

ঈদের আনন্দ ভাগা ভাগি
করে নিতে নোয়াখালীতে এতিমদের পাশে দাড়িয়েছেন মেসার্স আলী আজ্জম ট্রেডার্সের
স্বত্ত্বাধিকারী আমিনুল হক মান্না।
আজ দুপুরে প্রতি বছরের
ন্যায় এবারও চৌমুহনী ডেল্টা জুট মিলে রাব্বানিয়া এতিম খানায় অর্ধ শতাধিক এতিমদের হাতে
নতুন ঈদের পোশাক উপহার তুলে দেন ব্যবসায়ী নেতা মান্না। এসময় মাদ্রাসার
শিক্ষকবৃন্দ ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী আমিনুল
হক মান্না জানান, আগামীতেও এমন সেবা অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ১৪৪ ক্যান বিয়ারসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জেলার চাটখিল-সোনাইমুড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের কড়িহাটি গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির মোহাম্মদ উল্ল্যার ছেলে মাহমুদ হাসান সজিব (২৯) ও সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ঘাসের খিল গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির সিদ্দিক উল্ল্যার ছেলে মো. ইউসুফ(৩৫)।
সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ আরও বলেন, আটকৃতরা একই বাড়ির বাসিন্দা। তাদের দুজনের বাড়ি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় বাড়ির এক অংশ চাটখিল উপজেলায় ও অপর অংশ সোনাইমুড়ী উপজেলায় অবস্থিত। এজন্য তাদের দুজনের থানা ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে তারা দুইজন একসঙ্গে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি সজিবের বাড়ি থেকে ১৪৪ ক্যান রয়্যাল ডাচ বিয়ার জব্দ করা এবং ইউসুফের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে
অভিনব কায়দায় মিষ্টি কুমড়ার ভেতরে হেরোইন পাচারকালে ১ যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
২৭
নভেম্বর বিকেল চার টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মোহনপুর ইউনিয়নের দীগরাম ঘুন্টিঘর
এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামির নাম হলো আপন আলী (২২)। আপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার আবু তাহেরের ছেলে।
আজ
মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার
পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল গোদাগাড়ী থানার মোহনপুর ইউনিয়নের
দীগরাম ঘুন্টিঘর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় অটোরিকশা চালক আপন আলীকে আটক করে তল্লাশি
করা হয়। তল্লাশিতে অটোরিকশার বামপাশের হ্যান্ডেলের সঙ্গে ঝুলানো একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে
একটি মিষ্টি কুমড়া পাওয়া যায়। পরে মিষ্টি কুমড়া কেটে দেখা যায় এর ভেতর ছয়টি হেরোইনের
প্যাকেট।
র্যাব
জানান, আপন আলী একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক হলেও এর
আড়ালে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন
এলাকায় সরবরাহ করতেন।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরও উল্লেখ করা হয় এই ঘটনায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৭ জুলাই ২০২৩ইং) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার আবাসিক রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়াং সিক তার পরিচয়পত্র পেশকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
রাষ্ট্রপতি জানান, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার এবং বাংলাদেশের ইপিজেডসহ বিভিন্ন খাতে কোরিয়ান বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
রাষ্ট্রপ্রধান আরও বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে যৌথ উদ্যোগ নিলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গভীরভাবে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে তিনি দু’দেশের সরকারি-বেসরকারি খাতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান,লাখ টাকা জরিমানা
কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল চিপসের পাঁচটি রিল জব্দের পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওড়া এলাকায় মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
তিনি জানান, মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই থেকে মাত্র তিনটি পণ্যের লাইসেন্স নিয়ে ১১টি পণ্য মোড়কজাত করে বিক্রি করছে। মোড়কজাতকৃত পণ্যের মধ্যে হুবহু বম্বের সুইটস কোম্পানির আদলে রিং চিপস, পটেটো চিপস ও লেইজার চিপস মোড়কাবদ্ধ করে বিক্রয় করছে। একই সাথে প্রাণের জিরোস চিপসের আদলে জোরস চিপস নাম দিয়ে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করছে। ফলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিআই এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি) হাফিজুর রহমান, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম ।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে খেলা দেখাতে গিয়ে সাপের ছোবলে মাইদুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনাটি ঘটে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে।
উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামের মৃত আকালু মিয়ার ছেলে মাইদুল ইসলাম।
স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাপের খেলাসহ কবিরাজি ওষুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন মাইদুল ইসলাম। দুপুরে সাপের খেলা দেখানোর জন্য কাঠের বক্স থেকে সাপ বের করার সময় তাকে দংশন করে একটি সাপ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক কাউকে বুঝতে না দিলেও বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন মাইদুল।
ঘটনার ৩ ঘণ্টার পর বিকেলে মাইদুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তার।
সাপুড়িয়া মাইদুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, গোবিন্দগঞ্জের হরিরাম পুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম বিপ্লব।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার গোমতি ইউনিয়নের রংমিয়া পাড়ার মানুষ বিচিত্র পেশায় জড়িত।
তারা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে মাছের খাবার ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার টোপ হিসেবে ব্যবহার করা লাল পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে স্থানীয় পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। সেই পাইকারদের হাত ধরেই এসব পিঁপড়ার ডিম বিক্রি হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম,ফেনী ও কুমিল্লায়। সাধারণত মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তারা পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করেন।
পাহাড়ি বন-জঙ্গল থেকে পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ শেষে তা বিক্রি করে যা উপার্জন হয়, তা দিয়েই চলে সংসার।
প্রতিদিন ১ থেকে দেড় কেজি পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করতে পারে বলে জানায় এ কাজের সাথে জড়িত মো. রুস্তম আলী । তিনি আরো বলেন, সকাল হলেই বাঁশ ও ঝুড়ি নিয়ে বের হয়ে গাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করি। বিকেলে এসব ডিম পাইকারদের কাছে বিক্রি করি। প্রতি কেজি ডিম ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করি।
ডিম সংগ্রহকারী মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সব পিঁপড়ায় ডিম পাওয়া যায় না। এ জন্য প্রয়োজন লাল পিঁপড়ার বাসা। লাল পিঁপড়ার বাসায় মেলে প্রচুর সাদা ডিম। সাধারণত মেহগনি, আম, লিচু, কনক ও কড়ইসহ দেশীয় গাছগুলোয় লাল পিঁপড়ার বাসা পাওয়া যায়।ডিম সংগ্রহ করতে অনেক কষ্ট হয়। পিঁপড়াগুলো সাধারণত মগডালে বাসা বাঁধে। ডিম সংগ্রহ করার সময় কমবেশি কামড় খেতে হয়। সারাদিন বনে-জঙ্গলে ডিমের আশায় ঘুরে বেড়াতে হয়। পিঁপড়ার বাসা খুঁজে পাওয়ার ওপর নির্ভর করে তার আয়।
লাল পিঁপড়ার ডিমের স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, স্থানীয় ২০-২৫ জন পাহাড়ি বন-জঙ্গল থেকে লাল পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে আমার কাছে বিক্রি করেন। পিঁপড়ার ডিম কিনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী ও কুমিল্লায় বিক্রি করি।
মূলত মাছের খামারি ও সৌখিন মাছ শিকারীরা এ ডিম কিনে থাকেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়েছে,শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে আগামী সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) পর্যন্ত এনএআইডি সিস্টেম স্থানান্তরের জন্য আইএমইআই যাচাই সেবা বন্ধ রাখা হবে।
মূলত আইএমইআই যাচাই (মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের বৈধতা) সংক্রান্ত সেবা এ ৪ দিন বন্ধ থাকবে।
বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এনএআইডি কার্যক্রম বিটিআরসির নবনির্মিত ভবনে স্থানান্তর করা হবে। তার ফলে ২২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) থেকে ২৫ ডিসেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাইকরণ সংক্রান্ত সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় এবং প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর
করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালী
মডেল থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ১৪ টি
মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান
থেকে উদ্ধার করেন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনসমূহ আজ ২৬ আগস্ট
২০২৩ খ্রি: কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ
প্রকৃত মালিকগণ ১) ফারদিন আলম(২২) , পিতা-খোরশেদ
আলম, সাং- অশোকতলা, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ২) শহিদুল ইসলাম (৫৭), পিতা-
গোলাম হোসেন, সাং-বল্লভপুর,থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৩)সুদর্শন চক্রবর্তী
(৬০), পিতা-রমনী মোহন, সাং বশিকপুর,থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা। ৪)শফিক (৪৮),পিতা-
আবুল বশর, সাং-বড়খলা,থানা- দোয়ারাবাজার, জেলা- সুনামগঞ্জ। ৫)আবু হাসান (৪২), হাজী জামাল
উদ্দিন,সাং- কালিকাপুর, থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা. ৬) সালমান সামি সৌরভ(১৭),
পিতা- সাদেক হোসেন, সাং- ঠাকুর পাড়া, থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৭)
গাজী আশিকুর রহমান (৪১), পিতা- গাজী গোলাম হোসেন, সাং- গাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল,
জেলা- কুমিল্লা। ৮)শাহজাহান (৬২), পিতা-সিরাজ মিয়া,সাং- উত্তর আমপালা,থানা- কোতয়ালী
মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ৯)মো: ফয়েজ(৫৫), পিতা- আব্দুল লতিফ, সাং- নিজ বানাশুয়া,থানা-
কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ১০) সোহেল আহাম্মাদ (৩১) পিতা মো: আমির হোসেন সাং- অশোকতলা, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১১) মো: জাহিদুল ইসলাম ফাহিম(১৮) পিতা : ফজলুল হক,
সাং- ছয়ঘরিয়া, থানা- বুড়িচং, জেলা : কুমিল্লা। ১২) মো: মোশারফ হোসেন মিলন (২৭) পিতা :মো: আবু তাহের, সাং- শাসনগাছা,
থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লা। ১৩) মো: তন্ময় (১৯) পিতা : মো: সুলতান মিয়া,
সাং- মনোহরপুর, থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১৪) জোহরাতুল ইসলাম (২০), পিতা:মো:জহিরুল
ইসলাম, সাং-মনোহরপুর থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লাদের নিকট হস্তান্তর করেন।
মোবাইল
ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি
প্রকাশ করে পুলিশ সুপার, কুমিল্লা সহ কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ
জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ
সুপার এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় জেলা পুলিশের এই জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত
থাকবে বলে জানান পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
হোমনায় প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফয়সল (২২) কে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে
হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
সোমবার
সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ
জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা হোমনা উপজেলার রাজনগর গ্রামের মোঃ ফুল মিঞার ছেলে
মোঃ শামীম মিয়া (২৪) ও একই উপজেলার সাফলেজি গ্রামের মোঃ বেদন মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল
মিয়া (২০)।
মামলার
বিবরণে জানাযায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ফয়সল আসামি
মোঃ শামীম মিয়ার কলেজ পড়ুয়া বোন মেহেদী আক্তার (১৮) এর প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ৫ জুন ফয়সল তার মামা নজরুল মিয়ার ছাদে বন্ধুদের
সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় তার মোবাইলে আসামি শামীম ফোন করে বলে আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা
বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ে যাওয়ার জন্য। তখন ফয়সাল কাউকে কিছু না বলে শামীরের
কথামতো মামা বাড়ীর ছাদ থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে
খোজাখুজি করে না পেয়ে নিহতের বৃদ্ধ পিতা মোঃ মকবুল হোসেন হোমনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি
করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রথমে
আসামি মোঃ শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করার পর শামীম জানায় প্রথমে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ
করে এবং পরে ধারালো ছুরিকাঘাতে জবাই করে ফয়সলকে হত্যা করে লাশটি বিদ্যাময়ের মাঠে মাটিতে
পুঁতে রাখা হয়।
এ
ব্যাপারে ২০২০ সালের ১৩ জুন নিহত ফয়সলের বড় বোন হোমনা থানাধীন রাজনগর গ্রামের হারুন
মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার বাদী হয়ে মোঃ শামীম মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে হোমনা
থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা
এসআই মোঃ শামীম সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে আসামি মোঃ
শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়াকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা
বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দির সময় শামীম জানান,
২০২০ সালের ৫ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার সময় ফয়সলকে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে হত্যা
করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখে। ঘটনার ১২দিন পর গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম এর দেখানো
মতে ভিকটিম ফয়সলের অর্ধ গলিত মরদেহ আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠের মাটির
নিচ থেকে হোমনা থানাপুলিশ উদ্ধার করে সূরতাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে
১০জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামিদ্বয়ের প্রদত্ত
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া'র
বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রায়
ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত
ছিলেন।
এ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট শেখ
মাসুদ ইকবাল মজুমদার ও মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল
রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
অপরদিকে,
আসামিপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী এডভোকেট বিমল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এ রায়ে আসামিপক্ষ
অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন