

বিনোদন ডেস্ক:
ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ভিকি কৌশল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ক্যাটরিনা কাইফকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি দারুণ আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের দাম্পত্য জীবন এখন তিন বছরে পা রেখেছে। এই তিন বছরে স্ত্রী ক্যাটরিনাকে নিয়ে তিনি অত্যন্ত সুখী। সম্প্রতি ভিকি তার স্ত্রীর প্রশংসায় ইন্টারনেটে একটি পোস্ট করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
ভিকি কৌশল বলেন, “দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়, যা খুবই মূল্যবান।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত ভালোবাসা মানে একে অপরের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকগুলো মেনে নিয়ে চলা। ক্যাটরিনা এমন একজন মানুষ, যিনি আমার বাস্তবতাকে উপলব্ধি করান। তিনি সবসময় আমাকে বলেন, ‘এটা আরও ভালো হতে পারে, ওটা আরও ভালো হতে পারে।’ এমন একজন জীবনসঙ্গীকে পেয়ে আমি ধন্য, যিনি সবসময় আমার সঙ্গে সৎ থাকেন। তার দৃঢ়তা, প্রতিভা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে যে পথ তিনি তৈরি করেছেন, তা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।”
ক্যাটরিনাকে নিয়ে আরও বলার সময় ভিকি বলেন, “আমি সবসময় ক্যাটরিনাকে সম্মান করব। তিনি কেবল একজন সুপারস্টারই নন, তার মধ্যে এক সুপারস্টারের হৃদয়ও রয়েছে। এ কারণেই আমি তার প্রেমে পড়েছি। আমি মনে করি, এমন একজন মানুষকে পেয়ে আমি ভাগ্যবান, যিনি আমার জীবনের ছোটখাটো সমস্যাগুলোর সমাধান করেন।”
ভিকির এই মন্তব্যগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। একজন লিখেছেন, “একজন সুপারস্টার এতটা বিনয়ী হতে পারে, সেটা কল্পনাই করা যায় না।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “নিজের স্ত্রীর প্রশংসা এভাবে করা সত্যিই সহজ নয়।” তৃতীয় একজন লিখেছেন, “ভিকি, তুমি দারুণ মানুষ। তবে এর কৃতিত্ব তোমার মা-বাবারও প্রাপ্য।”
ভিকি কৌশলকে শীঘ্রই লক্ষ্মণ উতেকারের মহাকাব্যিক অ্যাকশন-ড্রামা ছাওয়া ছবিতে দেখা যাবে। এতে আরও অভিনয় করেছেন রাশমিকা মান্দানা, অক্ষয় খান্না, আশুতোষ রানা, দিব্যা দত্ত, নীল ভূপালম এবং প্রদীপ রাওয়াত। এছাড়া, তিনি সঞ্জয় লীলা বানশালির লাভ অ্যান্ড ওয়ার সিনেমায় রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের সঙ্গে কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
স্কুলজীবন থেকে পরিচিত সারা আলি খান এবং অনন্যা পাণ্ডে। বলিউডে তাদের বন্ধুত্ব নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্প শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। যদিও বন্ধুত্ব রয়েছে, অনন্যা নাকি সারাকে ভয় পেতেন, যেন যমের মতো। সারার নাম শুনলেই তিনি সতর্ক হয়ে থাকতেন।
অনন্যার থেকে তিন বছরের বড় সারা। ছোট থেকেই বেশ ডাকাবুকো স্বভাবের ছিলেন তিনি। মুখের ওপর কথা বলতেন। অনন্যা বলেছেন, "সারা খুব ঠোঁটকাটা স্বভাবের ছিল, এখনও তাই রয়েছে। তবে স্কুলে আরও সাংঘাতিক ছিল। মুখে যা আসত, তাই বলে দিত। আমি ভয়ে ভয়ে থাকতাম, ভাবতাম এই বুঝি আমার সম্পর্কে কিছু বলল।"
এই কারণে সারাকে কিছুটা এড়িয়েই চলতেন অনন্যা। অভিনেত্রীর কথায়, "আমি যদি দেখতাম, সারা কোনো একটা সিঁড়ি থেকে নেমে আসছে, ওই পথ দিয়ে আমি যেতাম না।"
প্রথম দিকে অনন্যার নাম জানতেন না সারা। তাকে 'এই' বলে ডাকতেন সাইফ আলি খানের কন্যা।
অনন্যা স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমার মনে আছে, একসঙ্গে স্কুলে একটা নাটক করেছিলাম। সারাই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছিল। আমি বোধহয় ওর মাথায় ছাতা ধরেছিলাম, পেছনে ছিলাম সারার।"
এ সময় সারা নাকি অনন্যাকে 'এই এই' বলে ডাকতেন এবং খুব রূঢ় ব্যবহার করতেন। যদিও এখন নাকি অনন্যার কাছে সেই কথা স্বীকার করেন না সারা। সারার দাবি, অনন্যার সঙ্গে তিনি নাকি খুব ভালই ব্যবহার করতেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড বাদশা শাহরুখ খান বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকেলে আহমেদাবাদের কেডি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বুধবার (২২ মে) সকালে অসুস্থ বোধ করায় তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল কিং খানকে।
জানা গেছে, তীব্র তাবদাহের জেরেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। তার অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই গত চব্বিশ ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একেবারে ঝড় বয়ে গেছে! তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও আপাতত চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই চলতে হবে শাহরুখ খানকে।
বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই আহমেদাবাদ থেকে স্পেশাল চার্টার্ড বিমানে মুম্বাইয়ের উদ্দেশে উড়ে যাচ্ছেন বাদশা। যেহেতু ডিহাইড্রেশন হয়ে বুধবার সকালে বিপত্তি ঘটেছিল, তাই কিং খানকে আপাতত বিশ্রামে থাকার পরামর্শই দিয়েছেন চিকিৎসা।
এদিনই আবার বন্ধু জুহি চাওলা জানিয়েছেন, আগামী ২৬ মে ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন বাদশা। তবে চিকিৎসকদের এমন সাবধান বাণীর পর আদৌ সেই ম্যাচে কিং খান নাইট শিবিরকে উৎসাহ দিতে মাঠে উপস্থিত থাকতে পারবেন কিনা- সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
বিগত কয়েকদিন ধরে ভীষণ ব্যস্ততার মধ্যে কেটেছে শাহরুখের। নাইট শিবিরের পাশে থাকতে গত সোমবারই ভোট দিয়ে আহমেদাবাদে পৌঁছেছিলেন। এদিকে আহমেদাবাদে এখন তাপপ্রবাহ চলছে। এর কারণেই বুধবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
ফলে বেলা বাড়তেই দেরি না করে মাল্টি স্পেশালিটি কেডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলিউড সুপারস্টারকে। হাসপাতালে শাহরুখের ভর্তি হওয়ার খবর শুনে এদিন বিকেলেই মুম্বই থেকে আহমেদাবাদে ছুটে গিয়েছেন স্ত্রী গৌরী খান।
জানা গেছে, তীব্র গরমের কারণেই ‘হিটস্ট্রোক’ হয়েছে শাহরুখের। তবে বাদশার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তার টিমের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি প্রকাশ না করায়, অনেকেই সন্দিহান ছিলেন। শেষে শাহরুখের অসুস্থতা নিয়ে তার ম্যানেজার পূজা দাদলানি মুখ খুলেছেন।
মন্তব্য করুন


‘করণ অর্জুন’ ছবিটি পরিচালনা করতে গিয়ে কালঘাম ছুটেছিল বলিউড পরিচালক-প্রযোজক রাকেশ রোশনের। ছবির দুই প্রধান নায়ক, শাহরুখ খান ও সালমান খান, এর অন্যতম কারণ ছিলেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তথ্যচিত্র সিরিজ ‘দ্য রোশনস’। সেখানে পরিচালক রাকেশ রোশন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান ও ভাইজানখ্যাত সালমান খানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন শুটিংয়ে যাওয়ার আগে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতেন।
এই ছবির গল্প নিয়ে শাহরুখ ও সালমানের কোনো আগ্রহই ছিল না। রাকেশ রোশন বলেন, "তাদের প্রতি কোনো আস্থা ছিল না, এবং তারা ছবির বিষয়ে মোটেও সিরিয়াস ছিল না।" এমনকি এই তথ্যচিত্রে শাহরুখ খান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, সেই সময় তিনি দুর্ব্যবহার করতেন। এজন্য তিনি রাকেশ রোশনের স্ত্রীর কাছ থেকেও বকুনি খেয়েছিলেন। রাকেশ রোশন ভয়ে ভয়ে থাকতেন, যাতে তিনি নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলেন না।
পরিচালক জানান, "সব ছবিতেই আমি নিশ্চিন্তে কাজ করেছি, কিন্তু 'করণ অর্জুন' ছবিতে প্রথম থেকেই সমস্যা ছিল। একেক দিন ভাবতাম, কেন এসব ঘটছে? তবে মেনে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "প্রতিদিন সকালে প্রার্থনা করতাম— যেন আমি মেজাজ হারিয়ে না ফেলি। এই ছেলে দুটো অপরিণত। তারা যেমন আচরণ করছে করুক, আমি যেন মাথা গরম না করি এবং কাজটা শেষ করি।"
রাকেশ রোশন জানান, সালমান ও শাহরুখের ছবির গল্প নিয়ে কোনো আগ্রহই ছিল না। তিনি মনে করেন, "একদিন একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের সব কিছু প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল, সূর্য ডোবার মুখে, কিন্তু তারা কোথাও ছিল না। শেষ মুহূর্তে তারা এল এবং তাড়াহুড়ো করে শুটিং শুরু করল।"
এই সিরিজে বর্ষীয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিংহও তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, "ওরা সত্যিই খুব যন্ত্রণা দিয়েছিল রাকেশ রোশনের, কোনো সহযোগিতা করেনি। এমন পরিস্থিতি দেখে রাকেশের স্ত্রী তাদের খুব বকাঝকা করেছিলেন।"
শাহরুখ খান তার কথায় বলেন, "সালমান আর আমার মধ্যে আমার আচরণ তুলনামূলক ভালো ছিল। অন্তত আমি সামনে ভালো ব্যবহার করতাম। আমরা দুজন বাচ্চা মিলে একজন পিতৃসম ব্যক্তিকে খুব জ্বালিয়েছিলাম।"
মন্তব্য করুন


নোরা ফাতেহি বলিউডে আইটেম গানের জন্য বেশি পরিচিত। তার অসাধারণ নাচের দক্ষতা সবসময়ই দর্শকদের মুগ্ধ করে। তবে তিনি বারবার জানিয়েছেন, নাচের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করারও আগ্রহ রয়েছে তার। তবুও বলিউডে তাকে উপযুক্ত সুযোগ বা মূল্যায়ন দেওয়া হয়নি বলে একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে, নোরা বলিউড ছেড়ে হলিউডের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও কাজ শুরু করেছেন নোরা ফাতেহি। সেখানে তিনি তার মিউজিক অ্যালবামের যাত্রা শুরু করেছেন। তবে তিনি চিরতরে বলিউড ছাড়ছেন কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এই প্রসঙ্গে নোরা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমার ব্যক্তিগত কোনো জীবন নেই। যদি কেউ মনে করে আমি অন্য কারো জন্য নিজের জায়গা ছেড়ে দেব, তাহলে সেটা ভুল ভাবনা। আমি এখানেও থাকব, ওখানেও থাকব, সর্বত্র থাকব। যেমন সিনেমায় অভিনয় করেছি, তেমনি সংগীত জগতেও কাজ করব।"
তিনি আরও বলেন, "আমার তিনটি জগৎ রয়েছে। কানাডায় জন্ম নেওয়ার কারণে সেটি আমার প্রথম জগৎ। মরক্কোয় বহুদিন থাকার কারণে সেখানে আমার শিকড় রয়েছে। আর ভারত এমন একটি দেশ, যেখানে আমি আমার পরিচয় গঠন করেছি। এই দেশের প্রতি আমার ভালোবাসা গভীর।"
নোরা ফাতেহি সম্প্রতি আমেরিকান গায়ক জেসন ডেরুলোর সঙ্গে "স্নেক" নামের একটি মিউজিক অ্যালবামে কাজ করেছেন। ডেরুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, "প্রথমদিকে আমি ভীষণ লজ্জিত ছিলাম। গানটি প্রথমে আমি নিজেই রেকর্ড করি এবং তখন তার সঙ্গে কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভিডিও শুটিংয়ের সময় আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি এবং অনেক গল্প করেছি।"
নোরা ফাতেহি একজন নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী এবং গায়িকা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে "হৃদয়ে ভারতীয়" বলে অভিহিত করেন। বলিউডে তার অভিষেক ঘটে "রোয়ার: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস" সিনেমার মাধ্যমে।
তিনি তেলুগু সিনেমা "টেম্পার," "বাহুবলী: দ্য বিগিনিং" এবং "কিক ২"-এ আইটেম গানের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৫ সালে তিনি "বিগ বস" রিয়ালিটি শোতে প্রতিযোগী ছিলেন এবং ৮৪তম দিনে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেন।
মন্তব্য করুন


ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির একদিনের মধ্যে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। আজ সোমবার আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। জামিন পাওয়ার পর পরীমণি আদালত থেকে ফিরে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেন।
তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘শুরু থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম, এখনও আছি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। আর আপনারা যেভাবে আমাকে সাপোর্ট করেছেন, সেটা দেখে আমার দুঃখের সব মেঘ কেটে গেছে। আপনাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
পরীমণি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার কিছুই বলার নেই। গতকাল থেকে আপনারা যেভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, আমি সারাজীবন সেই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব। আমি ধন্য।’
তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল এবং আমি বিশ্বাস করি, আমি ন্যায়বিচার পাব। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আজ যেমন ভালোবাসা নিয়ে বাড়ি ফিরছি, সেই ভালোবাসার সঙ্গে জয় নিয়ে যেন বাড়ি ফিরতে পারি। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
২০২২ সালের ৬ জুলাই পরীমণির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল পান করেন এবং দামি ক্লাবে ঢুকে পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করেই চলে যান। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি ও ভয় দেখান।
আরও বলা হয়, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভারের বোট ক্লাবে পরীমণি বাদী নাসির উদ্দিনকে ডেকে তার সঙ্গে কিছু সময় বসতে বলেন। এক পর্যায়ে পরীমণি নাসির উদ্দিনকে বিনামূল্যে ব্লু লেবেল হুইস্কি বোতল পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাকে গালমন্দ করেন এবং এক পর্যায়ে গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যাতে নাসির উদ্দিন মাথায় ও বুকে আঘাত পান।
মামলায় আরও বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন এবং ভাঙচুর করেন। এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমণি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া, একই বছরের ৫ আগস্ট বনানী বাসা থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হন পরীমণি। পরে বনানী থানায় মাদক মামলায় তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ২৭ দিন পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
মন্তব্য করুন


দেশীয় শোবিজের মডেল ও অভিনেত্রী হুমায়রা সুবহা। তিনি বরাবরই আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন। অভিনয়ের চেয়ে তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে চর্চা বেশি হয়। সম্প্রতি এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।
সেখানে তিনি জানান, বিয়ে করার জন্য এখনও তার মনের মানুষ খুঁজে পাননি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘গ্লোবাল স্টার মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’-এর অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার দুটি ইচ্ছা ছিল। একটি হলো, আমি সিনেমার নায়িকা হবো এবং মিডিয়াতে সবাই আমাকে চিনবে ও ভালোবাসবে। আরেকটি হলো, আমি একজন ভালো ও সুন্দর গৃহিণী হবো। আমার ছোট্ট একটি সংসার হবে, দুটি বাচ্চা থাকবে, একজন ভালো স্বামী থাকবেন। আমি সংসারটাকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবো। তবে এখনও আমার মনের মানুষ খুঁজে পাইনি।’
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত মে মাসে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সে সময় তাকে গ্রেপ্তার করায় শিল্পাঙ্গনের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন, সেই সঙ্গে ক্ষোভও। এর দুই দিন পর কারামুক্ত হন ফারিয়া।
কারাগার থেকে বেরিয়ে তার পাশে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সেই সঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, গত কয়েক দিন ছিল তার জীবনের সবচেয়ে দুঃসহ ও সংবেদনশীল সময়।
এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় চার মাস। সে বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলেননি ফারিয়া। হত্যা মামলায় জামিনের দীর্ঘদিন পর গ্রেপ্তার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
নিউইয়র্ক থেকে প্রচারিত বাংলা ভাষাভাষীদের গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র বিশেষ শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
গ্রেপ্তার ইস্যুতে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এ রকম কিছু হবে আশা করিনি। কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। যার জীবন স্কিন কেয়ার, মেকআপ, একটু ঘোরাফেরা, শপিং করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ভালো খেতে যাওয়া, এই ছোট ছোট জিনিস নিয়ে যে খুশি তার জীবনে এত জটিলতা! কী করব না করব এগুলো নিয়ে যখন চিন্তা করতে হয় তখন ভীষণ হতাশ হই।
এরপর ফারিয়া বলেন, আমি মনে করি, এটাকেই বড় হওয়া বলে। পরিস্থিতি মানুষকে বড় করে। আমার মনে হয় পুরো ঘটনাতে আমি অবশ্যই মানসিকভাবে বড় হয়েছি। এবং ওইটার (গ্রেপ্তার) পর এটা আমার প্রথম সাক্ষাৎকার। আমি কোথাও কথা বলিনি। এমন না যে আমি কথা বলতে চাইনি। আমি এখনো কথার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত নই।
অভিনেত্রী আরো বলেন, আমি মনে করি, আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে, সেটা অন্য কারো সঙ্গে হতে পারত। অনেকের সঙ্গেই হয়তো বা হচ্ছে, হবে। আমি এ বিষয়ে জানি না। তবে আমি ভাগ্যবান। আমার কাজের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যাদের দোয়া ভালোবাসার কারণে আমি আজকে আপনার (জায়েদ খান) সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন তাদের সবার দোয়া এবং ভালোবাসার কারণে কঠিন সময় পার করতে পেরেছি।
হত্যা মামলায় জামিনের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাইট ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগতে নুসরাত। অভিনেত্রীর কথায়, তার (গ্রেপ্তার) ঠিক ১০-১৫ দিন পর থেকে আমি আবার কাজ করা শুরু করেছি। তবে পুরো ঘটনাটা আমাকে একটা জিনিস শিখিয়ে দিয়েছে, কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। জীবন খুবই অস্থায়ী, অনিশ্চয়তা ভরা। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। এ জন্য নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি থাকতে হবে। তুমি যদি সৎ থাকো তাহলে পৃথিবীর কোনো খারাপ শক্তি তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না। তোমাকে বিপদের সম্মুখীন করবে কিন্তু সেই বিপদ থেকে সৃষ্টিকর্তা নিজেই তোমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবেন। এটা আমার জীবন থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
সব শেষে দর্শক, সংবাদিক এবং শোবিজের সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। নুসরাতের কথায়, আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ কারণ, তারা যেভাবে একসাথে হয়ে আমার জন্য কথা বলেছেন। আমার মিডিয়ার সহকর্মীরা, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা, জন্মের পর থেকে এখন অবধি যাদের চিনি প্রত্যেকটা মানুষ আমার জন্য কথা বলেছেন, কেঁদেছেন। শিল্পী নুসরাত ফারিয়া হিসেবে আমার মনে হয় না এর থেকে বড় অর্জন পাওয়ার আছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন পপতারকা কেটি পেরি এবার ইতিহাস গড়তে চলেছেন। মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখতে চলেছেন। জেফ বেজোসের প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের রকেটে যাত্রা করবেন কেটি পেরি। তবে তিনি একা নন, তার সঙ্গে থাকবেন আরও পাঁচজন নারী অভিযাত্রী। এই বিশেষ মিশনের নেতৃত্বেও থাকবেন কেটি পেরি।
বিবিসি জানিয়েছে, ব্লু অরিজিনের মতে— ১৯৬৩ সালে ভ্যালেন্টিনা তেরেশকোভার ঐতিহাসিক মহাকাশ ভ্রমণের পর এটিই হবে প্রথম নারী নেতৃত্বাধীন মহাকাশ মিশন। কেটির সঙ্গে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন জেফ বেজোসের বাগদত্তা লরেন সানচেজ, জনপ্রিয় সঞ্চালক গেইল কিং, সাবেক নাসা বিজ্ঞানী ড. আইশা বোয়ি, মানবাধিকারকর্মী অ্যামান্ডা গুয়েন এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক ক্যারিয়ান ফ্লিন।
চলতি বছরেই ব্লু অরিজিনের এনএস-৩১ মিশনটি মহাকাশের পথে রওনা দেবে। আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ব কনসার্ট ট্যুরে ব্যস্ত থাকবেন কেটি পেরি। তাই ধারণা করা হচ্ছে— এর আগেই এই মহাকাশ অভিযান সম্পন্ন হবে।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ব্লু অরিজিন জানিয়েছে, এত বড় একটি মিশনে নেতৃত্ব দিতে পেরে কেটি পেরি নিজেকে গর্বিত মনে করছেন। কেটি নিজেও আশা প্রকাশ করছেন, এই অভিযান পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের মহাকাশ গবেষণায় অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করবে।
উল্লেখ্য, ৪০ বছর বয়সি কেটি পেরি বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পপতারকা। ২০০১ সালে ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে তিনি পাঁচবার আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস ও পাঁচবার বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জিতেছেন। তার সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম ‘১৪৩’ প্রকাশিত হয় গত বছর, যদিও এটি তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


নতুন মা হওয়া বলিউডের তারকা অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন বলেছেন মেয়ের জন্য যখন তাকে রাত জাগতে হয়, তখন কোনো কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়ে যান তিনি। এর কারণ হল 'ঘুম কম হওয়ার ক্লান্তি'।
হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, গেল সপ্তাহে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘লাইভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন’র অনুষ্ঠানে নতুন মা হওয়ার পর কী ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হচ্ছে সে সব বলেছেন দীপিকা। মানসিক চাপ এবং ঘুম না হওয়ার কারণে কী কী ঘটছে সেসব নিয়েও কথা বলেন নায়িকা।
অভিনেত্রী বলেন, “যখন ঠিকমত ঘুম হয় না, অতিরিক্ত স্ট্রেস থাকে তখন আমার সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়, আবার ভুলভাল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলি।” চলতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর কন্যা সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন দীপিকা ও রাণবীর সিং। দীপিকা তার এই সময়ের দুঃখ, কষ্ট, রাগ নিয়েও কথা বলেন।
তিনি জানান, “এটা একদম স্বাভাবিক। মানুষমাত্রই তার রাগ, কষ্ট হবে। আর এই অনুভূতিগুলো আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। কিন্তু এগুলো থেকে আমি কী শিখছি, পজেটিভলি কীভাবে তাতে রিঅ্যাক্ট করছি সেটাই আসল। কাজের মধ্যে থাকতে হবে। ধৈর্য ধরতে হবে।”
সন্তান জন্মের পর দীপিকা জানিয়েছিলেন, তিনি তার মেয়ের যতœ ন্যানির হাতে ছাড়তে চাইছেন না। তার এবং রাণবীরের সিদ্ধান্ত হল তারা নিজে হাতে মেয়েকে বড় করবেন। এ কাজে বড়জোর তাদের দুই পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে থাকতে পারেন।
এছাড়া এখনই মেয়ের ছবি প্রকাশ করতে রাজি নয় দীপিকা ও রাণবীর। তারা চাইছেন প্রচারের আলো থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে। এমনকি সন্তানের বয়স এক মাসের বেশি হলেও তার নাম প্রকাশ করেননি তারকা দম্পতি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
লায়লা আক্তার ফারহাদের করা ধর্ষণ মামলায় আলোচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের রিমান্ড ও জামিন দুটোই নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আজ প্রিন্স মামুনকে আদালতে হাজির করে তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ শাহাজাহান। অপরদিকে প্রিন্সের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন লায়লা আক্তার। মামলার পর গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার অভিযোগে লায়লা বলেন, ‘প্রিন্স মামুনের সঙ্গে গত তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আমাকে জানান, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানান, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দেই।’
মামলার অভিযোগে আরও লায়লা আরও বলেন, ‘২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকেন। ওইদিন থেকে তিনি আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার আমাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সেইসঙ্গে আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।’
মন্তব্য করুন