিচালিত এ সিনেমায় সংগীত শিল্পী কণার গাওয়া এ গান রীতিমতো পাগল করে দেয় বাঙালি শ্রোতাদের। ইউটিউবে গানটির বর্তমান ভিউ সংখ্যা ২৩৮ মিলিয়ন। তবে অনেক নেটিজেনই এ গানটি শুনে দাবি করেন, ‘ড্রিম গার্ল টু’-র ‘দিলকা টেলিফোন’ গানের সঙ্গে মিল রয়েছে দুষ্টু কোকিল গানটির।
আচো আচো: ২০২৪ সালে রাতারাতি ভাইরাল হওয়া গান ছিল তামান্না ভাটিয়া অভিনীত ‘আরানমানাই ফোর’ সিনেমার আচো আচো গানটি। মুক্তির এক মাসের মধ্যেই ২৭২ মিলিয়ন ভিউ পার করে গানটি।
ইমি ইমি: শ্রেয়া ঘোষাল আর টাইকের গাওয়া ইমি ইমি গানটিও চলতি বছর কাপিয়েছিল নেটপাড়া। মিউজিক ভিডিওতে গানের সঙ্গে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের নাচও ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এ বছরের ভাইরাল নাচগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ইমি ইমি নাচ। গানটির জনপ্রিয়তায় বর্তমানে ইউটিউবে ২১৫ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে।
আশা কোডা: ভিনদেশি এ গানের অর্থ না বুঝলেও জাদুকরী সংগীতের সুরে বিশ্ববাসীকে মাতিয়েছে সাই অভিয়ানঙ্কর ও সাই স্মৃতির গাওয়া আশা কোডা গান। জাদুকরী সুরের গানটি আরও ভাইরাল করে তোলে টিকটকার ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা। ইউটিউবে গানটির বর্তমান ভিউ সংখ্যা ১৭৮ মিলিয়ন।
চুট্টামালে: শিল্পা রাও ও রাম জোগায়ের গান চুট্টামালে ঝড় তোলে বছরের শেষের দিকে। দেবারা সেকেন্ড সিঙ্গেল সিনেমার এ গানে জুনিয়র এনটিআর ও জাহ্নবী কাপুরের রসায়ন মুগ্ধ করে দর্শকদের। গানটি নেট দুনিয়ায় প্রকাশের পর এতটাই জনপ্রিয় হয় যে, এক মাসের মাথায় ৫০ মিলিয়ন ভিউ পার করে। বর্তমানে ২৬৭ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে গানটির।
আজ কি রাত: ‘স্ত্রী টু’ সিনেমার আইটেম সং আজ কি রাত। সিনেমার এ গানে কন্ঠ দিয়েছেন মধুবানতি বাগচী, ডিব্যা কুমার, শচীন জিগার। সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই প্রেক্ষাগৃহ কাঁপিয়েছে এ গান। শুধু গানের সুর নয়, অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার নাচের মুদ্রাও চলতি বছর কাঁপিয়েছে বিনোদন পাড়া। ইউটিউবে ৬৮৭ মিলিয়ন ভিউ সংখ্যা ছাড়িয়েছে গানটি।
মেরে মেহবুব: বছরের একেবারে শেষ দিকে বাজিমাত করে রাজকুমার রাও ও তৃপ্তি দিমড়ি অভিনীত ‘ভিকি বিদ্যা কা ওয়াও ওয়ালা ভিডিও’ সিনেমার গান মেরে মেহবুব। গানটি নেট দুনিয়ায় মুক্তির পরই ঝড় তোলে দর্শকমহলে। সেই সঙ্গে রাজকুমার ও তৃপ্তির নাচে পাগল হয়ে যায় সিনেমা ও সংগীতপ্রেমীরা। বর্তমানে এ গানের দর্শক ভিউর সংখ্যা ১২৮ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
চলতি বছর বিভিন্ন সামাজিক, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও উৎসব মুখর পরিবেশে সেরা এ ৮ গানেরই বেশি রাজত্ব চোখে পড়ার মতো ছিল। সেরা এ ৮ গানের সুরে মন্ত্রমুগ্ধ ছিলেন দর্শক ও সিনেপ্রেমীরা।
মন্তব্য করুন