

জেলার সোনাগাজীতে পুলিশ ও র্যাব সদস্যের যৌথ অভিযানে ১৯ বছর পর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আনোয়ার হোসেন মামুনকে (৪২) গ্রেফতার করা হয়েছে।
২৩ আগস্ট বুধবার রাতে ফেনী শহরের একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে আসামি আনোয়ার হোসেন মামুন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবুল ক্ষেম জানান, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন গ্রেফতারকৃত সুমন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী ক্যাম্পের র্যাব সদস্যরা ও সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবুল ক্ষেম জানান, ২৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে আসামি আনোয়ার হোসেন মামুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে আজ শনিবার
(২৪ মে) উপদেষ্টা পরিষদের এক অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ওপর অর্পিত তিনটি প্রধান দায়িত্ব (নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার) বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
এ নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ এক বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর
শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় পরিকল্পনা কমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসব দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের
অযৌক্তিক দাবি দাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ার বহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে
যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা হচ্ছে এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ
সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশকে স্থিতিশীল
রাখতে, নির্বাচন, বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশে স্বৈরাচারের আগমন
প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর
বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা
করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে
এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালনকে অসম্ভব করে তোলা
হয়, তবে সরকার সকল কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের জনপ্রত্যাশাকে ধারণ করে। কিন্তু সরকারের স্বকীয়তা, সংস্কার
উদ্যোগ, বিচার প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে
এমন কর্মকাণ্ড অর্পিত দায়িত্ব পালন করাকে অসম্ভব করে তুললে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে
প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
মন্তব্য করুন


নকল কয়েল বিক্রির
অপরাধে সিলেটে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এ অভিযান পরিচালনা করা
হয়, ২৯ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন স্থানে।
এ
অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম
মাসুদ। ব্যাটালিয়ান আনসারের একটি দল অভিযানে সহায়তায় ছিলেন।
অভিযানে নগরের বিভিন্ন
দোকানে চায়না কয়েলের নামে উৎপাদিত ট্রেডমার্ক বিহীন নকল কয়েল বিক্রি হচ্ছে -এমন
অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার মেসার্স ইসলাম ব্রাদার্সকে
৫ হাজার, হাউজিং স্টেট এলাকার ইয়ান এন্টারপ্রাইজকে ২৫ হাজার, বন্দরবাজারের মনির
অ্যান্ড সন্সকে ৫ হাজার, উপশহরের নিউ সিটি স্টোরকে ২ হাজার ও সামি স্টোরকে আরও ৩ হাজারসহ
মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করে আদায় করা হয়। অভিযানকালে বিভিন্ন নামে প্রায়
৬শত প্যাকেট নকল চায়না কয়েল জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্যবসায়ী মুসা আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ০২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ মুসা আলী (৪০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ী কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন তুলাগাও এলাকায় হওয়ায় সে প্রায়ই উক্ত এলাকায় আসা-যাওয়া করতো। এরই সূত্র ধরে আসামীদের সাথে ভিকটিম মুসা আলী (৪০) এর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণপূর্বক ভিকটিমের স্ত্রীর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে বিকাশের মাধ্যমে ৩০,০০০/- টাকা আসামীদেরকে প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামীরা দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের পায়ে, হাতে ও পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন পশ্চিম বাগুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানাধীন মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসক জানান যে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গত ০২/০২/২০২৪ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে হত্যাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম@ লিমন (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-রেইসকোর্স, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং সবুজ সরকার (২৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-বাগুর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের
সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত বিষয়টি ঝুলে থাকার কারণে এতে কোনো দেশেরই
লাভ হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (খবর এনডিটিভির)
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেয়া
এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, আমি যদি জানি, আমি কতটুকু পানি পাব, সেটা ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ
নিয়ে যদি আমি খুশি নাও হই, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়টি সমাধান হতেই হবে। কারণ
পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে বসে থাকার ফলে এতে কোনো কাজ হচ্ছে না।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে অন্তর্বর্তী
সরকার ভারতকে চাপ দেবে কিনা- পিটিআইয়ের এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, চাপ শব্দটি অনেক
বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে
হবে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে
গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর
ফলে চুক্তি আর হয়নি। তখন মমতা দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নতুন কোনো ইস্যু নয়, এটি অনেক পুরাতন ইস্যু।
বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার কথা বলেছি। এমনকি পাকিস্তান পিরিয়ডেও কথা হয়েছে। আমরা সবাই
চেয়েছি এটির সমাধান করতে, এমনকি ভারত সরকারও এর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের
সরকার এর জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা চাই এর সমাধান করতে। ভাটির দেশ হিসেবে আমাদের
পানি পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মন্তব্য করুন


২ সেপ্টেম্বর শনিবার নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অসুরখাই গ্রামের এক মসজিদ থেকে ১০টি সিলিং ফ্যান চুরির হয়েছে।
শনিবার দিনগত গভীর রাতে মসজিদের তালা ভেঙে এসব ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে।
কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সরকার এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক ও আতঙ্কের। থানায় চুরির ঘটনার কথা জানানো হয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানান, মসজিদের কোনো ওয়াকফ নেই। মানুষের সাহায্য ও সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে মসজিদটি। প্রচণ্ড গরমে মুসল্লিদের সামান্য আরামের জন্য অন্যের সহযোগিতায় লাগানো হয়েছিল এসব সিলিং ফ্যান।
মন্তব্য করুন


