

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এ বছর নিরাপদে পবিত্র হজ পালনের পর সরকারের পক্ষ থেকে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছেন বাংলাদেশি হজযাত্রীরা। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের আন্তরিক সহযোগিতা ও নির্দেশে এবারের হজ ব্যবস্থা বিশ্বের ভালো ব্যবস্থাপনা হিসাবে রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে পালনে বিশেষ নির্দেশনা ছিল প্রধান উপদেষ্টার।
যার কারণে যথাসময়ে সৌদি আরবের নির্ধারিত হজ ফি পরিশোধ করা, মক্কা শরিফের কাছাকাছি বাড়ি ভাড়া করা, কম খরচে হজযাত্রা নিশ্চিত করাসহ সৌদি আরবে হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা প্রদানের কারণে এবার মহান আল্লাহ তায়ালার দয়ায় বাংলাদেশ হজ যাত্রায় রেকর্ড অর্জন করেছে। যার অংশীদার শুধু ধর্ম মন্ত্রণালয় নয়, পুরো ৮৭ হাজার ১০০ জন হাজি সাহেবদেরও। কারণ তারাও সৌদি আরবে যথাযথ নিয়ম-কানুন মেনে পবিত্র হজ পালনে সচেষ্ট ছিলেন।’
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খলিদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এই মন্ত্রণালয় থেকে গত এক বছরে হজ কার্যক্রম ছাড়াও ধর্মীয় সেক্টরে মসজিদ, মাদরাসায় অনুদান প্রদান, হাজারো মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান অব্যাহত রাখাসহ ব্যাপক ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো চাপ না থাকার কারণে সরকারের যথাযথ নিয়ম পালন করে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রচলিত সেবাসমূহ জনমানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ১০ মাসের সংস্কার ও অর্জিত কার্যক্রমের তথ্য থেকে জানা গেছে, এ বছর তথা চলতি ২০২৫ সনের হজ প্যাকেজের মূল্য ২০২৪ সনের চেয়ে ৭৩ হাজার টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়। হজ কার্যক্রম সার্বিক দায়িত্ব সুচারুরূপে পালনের জন্য সফলতার কারণে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় প্রধান উপদেষ্টা ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এ বছর ২০২৫ সনের হজে তিনটি নতুন সেবার উদ্ভাবন করা হয়। তা হলো, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ চালুকরণ, মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা প্রদান ও হজ প্রি-পেইড কার্ড হজযাত্রীদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া।
এছাড়া সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সীমিত জনবলের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম সম্পাদন করে। রাজস্ব খাতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ২৯ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে রাজস্ব খাতে ৩৬টি পদ সৃজনের কার্যক্রম গ্রহণ এখন অর্থ বিভাগের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের লন্ডন হিথরো, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ ইউরোপের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার প্রেক্ষিতে দেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সংস্থাটি সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে সব বিমানবন্দরে পাঠিয়েছে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা।
বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানের সই করা নির্দেশনাপত্রটি দেশের সব বিমানবন্দরের প্রধান এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিশেষ ১০ নির্দেশনা-
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পাসওয়ার্ড পুনরায় ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন করা।
২. অপরিচিত বা সন্দেহজনক ইমেইল ও লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৩. হোয়াটসআপ, মেসেঞ্জারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাঞ্ছিত বা সন্দেহজনক লিংক কিংবা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৪. সফটওয়্যার (সিকিউরিটি প্যাচ) ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট রাখা।
৫. পাইরেটেড বা ক্র্যাকড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা।
৬. অফিসিয়াল ডিভাইসে ব্যক্তিগত সফটওয়্যার বা অ্যাপস ইনস্টল না করা।
৭. মাল্টি ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) ব্যবহার করা।
৮. দাপ্তরিক কাজে বেবিচক এর ইমেইল অ্যাড্রেস (caab.gov.bd ডোমেইন) ব্যবহার করা।
৯. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা।
১০. পেনড্রাইভ স্ক্যান ব্যতিরেকে ব্যবহার না করা।
বেবিচক সূত্র জানায়, গত মাসে কুর্মিটোলায় বেবিচকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে লন্ডনের কিছু বিমানবন্দরে হামলার পর সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করতে হয়েছিল বলে অবহিত করা হয়।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী সম্প্রতি দেশের সব বিমানবন্দরে সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বিতর্কিত আঞ্চলিক পরিচালক সাঈমা ওয়াজেদ পুতুলকে শুক্রবার (১১ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়েছে সংস্থাটি। এর চার মাস আগে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করে। খবর হেলথ পলিসি ওয়াচের।
ডব্লিউএইচও-এর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস এক সংক্ষিপ্ত অভ্যন্তরীণ ইমেইলে জানান, সাঈমা ১১ জুলাই থেকে ছুটিতে থাকবেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ডব্লিউএইচও-এর সহকারী মহাপরিচালক ড. ক্যাথারিনা বেহম ‘কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি জানান, বেহম ১৫ জুলাই মঙ্গলবার নয়াদিল্লির কার্যালয়ে পৌঁছাবেন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সাঈমা দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তবে শুরু থেকেই অভিযোগ ওঠে যে তার প্রভাবশালী মা শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপেই তিনি এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই বিষয়ে দুদকের তদন্ত শুরু হয় ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। দুদক সূত্রে জানা যায়, সাঈমা তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারা (প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি) এবং ৪৭১ ধারা (জাল দলিল ব্যবহার) লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) একটি অনারারি পদে কর্মরত ছিলেন বলে দাবি করেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে। এই তথ্য তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আবেদন করার সময় উপস্থাপন করেছিলেন।
দুদকের উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম জানান, সাঈমা তার সূচনা ফাউন্ডেশনের প্রধান থাকাকালে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ২.৮ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেন, যা তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আদায় করেন। তবে এই অর্থের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দুদকের মামলায় দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আরো যে ধারাগুলোতে অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো হলো—বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা ও অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি গ্রহণ) এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা।
এই অভিযোগের পর থেকে সাঈমা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে স্বাভাবিকভাবে ভ্রমণ করতে পারছেন না, কারণ বাংলাদেশে প্রবেশ করলেই তার গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন বাংলাদেশের স্কাউটরা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ও নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য চারজন স্কাউট আত্মহুতি দিয়েছেন।
আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বাংলাদেশ স্কাউটসের দেশব্যাপী আয়োজিত কাব কার্নিভালের উদ্বোধন ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্কাউটিংয়ের ইতিহাসে এমন নজির বিশ্বের আর কোথাও নেই। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ও নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য চারজন স্কাউট আত্মহুতি দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্কাউটরা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, দুনিয়া ও নিজেকে আবিষ্কারের সুযোগ তৈরি করে স্কাউটসের কার্যক্রম। গৎবাঁধা ছাত্রজীবনে নিজের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আর সুযোগ থাকে না। তোমাকে তোমার সঙ্গে পরিচিত করে দেয়ার জন্য স্কাউটিং একটা বড় দরজা খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু নিজে নয়, অন্যদেরও নিজেকে চেনার সুযোগ করে দেয়া যায়।
মন্তব্য করুন


দেশে গত শুক্রবার থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীরের অন্তত ৩৬ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সংগঠনটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলামও রয়েছেন। ২০০৯ সালে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে নিষিদ্ধ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে সারাদেশে অভিযান চলছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম জানান, সমাবেশের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হিজবুত তাহরীরের অনেক সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের কার্যক্রম চলছে।
এছাড়াও, সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের দেড় লাখ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা পর্যায়ক্রমে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। ইতোমধ্যে দুই হাজারের অধিক সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা সারা দেশে ১৩০টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অন্যান্যদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের কৌশল।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর রাত পর্যন্ত ৪৯টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কোনোটিই বড় ধরনের বিপত্তি তৈরি করেনি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করেছি।’
সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি যেন কোনোভাবে বিনষ্ট না হয় এজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ কাজ করছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘এসব ঘটনায় থানায় জিডিসহ ১৫টি মামলা হয়েছে। আর এসব মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন-আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সাবেক পরিচালক মো. ফজলুল হক, সাবেক পরিচালক মুন্সী মুয়ীদ ইকরাম, টেকনিক্যাল ম্যানেজার সাহেনা হক ও পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ডিএমপি পুলিশ কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় পাসপোর্টের আবেদনপত্রের পেশা ক্রমিকে অসদাচরণ ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রাইভেট সার্ভিস উল্লেখ করেন।
সেইসঙ্গে অন্য আসামিরা বেনজীরের দাপ্তরিক পরিচয় সম্পর্কে জেনেও বিভাগীয় অনাপত্তি সনদ সংগ্রহ ও যাচাই না করে পরস্পর যোগসাজশে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে ওই অভিযোগে বলা হয়।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, তরুণদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাষ্ট্র গঠনের যে দ্বিতীয় সুযোগ এসেছে তা যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়। এটাই সবার মূল প্রত্যয় হওয়া উচিত।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, "শহিদ বুদ্ধিজীবীরা যে স্বপ্ন, প্রত্যয় এবং দেশপ্রেম নিয়ে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, সেটার ধারাবাহিকতাই ছিল আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থান। তরুণরা জীবনকে তুচ্ছজ্ঞান করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য লড়াই করেছে।"
ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, "১৯৭১ সালে শহিদ বুদ্ধিজীবীসহ অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। তবে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে আমরা ব্যর্থ হয়েছিলাম। একদলীয় মানসিকতা ও কিছু দলের ব্যর্থতার কারণে তা নষ্ট হওয়ার পথে ছিল। আজ আমাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি রোধ করা।"
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, "শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন এবং আদর্শকে পুরোপুরি ধারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে।"
এর আগে সকাল ৭টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং ৭টা ১৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আগে ছিল না। তবে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে, সেটাও নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগে ভোটার তালিকার তথ্য নিয়ে সমালোচনা ছিল। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি সুন্দর, স্বচ্ছ এবং বিতর্কমুক্ত ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে কমিশন এবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু করেছে। তিনি ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সঠিক তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে একটি রাজনৈতিক ঐক্যমত্য প্রক্রিয়ার বিষয়। এছাড়াও, এটি একটি বিচারিক বিষয় হতে পারে যদি আদালতে গড়ায়। এটি নির্বাচন কমিশনের বিষয় নয়। তফসিল ঘোষণার পর যেসব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থাকবে, তখন সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল, পুলিশ সুপার সফিউল সারোয়ার, নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক টি.এম.এ মমিন ও জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল মোত্তালিবসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, এবারের নির্বাচন হবে ‘লাইনচ্যুত ট্রেনকে’ লাইনে ফিরিয়ে আনার নির্বাচন।
বুধবার আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার মোর্চা এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি– এএফইডির একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন ।
দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি একটু রূপকভাবে বলি–এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মত।
ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটা করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি।’
এরপর ‘পরবর্তী দিকনির্দেশনায়’ আরও উন্নতির দিকে এগোনোর ওপর জোর দেন এই নির্বাচন কমিশনার।
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যবেক্ষকরা ইসির তৃতীয় নয়ন। চাই, তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক। মৌলিক বিষয়াদির যেন ব্যত্যয় না হয়। নীতিমালার মধ্যে থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।’
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশন এর কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি ও ও বেসরকারি সংস্থা ও দূতাবাসের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের ফিল্মফেয়ার ওটিটি অ্যাওয়ার্ডসের পঞ্চম আসরে গেল রবিবার অতিথি হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জামদানি শাড়ি পরে। তবে ধরনটি ছিল ভিন্ন। শাড়ি পরা সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে জয়া জানান, এটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৬ মাস।
জয়ার পরা জামদানির এমন উপস্থাপন অনেকের পছন্দ হলেও কেউবা আবার জড়িয়েছেন বিতর্কে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। কারো কথায়, জামদানির ১২টা বাজিয়েছেন জয়া! সেটাও কানে গেছে এই অভিনেত্রীর। তবে এসব সমালোচনা মোটেও গায়ে মাখছেন না বরং ভবিষ্যতে জামদানি নিয়ে আরও বেশি বেশি ফিউশন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জয়া আহসান।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি দেখেছি অনেকে এটা নিয়ে কথা বলছেন। আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার যদি ফিউশন করে খেতে পারি, যেমন পিঠা বা মাছ তো আমরা ফিউশন করে খাই। তাহলে আমাদের দেশের কস্টিউম কেন ফিউশন করে পরতে পারব না? কেউ তো দাসখত দেয়নি যে, জামদানি এভাবে পরা যাবে না, ওভাবে পরা যাবে না। জামদানি যদি স্কার্ট হয়, জ্যাকেট হয়; তাহলে এভাবে পরলে সমস্যা কোথায়? আমরা যত ফিউশন করব তত বাইরের দেশের কাছে উপস্থাপন করতে পারব। এটার চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। এসব ভেবেই আমি জামদানির এই ফিউশন করেছি।’
জয়ার কথায়, ‘১ ডিসেম্বর আমি যখন মঞ্চের পেছনে বসেছিলাম, সবাই আমাকে দেখে প্রশংসা করেছে। “কাড়াক সিং”র সহকর্মীরা আলাদা আলাদা করে আমার হাত, চুল, গয়নার ছবি তুলছিল। এমনকি “হীরামান্ডি”র একজন অভিনেত্রীও পুরস্কার দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। তিনিও বলেছিলেন, “তোমার জামদানিটা এত সুন্দর। আমি কি এটা একটু ছুঁয়ে দেখতে পারি?” উনি জামদানির টেকচার ছুঁয়ে দেখছিলেন। আমার কাঁথার জ্যাকেটটা ধরে দেখছিলেন। এসবই তো আসলে ভালোলাগার বিষয়।’
সবশেষে জয়া বলেন, ‘আমি মনে করি জামদানি, মসলিন এমনকি আমাদের গামছাকেও একবার ব্যবহার করে ঘরবন্দী করে না রেখে যত বেশি ফিউশন করে পরতে পারি, বিশ্বে ততই এর চাহিদা বাড়বে।’
মন্তব্য করুন