

আগামী ২৯ শে জুন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা ।
ঈদের এক সপ্তাহ আগেই কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন হাটে আসতে শুরু করেছে কোরবানির গরু ছাগল সহ অন্যান্য পশু। ইতোমধ্যে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চলে এসেছে কোরবানির গরু ছাগল। বেশকিছু স্থায়ী হাটে চলছে কোরবানির গরু ছাগলের জমজমাট কেনা বেচা।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, কুমিল্লা জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে এবছর অন্তত ৪৩০ টি কোরবানির পশুর হাট ইজারা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী পশুর হাট ৩৬ টি। অস্থায়ী পশুরহাট ৩৯৪ টি। সবচেয়ে বেশি পশুর হাট বসবে মুরাদনগর ও বরুড়া উপজেলায় চল্লিশটি করে, এছাড়া চৌদ্দগ্রাম উপজেলাতেও পশুর হাট বসবে ৩৫ টি।
এদিকে কোরবানির পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থানে আছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ। তারা বলছেন, সুশৃংখলভাবে হাট পরিচালনার জন্য ইজারাদারদের সকল ধরনের আইন ও নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। প্রতিটি হাটে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখতে হবে হাসিলের মূল্য। এছাড়া হাটের অভ্যন্তর ছাড়া আশেপাশের রাস্তায় কিংবা পথচারী চলাচলের জায়গায় পশু ওঠানামা করানো যাবেনা।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকেও বলা হয়েছে বড় হাট গুলোতে রাখতে হবে ভেটেনারি ডাক্তার এবং জাল টাকা সনাক্ত করার মেশিন।
এদিকে বিভিন্ন হাটের ইজারাদাররা বলছেন এ বছর এখনো পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে কোরবানির পশুর দাম থাকবে সহনশীল। তবে হাটে বেশি গরু ছাগল উঠতে পারে শেষ বাজারে। আর যেসব এলাকায় গরু ও ছাগলের শংকট দেখা দিবে সেখানে দাম বাড়তে পারে কোরবানির পশুর।
জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান জানান, মহাসড়কের পাশে কোথাও পশুর হাট বসানো যাবে না। ব্যবসায়ীদের কোন হাটে আসতে বাধ্য করা যাবে না। হাসিলের হার উন্মুক্ত অবস্থায় হাটে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ইজারাদাররা পশুর হাটে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকবে প্রতিটি হাটে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উপজেলার কোরবানির পশুর হাট গুলোতে সরকারি হাসিলের মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে টানিয়ে দেয়া হবে। হার্টের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, ভেটেরিনারি চিকিৎসক বসা ও জাল টাকা সনাক্তকরণ মেশিন ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে ইজারাদাররা।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালে স্কুল ছাত্র রমজান আলী (৮) হত্যার দায়ে আজহারুল
ইসলাম রিপন ও আইয়ুব আলী নামের দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন কুমিল্লার আদালত।
রবিবার
(১৩ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক
জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা
হলেন: কুমিল্লার নগরীর বিষ্ণুপুর ভূইয়া বাড়ীর মোঃ বিল্লাল হোসেনের ছেলে মোঃ আজহারুল
ইসলাম রিপন (পলাতক) এবং একই জেলার বুড়িচং উপজেলার নারায়ণগসার গাজী বাড়ী মৃত সৈয়দ আব্বাস
এর ছেলে আইয়ুব আলী।
আসামি
আজহারুল ইসলাম রিপন ও আসামি আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত
হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যককে বিশ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড এবং অনাদায়ে
আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং অপর দুই আসামি রনি ও মাসুম বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায়
তাদেরকে খালাস প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আইয়ুব আলীসহ
অপর দুই আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
এ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আমরা
(বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ) আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে শীঘ্রই বাস্তবায়ন করবেন।
