

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন চাই না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। শনিবার বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা গত ছয় মাসের বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানান আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেন, "সারা বাংলাদেশসহ আমরা নেতা-কর্মীরা এ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছি। আন্তর্জাতিক সমাজ দাঁড়িয়েছে, জাতিসংঘ দাঁড়িয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার এই সরকারকে নিয়ে যে ষড়যন্ত্র করেছিল, বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছিল, জাতিসংঘের রিপোর্ট আসার পর তা অনেকটাই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। আমাদের এই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছে, তাদের আত্মত্যাগকে আমাদের কর্মকাণ্ডে কোনোভাবেই যেন অপমানিত না করা হয়।"
তিনি আরও বলেন, "আগামী ৬ মাস কীভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করব, যে কমিশনগুলো কাজ করেছে, তারা কীভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে, আমাদের কী কী প্রস্তাব আছে সেগুলো নিয়ে কীভাবে বিস্তারিত আলোচনা করব, এই ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা কথা বলেছেন।"
কোনো কোনো নির্বাচন তড়াতাড়ি চায় বলে জানান তিনি। জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান বলেন, "স্থানীয় নির্বাচন দিলে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে মারামারির সম্ভাবনা আছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনেক বেশি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গ্রাউন্ড রিয়েলিটি আলাদা। আওয়ামী লীগকে গ্রাউন্ড রিয়েলিটি মেনে নিতে হবে। এই সন্ত্রাস কোনোভাবে যাতে না হয়, পরিবেশ যেন স্থিতিশীল থাকে। কোনো সংস্কার যাতে জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত না করে। আবার অনেক রাজনৈতিক দল বলেছে যে, স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে ভালো হবে। আমরা পাশে ছিলাম এবং সামনেও পাশে থাকব। এতগুলো আত্মত্যাগ যেন কোনোভাবে নষ্ট না হয়। এই অর্জনটা কোনো সাধারণ অর্জন নয়। আমাদের নিজেদের স্বার্থে এটাকে যেন কোনোভাবে ক্ষুণ্ণ না করা হয়। আগামীতে সিরিজ মিটিং হবে, সেটিও আমাদের জানানো হবে।"
বর্তমান সরকারের ছয় মাসের কর্মকাণ্ডে তিনি সন্তুষ্ট কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, "আমরা সন্তুষ্ট, আমরা সরকারের পাশে আছি। সরকারের কী ভুল হচ্ছে, আবার কী হচ্ছে না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। আমি মনে করি, এটা জনগণের সরকার।"
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন পেছানোর কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, নির্বাচন তো নির্বাচনের জায়গায়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নাই। সবচেয়ে বেশি নির্বাচন যিনি চাইবেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রবর্তনের জন্য, তিনি হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা আগামী নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না উল্লেখ করে খসরু বলেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণ যেন নির্বাচিত সরকার গঠন করতে পারে সেই চাওয়া সবচেয়ে বেশি ছিল বেগম জিয়ার।
বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে উল্লেখ করে আমীর খসরু আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সঙ্গে নির্বাচন পেছানোর সম্পর্ক নেই, কারণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনিই সব সময় সংগ্রাম করেছেন। তার বিদেশে চিকিৎসার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলেই তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘উনি যে অবস্থায় থাকুক, উনি চাইবেন বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত সংসদ ও সরকার গঠন করুক, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা ফিরে আসুক, বাংলাদেশের মানুষ আবার তাদের তাদের মালিকানা ফিরে পাক। যদি সবচেয়ে বেশি কেউ চেয়ে থাকে (নির্বাচন) সেটা হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নটা আসছে কোথা থেকে?’
মন্তব্য করুন


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্য প্রচার করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘যতই সময় যাচ্ছে, ততই পুরোপুরি একটি নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা দেখছি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই প্রোপাগান্ডা ও মিথ্যা প্রচার দিয়ে বাংলাদেশে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে।’
রবিবার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব উপলক্ষে একই স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফখরুল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, আজ তারই উত্তরসূরি তারেক রহমানও সুদূর প্রবাস থেকে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে সংগ্রামের ধারাবাহিকতা গড়ে উঠেছিল, সেটিই আজ অব্যাহত রেখেছেন তারেক রহমান। জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তিনি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন এবং দ্রুতই দেশকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে যান, যেখানে পূর্বে যেভাবে বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ বলা হতো, সেখান থেকে তিনি দেশকে সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্তে তুলে ধরেন। তার আমলেই শুরু হয় বাংলাদেশের পুনর্জাগরণ, একটি ইমাজিন টাইগার হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনা।”
তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর এই দিনটি রাজনীতিতে গুরুত্বপুর্ণ। ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়।
দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীরা শহীদ প্রেসিডেন্টকে বন্দি করে রেখেছিল। সেই অবস্থা থেকে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ তাকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। এরপরই ইতিহাসে শুরু হয় বাংলাদেশের সাফল্যের নতুন অধ্যায়।’
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যারা শঙ্কা প্রকাশ করেছ, তারা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি নয়- এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনের বিপক্ষে বক্তব্য দেবে, তাদের বাংলাদেশের জনগণ রুখে দেবে।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য, ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সংকল্পবদ্ধ। এর বিপক্ষে যারাই ইনিয়ে-বিনিয়ে কোনো ধরনের বক্তব্য দেবে, যারাই বিভিন্ন রকমের কু-যুক্তি উত্থাপন করে গণতন্ত্রের এই যাত্রাপথকে কণ্টকাকীর্ণ করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ রুখে দাঁড়াবে। আমরা বিশ্বাস করি, আশা করি- বাংলাদেশের জনগণ ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যেকোনো রকমের বাধাকে অতিক্রম করতে সংকল্পবদ্ধ।’
আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দোয়া মাহফিল ও সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আজকে যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছে, তারা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি নয়। তারা বাংলাদেশের মানুষের পক্ষের শক্তি নয়। তারা হয়ত কোনো না কোনো কারণে নিজের কথাগুলোই ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছেন। যাতে করে নির্বাচনকে বিলম্বিত করা যায় অথবা বানচাল করা যায়। কিংবা নির্বাচন অনুষ্ঠান না হোক সেটা চায়।’
রাজনৈতিক দল ও শক্তির উদ্দেশ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আপনারা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে, সেই একই রকমের ঐক্য নিয়ে আসুন- আগামী নির্বাচনের জন্য সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে যেভাবে আমরা নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারি, সেইভাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি, আলাপ-আলোচনা করি এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সহজতর করি।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে করতে আজও বাংলাদেশের মানুষের জন্য আলোর দিশারি হয়ে বেঁচে আছেন। তার ৮১তম জন্মদিন। আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করি, বাংলাদেশের মানুষের সামনে আলোর দিশারি হিসেবে পথপ্রদর্শক হিসেবে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা কবজ হিসেবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে আরও দীর্ঘায়ু করুন, শতায়ু করুন।’
সালাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের সমসমায়িক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে আমরা সমস্ত বিষয়ে দিক-নির্দেশনা পাচ্ছি বেগম খালেদা জিয়ার কাছ থেকে। তিনি নির্দেশনা দিয়েছিলেন আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণতন্ত্রের উত্তরণের পথকে সহজতর করতে হবে। তার সেই নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি অনেকবার, সমস্ত গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর সঙ্গে আমরা আলোচনা অব্যাহত রাখছি।
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় ঐকমত্যের মধ্য দিয়ে একটি সুষ্ঠু সুন্দর শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষমাণ, সারা জাতি অপেক্ষমাণ। আমরা সেই গণতন্ত্রের জন্য অপেক্ষমাণ, যেই গণতন্ত্রের জন্য আমাদের সন্তানেরা শহীদ হয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, অন্ধত্ববরণ করেছেন। আমরা অবিরাম ১৬-১৭ বছরের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রের জন্য আমরা অপেক্ষমাণ।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘এই গণতন্ত্রকে যদি আমরা বিনির্মাণ করতে চাই অত্যন্ত শক্তিশালী হিসেবে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চাই সাম্যের ভিত্তিতে, তাহলে এই গণতন্ত্রের জন্য আমাদেরকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই জাতীয় ঐক্যকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে।’
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে সংগঠনের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব বক্তব্য দেন। এছাড়া দোয়া মাহফিলে যুবদলের রেজাউল কবির পল, বেলাল হোসেন তারেক, মহানগরের খন্দকার এনামুল হক এনাম, শরীফ উদ্দিন জুয়েল, রবিউল ইসলাম নয়ন, সাজ্জাদুল মিরাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেশ কিছু কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেছেন, অনেক ক্ষেত্রে কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায় হতে পারে। তবে বিদ্যমান ত্রুটিগুলো দ্রুত সমাধান করলে এই কমিশনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ইসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জকরিয়া। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভোটারদের কাছে পৌঁছানো পোস্টাল ব্যালটগুলো ত্রুটিপূর্ণ। নির্দিষ্ট একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ব্যালট তৈরি করা হয়েছে।
অনতিবিলম্বে প্রতীক সংবলিত সঠিক ব্যালট পেপার সরবরাহ করতে হবে।’ এ ছাড়া ভোটারদের এনআইডি, বিকাশ নম্বর এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহের তীব্র সমালোচনা করে তিনি এর উদ্দেশ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।
প্রচারণার ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আচরণবিধি ভঙ্গ করে একতরফা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে বারবার অভিযোগ দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ভোটার স্থানান্তর করা হয়েছে। কারা এবং কেন এই স্থান পরিবর্তন করেছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চেয়েছি আমরা।’
কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যালট পেপারসহ নির্বাচন প্রক্রিয়ার সব কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করতে হবে।’
আমরা মনে করি এই কমিশন দিয়েই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তবে এর জন্য কমিশনকে তাদের ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এ দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষায় গুণগত মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাচ্চাদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। এজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে পড়াশোনার খরচ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
ড. বিধান রঞ্জন রায় জানান, পরিমার্জন এবং টেন্ডার বাতিলের কারণে কিছু ক্লাসে বই বিতরণে বিলম্ব হয়েছে। তবে জানুয়ারির মধ্যেই প্রাথমিকের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির সব বই বিতরণ সম্পন্ন হবে।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপের পরিচালক ফরিদ আহমেদ, উপপরিচালক সাদিয়া উম্মুল বানিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। পরে তিনি দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত দল নিয়ন্ত্রণ করেছে, দেশও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের রুকন সম্মেলনে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘পৃথিবীর একমাত্র অসাম্প্রদায়িক ধর্ম ইসলাম। আমরা ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সবার সহযোগিতা চাই।’
জামায়াত নেতাদের কোনো বেগম পাড়া বা পিসি পাড়া নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের একজন নাগরিকের প্রতিও অবিচার করেনি জামায়াত। জামায়াত যেমনি দল নিয়ন্ত্রণ করেছে, যেমনি দেশও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।’
গত সাড়ে ১৫ বছরে দেশ বিচারের নামে প্রহসন দেখেছে বলেও অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতের রাজনীতি হবে মানুষ ও মানবতার কল্যাণে। ইসলাম ও দেশপ্রেমিক সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই আমরা।’
মন্তব্য করুন


আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণের সঙ্গে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে নিজের দেশে ফেরা নিয়েও তথ্য দিয়েছেন তিনি। যদিও দেশে ফেরার বিষয়ে নির্দিষ্ট দিন তারিখের কথা তিনি জানাননি।
তারেক রহমান কেবল বলেছেন, ‘কিছু সঙ্গত কারণে এখনো হয়তো দেশে ফেরা হয়ে ওঠেনি। তবে সময় তো চলেই এসেছে মনে হয়। ইনশাআল্লাহ, দ্রুতই ফিরে আসব।’
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আজ সোমবার সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব প্রকাশ করা হয়।
প্রায় ৫০ মিনিটিরে সাক্ষাৎকারে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, গণঅভ্যুত্থানের ১ বছর পেরিয়ে গেছে, অনেকের ধারণা ছিল শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আপনি দেশে এসে স্বশরীরে দলের নেতৃত্ব দেবেন, গত এক বছর বারবার প্রশ্নটি আসছে এখনো আসছে- আপনি এখানো দেশে ফিরেননি কেন? কবে দেশে ফিরবেন সেটা আমরা কি জানতে পারি?
এর জবাবে তারেক রহসান বলেন, ‘‘ফিজিক্যালি (শারীরিকভাবে) আমি এই দেশে (ব্রিটেনে) রয়ে গেলেও মন–মানসিকতার দিক থেকে আমি বিগত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশেই আছি। তবে সময় তো চলে এসেছে মনে হয়, ইনশাআল্লাহ দ্রুতই ফিরে আসব।’
নির্বাচনের আগেই দেশে আসবেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন বলেন, ‘রাজনীতি যখন করি, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বলি-নির্বাচনের সঙ্গে, রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতি কর্মীর ওতপ্রোত সম্পর্ক। কাজেই যেখানে জনগণের প্রত্যাশিত একটি নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচন থেকে কীভাবে দূরে থাকব? আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইচ্ছা থাকবে, আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে, তখন জনগণের সঙ্গে, জনগণের মাঝেই থাকব।’
আপনি না আসার পেছনে আপনার দলের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ নিরাপত্তার শঙ্কার কথা বলেছেন, আপনি কি কোনাে ধরনের শঙ্কা বোধ করেছেন, এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের শঙ্কার কথা আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে শুনেছি। সরকারেরও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অনেক সময় অনেক শঙ্কার কথা বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সময় সংবাদকে বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন ছাড়া কোনো উপায় নেই। যারা নির্বাচন বয়কট কিংবা বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
গত মে মাসে লন্ডনে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে একটি ধারণা উঠে আসে। এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
সেই পথে এবার হাঁটলো নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ্বে হচ্ছে নির্বাচন।
নির্বাচনী রোডম্যাপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। সময় সংবাদকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন দেয়ার কোনো বিকল্প নেই।
যারা নির্বাচনে বাধা দেয়া কিংবা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা হটকারী সিদ্ধান্ত নেবে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু।
গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আগেও সহযোগিতা করেছে, সামনেও সব ধরণের সহায়তা করবে বলেও আশ্বস্ত করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় পর দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে তিনি নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন। এ সময় রাস্তার দুইপাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানান তারেক রহমানকে। পরে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানিয়ে বরণ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তারা।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে দলীয় কার্যালয়। দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী সকাল থেকেই নয়াপল্টন এলাকায় জড়ো হয়েছেন। তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে।
দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। সিএসএফ ঘিরে রেখেছে পুরো কার্যালয়। এছাড়াও পুরো নয়াপল্টন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে কঠোর নজরদারি। এর আগে র্যাবের ‘ডগ স্কোয়াড’ দিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "আমাদের এই দেশটি বহু যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে। এমন একটি দেশ পৃথিবীতে খুব কমই রয়েছে। তবে, যারা গত ১৫ বছর ধরে এই দেশ শাসন করেছেন, তারা এই দেশকে নিজেদের ইচ্ছেমতো সাজাতে পারেননি।"
তিনি আরো বলেন, "তারা দেশের জন্য কিছু করেনি, বরং নিজেদের সাজানোর কাজ করেছে। দেশের মানুষের হাতে কাজ তুলে দেওয়ার পরিবর্তে, তারা জনগণের রিজিক ছিনিয়ে নিয়েছে। লাখ লাখ বেকারের মিছিলে জনগণ পিষ্ট হয়ে গেছে। এই সর্বনাশের জন্য বিগত সরকার দায়ী।"
তিনি বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল মোড়ে জামায়াতের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শফিকুর রহমান বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের হাতে কলমের পরিবর্তে গুন্ডাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। দেশের মানুষের খাটুনির টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এখন অনেকে প্রশ্ন করছে, আওয়ামী লীগ কি নির্বাচনে আসবে? আমি বলি, যারা গণহত্যা করেছে, যারা দেশের মানুষের কেনা অস্ত্র দিয়ে তাদের বুকে গুলি করেছে, তারা কি এই দেশের রাজনীতি করার অধিকার রাখে? স্বৈরাচারী শাসক পালিয়ে গেলেও শান্তি দিতে চায় না। তারা সমাজ এবং দেশকে অস্থির করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা এই দেশকে ভালোবাসি এবং এটি গড়ে তুলতে চাই। আমরা এমন একটি সমাজ এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই যেখানে দুর্নীতিবাজ ও দখলদারদের স্থান থাকবে না। এমন সমাজ চাই যেখানে আমাদের মা-বোনেরা সম্মানের সাথে ঘর ও বাইরে চলতে পারবে।"
জামায়াতের আমির বলেন, "আমরা চাই এমন একটি সমাজ, যেখানে যুবকরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। আমরা এই সমাজ গড়তে হাত মিলিয়ে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য মানুষকে আদালতের দরজায় কাঁদতে হবে না। বরং আদালত তাদের দায়িত্ব নিয়ে ন্যায়বিচার প্রদান করবে।"
তিনি আরও বলেন, "এ জন্য আপনাদের বৃহত্তর কোরবানির জন্য, জিহাদের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। মানুষের মুক্তি অর্জন না হওয়া পর্যন্ত, সাম্যের ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি দেশ এবং জাতি গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।" তিনি ন্যায়সঙ্গত কাজে সকলকে পাশে থাকার এবং সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম মুকুল প্রমুখ।
মন্তব্য করুন