

কুমিল্লায়
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে দুস্থদের মাঝে
খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার
দুপুরে পুলিশ লাইন এ বি এম আব্দুল হালিম অডিটোরিয়ামে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির কুমিল্লা জেলার সভাপতি অর্পনা
বৈদ্য, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির কুমিল্লা জেলার সহ-সভাপতি, মুইসাংউ মারমা, পুলিশ নারী
কল্যাণ সমিতির সদস্য লুবনা জামান।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্থ ও প্রশাসন মংনেথোয়াই মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার ক্রাইম এন্ড অপস্ খন্দকার আশফাকুজ্জামান বিপিএম, সহকারি পুলিশ সুপার শিক্ষানবিশ
নুসরাত ইয়াসমিন তিশাসহ কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সকল সদস্যগণ।
মন্তব্য করুন


গরমের তীব্রতা বাড়ায় শনিবার (২০ এপ্রিল)
থেকে দেশজুড়ে চলছে তিন দিনের হিট অ্যালার্টের সতর্কতা।
তাপপ্রবাহ নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন গত এক বছরে নিজেদের কাজ তুলে ধরে বলেন, গত বছর হিট মওসুমে
নিয়োগ হওয়ায় তখন বেশি কাজ করতে পারেননি। কাজ শুরু করলে রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। আস্তে
আস্তে এই পরিবর্তনের ফল পাওয়া যাবে। দায়িত্ব
পেয়ে আমরা বসে নেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় যত দ্রুত সম্ভব আমরা
তা নিয়েছি। নগরবাসীর সচেতনতা বাড়াতে ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চলছে। নগরে গাছ লাগানোর
পাশাপাশি তার পরিচর্যা নিশ্চিত করার বিষয়টিও আমরা দেখছি।
এ ছাড়াও নগরের তাপমাত্রা ও দূষণ কমাতে
‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ (দুটি বন করার চেষ্টা) তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কল্যাণপুর ও বনানীতে
পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আমরা নগর বন তৈরি করতে যাচ্ছি। যা একই সঙ্গে শীতলীকরণ, বায়ুদূষণ
রোধ এবং মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ আরও কিছু সরকারি-বেসরকারি ও
এনজিওর সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছি।
ঢাকায় পানীয় জলের সুব্যবস্থা বাড়ানোর
জন্য চেষ্টা করছি। পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘কুলিং স্পেস’ এর ব্যবস্থা করার
জন্য সিটি করপোরেশনকে পরামর্শ দিয়েছি। যেন পথচারীরা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পান। ঢাকার
অন্যতম প্রবল ঝুঁকিপূর্ণ বস্তির জনগোষ্ঠী। তাদের মধ্যে তাপপ্রবাহের ভয়াবহ চিত্র তুলে
ধরার চেষ্টা করছি। তাদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এর পাশাপাশি
বস্তি এলাকায় গাছ লাগানোর মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এখন তারাই গাছের রক্ষণাবেক্ষণ
করছেন। ‘গত বছর আমরা শহরের অনুন্নত অন্তত ১৫টি এলাকায় সবুজায়ন প্রোগ্রাম করেছি। যেখানে
পাঁচ হাজারেরও বেশি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক
গরম থেকে বাঁচতে চিফ হিট অফিসার বুশরার পরামর্শ-
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন বলেন, আমি
চাইলেও একরাতে সব পরিবর্তন করে দিতে পারবো না। গরমে বেশি বেশি পানি পান ও শরীরের প্রতি
নজর রাখতে হবে। যেহেতু এমন গরম আগে বাংলাদেশে ইতিহাসে হয়নি, তাই এই পরিস্থিতি মানিয়ে
নিতে আগের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। ব্যাগে পানির বোতল, হাতপাখা, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখা
জরুরি এখন। মাথায় টুপি পরলেও সমস্যা কিছু এড়ানো সম্ভব। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে
বের না হওয়াই ভালো। সবাইকে তরল খাবার খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই গরম জনিত
রোগ কিছুটা হলেও এড়ানো সম্ভব। তবে নগরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের অবশ্যই
আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং পরিবেশ বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।
আর এদিকে তীব্র গরমে সারা দেশে আরও
৩ দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
মন্তব্য করুন


ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলার লালমোহনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সাফল্য প্রচার এবং আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার জয় নিশ্চিত করার লক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে লালমোহন উপজেলার ধোলীগৌরনগর ইউনিয়ন এর সাতবারিয়া গ্রামে আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভোলা- ৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
এসময় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। দেশের মানুষের ভগ্যোন্নয়ন হয়েছে। তাই দেশ ও জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও শেখ হাসিনা কে রাষ্ট্র ক্ষমতায় রাখতে হবে।
এসময়
লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী
লীগের সহ-সভাপতি দিদারুল ইসলাম অরুণসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরে চলতি বছরের জুলাই মাসের উপকারভোগীদের মাঝে টিসিবি পন্য বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে শহরের পুরান বাজরস্থ শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের মাঠে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।
এসময় পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুর জেলায় ১০৬ টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুর
জেলার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামী রেশমা আক্তার (২২) কে চট্টগ্রাম মহনগরীর
বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
ভুক্তভোগী
ভিকটিম নিহত আনোয়ার হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানাধীন লাহারকান্দি ইউপিস্থ কুতুবপুর
গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে নিহতের পরিবার এবং তার ভাইয়ের পরিবারের
মধ্যে পূর্ব হতে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত জমিজমার বিষয় নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক
হয় কিন্তু নিহত ভিকটিমের ভাইয়ের পরিবার উক্ত সালিশ না মেনে প্রায় সময়ই নিহতের পরিবারকে
প্রাণে হত্যা করার হুমকি দিয়ে আসছিল। উক্ত হত্যার ঘটনায় বাদী এবং বিবাদী একই পরিবারের
সদস্য হওয়ায় তারা একই রাস্তা দিয়ে চলা করত। ঘটনার দিন বিবাদী মাহমুদ রোমান একটি সিএনজি
যোগে রাস্তা দিয়ে বাড়ি আসার সময় ভুক্তভোগী ভিকটিম নিহত আনোয়ার হোসেন এর ছেলে বেল্লাল
হোসেনকে দেখতে পেয়ে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে। তখন বেল্লাল হোসেন মাহমুদ
রোমানকে গালমন্দ না করার জন্য অনুরোধ করেন কিন্তু এতে মাহমুদ রোমান তার উপর ক্ষীপ্ত
হয়ে উঠে। একপর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বিবাদীর পরিবারের সবাই লোহার রড, ইট, লাঠি
এবং দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরস্পর যোগসাজসে বেল্লাল হোসেন এর শরীরের বিভিন্ন
স্থানে আঘাত করে এতে বেল্লাল হোসেন রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে
এবং চিৎকার করতে থাকে। এসময় ছেলের চিৎকার শুনে বাবা আনোয়ার হোসেন ঘটনা স্থলে পৌছে ছেলেকে
রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় দেখে বিবাদীদেরকে মারাধোর করতে বাধা দেয়। তখন ধৃত
আসামী রেশমা আক্তার ইট দিয়ে আনোয়ার হোসেনের বুকের উপর উপর্যপুরি আঘাত করলে সেও রক্তাক্ত
ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পরে তখন বিবাদীরা সবাই ঘটনাস্থান থেকে পালিয়ে
যায়।
পরবর্তীতে
স্থানীর লোকের সহযোগীতায় রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় আনোয়ার হোসেন এবং তার ছেলে
বেল্লাল হোসেনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেনের
অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়ার
জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। গত ২৩ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ আনোয়ার হোসেনকে মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে
নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে বুকের ব্যাথায় ছটপট করতে থাকলে তাৎক্ষণিক
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গত ২৪ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ আনোয়ার
হোসেনকে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনায় গত ২৫ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ নিহতের সন্তান বাদী হয়ে
লক্ষ্মীপুর জেলার লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় ৫ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামী করে
একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৫৬ তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৩ইং, ধার-১৪৩/৪৪৭/৩২৩/
৩২৫/ ৩০৭/৩০২/৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০।
এরই
প্রেক্ষিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, উক্ত মামলার এজাহারনামীয়
অন্যতম পলাতক আসামী রেশমা আক্তার (২২) আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট গ্রেফতার
এড়ানোর লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর থেকে এসে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অবস্থান
করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৫ আগষ্ট ২০২৩ ইং তারিখ র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি
আভিযানিক দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম প্রধান
পলাতক আসামী রেশমা আক্তারকে আটক করে। আটককৃত আসামী হলো: রেশমা আক্তার (২২), পিতা- এনায়েত
উল্ল্যাহ, সাং- কুতুবপুর, থানা- সদর, জেলা- লক্ষ্মীপুর।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২২ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার রাতে কোতয়ালী মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ ইয়ামিন সুমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমড়াতলী ইউপি কৃষ্ণপুর গ্রামস্থ ফজল মাষ্টারের বাড়ীর উত্তর পাশে পুকুর পাড়ে ২২ কেজি গাঁজাসহ মোঃ মনিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার কৃষ্ণপুর (মাষ্টার বাড়ী) গ্রামের মৃত আবুল ফজল মাষ্টার এর ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪১)।
উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজের নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার(১৫নভেম্বর) থেকে ২০২৪ সালের সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার (হজ এজেন্সি) হজযাত্রীরা ১৫ই নভেম্বর থেকে আগামী ১০ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে পারবেন।
আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ নিবন্ধনের ক্রমিক হল ৯১০০৯৬।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ই জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই চলতি বছরের মতো আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। তার মধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটায় ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।
সরকারি ভাবে আগামী বছর হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।
অপরদিকে বেসরকারি ভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা খরচ হবে ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রাজনসহ সরাসরি জড়িত সাতজনকে গত রাতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে মাদক কারবারে জড়িত রাজন। গত ২৮ জুন গ্রেপ্তার হন তিনি। তার ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে ব্যবসায়ী সাইফুলের হাত রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়েই তিনি সাইফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সাইফুল সম্প্রতি পশ্চিমের একটি দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এজন্য তাড়াহুড়া করে রাজনের নেতৃত্বে জানে আলম, সুমন, লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীবসহ ১০-১২ জন সাইফুল দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেজুরবাগ স্কুল রোডে ওৎ পেতে থাকেন।
রোববার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় খেজুরবাগ স্কুল রোডে পৌঁছালে পথরোধ করে ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট, ব্যাটন, লোহার রড় ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে রাজন পাশের একটি দোকান থেকে কাঁটা চামচ নিয়ে সাইফুলের চোখ নৃশংসভাবে উপড়ে ফেলেন।
সাইফুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৩০ জুলাই রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গত রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. রাজন হোসেনসহ (৩১) সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন– জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), সরোয়ার আকন্দ (২৬) এবং মো. সজীব (২৯)। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুচালো লোহার রড, একটি ভাঙা ক্রিকেট ব্যাট, একটি ব্যাটন ও ছয়টি মোবাইল ফোন।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এবং সাতপাখি রোডে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন।
তিনি আরো বলেন, সাইফুল ছিল এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতেন। তিনি বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মাদক করবার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও অন্যান্যরা সাইফুলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাজন গত ২৮ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ধারণা করে যে, তার গ্রেপ্তারের পেছনে সাইফুলের হাত রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও তার মা আগে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনেও সাইফুলের হাত রয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।
গ্রেপ্তার রাজন গত ১৯ জুলাই মুক্তি পেয়ে গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিম সাইফুলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং গত ৩০ জুলাই রাতে সাইফুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
র্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। গ্রেপ্তাররা এলাকায় মাদক কারবার ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন বলে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাজন স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজ পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি, গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ পাঁচটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার জানে আলম রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী জানে আলম। হত্যাকাণ্ডের সময় জানে আলম ভিকটিম সাইফুলকে ব্যাটন দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তার বিরুদ্ধেও অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার সুমন কাঠ কাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সুমন। তিনি ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের সহযোগী ছিলেন। গ্রেপ্তার লিটন মুদ্রাক্ষরিক, গ্রেপ্তার দিপু ও সজীব জাহাজ ভাঙার শ্রমিক এবং সরোয়ার রং মিস্ত্রির কাজ করেন। এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার রাজনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায়।
হত্যাকাণ্ডের সময় গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে
যমুনার চরাঞ্চল শুকিয়ে জেগে উঠেছে যমুনার বুকে ধূসর বালুচর। আর এই বালুচরে অধিক
লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। ইতিমধ্যে বাদাম গাছের সবুজ
পাতায় ছেয়ে গেছে পুরো বালুচর। বালি মাটির নিচে রোপন করা এ বাদামই যেন চরাঞ্চলের
কৃষকদের এখন লাভবান হওয়ার স্বপ্ন।
গত বছর বাদামের বাম্পার
ফলন হওয়ায় এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বাদাম ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন
দেখছেন যমুনা চরাঞ্চলের কৃষক। যমুনা বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ধুধু বালুচরে সারিবদ্ধ
বাদাম ক্ষেত দেখে চোখ জুড়ে যায়। বাদাম গাছ ভাল হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখে আশার আলো
জ্বলছে।
বাদাম চাষিরা বলেন,
প্রতি বছর বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে আমরা বন্যা পরবর্তী
সময়ে জেগে উঠা চরে বাদাম চাষ করি। কারণ অল্পদিনে বাদাম চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া
যায়। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।
গাবসারা চরাঞ্চলের
বাদাম চাষি গফুর মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৮ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ভালো লাভবান
হয়েছিলাম। বাদামের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর আমি প্রায় ১২ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ
করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছরেও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।
সুস্বাদু, মুখরোচক ও
ভিটামিন সমৃদ্ধ এই ফসল একদিকে যেমন খাদ্যে যোগান দিয়ে থাকে অন্যদিকে তেলের চাহিদা
পূরণ করে। বাদাম ক্ষেত থেকে কচিপাতা কেটে কৃষকরা তাদের গরু-ছাগলের খাওয়ান। এতে
গরু-ছাগল তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্যবান হয়। তাছাড়া অন্য ফসলের মতো বাদামের জমিতে তেমন
একটা সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। শুধু সময়মতো বীজ বুনে বাদাম ঘরে তোলার জন্য
অপেক্ষায় থাকতে হয়। বীজরোপণে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তুলে সংগ্রহ ও
হাট-বাজারে বিক্রি করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি
কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর যমুনা চরাঞ্চলে ১ হাজার ৩২০
হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চরাঞ্চলের বাদাম
চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বাদামের বীজ বিতরণ করেছি। বাদামের ফলন ভালো করার
জন্য আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত
পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর
বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ।
বুধবার
(২১ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র) শফিক উল্লাহ, সঙ্গীয় অফিসার
ও ফোর্সসহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, সীমান্তবর্তী
এলাকা হতে ২ জন মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ে পায়ে হেঁটে নাইঘর নোয়াপাড়ার দিকে আসছে।
এসআই (নিরস্ত্র) শফিক উল্লাহ, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ উক্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পলাতক আসামীদ্বয়ের বহনকৃত বস্তা ফেলে রেখে আসামীদ্বয় দৌঁড়ে
পালিয়ে যায়। আসামীদ্বয়ের ফেলে যাওয়া দুইটি সাদা রঙের প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতর তল্লাশী
করে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
উক্ত
ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং-২৯, তারিখ-
২০/৯/২০২৩ইং ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণি ১৯(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবি ও চৌদ্দগ্রাম থানাধীন সৈয়দপুর এলাকা হতে ৬১ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০২ ডিসেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর রাচিয়া গ্রামের মৃত চারু মিয়া এর ছেলে মোঃ তোতা মিয়া (৬৫)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০২ ডিসেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন সৈয়দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: ১। বরগুনা জেলার সদর থানার হাজারবিঘা গ্রামের মোঃ কুদ্দুস হাওলাদার এর ছেলে মোঃ সজল (২০); ২। সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার ব্রাহ্মণগাও গ্রামের মোঃ জোয়াদ আলী এর ছেলে মোঃ ইলিয়াস (২০) এবং ৩। লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার চর আফজল গ্রামের মোঃ কামাল এর ছেলে মোঃ শাকিল (১৯)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বরগুনা, সুনামগঞ্জ, লক্ষীপুর, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী তোতা মিয়া’এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় এবং সজল (২০), ইলিয়াস (২০) এবং শাকিল (১৯) দের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন