

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের
পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী
কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে
জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনি প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও
মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে
বিশ্বাস যে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের
মানুষও এখানে মানত করতে আসেন।
ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে আটটি
লোহার দানবাক্স রয়েছে সেই দানবাক্সগুলো
খোলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছে। প্রায়
২০০ জনের একটি দল এই দান বাক্সর টাকা গণনায় অংশ নিয়েছেন।
শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল
সোয়া ৮টায় দানবাক্স গুলো খুলে বস্তায় ভরা হয়।
এই বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম
আজাদ।
টাকা গণনা কাজ তদারকি
করছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক
(এজিএম) মো. রফিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি মসজিদ
কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন টাকা
গণনার কাজে।
সাধারণত প্রতি তিন মাস
পর পর খোলা হয় পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো। তবে এবার ৩ মাস ১৪ দিন পর খোলা হলো।
এর আগে দানবাক্স খোলা
হয়েছিল ৬ মে । তখনকার রেকর্ড ১৯টি বস্তায় ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা এবং
বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না পাওয়া গিয়েছিল।
চলতি বছরের প্রথম ৭
জানুয়ারি দানবাক্স খোলায় হয়। ওই সময় ২০টি বস্তায় ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা
এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না পাওয়া গিয়েছিল।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জে চাল, কাঠ ও ইটের গুঁড়া দিয়ে মশলা তৈরির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রায় মশলা নামে ১টি কারখানাকে সিলগালা করেছে। এছাড়াও ওই রায় মশলা নামের কারখানার মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে এ অভিযান চালানো হয় সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার কাঠেরপুল শহীদগঞ্জ মহল্লায়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হাসান আল মারুফ বলেন, সোমবার সকাল থেকে কাঠেরপুল ও বাহিরগোলা বাজারে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে শহীদগঞ্জ এলাকায় রায় মশলা কারখানায় কাঠের গুঁড়া, চালের কুড়া ও ইটের গুঁড়া মিশ্রিত বিভিন্ন গুঁড়া মশলা তৈরি করতে দেখা যায়। এ সময় তাৎক্ষণিক সিলগালা করা হয় ওই কারখানাটি এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় কারখানার মালিককে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ
সচিব আলী ইমাম মজুমদার।
সোমবার (১২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৯৫০ সালে কুমিল্লার নানুয়া দিঘিরপাড়ে
জন্মগ্রহণ করেন আলী ইমাম মজুমদার। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে ১৯৬৯
সালে স্নাতক ও ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
আলী ইমাম মজুমদার ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। চাকরিজীবনে তিনি
প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ
উপজেলা ও জেলায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বও পালন
করেন।
২০১৬ সালে তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
বাংলাদেশ (টিআইবি)-র ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও ২০২০ সাল থেকে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব
পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত নবম জি-টুয়েন্টি পার্লামেন্টারি স্পিকারস সামিট (পি-টুয়েন্টি) সম্মেলনের ‘মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফ্রম উইমেন্স ডেভলপমেন্ট টু উইমেন লেড ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণের মাধ্যমে নারীদের এগিয়ে নিতে পি-টুয়েন্টি সম্মেলন ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন,নারীরা অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের নারীরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আলোচনা সভায় ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন,উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে ঘরের কাজে নারীরা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে। নারীর ক্ষমতায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বকে স্বাগত জানাতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা জরুরি। অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে মেয়েদের যথাযথ শিক্ষা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে পারলে টেকসই অর্থনীতি অর্জন করা যাবে।
তিনি আরো বলেন,নারীরা দেশের সম্পদ। বৈষম্য দূরীকরণ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ইত্যাদি বিষয়ে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। নারীদের অর্থনৈতিক ভূমিকা শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে।
সম্মেলনে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা'র সভাপতিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সিনেটের প্রেসিডেন্ট সুয়ে লিয়েন্স, মেক্সিকোর চেম্বার অব ডেপুটিস এর স্পিকার মার্সেলা গুয়েরা ক্যাস্টিলো, দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার নোসিভিয়ে নোলুথান্ডা মাপিসা এনকুয়ালা, স্পেনের কংগ্রেস অব ডেপুটিস এর স্পিকার ফ্রান্সিসকো সোসিয়াস, নাইজেরিয়া সিনেটের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট জিবরিন বারাউ এবং ওমানের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাদরিয়া আল সাহিহি বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় বিভিন্ন দেশের স্পিকার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ৬৫৩ জন বিচারিক হাকিমকে ১ জানুয়ারি প্রশিক্ষণ দেবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছেন ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালাম।
প্রশিক্ষণ নিয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী অপরাধসমূহ আমলে নেওয়া ও তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের নিমিত্তে সারাদেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ৬৫৩ জন প্রথম শ্রেণির বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের ১ জানুয়ারি ১০টা থেকে দিনব্যাপী আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিফিং/প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে সকাল ৯টায় নিবন্ধন সম্পন্ন করে দিনব্যাপী ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সফর বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সমন্বিত অংশীদারিত্ব থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে। এ সফরকে কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে একটা অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সামনের দিনগুলোতে জাপানের আরও সহযোগিতা মিলবে এবং কৌশলগত বন্ধু হিসেবে দেশটির সমর্থন পাওয়া যাবে।
তবে একই সঙ্গে এই সফর ঘিরে কিছু প্রশ্নও সামনে এসেছে। যেমন প্রশ্ন এসেছে চীনকে একপাশে রেখে বাংলাদেশ কি জাপান-যুক্তরাষ্ট্র জোটের দিকে বেশি ঝুঁকে যাচ্ছে? বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনীতি কি নিরপেক্ষতার আবরণ ভেঙে বিশেষ কোনো দিকে মোড় নিচ্ছে?
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকদের বক্তব্য ও বিশ্লেষণ জানার চেষ্টা করেছে ঢাকা পোস্ট।
মন্তব্য করুন


চলমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমনে এবং বোরোতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩ কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন। তারই মধ্যে আমনে ১ কোটি ৭০ লাখ ও বোরোতে ২ কোটি ২২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে।
সম্প্রতি সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমন ধান কাটা চলছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮২ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এবার ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এ বছর চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমনে প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টন আর ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ কোটি ৫০ লাখ টন চাল উৎপাদিত হয়েছিল।
আসন্ন বোরো মৌসুমে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ৫০ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর ও ২ কোটি ২২ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ভালো হওয়ার কারণে ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো চাল আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। প্রায় সাড়ে ২৯ লাখ কৃষকের মাঝে ১৯৮ কোটি টাকার সার, বীজসহ বিভিন্ন প্রণোদনা বিনামূল্যে বিতরণ কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইয়ে চরমোনাই জামিয়া রশীদিয়া আহছানাবাদ মাদরাসা প্রাঙ্গণে যান।
এ সময় তিনি গোটা মাদরাসা কম্পাউন্ড ঘুরে দেখেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, জামায়াতের আমিরসহ অন্য নেতারা চরমোনাইতে এসেছেন। আল্লাহ যেন আমাদের ইসলামের পক্ষে, দেশের পক্ষে, মানবতার পক্ষে ভালো কাজ করার তৌফিক দান করেন। আজ স্বাধীনতার ৫৪ বছর চলছে, কিন্তু এতদিন যারা দেশ পরিচালনা করেছিল তাদের দ্বারা আমাদের জাতির প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা যেন সবাই পরামর্শভিত্তিক এ দেশটাকে সুন্দরভাবে এবং ইসলামের পক্ষে মানবতার পক্ষে কাজ করতে পারি সে তৌফিক আল্লাহ আমাদের দান করুণ।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সবাইকে সামনে রেখে বলতে চাই আমরা শুধু আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালোবাসি, আল্লাহ যেন আমাদের এই ভালোবাসাকে কবুল করেন। দেশের ১৮ কোটির কমবেশি মানুষ আছে, এর মধ্যে শতকরা ৯১ জন নিজেদের মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বাকি যারা আছেন তারাও এদেশের মানুষ, ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের। আর সব মিলিয়েই আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন- স্বাধীনতার ৫৪ বছরে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে যে মর্যাদায় থাকার কথা তা আমরা পাইনি। এটার মূল কারণ দুটি একটা দুর্নীতি আর একটা দুঃশাসন। যেখানে আল্লাহ তাআলার বিধান থাকবে না সেখানে দুর্নীতি অবিসংবাদিত, আর দুঃশাসন সেখানে দুর্নীতির হাত ধরেই আসবে। নামাজে আল্লাহর বিধান মানলাম আর সমাজে মানলাম না সেখানে আল্লাহকে পরিপূর্ণভাবে মানলাম না। কিছু মানলাম আর কিছু মানলাম না তাহলে দুনিয়াতে লাঞ্ছিত হতে হবে আর আখিরাতেও কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। আমরা মনে হয় সেই লাঞ্ছনার মধ্যে আছি, কিছু মানা না মানার জন্য। কিন্তু আমাদের মনের আকাঙ্ক্ষা আমরা পুরোটা মানতে চাই। মদিনার বিধানের অধীনে সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ নিরাপত্তার পাশাপাশি সব নাগরিক সুবিধা পাবে। ৫৩ বছর পরে ৫ আগস্টে যে নতুন স্বাধীনতা পেয়েছি এর মাধ্যমে ইসলামের পক্ষে একটি ভালো ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে যদি সময় উপযোগী পদক্ষেপ না নিতে পারি তাহলে এটা আমাদের জন্য অকল্যাণ এবং দুর্ভাগ্যের। এজন্য আমরা সবাই একত্রিত হয়ে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে যেন কাজ করতে পারি সেজন্য সবার দোয়া চাই। নির্বাচন নিয়ে আমাদের দাবি উনাদের দাবি একই। আমাদের একটা রাজনৈতিক দাবির মধ্যেও কোন কনফ্লিক্ট নেই, কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের কোন পরামর্শ করিনি, অন্তর থেকে জাতির প্রয়োজনে বের হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় তিন দোকানদারকে নিষিদ্ধ পলিথিন রাখার অপরাধে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কচুয়া পৌর বাজারের কাঁচাবাজার ও বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুদি ব্যবসায়ী মফিজ হোসেন, সেলিম ও আলাউদ্দিনকে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি বাপ্পি দত্ত রনি।
পরে নিষিদ্ধ পলিথিন না রাখা, বিকল্প উপায়ে পণ্য বিক্রি এবং দোকানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা রাখার পরামর্শ দেন এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি। এসময় ওই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬০০ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়।
এবিষয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বাপ্পি দত্ত রনি বলেন, সারা দেশে পলিথিন কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। পাশাপাশি কচুয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ পলিথিন বন্ধে অভিযান চলবে এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিংসহ এইরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এসময় চাঁদপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন