

দেশে অবৈধ অস্ত্র আসছে, তা নিয়ে উদ্বেগ আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। রোববার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বাবর বলেন, এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম ভারতে শেখ হাসিনা সঙ্গে বৈঠক করেছে। সেখানে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে তারা বলে দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশে অবৈধ অস্ত্র আসছে তা নিয়েও উদ্বেগ আছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার যথেষ্ট চেষ্টা করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগীতা করতে চায় বিএনপি। তবে কিছু বিষয়ে উদ্বেগ আছে তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে আসলাম। এসময় তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, প্রায় ১৮ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গেলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বাবর। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০১২ সালের ১৮ মার্চ তারেক রহমানের সঙ্গে বাবরের নামও আসামির তালিকায় যুক্ত হয়।
পরে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তাকে খালাস দেন। ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি সব মামলা থেকে খালাস পেয়ে তিনি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বিদেশি দূতাবাসগুলোতে গিয়ে নালিশ করে, এই নালিশ করার প্রবণতা দেশকে ছোট করে। বিদেশিদের ইচ্ছায় বাংলাদেশের নির্বাচন হবে এরকম একটা অবান্তর ধারণা নিয়ে তারা (বিএনপি) এগোচ্ছে।
রোববার (১৪ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমার একটা কথা বারবার বলেছি, পরিষ্কার বলছি, তাদের (বিএনপির) কর্মসূচির পাল্টাপাল্টিতে আমরা নেই। আমরা একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাই। সে কারণে আমরা শান্তির সমাবেশ করছি। তারা হুমকি দিচ্ছে নির্বাচন করতে দিবে না। নির্বাচনে তারা আসবে না এটা তাদের ইচ্ছা, নির্বাচন হতে দিবে না এমন ধরনের আজকে তারা যে সংকল্প ব্যক্ত করে, তারা রুখে দাঁড়াবে, আমরাও দেখব, কে কাকে রুখে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেব।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলনে যে পথরেখা তারা নিজেরাই সেই পথরেখা থেকে সরে গেছে। তাদের ঘরে এখন অনৈক্য। জোটে এখন অনৈক্য। জোটের উইকেট এখন পতন হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো উইকেট পতন হচ্ছে। ৫৪ দলের জোট থেকে এখন ১৪-১৫ দলে আছে বলে মনে হয়। এই জোটে নেতা নেই, এই আন্দোলনের নেতা নেই, এই নির্বাচনের নেতা নেই। নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারা দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীরা অবস্থান করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, জনগণকে দেওয়া তার অঙ্গীকার ও তার দেখানো পথ ধরেই বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলো এগিয়ে যাবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও বাবা মায়ের আদর্শ ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে মহিলা দলের শ্রদ্ধা শেষে এ কথা বলেন তিনি।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, কারাগারে ইচ্ছাকৃতভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে ভুল চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ছিল অশুভ কারসাজি।
তার খাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতে সন্দেহ রয়ে গেছে। যে নেত্রী পায়ে হেঁটে কারাগারে গেলেন, সেই নেত্রীকে হুইল চেয়ারে বসে ফিরতে হলো।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে দেশের মানুষের পাশে থাকতে হয়, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতকারীরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ওপর বর্বরোচিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা সেই অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লুটতে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এসব দুষ্কৃতকারীকে কঠোর হাতে দমন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশে যাতে আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে না পারে, সে জন্য দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল-মতনির্বিশেষে সবা শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে দেশ আবারও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে হামলাকারী দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান।
তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের আশু সুস্থতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
আগামীতে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ জরুরি নয় বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, যদি জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে শেখ হাসিনা দণ্ডিত হন, তবে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হবেন।
শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এক ছায়া সংসদে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, শেখ হাসিনার পরিণতি যদি নির্মম হয়, তবে তার পাশে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা দাঁড়াতে সাহস পাবেন না। যারা নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, সংবিধানকে ছিঁড়ে মানুষের অধিকার লুণ্ঠন করেছে, তারা ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং বিচারের মাধ্যমে তারা কারাগারে যাবে। জুলাই বিপ্লবে শহিদরা ইতিহাসের মহানায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এই বিপ্লব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সংঘটিত হয়েছিল। এ বিপ্লবের অর্জনকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রকারী এর বিরোধিতা করতে পারবে না। বিপ্লবীরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আওয়ামী লীগ ভোটাধিকার হরণ করেছিল, যা ফ্যাসিস্ট শাসনের একটি উদাহরণ।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা থেকে হেলিকপ্টারে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে ঢাকায় এনে পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার ধারাবাহিকতায় বিগত তিনটি নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়েছিল। যারা এসব নির্বাচনের মাধ্যমে কলঙ্কিত করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।
এদিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন, যা শুধুমাত্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে একটি ষড়যন্ত্র ছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে জালিয়াতির দায়ে খায়রুল হকের গ্রেফতার এবং বিচার হওয়া উচিত। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য একতরফা, মধ্যরাতের নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ, রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নির্বাচনি অপরাধে অভিযুক্ত করা উচিত। যারা নির্বাচনি অপরাধে জড়িত ছিলেন তাদের বিচার হওয়া উচিত।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন:
১. বিগত নির্বাচনকে বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ করে যারা নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচনি অপরাধ করেছে, তাদের বিচার করা।
২. সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অসদাচরণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করা।
৩. আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন পরিবেশ না থাকলে যে কোনো সময় ভোট বন্ধের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে ফিরিয়ে দেওয়া।
৪. নির্বাচনকালীন সন্ত্রাস, ভীতি সঞ্চার, বা অন্য যেকোনো নির্বাচনি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া।
৫. দুর্নীতিবাজ, টাকা পাচারকারী, ব্যাংক লুটেরা এবং ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বাধা দেওয়া।
৬. আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়া।
৭. নির্বাচনি গণমাধ্যম সংবাদ পরিবেশনে বাধা সৃষ্টি করা আইন বাতিল করা।
৮. নবগঠিত নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে সংলাপের ব্যবস্থা করা।
৯. নির্বাচনী মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করার উপায় বের করা।
১০. নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা এবং কোনো চাপের কাছে মাথা নত না করার আহ্বান জানানো।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি বিতার্কিকদের পরাজিত করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।
মন্তব্য করুন


বিএনপিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেইফ এক্সিট চাইলে নির্বাচনে আসুন। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেইফ এক্সিট কারা নেবে জনগণই তা নির্ধারণ করবে।
শনিবার (১৩ মে) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদ মিনারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন। বিএনপির দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশিরা আমাদের বন্ধু। তারা পরামর্শ দিতে পারে, ক্ষমতায় বসাতে পারে না। ক্ষমতায় বসাবে দেশের জনগণ।
নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতার পরিবর্তন সম্ভব উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা প্রস্তুত আছি, জনগণ যদি আপনাদের (বিএনপি) চায়, আপনারা ক্ষমতায় যান। জনগণ না চাইলে আমরা সেইফ এক্সিট নেব। দ্যাট উইল বি ডিসাইডেড ইন আওয়ার জেনারেল ইলেকশন। তার আগে নয়। ওইটা ডিসাইড করার ক্ষমতা আর কারও নাই, ক্ষমতা আছে জনগণের।
নির্বাচন সবার জন্য সেইফ এক্সিট উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা (বিএনপি) যদি ক্ষমতায় আসতে চান, পরিবর্তন চান, নির্বাচনে আসতে হবে। নির্বাচনে যদি আসতে চান, তাহলে বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেইভাবে নির্বাচন হবে। যাদের কাছে নালিশ করেন, তাদের দেশে তত্ত্বাবধায়ক আছে?
তিনি বলেন, ফখরুল সাহেবের সেইফ এক্সিট দরকার। যেভাবে লাঠিসোঁটা নিয়ে নেমেছেন। আবারও অগ্নিসন্ত্রাসের আভাস দিচ্ছেন। এটা ভালো নয়। এর পরিণাম শুভ হবে না। আমরা এক্সিট করব না। আমরা ফাইটার। ফাইট করে এসেছি। বন্দুকের নল আমাদের ক্ষমতার উৎস নয়। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসে ষড়যন্ত্র নেই।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ সাতজনকে আসামি করে নিজের গুমের অভিযোগ জমা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ জমা দেন তিনি।
অভিযোগ জমা দিয়ে সালাহউদ্দিন জানান, মামলা করার জন্য আমার আরো আগে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ব্যস্ততা এবং তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে দেরি হয়েছে। এ কারণে যে কাজটা আমি বেশ কয়েক মাস আগে করতে পারতাম, সেটা দেরি হয়ে গেল।
তিনি আরো বলেন, আমি প্রাথমিকবাবে সাতজনকে আসামি করেছি। এর মধ্যে শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ র্যাব পুলিশের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তবে আরো অনেক আসামি রয়েছে যারা বিভিন্ন তদন্তের মাধ্যমে বের হবে যেগুলো আমার পক্ষে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ সময় শেখ হাসিনাসহ গুম-খুনে জড়িত সকলের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায় বিএনপির এই নেতা।
এর আগে, গত ১৫ অক্টোবর গুমসংক্রান্ত কমিশনেও নিজের গুমের অভিযোগ জমা দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, গুমের ঘটনায় এখন পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের সাজা এবং যারা পালিয়ে গেছেন তাদের কমিশনকে খুঁজে বের করতে হবে। এই সরকারের দায়িত্ব সবাইকে আইনের আওতায় আনা।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে সালাহউদ্দিন নিখোঁজ হন। প্রায় দুই মাস পর ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তার সন্ধান পায়।
এরপর সালাহউদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দেশটির ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা করে মেঘালয় পুলিশ। সেই মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে ২০১৮ সালে সালাহউদ্দিন খালাস পান।
ভারত সরকার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে তাকে সেখানেই থাকতে হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধের খবর শুনে হাসপাতালে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। হাদিকে দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন হাসনাত।
শুক্রবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শরীফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।
এরআগে বিকাল ৪টার দিকে হাদিকে দেখতে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে হাদির প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘আল্লাহ আমার ভাইকে বাঁচাইয়া রাখো’।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। কোনো সময়ই না। আমাদের মতাদর্শ যাই হোক না কেন, যে কেউ ভয়ভীতি বা শক্তির আশ্রয় নিলে তাকে একসঙ্গে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আজ বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ২টা ২২ মিনিটের দিকে হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় ডিআর টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তিনটি মোটরসাইকেলে করে দুর্বৃত্তরা আসে। এর মধ্যে একটি মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, হাদিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।
জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রচারণাকালে তাকে গুলি করা হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা গুলি করে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


জুলাই–আগস্টের গণ-আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দায়িত্ব নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা যেমন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন ও ত্যাগ দিয়েছেন, ঠিক একইভাবে চব্বিশে যারা লড়াই করেছেন, তারাও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই যুদ্ধ করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, আর সেই স্বাধীনতা রক্ষাতেই আবার চব্বিশে যুদ্ধ হয়েছে।’
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সক্ষমতা অর্জন করলে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ‘যারা হারিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে তাদের পরিবারের কষ্ট, সুযোগ-সুবিধা ও দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা হবে, যার মূল দায়িত্ব থাকবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা,’ বলেন তিনি।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি অতীতে সরকারে থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একই ধারাবাহিকতায় আগামীতে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোকেও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গণ-আন্দোলনে হতাহতদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই এক বা দুই চোখ হারিয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ‘২০২৪ সালের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। এটি অধিকারহারা মানুষের গণ-আন্দোলন।’
গণ-আন্দোলনে আহতদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এক—রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই—আহতদের যোগ্যতা অনুযায়ী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি পর্যায়ক্রমে সেই দায়িত্ব পালন করবে।’
নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে শোক সমাবেশ ও শোকগাঁথাই চলতে থাকবে। তবে গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অহেতুক প্রলাপে প্রতীয়মান হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের কেউ কেউ সুকৌশলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনকে অনিরাপদ করে তুলতে চায়। অবিলম্বে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশে-বিদেশে তার অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেশের জনগণের সামনে হাজির করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আপনি এমন একজন ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বানিয়েছেন দেশের জন্য যার কোনো দৃশ্যমান অবদান নেই। তিনি তো বাংলাদেশের জন্য নন, বিদেশের জন্য কাজ করবেন।
গত বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে রিজভী বলেন, খলিলুর রহমান যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গটি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক। ‘ধান ভানতে শিবের গীত’ গাওয়ার মতো ড. খলিলুর রহমান বলেন, কেবল আমি আমেরিকায় থেকেছি বলে আমাকে যদি বলা হয় আপনি বিদেশি নাগরিক, তাহলে কাল তারেক রহমান সাহেবকেও সে কথা বলতে হবে। আমাকে ঢিল নিক্ষেপ করলে সেই ঢিল কিন্তু অন্যের ওপর গিয়েও পড়তে পারে।
রিজভী বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এহেন বক্তব্য নিঃসন্দেহে আত্মগরিমার প্রদর্শন এবং দুরভিসন্ধিমূলক। খলিলুর রহমান তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট, জনসাধারণকে বিভ্রান্ত এবং মানুষের মাঝে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার হীন উদ্দেশ্য নিয়েই এই বক্তব্য রেখেছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক বিভ্রান্তিকর।
মন্তব্য করুন


সরকারপ্রধান বলেন ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ঐতিহাসিক একটি নির্বাচন করতে চান। সেই বিবেচনায় আমরা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন মেনে নিয়েছি। তবুও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ফেব্রুয়ারি মাস যেন কোনোভাবে ক্রস না করে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এক প্রতীকী যুব সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এসব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, যথাসময়ে, সঠিক সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে। ফ্যাসিবাদ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। আপনারা লক্ষ্য করবেন দেশের ভেতরে এবং দেশের বাইরে ফ্যাসিবাদ ও তার দোসররা মিডিয়াতে যেভাবে কথা বলছে, যেভাবে চলাফেরা করছে, সেটা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ।
তিনি বলেন, স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়েছে তার মানে এই নয় আমরা সবকিছু অর্জন করে ফেলেছি। স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়েছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, স্বাধীনতা, অধিকারের জন্য। যদি সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা না যায় তাহলে অধিকারও প্রতিষ্ঠা হবে না। আর সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু, ভালো নির্বাচন হওয়া দরকার।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নির্বাচন হতে হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা জানে, দেশের পর্যবেক্ষক, দেশের মানুষ জানে ডিসেম্বরেই নির্বাচন করা সম্ভব ছিল। তারপরেও সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ঐতিহাসিক একটি নির্বাচন করতে চান। সেই বিবেচনায় আমরা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন মেনে নিয়েছি।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, শেখ হাসিনা গত তিনটি নির্বাচনে দেশের মানুষকে ভোট দিতে দেয়নি। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। সে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল। দেশে গণহত্যা চালিয়েছে। তার বিচার এবং দেশের সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচন হতে হবে। দেশে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি বলেন, কেউ যদি নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে টালবাহানা করে, তাহলে বুঝতে হবে তারা ফ্যাসিবাদকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে চাইছে। তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক করতে হবে।
মন্তব্য করুন