হত্যার পর কাঁটা চামচ দিয়ে উপড়ে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর চোখ

হত্যার পর কাঁটা চামচ দিয়ে উপড়ে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর চোখ

রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রাজনসহ সরাসরি জড়িত সাতজনকে গত রাতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে মাদক কারবারে জড়িত রাজন। গত ২৮ জুন গ্রেপ্তার হন তিনি। তার ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে ব্যবসায়ী সাইফুলের হাত রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়েই তিনি সাইফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সাইফুল সম্প্রতি পশ্চিমের একটি দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

এজন্য তাড়াহুড়া করে রাজনের নেতৃত্বে জানে আলম, সুমন, লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীবসহ ১০-১২ জন সাইফুল দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেজুরবাগ স্কুল রোডে ওৎ পেতে থাকেন।

রোববার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় খেজুরবাগ স্কুল রোডে পৌঁছালে পথরোধ করে ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট, ব্যাটন, লোহার রড় ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে রাজন পাশের একটি দোকান থেকে কাঁটা চামচ নিয়ে সাইফুলের চোখ নৃশংসভাবে উপড়ে ফেলেন।

সাইফুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৩০ জুলাই রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গত রাতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. রাজন হোসেনসহ (৩১) সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন– জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), সরোয়ার আকন্দ (২৬) এবং মো. সজীব (২৯)। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুচালো লোহার রড, একটি ভাঙা ক্রিকেট ব্যাট, একটি ব্যাটন ও ছয়টি মোবাইল ফোন।

গ্রেপ্তারদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এবং সাতপাখি রোডে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন।

তিনি আরো বলেন, সাইফুল ছিল এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতেন। তিনি বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মাদক করবার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও অন্যান্যরা সাইফুলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাজন গত ২৮ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ধারণা করে যে, তার গ্রেপ্তারের পেছনে সাইফুলের হাত রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও তার মা আগে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনেও সাইফুলের হাত রয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।

গ্রেপ্তার রাজন গত ১৯ জুলাই মুক্তি পেয়ে গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিম সাইফুলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং গত ৩০ জুলাই রাতে সাইফুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‌্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। গ্রেপ্তাররা এলাকায় মাদক কারবার ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন বলে জানা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাজন স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজ পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি, গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ পাঁচটির বেশি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার জানে আলম রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী জানে আলম। হত্যাকাণ্ডের সময় জানে আলম ভিকটিম সাইফুলকে ব্যাটন দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তার বিরুদ্ধেও অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ চারটির বেশি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার সুমন কাঠ কাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সুমন। তিনি ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটির বেশি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের সহযোগী ছিলেন। গ্রেপ্তার লিটন মুদ্রাক্ষরিক, গ্রেপ্তার দিপু ও সজীব জাহাজ ভাঙার শ্রমিক এবং সরোয়ার রং মিস্ত্রির কাজ করেন। এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার রাজনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায়।

হত্যাকাণ্ডের সময় গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। 

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এখানে কোন ধরনের সমস্যা নেই। কৃষকরা ভালোভাবে ধান কাটতে পারবেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার মোকলেছপুর ইউনিয়নের ঢেলপীর ব্লকে বোরো ব্রি ধান-৮৮ কাটার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

কৃষি উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যখন আমাদের সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ছিল; সেই সময়ে কৃষিজমির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন লোকসংখ্যা ১৮ কোটি, ফলে কৃষি জমি কমে গেছে। উন্নত জাত এবং কৃষকদের কঠোর ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের কারনে ধানের উৎপাদন ভালো।

কৃষি জমির ব্যাপারে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, নতুনভাবে আইন করা হবে। ভূমি ব্যবহার নীতিমালা, কৃষি জমি সুরক্ষা আইন নতুনভাবে করার চিন্তা-ভাবনা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই তা করা হবে। ভাটা যেন না চলে; সেজন্য আমরা নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছি।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলীসহ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার দিন পথে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপি

খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার দিন পথে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপি

লন্ডনে চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ।  এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও থাকবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা। 

নির্দেশনাগুলো হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

এছাড়া সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। 

আরও বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।

অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।

সংগঠনের নাম ও অবস্থান:

>মহানগর উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।

>ছাত্রদল, লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।

>যুবদল, খিলক্ষেত থেকে হোটেল র‍্যাডিসন।

>মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র‍্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।

>স্বেচ্ছাসেবক দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।

>কৃষকদল, বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।

>শ্রমিক দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।

>ওলামা দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।

>মুক্তিযোদ্ধা দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।

>মহিলা দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।

>বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।

>বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

প্রেসিডেন্ট রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তিমুর-লেস্তে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন

প্রেসিডেন্ট রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তিমুর-লেস্তে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন

তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তাঁর দেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন।

আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আহ্বান জানান।

অর্থনৈতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।

রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'

বাংলাদেশ তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল সফল।

অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।

সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ড. ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

ড. ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। . ইউনূস গত আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক, নির্বাচন অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগের জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।

এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় অধ্যাপক ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অব্যাহত মার্কিন সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।

ফোনালাপের সময় তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সুলিভান অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। এরপর সংস্কার নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিচার খুব সম্ভবত ৫-৭ দিনের মধ্যেই সমাপ্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

আজ রবিবার (২৪ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এসময় তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনা সহ্যসীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত আসামিদের যাতে গ্রেপ্তার করা যায়, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

রামিসার ঘটনায় অপরাধীকে সাত ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আজই চার্জশিট দাখিল হবে। ৫ থেকে ৭ সাত দিনের মধ্যেই বিচার সম্পন্ন হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে আসামির।

ঢাকায় প্রায় ৮০ হাজার মাদকের মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অফলাইন ও অনলাইনসহ সব ধরনের জুয়া, বেটিং রোধে আইন করছে সরকার। এ সংক্রান্ত ১৮৬৭ সালের আইনের সংস্কার করা হবে। আগামী সংসদেই আইনটি উত্থাপিত হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই শেখ হাসিনা বিচারের মুখোমুখি হোন। ভারত বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত দেবে, এটাই সরকারের প্রত্যাশা।

সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে এবং থাকবে : ধর্ম উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে এবং থাকবে : ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের দুর্যোগ দুর্দিনে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে এবং থাকবে। বন্যায় যাদের ঘর ভেসে গেছে, তাদের নতুনভাবে ঘর করে দেওয়া হবে।

আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া আল আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যায় যারা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের ঘর পানিতে মিশে গেছে, যারা রাস্তার ওপর থাকছেন তাদের ছোটখাটো বাড়ি করে দেওয়া হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে আলেম সমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা মাঠে ময়দানে গিয়ে সাহায্য করছেন। ফেনী মুহুরি নদীর দিকে বেসরকারি উদ্যোগে এক কোটি টাকা খরচ করে বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এ বিপদ থেকে উদ্ধার হতে পারবো। আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।

আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া জিরির মুতামিম মাওলানা খোবাইন বিন তৈয়ব, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।

আয়োজকরা জানায়, আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় দুর্গত ৫০০ পরিবারে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই শতাধিক মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন আন্দোলনে আহত ১০০ জন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন আন্দোলনে আহত ১০০ জন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে ১০০ জন পুলিশের চাকরি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সিআইডিতে আজকে আমার একটা নরমাল ভিজিট ছিল। আমার সঙ্গে আইজিপি ছিলেন। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি। আপনারা জানেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেকে নিহত এবং আহত হয়েছেন। যারা আহত হয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়ে একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছি। যারা আহত হয়েছে তাদেরকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাইকেতো আর পুলিশে নেওয়া যাবে না, তবে একেকজন একেকভাবে আহত হয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আহতদের মধ্যে ১শ’ জনকে আমরা পুলিশ বাহিনীতে নিব। আমরা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আপাতত ১শ’ জন আহতকে দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি, পরবর্তীতে আমরা এই সংখ্যাটা আরো বাড়াব। আমরা আপাতত পুলিশে শুরু করছি পরবর্তীতে আমরা আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সকল ডিপার্টমেন্টে এটা করে দিব। ট্রাফিক ব্যবস্থার একটা সমস্যা রয়ে গেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আমরা এক হাজার ছাত্রকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত ৪শ’ জন শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো একটি প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম যে, বিভিন্ন বাহিনীতে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলায় নিয়োজিত করা। তবে অবসরপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে রেসপন্স খুব কম দিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম তারা অনেকে আসতে চাইবে। তবে আমরা আপাতত ৫০-৬০ জনের মত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত ৫শ’ জন দিয়ে শুরু করি।

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টা কেমন হবে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা যেন পড়াশোনা ঠিক রাখতে পারে সেজন্য তাদেরকে আমরা সময়টা কম দিয়েছি। তারা যেন পড়াশোনাও করতে পারে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। তাদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। তারা রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টা কাজ করবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের আমলে সব থেকে বড় সমস্যা ছিল মানি লন্ডারিং। মানি লন্ডারিং নিয়ে আমি সিআইডি প্রধানকে সব থেকে বেশি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আমি সিআইডি প্রধানকে বলেছি যে, তিনি যেন দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনার প্রতিবেদন দেন। বিগত সরকারের আমলে মানি লন্ডারিং সব থেকে বেশি হয়েছে। আমি সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছি মানি লন্ডারিং এর মামলাগুলোর প্রতিবেদন যেন দ্রুত দেয়া হয়। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপন করে লাভ নেই। আমি একটা রিপোর্ট চাই যে কারা কারা মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে জড়িত। সেটা আমি সিআইডিকে বলেছি। যদি তদন্তের নামে দুই তিন বছর চলে যায় তাহলে তো এটার কোন কার্যকারিতা থাকে না।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

আজ চৈত্রসংক্রান্তি

আজ চৈত্রসংক্রান্তি

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র মাসের শেষ দিন । এই দিনটিকে চৈত্রসংক্রান্তি হিসেবে উদযাপন করা হয়। 

আগামীকাল রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ, নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩১।

আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্রসংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়ে থাকে। বিশেষ করে হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্রসংক্রান্তি।

মনে করা হয়, চৈত্রসংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। 

এদিকে পুরোনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে। এদিন জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সবকিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কুমিল্লায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ভোমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-১১ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু।

গ্রেপ্তার আসামির জহির ইসলাম ওরফে জহির হিজড়া (৪৬)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জাপর আলীর ছেলে। নিহত হিজড়ার নাম এনামুল হক শিশির (২৯)।

র‍্যাব জানায়, গত ১৩ মে সকালে বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি টিনশেড বাসায় এনামুল হক শিশির (২৯) নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির হাত-পা বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে জহিরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, নিহত শিশির ও আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারা নিহত শিশির ও আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলাও রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও বাকি কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী  হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ মে)সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও গবেষণায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে পারছে কিনা এমন একটি প্রশ্ন অনেকের আলোচনায় ফুটে উঠেছে। দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা, প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদগণ নিশ্চয় আরো চিন্তাভাবনা করবেন। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চলমান এই সময়ে এ আই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডাটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানো টেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, এসব উন্নততর প্রযুক্তি একদিকে আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অন্যদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান। এর ফলে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রথাগত চাকুরির বাজারে বেকারত্ব বাড়াচ্ছে যেমন তেমনি তৈরি করছে নিত্য নতুন কর্মসংস্থানও।'

তারেক রহমান বলেন, 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কর্মসংস্থানের নতুন বাজারে প্রবেশ করতে হলে  আমাদের মুখস্ত বিদ্যা এবং সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের প্রচলিত ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, শিক্ষা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তৈরিরও প্রধান নিয়ামক। ফলে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। কারিকুলাম প্রণয়নে শিল্পখাতের চাহিদাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।'

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিশ্ববাসীর সামনে যে বার্তাটি স্পষ্ট করেছে, সেটি হলো শিক্ষা কেবল স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে জ্ঞানের চর্চা কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়েই আবদ্ধ নয়। বরং আমরা দেখি, ডাটা সায়েন্সের সাথে বায়োলজি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে হয়তো সমাজবিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটছে। এই সংযোগের ফলে জ্ঞানের সীমানা প্রতিনিয়ত প্রসারিত ও গতিশীল হচ্ছে। এই পরিবর্তনের গতি প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ক থাকা জরুরি।

শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চশিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।'

বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাষ্ট্রি-একাডেমিয়া বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না '

তিনি বলেন, 'কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করা। ফলে এই উদ্যোক্তারা নতুন এবং সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়ন করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় কর্মদক্ষতা অর্জনের ফলে এমনও হতে পারে তিনি আর চাকুরির জন্য অপেক্ষা না করে  নিজেই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আরো কয়েকজনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। এসব উদ্যোগ ছাড়াও সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইন্সস্টিটিউট, সায়েন্স পার্ক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার, প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারসহ এ ধরনের শিক্ষা ও দক্ষতা বিষয়ক আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। শুধু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, স্কুলপর্যায় থেকেই সরকার শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে। '

প্রধানমন্ত্রী বৃটিশ লেখক টম উইনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আজকের এই কর্মশালার বিষয়বস্তুর সঙ্গে ব্রিটিশ লেখক 'গুডউইন' যিনি বিশেষ করে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে 'বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট এন্ড এনালিস্ট' হিসেবে স্বনামধন্য, তার একটি বিখ্যাত মন্তব্য বেশ প্রাসঙ্গিক বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। তিনি বলছেন, বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত ট্যাক্সি কোম্পানি উবারের নিজের কোনো ট্যাক্সি নেই। বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সোশ্যাল মিডিয়া 'ফেসবুক' নিজে কনটেন্ট তৈরি করে না। বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন বিজনেস প্লাটফর্ম 'আলিবাবা'র কোনো 'মজুদ পণ্য' নেই।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রোভাইডার 'এয়ারবিএনবির নিজেদের কোনো রিয়েল এস্টেট নেই।' অর্থাৎ ইনোভেটিভ আইডিয়া দিয়ে তারা যার যার ক্ষেত্রে বিশ্ব শাসন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত: এক একটি 'স্মার্ট ইন্টারফেস'। তারা সেবা দিচ্ছে না, বরং যারা সেবা দিতে চায় এবং যারা সেবা নিতে চায়, তাদের এক জায়গায় নিয়ে আসছে। এটিই প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান।

শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন কিংবা গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গবেষণা এবং উদ্ভাবন' কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন, ‘শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।'

তিনি বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে  যারা দেশে-বিদেশে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও অর্থ-বিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেসব এলামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা' উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই।'

মেধাভিত্তিক দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সামর্থ সীমাহীন না হলেও সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অবশ্যই আমাদের পক্ষেও নতুন কিছু করা সম্ভব। আমি বিশ্বাস করি, আমাদেরও প্রচুর মেধাবী মানুষ রয়েছেন যারা সুযোগ বা সুবিধা পেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের কিছু করা অসম্ভব নয়। মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ ও মেধার লালন করে আমরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই। '

ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের তারুণ্য বারবার রাজপথে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণ বারবার অধিকার আদায়ের মিছিলে শামিল হয়েছে। এভাবেই দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায়। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়।'

তিনি বলেন, 'জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে। আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যা আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যত বাংলাদেশকেও আলোকিত করবে। সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে আমরা অবশ্যই আলিঙ্গন করবো।'

তিনি বলেন, 'তবে আমরা যেন আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে না ফেলি। আমি এ ব্যাপারে শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী পেশাজীবী তথা সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রতি সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানাচ্ছি।'

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ক্রেস্ট উপহার দেন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসির সচিব ফখরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০