পুলিশের জন্য কেনা হবে ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

পুলিশের জন্য কেনা হবে ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত


নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ইউএনডিপির মাধ্যমে কয়েক ’শ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কেনা হবে বলে  জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 


মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা দেওয়া হবে। এ প্রস্তাব আমরা অনুমোদন করেছি।


দ্রুত এটা আনতে হবে। এতে কয়েক ’শ কোটি টাকা খরচ হবে। বাংলাদেশ সরকারের টাকায় কেনা হবে এসব ক্যামেরা। অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা করবে।


নির্বাচন খাতের ব্যয় থেকে এটা মেটানো হবে। এগুলো পুলিশকে দিচ্ছি, নির্বাচন কমিশনকে না।

তিনি জানান, এসব ক্যামেরা আনা হবে ইউএনডিপির মাধ্যমে।  


ইউএনডিপি কেন—জানতে চাইলে এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা টিকা আনি ইউনিসেফ-এর মাধ্যমে।


কারণ হলো টেন্ডার করে আনতে গেলে মানের বিষয় থাকে, দামের বিষয় থাকে। এজন্য ইউএনডিপি মান ও দামের নিশ্চয়তা দেবে। এতে আমরা কারো সঙ্গে নেগোসিয়েশন করব না।’  

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে  লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের
বাবা সিদ্দিক,


ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বইয়ে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিককে। তার এই মৃত্যুকে ঘিরে ভারতে তোলপাড় চলছে। সব মিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এ ঘটনা। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সব কাহিনী। কারণ, বাবা সিদ্দিক একজন নামকরা রাজনীতিক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন হরিয়ানার গুরমাইল বলজিত সিং (২৩) এবং উত্তর প্রদেশের ধর্মরাজ কাশ্যপ (১৯)। তৃতীয় জন উত্তরপ্রদেশের শিব কুমার গৌতম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ একজন এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বলে মনে করা হয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে  লরেন্স বিষ্ণুই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি একটি কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্য। এই গ্যাংয়ের নাম লরেন্স বিষ্ণুই। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। অভিযোগ আছে লরেন্স বিষ্ণুই পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্যাংয়ে অস্ত্র চালাতে দক্ষ এমন সদস্য আছে ৭০০।

কে এই লরেন্স বিষ্ণুই: লরেন্স বিষ্ণুইয়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। ২০১০ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবন কেটেছে রাজ্যের আবোহার শহরে। এরপর তিনি ডিএভি কলেজে ভর্তি হতে চণ্ডিগড়ে পাড়ি জমান। ২০১১ সালে যোগ দেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস স্টুডেন্টস কাউন্সিলে। সেখানে তার পরিচয় হয় ‘গ্যাংস্টার’ গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে। এরপর ধীরে ধীরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রয়েছে হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটাই স্বীকার করেননি তিনি। গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে কারাগারে বসেও বাইরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে চণ্ডিগড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেন বিষ্ণুই। ২০১৩ সাল নাগাদ তিনি ত্রাস সৃষ্টিকারী এক চরিত্রে পরিণত হন। কয়েকটি হত্যার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে। পরে তার গ্যাং মদ বেচাকেনা ও অস্ত্র চোরাচালানে অর্থ লগ্নি  শুরু করে। হত্যাকারীসহ ভয়ংকর সব অপরাধীদেরও আশ্রয় ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে তারা। লরেন্স বিষ্ণুইয়ের নাম নতুন করে সামনে আসে ২০২২ সালে। সে বছরের ২৯ মে পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে হত্যা করা হয়।

কারাগারে বিষ্ণুই: ২০১৪ সালে রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয় লরেন্স বিষ্ণুইয়ের। এরপর তিনি কারাবন্দী হন। সেখান থেকেই আরও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। কারাগারে থাকাকালে জস্বিন্দর সিং ওরফে রকি নামের আরেক অপরাধীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন রকি। বন্দী অবস্থায়ও লরেন্স বিষ্ণুইয়ের প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছিল। রাজস্থানের ভারতপুর জেলায় যে কারাগারে তিনি বন্দী ছিলেন, সেখানকার কর্মকর্তাদের হাত করে নানা কার্যসিদ্ধি করতেন। ২০২১ সালে তাকে সেখান থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই কারাগারের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আইপি কলের মাধ্যমে গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বিষ্ণুই। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ভারতের ডানপন্থী নেতা সুখদেব সিং গোগামেদিকে জয়পুরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সুখদেবের সঙ্গে অস্ত্রধারী একজন চা পান করছেন। তিনিই গুলি চালান। পরে বিষ্ণুইয়ের গ্যাংয়ের সদস্য রোহিত গোদারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সুখদেবকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ২০১৮ সালে বলিউড তারকা সালমান খানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে বিষ্ণুই গ্যাং। সে বছর মুম্বইয়ে সালমানের বাসায় হানা দেন সাম্পাথ নাথ নামে বিষ্ণুই গ্যাংয়ের এক সদস্য। তিনি দাবি করেন, কালো হরিণ শিকারের কারণে সালমানকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার ওপর। বিরল প্রজাতির এই হরিণকে বিষ্ণুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করে। সালমান খানকে সরাসরি হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন লরেন্স বিষ্ণুই। ভারতের যোধপুরে আদালতে এক শুনানি চলাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘সালমান খানকে এই যোধপুরেই হত্যা করা হবে। তারপর তিনি আমাদের সত্যিকারের পরিচয় জানতে পারবেন।’

এরপর ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাসার বাইরে গুলি চালানো হয়। এই এলাকাতেই শনিবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাবা সিদ্দিক। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও ছিল তার। সালমানের বাসার বাইরে গুলির পর সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, এ কাজের জন্য দু’জনকে ভাড়া করেছিল বিষ্ণুই গ্যাং।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

অল্প দিনের মধ্যেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন: ফখরুল

অল্প দিনের মধ্যেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব মামলা থেকে মুক্তি পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতিহিংসামূলক মামলার প্রেক্ষাপটে লিখিত বই ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।


মির্জা ফখরুল বলেন, "বেগম জিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে সম্মান পেয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কাতারের আমিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি বিনা সংকোচে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছেন। একইভাবে ব্রিটিশ সরকারকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তারা কোথাও কোনো বাধা সৃষ্টি করেনি। বেগম জিয়া যেখানে যা চেয়েছেন, তা পেয়েছেন।"


নির্বাচন নিয়ে অশুভ প্রতিযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে ফখরুল বলেন, "নতুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে সরকার অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটছে। শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতা থেকে চলে যান, তারপরও কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে। সংস্কারের কথা তারা বলে, অথচ বিএনপিই প্রথম সংস্কার শুরু করেছিল।"


দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "৫ আগস্টের পরে ৭ আগস্ট বেগম জিয়া বলেছিলেন, ধৈর্য ধরতে হবে। কোনো প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করা যাবে না। নেতাকর্মীদের এই মনোভাব ধারণ করতে হবে।"


গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, "দেশকে রক্ষা করতে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। বিভক্তির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। কারণ কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে দেশ ও জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই এই বিভক্তি দূর করা সম্ভব। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।"

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ৫টি সমঝোতা স্মারক ও তিনটি নোট বিনিময়

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ৫টি সমঝোতা স্মারক ও তিনটি নোট বিনিময়
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক ও তিনটি নোট বিনিময় করেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও নোট বিনিময় হয়।


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

যেসব বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি বিষয়ক সহযোগিতা, ব্যবসায়িক কাউন্সিল গঠন (এফবিসিসিআই ও এনসিসিআইএম), বিএমসিসিআই ও মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান এমআইএমওএসের মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আইএসআইএস) মধ্যে সহযোগিতা সংক্রান্ত।


এর আগে সকাল ৯টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। সেখানে ড. ইউনূসকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।


গার্ড অব অনার প্রদান শেষে আনোয়ার ইব্রাহিম তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পরে ড. ইউনূস প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

কর্মীদের বিদেশে পাঠানো ক্ষেত্রে ৮০ ভাগ সমস্যা দেশেই তৈরি হয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

কর্মীদের বিদেশে পাঠানো ক্ষেত্রে ৮০ ভাগ সমস্যা দেশেই তৈরি হয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

কর্মীদের বিদেশ পাঠানোর ক্ষেত্রে ৮০ ভাগ সমস্যা দেশ থেকেই তৈরি হয়। পরে সৃষ্ট সমস্যা সামলাতে হয় দূতাবাসকে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।


শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস ডে উপলক্ষে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি জানান, প্রবাসীদের সমস্যা সবার আগে সমাধান করতে হবে। দূতাবাসের সীমাবদ্ধতা থাকলেও মানুষকে আগে সেবা দিতে হবে। 


পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কর্মীদের বিদেশ পাঠানোর ক্ষেত্রে ৮০ ভাগ সমস্যা দেশ থেকেই তৈরি হয়। পরে সৃষ্ট সমস্যা সামলাতে হয় দূতাবাসকে। সুতরাং প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দিয়েই কর্মী পাঠানো গেলে প্রবাসীদের সমস্যা কম হবে। একইসঙ্গে মিশনগুলোর ওপর চাপ কমবে।


রেমিটেন্সের ব্যাপারে তৌহিদ হোসেন জানায়, ১৯৮০ এর দশকে এক বিলিয়ন ডলার রফতানি ছিল। এখন (বর্তমান) ৬০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে কিছুটা হলেও দূতাবাসের ভূমিকা আছে। এছাড়া সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এক কোটি প্রবাসী দেশে রেমিটেন্স পাঠান।


তিনি জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরাকান আর্মি বড় সমস্যার জায়গা। বাংলাদেশ না পারছে তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে, না পারছে তাদেরকে এড়িয়ে যেতে।


এ সময় তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধে বৈশ্বিক জনমত সৃষ্টিতে ফরেন সার্ভিসের কর্মকর্তারা কলকাতা থেকে কাজ শুরু করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল তখন ৬৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশন গঠন হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

ইউরোপীয় ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকায় আনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ইউরোপীয় ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকায় আনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা


ডেস্ক রিপোর্টঃ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরিয়ে ঢাকায় অথবা প্রতিবেশী কোনো দেশে স্থানান্তরের অনুরোধ করেছেন।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।  

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে ১৫ জন প্রতিনিধি তাদের মতামত তুলে ধরেন। বৈঠকে শ্রম অধিকার, বাণিজ্য সুবিধা, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে উভয়ের অঙ্গীকার ও করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসে গোটা মাসজুড়ে আমরা বিজয় উদযাপন করি। বিজয়ের মাসে আপনাদের সঙ্গে এমন একটি ইন্টার‌্যাক্টিভ আলোচনায় অংশ নিতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। ’

বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি গত ১৬ বছর ধরে অত্যাচার, শোষণ, বলপূর্বক গুম, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্পর্কে সংক্ষেপে কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রের বিষয় উল্লেখ করে দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং ব্যাংকিং সিস্টেমকে কীভাবে বিপর্যস্ত করা হয়েছিল সেসব কথা জানান।

বাংলাদেশ সম্পর্কে ব্যাপক আকারে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমরা এই মিসইনফরমেশন ঠেকাতে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

সৌদি আরবের সঙ্গে শ্রমিক নিয়ে চুক্তি শিগগিরই : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

সৌদি আরবের সঙ্গে শ্রমিক নিয়ে চুক্তি শিগগিরই : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
ছবি: সংগৃহীত



শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সৌদি আরবের সঙ্গে শিগগিরই একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।


আজ শনিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


উপদেষ্টা বলেন, “মালয়েশিয়ায় গত বছর বিমানের টিকিট এবং ভিসা থাকা সত্ত্বেও যেতে না পারা কর্মীদের পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসংক্রান্ত বৈঠক করে যখন ঢাকায় এসে বললাম যে তাদের মালয়েশিয়া নেবে বলে আশ্বস্ত করেছে, তখন তীব্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছি।


আমাকে ফেসবুকে গালাগাল করছে–‘বর্তমানে যারা অবৈধ হয়ে আছে তাদের বৈধ করার খবর নেই, আবার নতুন করে লোক পাঠাচ্ছে।’ গালাগালের কোনো শেষ নাই। যেটা আপনাদের এত বড় দাবি সেটা করার পরও গালি খাই।” 


এ সময় তিনি বলেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি আশা করি দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে শুনবেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে চুক্তি হচ্ছে।


এই চুক্তির চেষ্টা বিগত সরকারের আমলে অনেকবার করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু হয়নি। ভারত কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে এই চুক্তি নেই, বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি হতে যাচ্ছে। চুক্তি হলে সৌদি আরবে শ্রমিক ভাই-বোনদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’


আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা রিইন্টিগ্রেশনে কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা প্রক্রিয়া কিছুটা সহজ করেছি মন্ত্রণালয়ে যাতে আপনাদের ভোগান্তি ও হয়রানি কম হয়। সম্পূর্ণ ডিজিটাইজেশন করেছি, আপনারা নতুন করে বিদেশে গেলে এই সুবিধা বুঝতে পারবেন।’


প্রবাসীদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রবাসী ভাই-বোনরা যারা ফিরে এসেছেন, আপনারা হয়তো আবার যাবেন। কয়েকটা কথা আপনাদের বলি অন্যভাবে নিয়েন না। আপনারা বাইরে যাওয়ার আগে নিজেরা যথেষ্ট প্রস্তুতি নেবেন।


আপনাদের কি কোনো প্রতারক পাঠাচ্ছে, এটা একটু ভালো করে খোঁজখবর নেবেন। বিদেশ যেতে এত মরিয়া হয়ে যাবেন না যে খোঁজখবর নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বিদেশ মানেই বেহেশত মনে করবেন না। এই সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রবাসীদের জীবনযাত্রা দেখেছি, সৌদি আরবে আমি এমন অবস্থা দেখেছি, বাংলাদেশের খারাপ বস্তিতেও মানুষ এর চেয়ে ভালো থাকে। এত খারাপ জীবন আট থেকে ৯ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার পরও। কাজেই ভালোমতো খোঁজখবর নিয়ে যান। আপনার কাছে যদি ১০ লাখ টাকা থাকে বিদেশ যাওয়ার জন্য, এই টাকা দিয়ে অনেক ব্যবসা দেশে করা যায়।’


তিনি আরো বলেন, ‘এ দেশে ১৮ কোটি মানুষ, কত ভোক্তা! ছোট্ট একটা দোকান দিয়ে বসলে কত লাভ হয়। আমি আপনাদের নিরুৎসাহিত করছি না, মরিয়া হয়ে বিদেশ যাবেন না।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের
জো বাইডেনের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ উপলক্ষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৭টায়) প্রথমবারের মতো বিতর্কে অংশ নিয়েছেন তারা। বিতর্কের আয়োজন করে সিএনএন ও এবিসি। সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিএনএন এর জরিপ অনুযায়ী এই বিতর্কে হেরে গেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস শুক্রবার একটি সম্পাদকীয়তে প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেনকে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর এবং নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য অন্য ডেমোক্র্যাটকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বাইডেনকে ‘একজন মহান সরকারি কর্মচারীর ছায়া’ হিসেবে বর্ণনা করে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পরিষদ বলেছে, “প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের মধ্যে বৃহস্পতিবারের বিতর্ক প্রমাণ করেছে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন- তার নিজের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি কী করবেন, তার ব্যাখা দিতে হিমশিম খেয়েছেন। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পের উসকানির জবাব দিতে। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পকে তার মিথ্যা কথা, ব্যর্থতা ও ভয়ানক সব পরিকল্পনার জন্য জবাবদিহি করাতে। একাধিকবার তিনি একটা বাক্য শেষ করতে গিয়ে সংগ্রাম করেছেন।”

বাইডেন এখন যা করতে পারেন, তা হলো, তিনি পুনরায় নির্বাচন করছেন না—এই ঘোষণা দেওয়া। দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট এক বেপরোয়া জুয়ায় লিপ্ত আছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়া ঠেকাতে ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে নিজেকে স্পষ্টবাদী, বাধ্যকারী ও উদ্যোমী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার মতো অধিকতর যোগ্য বিকল্প রয়েছেন।

ট্রাম্প ও বাইডেনের ঘাটতিগুলোর মধ্যে এর যেকোনোটি বেছে নিতে ভোটারদের বাধ্য করার মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি গ্রহণ করার কোনও কারণ দলের নেই। আমেরিকানরা যা নিজেদের চোখে দেখেছেন, বাইডেনের সেই বয়স ও দুর্বলতা তারা এড়িয়ে যাবেন বা হিসেবে নেবেন না— সরলভাবে এটা আশা করা হবে এক বড় জুয়া’, বলেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা : অ্যাটর্নি জেনারেল

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা : অ্যাটর্নি জেনারেল
ছবি: সংগৃহীত



অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ের ফলে মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন, দিনের ভোট রাতে হবে না। মৃত মানুষও ভোট দিতে পারবেন না। এর মধ্য দিয়ে দেশ গণতান্ত্রিক মহাসড়কে হাঁটা শুরু করলো।


বৃহস্পতিবার সকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনবর্হাল করে আপিল বিভাগ রায় দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, আপিল বিভাগ আগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়টি আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে বাতিল করেছেন। আপিল বিভাগ এই রায়কে প্রসপেক্টিভ ইফেক্ট দিয়েছেন। অর্থাৎ আগামী সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর এই রায় কার্যকর হবে। ফলে ত্তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হলো। 


তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে ১৯৯৬ সালে আনা হয়েছিল। সেটাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না বলে, এটা সাংবিধানিক বলে ঘোষিত হলো। ত্তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবেই হয়তো পূর্ণাঙ্গ রায়ে আসবে। কারণ এই লাইনে শুনানির ভিত্তিতেই কনক্লুশন এসেছে।


নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকলে সংবিধানের ৫৮(গ)৩ অনুসারে প্রধান বিচারপতিই কি এই সরকারের প্রধান হবেন? জুলাই সনদে কিন্তু ভিন্ন ধরনের কথা বলা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় আসলে সেটা দেখা যাবে।


পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার সঙ্গে এই রায় কোনভাবে সাংঘর্ষিক হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। এটা পঞ্চদশ সংশোধনীর ইস্যু। অসৎ উদ্দেশ্যে এই সংশোধনী আনা হয়েছিল উল্লেখ করে হাইকোর্ট এটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন, সে পার্টটা আপিল বিভাগে চ্যালেঞ্জ হয়নি। যদি চ্যালেঞ্জ হয়ও, আপিল বিভাগ এই রায়টাকে অতিক্রম করবে না। এটা রিভিউয়ের রায়। রিভিউয়ে আপিলের অনুমতি দিয়ে এই রায়টা হয়েছে।


তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেল। পরবর্তী সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের যে বিধান রয়েছে, সেটা কার্যকর হলো।


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজকের রায়ে আগে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়টিকে কলঙ্কিত বলা হয়েছে। এটা কেন বলা হয়েছে, সেটা পূর্ণাঙ্গ রায়ে থাকবে। তবে আমি মনে করি, ওই রায়টি ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কিত বলেই তা বাতিল করা হয়েছে। শুনানিতে অনেক গুলো কারণ আমরা দেখিয়েছি। তার অন্যতম একটি হলো, ওই রায়টি লেখার ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকসহ যারা তার সহায়ক ছিলেন, তারা দণ্ডবিধির ২১৯ ধারায় অপরাধ করেছেন। আমাদের আইনে রায়ের সংজ্ঞা বলা আছে, যেটা মুখ দিয়ে ঘোষণা করা হয়, সেটাই রায়। এটা পরিবর্তনের পদ্ধতিও রয়েছে আইনে। তবে তারা কোনো কিছুই অনুসরণ না করে ঘোষিত রায়কে নিজের ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করে দিয়েছেন। এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপ করে যে নির্বাচন হয়েছিল, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে কবর রচিত হয়েছিল, আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হওয়ার পর গণতান্ত্রিক মহাসড়কে বাংলাদেশ হাঁটবে, কোনটা জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য সেটা আপনারা বিবেচনা করবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

বিচার বিভাগ এক নতুন প্রাতিষ্ঠানিক যুগে প্রবেশ করেছে: প্রধান বিচারপতি

বিচার বিভাগ এক নতুন প্রাতিষ্ঠানিক যুগে প্রবেশ করেছে: প্রধান বিচারপতি
ছবি: সংগৃহীত



গত দেড় বছরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সাংবিধানিক স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বিচারব্যবস্থায় যে মৌলিক রূপান্তর সাধিত হয়েছে, তা দেশের বিচারিক ইতিহাসে এক মাইলফলক। এর মাধ্যমে দেশের বিচার বিভাগ এক নতুন প্রাতিষ্ঠানিক যুগে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। 


শনিবার ‘অপারেশনালাইজিং কমার্শিয়াল কোর্ট’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন তিনি। যৌথ উদ্যোগে রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে-ভিউ হোটেলের কনফারেন্স কক্ষে এ সেমিনার আয়োজন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।


প্রধান বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে বহুদিনের দ্বৈত প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা দূর হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্ট প্রথমবারের মতো পূর্ণ প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন লাভ করেছে। এর ফলে বিচার বিভাগ এখন নিজস্বভাবে পদসৃজন, বাজেট বরাদ্দ, প্রশিক্ষণ উন্নয়ন ও নীতিমালা প্রণয়নসহ বিচার সংস্কারকে দীর্ঘমেয়াদি এবং টেকসই ধারা হিসেবে এগিয়ে নেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। 


তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে দ্রুত ও আধুনিক বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি ডেডিকেটেড বা বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠার আহ্বান করে এসেছিল, যা শিগগিরই বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে।


বে-ভিউ হোটেলের কনফারেন্স কক্ষে দ্বিতীয় সেশনে ইউএনডিপি ও আইন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অর্ডিনেন্স ২০২৫’ শীর্ষক সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মারুফ আল্লাম। তিনি বলেন, নতুন জারি হওয়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশসহ সব বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙঘনের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে তদন্ত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যা আগের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে ছিল না। আগে কমিশন ছিল পরামর্শক প্রতিষ্ঠা। এখন এটিকে কার্যকর তদন্তকারী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়েছে।


এতে বক্তব্য দেন মানবাধিকার অর্ডিনেন্স তৈরি করা ব্যারিস্টার তানিম হোসাইন শাওন, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি রোমানা সোয়েভার, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক। তানিম হোসাইন শাওন বলেন, নতুন আইনে মানবাধিকার কমিশন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক অনুসন্ধান ও ৬০ দিনের মধ্যে অভিযোগের তদন্ত নিষ্পত্তি করার বিধান রাখা হয়েছে। আর্থিক জরিমানার বিধানও রয়েছে। অনুমতি ছাড়া যে কোনো প্রতিষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বা কমিশনারদের সারপ্রাইজ ভিজিট করার বিধান রাখা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর
ছবি: সংগৃহীত

বাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৯ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।


২০০৭ সালের ২৭ মে যৌথবাহিনী বাবরকে আটক করে। গ্রেপ্তারের সাত দিন পর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল লাইসেন্সবিহীন রিভলবার রাখার অভিযোগে তাকে ১৭ বছরের সাজা দেন। তবে হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারিক আদালতের এই সাজা অবৈধ ছিল।


আদালতে বাবরের পক্ষে আইনজীবীরা যুক্তি তুলে ধরে বলেন, যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তারের সাত দিন পর এই মামলা উদ্দেশ্যমূলকভাবে দায়ের করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল যে একটি লাল-কালো ব্যাগ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জব্দকৃত তালিকায় সেই ব্যাগের কোনো উল্লেখ ছিল না। এই অসঙ্গতির ভিত্তিতে হাইকোর্ট বাবরকে খালাস দিয়েছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০