

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় হায়েনার কামড়ে এক শিশুর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
শিশুটির বাড়ি নওগাঁয়। বয়স ২ বছর।
গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে রাজধানীর জাতীয় আর্থপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করছে । তদন্ত কমিটির সুপারিশে হায়েনার নিরাপত্তা বেষ্টনি উঁচু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
উদ্যোগে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলন-২০২৪ উপলক্ষে
ঢাকার মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী
প্রধান সবাইকে শুভ কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সেই সাথে
পার্বত্য জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিটি ধর্মের নিজ নিজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত।
একইসাথে তিনি সম্প্রীতির দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে একে
অপরকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য অনুষ্ঠানে আগত ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের সম্মানিত
কূটনীতিকগনকে ধন্যবাদ জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য জেলা সমূহে শান্তি ও
সম্প্রীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায়
বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালিদের সচেষ্ট থাকতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যমন্ডিত পার্বত্য জেলাসমূহে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয়
ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পার্বত্য জেলাসমূহে অধিকতর স্কুল, কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে দেশে ও বিদেশে
ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।
সবশেষে তিনি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ
কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ সকল
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করায় বুদ্ধিস্ট
ফেডারেশনের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
প্রতিনিধি দল। সেসময় সেনাবাহিনী প্রধান তিন পার্বত্য জেলায় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
ও কঠিন চীবর দান উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার
ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ পালন করার
জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ বাংলাদেশ
বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের অনুকূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এক কোটি টাকার চেক
অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামসহ
সারাদেশে ২৬৬টি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুভ কঠিন চীবর
দান পালিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের সভাপতি
শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের মহোদয়, প্রধান ধর্মদেশক ভদন্ত এস লোকজিৎ মহাথের
মহোদয়সহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের কূটনীতিক ও
সর্বস্তরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গন এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা।
সরকার পদত্যাগের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ
জনতা। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ৪ সেপ্টেম্বর
থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। আর এ অভিযানে এখন পর্যন্ত
বিভিন্ন ধরণের ১১১ টি অস্ত্র উদ্ধার ও ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের
মধ্যে একে-৪৭ একটি, রিভলবার ৭টি, পিস্তল ৩০টি, রাইফেল ৯টি, শটগান ১৫টি, পাইপগান ৩টি,
শুটারগান ১৬টি, এলজি ১৫টি, বন্দুক ৫টি, গ্যাসগান একটি, চাইনিজ রাইফেল একটি, এয়ারগান
একটি, এসবিবিএল ৩টি, এসএমজি ৩টি ও একটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার রয়েছে।
উল্লেখ্য, যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী,
কোস্টগার্ড এবং র্যাব রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাভারে ভুয়া ডিবি
পরিচয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে নিয়ে ৯ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের
মূলহোতাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: আফজাল
হোসেন (৩৮) ও শফিকুল ইসলাম ওরফে রুবেল (৪৮)।
২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার
রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাদেরকে।
র্যাব-৪ এর অধিনায়ক
(সিও) লে. কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে আশুলিয়া,
সাভার, ধামরাই, নরসিংদী এবং রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন থানায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে
ছিনতাইয়ের ঘটনায় একাধিক মামলার দায়ের করা হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার সাভারে ডিবি
পুলিশ পরিচয়ে প্রকাশ্যে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ৯ লাখ টাকা
ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ছিনতাইকারীরা
ভুক্তভোগীকে চোখ বেঁধে মারধর করে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় তদন্তের
ধারাবাহিকতায় চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন
ধরে সাভার, আশুলিয়া এলাকায় ছিনতাই করে আসছিলো। দস্যুতা, ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্র
মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান, এ নিয়ে আলোচনা করতে আজ ছাত্রদের সঙ্গে, আগামীকাল বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এবং পরদিন বৃহস্পতিবার ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল- মামুন বলেছেন, গত ঈদে আমাদের শুধু লক্ষ্য ছিল যাত্রীদের নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া। এবার একদিকে যাত্রীরা গন্তব্যে যাবেন
অন্যদিকে পশুবাহী ট্রাক এবং পশুবাহী নৌকা যাতায়াত করবে রাস্তায় এবং নদীতে। এর সাথে মৌসুমি ফলের গাড়িও আসবে। দেশবাসীকে সবকিছু বিবেচনা করে আশ্বস্ত করতে চাই সরকার
বিভিন্ন মুখী ব্যবস্থা নিয়েছে। গতবারের চেয়ে এবারের ঈদে চ্যালেঞ্জ একটু বেশি হবে।এটা সবাইকে মাথায় রাখতে বলবো।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে গিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, সড়ক মন্ত্রীর
দপ্তর, রেলওয়ে মন্ত্রালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার এবং প্রত্যেকটি জেলায় সব স্টক হোল্ডার, মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। আশা
করছি এবারও সবার সহযোগীতায় যাত্রীদের যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।
গতবারের ঈদের যাতায়াত ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর ছিল। ওই অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে আমাদের নিরাপত্তা সাজিয়েছি।গরুর হাটগুলো সর্বক্ষণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। হাটে পশুর দড়ি ধরে টানা হেঁচড়া , চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। যদি কেউ কোনো ট্রাক বা নৌকা থামায় তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের হুশিয়ার দিয়ে বলতে চাই এই কাজগুলো করবেন না। যদি করেন তাহলে আইনের যে প্রয়োগ করা দরকার সেটাই করবো।
ব্যবসায়ী ও ইজারাদার,গরুর মালিকদের কোন সমস্যা হলে নিকটস্থ পুলিশের সহয়তা নিন। যদি কাছাকাছি কাউকে না পান তাহলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিন। আইজিপি আরো বলেন, আমরা রাস্তা
থেকে সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তবে অনেক সময় আবহাওয়ার কারণে সমস্যা হয়। ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার বিষয়ে আমরা সচেতন আছি। মহাসড়কের কোথাও যদি অটোরিকশা চলে তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত আইজি (হাইওয়ে) মো. শাহাবুদ্দিন খান, হায়দার আলী খান, পুলিশের হেড কোয়ার্টার এআইজি (মিডিয়া) মো. মঞ্জুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
যাত্রাবাড়ি এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ,
কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীর মধ্যে হামলা, মারধর ও
সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেন,
‘ভাঙচুরসহ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
আগামীতে এ ধরনের ঘটনাকে কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না। সংঘর্ষ এড়াতে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কোনোভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ না হয়,
সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই সংঘর্ষ এড়ানো
যায়নি।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এসব কথা বলেন।
এ
সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সামাজিকমাধ্যমে
বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা দেখেছি,
তিনজন নিহত হওয়ার একটি খবর রটেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার কোনো
সংবাদ আমরা পাইনি। নানা মাধ্যমে চেষ্টা করেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠিত কোনো
গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর আমরা পাইনি।
তিনি
বলেন, তবে
অনেকেই আহত হয়েছেন, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন। এটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমরা
বারবার আহ্বান জানাচ্ছি ছাত্ররা যেন কোনো প্রকার উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য সহকারে
তাদের যেকোন সমস্যা কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। কিংবা প্রয়োজন হলে
সরকারও এর মধ্যে অংশীভূত হতে পারে।
মাহবুবুর রহমান কলেজের হামলার ঘটনা নিয়ে কাজ করার সময় জানতে পারলাম যে ৬ দিন
আগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সঠিক
চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে এই ঘটনা শুরু হয়,
অভিযোগ ছিল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে সোরহাওয়ার্দী কলেজ
কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক
প্রশ্নের উত্তরে আসিফ মাহমুদ বলেন,
বিগত দিনগুলোতে পুলিশ যেকোন সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য রাবার বুলেট বা গুলি ছুড়তো।
এটা কোনো আন্তর্জাতিক প্রাকটিস না। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
অপর
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়ে অনেক ধরনের
তথ্য আসছে। জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানাতে পারবো কারা এর
পেছনে জড়িত আছে।
দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে যড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকার সফলভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক, এটা তো অনেকে চাচ্ছে না, বিশেষ করে বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, সরকারের
কার্যক্রম নস্যাত করতে এবং সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
এসব করা হচ্ছে।’ তবে
যারা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এসব করছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে
বলে তিনি জানান।
পরিকল্পিত
যড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে বিল্পবী চেতনার রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণের কাছে
আহবান থাকবে যেহেতু আমরা একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আছি। সকলের ভেতরে
বিপ্লবী চেতনা আছে, উত্তেজনা
আছে সেটা যেন আমরা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করি।'
তিনি
আরো বলেন, 'আমরা
সচেতনতা সবদিক থেকে তৈরি করি এবং রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এখানে অনেক
ভূমিকা নেওয়ার আছে। গণঅভ্যুত্থানে যেমন আমাদের মধ্যে ঐক্য ছিল- আমরা মনে করি
বর্তমান পরিস্থিতিতেও সকলের ঐক্যের ভিত্তিতে এসব রুখে দিতে হবে। মিথ্যা
প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে রাজধানীতে জড়ো করা
হয়েছিল। যে সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ ঢাকায় আনা হয়েছিল, সেই সংগঠনের
প্রধানকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
মন্তব্য করুন


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন আয়োজিত
রাজবাড়ী সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকায় একটি পদাতিক ব্রিগেড গ্রুপের অনুশীলনে দেওয়া বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অনুশীলনস্থলে উপস্থিত হলে তাকে অভ্যর্থনা জানান
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল
হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, যশোর এরিয়া মেজর জেনারেল
জে এম ইমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির
অহংকার ও বিশ্বাসের জায়গা। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ‘প্রশিক্ষণই সর্বোত্তম কল্যাণ’ এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে
দক্ষতা অর্জন করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা যুদ্ধের জন্য সেনাসদস্যদের প্রস্তুত
রাখতে হবে। যে খেলোয়াড় যত পরিশ্রম করে বা প্রস্তুতি নেয়, খেলায় বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাও
তার তত বেশি। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও তা-ই।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধকৌশল ও দক্ষতা প্রশংসনীয় মন্তব্য করে
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীকে বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়া অফিস জানায় কনকনের শীতের মাঝেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির আভাস আছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমবে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানায়, বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার শুরুর দিকে দেশের উত্তরাংশে হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ের শেষের দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, বর্তমানে উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ অবস্থায় রোববার (০৫ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
রোববার সকাল থেকে সোমবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারাদেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম জানিয়েছেন, ছাত্র-জনতার
গণঅভ্যুত্থানের পর এখনো কাজে যোগদান না করা পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে রাখার কোনো সুযোগ
নেই।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের
নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক
(আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এ কথা জানান।
অনেক পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও কাজে ফেরেননি। কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা দেশের
বাইরে পালিয়ে গেছেন, না দেশে আছে সেই তথ্য কেউ জানে না। তাদের ব্যাপারে পুলিশের অবস্থান
সম্পর্কে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, যারা বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়েছেন, যাদের সম্পৃক্ততা
আমরা পেয়েছি, এরই মধ্যে আমরা সেসব সদস্যদের অনেককেই গ্রেফতার করেছি। ১৭ জন পুলিশ সদস্যকে
গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তারাও রয়েছেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও
রয়েছেন। যারা মামলার আসামি হয়েছেন, আবার অনেকেই যারা বিভিন্ন কারণে কর্মস্থলে থাকছেন
না। আমাদের দ্বিতীয় বিপ্লব যেটাকে আমরা বলছি, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আমাদের যে বিপ্লব
সংগঠিত হয়েছে তারপরে যারা আন্দোলনে অতিরিক্ত (দমন নিপিড়ন) করেছে তারা কিন্তু নেই। এ
সংখ্যাটা নিতান্তই অল্প। আমরা ইউনিট অনুযায়ী স্টপ করে রেখেছি। এ সংখ্যাটা মাত্র ১৮৭
জন। ২ লাখ ১৪-১৫ হাজার বাহিনীর সদস্য সেখানে ১৮৭ জন তারা বিভিন্ন কারণে গরহাজির (অনুপস্থিত)
হতে পারে।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম আরও বলেন, যারা গরহাজির
(অনুপস্থিত) সদস্য তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। কেন
তারা গড়হাজির সেই কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে? তাদের কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া
হয়েছে। তারা যদি না আসে আমাদের ব্যবস্থা ক্লিয়ার। তাদের আর চাকরিতে রাখার কোনো সুযোগ
নেই।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো সেনাসদরে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে সেনাবাহিনী
প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক
প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনাসমূহ সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো: তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী
প্রধান, পিএসও এএফডি, সামরিক ও অসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং
গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব এর মহাপরিচালকগণ
ও সেনাসদরের কর্মকর্তাগণ।
(খবর বাসসের)
মন্তব্য করুন