আসামি
পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট মোঃ মফিজুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিল্ডিংয়ের ছাদে গাঁজা গাছ চাষ করার অভিযোগে বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
গ্রেফতার সিরাজুল ইসলাম (৪০) ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মংগলকান্দি ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের মন কাজী বাড়ির মৃত মহরম আলীর ছেলে।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বাড়ির মালিক আলাউদ্দিন দীর্ঘ দিন ধরে বাড়িতে থাকেনা। কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলাম বাড়ির সবকিছু দেখাশুনা করত। ভবনের মালিক তার পরিবারের অনুপস্থিতিতে সে ভবনের ছাদে গাঁজা চাষ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি নোয়াখালী সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে বিল্ডিংয়েল কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলামের দখলীয় বিল্ডিং দ্বিতীয় তলার ছাদে একটি গাঁজা গাছ যার দৈর্ঘ্য ৩' (তিন) ফুট, যার ওজন শাখা প্রশাখা ও মূলসহ ২৭০ (দুইশর সত্তর) গ্রাম উদ্ধার করে আসামি সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার কুখ্যাত ডাকাত রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ভোরে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী এলাকা থেকে কুখ্যাত ডাকাত রিয়াজুল ইসলামকেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রিয়াজুল সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জেয়ালা-নলতা গ্রামের মৃত বাছতুল্লাহ মোড়লের ছেলে।
রিয়াজুল ইসলাম ডাকাত দল রিয়াজুল গ্রুপের প্রধান। তার বিরুদ্ধে তালা থানাসহ অন্যান্য থানায় ডাকাতি, দাঙ্গা সৃষ্টি ও অস্ত্র মামলাসহ ৭টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্প কমান্ডার নাজমুল হোসেন বলেন, কুখ্যাত ডাকাত রিয়াজুল গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি জেলায় ডাকাতির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। তালা থানায় হস্তান্তর করা হবে কুখ্যাত ডাকাত রিয়াজুলকে।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি মাত্র তিন বছর বয়সে মাতৃহারা হন। ২০১২ সালে তার বাবাও না ফেরার দেশে চলে যান।
মাতৃহারা হওয়ার পর থেকেই নানার কাছেই বড় হয়েছেন তিনি। তবে এবার প্রিয় সেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারালেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১১ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।
এই নির্মাতা আরো জানান, পরীমণির নানার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালীতে নেওয়া হচ্ছে। সেখানেই পরীর নানির কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হবে।
গেল অক্টোবর মাসের ছিল পরীমণির জন্মদিন। প্রতিবার ঘটা করে দিনটি উদযাপন করলেও এবার নানার অসুস্থতার কারণে আয়োজন থেকে বিরত ছিলেন তিনি।
তখন পরীমণি বলেছিলেন, বেশ কদিন ধরেই নানা বেশ অসুস্থ। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি। আপনারা জানেন প্রতিবার জন্মদিনে নানুর হাত ধরে কেক কাটি। আমার নানু আমার জন্য কী সেটা সবাই জানেন। তিনি কদিন ধরেই অসুস্থ। তার অসুস্থতার জন্য আমি শুটিংও বাদ দিয়েছিলাম। তাই এবার জন্মদিনটি পালন করছিনা।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাবের দোকানগুলোতে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এ অভিযান চালানো হয় ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায়।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ডাবের বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে চালানো হচ্ছে অভিযান। অভিযানে ডাবের কেনা দামের রশিদ না রাখায় এবং বাড়তি দামে ডাব বিক্রি করায় দুই ডাব ব্যবসায়ীকে মোট সাড়ে ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৯০ টাকায় ডাব কিনে ১৬০ টাকায় বিক্রি করায় রেলগেটের ডাব ব্যবসায়ী মো. শামীম মিয়াকে ৫ হাজার টাকা এবং রেলস্টেশন এলাকার ডাবের আড়ত মায়ের দোয়ার মালিককে দেড় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়ে যাওয়ায় জানা যায়নি মায়ের দোয়া আড়তের মালিকের নাম।
মন্তব্য করুন


ভালোবাসা থেকেই গানের প্রতি ঝুঁকেছেন সংগীতশিল্পী ড. মাহফুজুর রহমান। ২০১৬ সাল থেকেই প্রতি ঈদে এটিএন বাংলায় প্রচার হয় তার গাওয়া গান নিয়ে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।
এবার ঈদেও ড. মাহফুজুর রহমানের গান শোনা যাবে। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, একটি নয়, দুটি গানের আয়োজন নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই শিল্পী।
জানা যায়, এটিএন বাংলায় ঈদের দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘তুমি শুধু আমারই থেকো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০টি গান। গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ।
বাংলা গানের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে থাকছে জনপ্রিয় কয়েকটি গজল। গানগুলোর শিরোনাম, ‘আমায় ভালোবাসোনা’, ‘তোমার চোখ দুটি’, ‘তুমি যে শুধু আমার’, ‘যাবে যদি চলে যাও’ এবং ‘বুকের মাঝে রাখবো’ শিরোনামের গান। গজলের মধ্যে ‘রয়েছে মেরে মিতুয়া’, ‘ম্যায় জিস দিন’, ‘জানে কাহা’, ম্যায় সায়ের তো নেহি এবং চিটঠি আয়ি হ্যায়।
ঈদের পরদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘লেকে পেহেলা পেহেলা পেয়ার’। একক এবং ডুয়েট হিন্দি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে এই অনুষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানে থাকছে ‘দিল কিয়া কারে’, ‘মেরে মেহেবুব’, ‘রাজাকো রানি সে পেয়ার’, ‘লেকে পেহেলা পেহেলা পেয়ার’, ‘বারিস মে তু’, ‘তুহি এ মুঝকো বাতাদে’, ‘ধীরে ধীরে সে, হামকো হামিসে’, ‘ম্যায় জিস দিন ভুলাদু’ এবং ‘মিলে হো তুম হামকো’ শিরোনামের গান। ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন সামিয়া জাহান, নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও মারিয়া চৌধুরী।
এটিএন বাংলার পাশাপাশি এবারের ঈদেও এটিএন নিউজে প্রচার হবে ড. মাহফুজুর রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘দু’চোখে শুধু তুমি’।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই ছিনতাইকারী কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুই ছিনতাইকারী হলো মো. পারভেজ (২৭) ও মো. জীবন (২৪)।শনিবার রাতে ফার্মগেট আনন্দ সিনেমা হলের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন।
তিনি জানান, দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি চাকু উদ্ধার করা হয়। তারা পথচারীকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে সব ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার পারভেজ ও জীবন পেশাদার ছিনতাইকারী। পারভেজের বিরুদ্ধে সাতটি এবং জীবনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। তারা দুইজন ফার্মগেট এলাকায় ঘুরাফেরা করেন। সাধারণত একাকী পথচারী তাদের প্রধান টার্গেট। তারা নির্জন স্থানে ওঁত পেতে থাকেন। এরপর ওই পথে কেউ গেলে তার প্রতিরোধ করে চড়-থাপ্পড় দিয়ে মোবাইল, মানিব্যাগ কেড়ে নেন। আর কেউ যদি বাধা দেয় তাহলে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
গতকাল রাতে এমনভাবেই ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মন্তব্য করুন


সোমবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘পর্যটন নিরাপত্তায় ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা : বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ভিসানীতির কারণে পুলিশের ওপর কোনো ইমেজ সংকট তৈরি হবে বলে মনে করি না।
জাতীয় নির্বাচনে এসব অস্ত্র কোনো প্রভাব ফেলবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজপি বলেন,বিভিন্ন সংঘাতের সময় অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন হয় কিন্তু অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের তেমন তৎপরতা দেখা যায় না ।
তিনি আরো বলেন, যার কাছে অস্ত্র থাকে এবং প্রদর্শিত হয় তখন পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে কাজ করে। জাতীয় নির্বাচনের সময় আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
মন্তব্য করুন