০১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে মাদারীপুরে ২ হাজার ১০০টি ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার বিকেলে তাদের গ্রেফতার করা হয় মাদারীপুর পৌরসভার পুরান বাজার এলাকা থেকে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সদর উপজেলার মধ্যচক এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে ওমর ফারুক (২২) ও একই এলাকার দবির হোসেন মালতের ছেলে সিফাত মালত (২৩)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক ও সিফাত মালত দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছেন। শুক্রবার বিকেলে ওমর ফারুক ও সিফাত মালত ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশে পুরান বাজারের মায়ের দোয়া বিরিয়ানি হাউজ নামের একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছে এমন গোপন তথ্য পাই। এ খবরের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরীফ আব্দুর রশীদের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। পরে তাদের তল্লাশি করার সময় একজনের হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগ থেকে ২ হাজার ১০০টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে পাইকারি বিক্রি করে আসছিলেন বলে স্বীকার করে। তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় মাদক দ্রব্য আইনে একটি মামলা করেছে। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
দেশের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সরকার
গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকতা কীভাবে
গড়ে উঠবে, এ বিষয়টি বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা নির্ধারণ করবেন। গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এ কমিশন গণমাধ্যমের অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের
নিকট প্রতিবেদন দেবে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার গণমাধ্যম সংস্কারের উদ্যোগ
গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ের অনেক সাংবাদিক
আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহ করেছেন। তবে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের কারণে সবক্ষেত্রে
আন্দোলনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হয়নি।
মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পূর্বে আবশ্যিকভাবে সত্যতা যাচাই
করতে হবে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর গণমাধ্যমের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বৈষম্য
বিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারের উপর গুরুত্বারোপ
করেন।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর থানার আলোচিত ও
চাঞ্চ্যলকর স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভিক্ষুক’কে গণধর্ষণ মামলার মূলহোতা মেহরাজসহ এজাহারনামীয়
০২ গণধর্ষনকারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
ভুক্তভোগী ভিকটিম স্বামী
পরিত্যক্তা ভিক্ষুক নারী চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। গত ০৪ সেপ্টেম্বর
২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ভিকটিম কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন থেকে ভিক্ষা করে
ফেনী সদর উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নে আসলে জৈনক মেহরাজ এর সাথে ভুক্তভোগী ভিকটিমের পরিচয়
হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে মেহরাজ ভিকটিমকে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের
আশ্বাস দিয়ে এবিএম ব্রিক ফিল্ডের শ্রমিকদের শোয়ার কক্ষে নিয়ে যায়। অতঃপর কোনো কিছু
বুঝে উঠার আগেই ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেহরাজ এবং তার অন্যান্য ৭/৮ জন সহযোগী
মিলে পালাক্রামে একাদিকবার জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষণকারীরা ভিকটিমকে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পাশে রেখে পালিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী নির্যাতিত ভিকটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে
প্রেরণ করেন। উক্ত চাঞ্চল্যকর গণধর্ষনের ঘটনাটি ফেনীসহ সাড়াদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি
করে।
উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী ভিকটিম
বাদী হয়ে ০৮ জনকে এজাহারনামীয় এবং ০২/০৩ জনকে অজ্ঞাতনামা করে ফেনী মডেল থানায় একটি
গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৯, তারিখ-০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ধারা- নারী
ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/২০২০) এর ৯(৩)/৩০।
উক্ত অমানবিক, পাশবিক, মস্তিস্ক
বিকৃত ও নিকৃষ্ট চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
সূত্রে বর্ণিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ব্যাপক
গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। নজরদারীর এক পর্যায়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার এজাহারনামীয় আসামী সালাউদ্দিন ফেনী
জেলার ফেনী মডেল থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত
তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ
তারিখ বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী সালাউদ্দিন (৩৫), পিতা- মৃত আলী আহম্মদ,
সাং- চরজুবলী, থানা- নোয়াখালী সদর, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী
সালাউদ্দিন এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম
জানতে পারে যে, গণধর্ষণের মূলহোতা পলাতক আসামী মেহরাজ ফেনী জেলার দাগনভূইয়া থানাধীন
ধীলপুর এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক
দল গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গণধর্ষণ মামার
মূলহোতা মোঃ মেহরাজ (৩৫), পিতা- মৃত রুহুল আমিন, সাং- ইউনুছপুর ফকিন্নিপাড়া, থানা-
হাতিয়া, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম
হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের
সম্মুখে আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় পলাতক
আসামী এবং তারা পরস্পর যোগসাজশে বর্ণিত ভিক্ষুক নারীকে আর্থিক সহায়তার কথা বলে এবিএম
ব্রিক ফিল্ডে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে বলে স্বীকার করে এবং উক্ত ঘটনার পর হতেই তার
ছদ্মবেশ ধারণ করে ফেনী জেলার বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে করে মর্মে স্বীকার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন