

ভারতের মুর্শিদাবাদে রেলসেতুর ওপর দাঁড়িয়ে ভিডিও করার সময় মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় তিন কিশোর নিহত হয়েছে। এই সময় আহত হয়েছেন আরও দুই জন।
বুধবার(২০ ডিসেম্বর) দুপুরে মুর্শিদাবাদের আহিরণের ভাগীরথি হরিদাসী সেতুতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, স্কুল ছুটি থাকায় বুধবার সুতির সাহাপাড়া এলাকা থেকে আহিরণের ভাগীরথি হরিদাসী সেতুতে বেড়াতে আসে নবম শ্রেণির ৫ ছাত্র। তারা ফরাক্কা ফিডার ক্যানালের ওপর ওই সেতু দিয়ে যায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ও রেলপথ। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর রাস্তা থেকে রেলসেতুতে উঠে পাঁচ কিশোর। তারপর সেখানে তারা ভিডিও ধারণে মেতে উঠে। তখন ফরাক্কার দিক থেকে একটি মালবাহী ট্রেন এসে দ্রুতগতিতে ধাক্কা মারে তাদের। ইঞ্জিনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে তারা। তাদের মধ্যে সামিউল শেখ ,আমাউল শেখ ও রিয়াজ শেখ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। খবর পেয়ে ফরাক্কা জিআরপি পুলিশ সদস্যরা এসে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহতদের পরিবারের সদস্যরা জানান, জাতীয় সড়ক সাবধানে পার হতে এবং রেলসেতুতে উঠতে তাদের নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু ভিডিও করার নেশাই কেড়ে নিল ৩টি তাজা প্রাণ।
মন্তব্য করুন


১৮ আগস্ট শুক্রবার সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা পুলিশলাইন শিব মন্দিরেও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আনন্দঘন পরিবেশে শ্রী শ্রী মনসাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশনেন সনাতন ধর্মালম্বী প্রায় সহস্রাধিক পুর্ণ্যাথী।
জানা যায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাপঞ্চমী তিথিতেও মনসাপূজার বিধান আছে । বর্তমানে সর্বজনীনভাবে মনসাদেবীর মন্দিরে মনসাপূজা করা হয়। আবার পারিবারিক পর্যায়ে পারিবারিক মন্দিরেও মনসাদেবীর পূজা হয়। প্রধানত সর্পদংশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে বা সর্পদংশনের প্রতিকার পেতে মনসার পূজা করা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আইটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, শ্রী মনসা সর্পের দেবী। দেবাদিদেব শিবের কন্যা। স্বর্গের দেবতারা মনসাকে দেবতা হিসেবে মানতে রাজি ছিলেন না। অবশেষে সকল দেবতা বলেন চম্পক নগরের চাঁদ সওদাগর যদি মনসাকে পূজা করেন তবে তিনি দেবতা হিসেবে স্বর্গে পরিচিত লাভ করবেন। দেবী মনসা তখন চম্পক নগরে গিয়ে চাঁদ সওদাগরকে তার পূজা করতে বলনে। চাঁদ সওদাগর ছিলেন শিবের একনিষ্ঠ ভক্ত।
তিনি মনসাকে জানিয়ে দেন যে হাতে আমি তোমার পিতার পূজা করি সেহাতে তোমার পূজা করতে পারবো না। মনসা তাকে অনুরোধ করলেন কিন্তু চাঁদ সওদাগর তার কথা শুনলেন না বরংতার উপর ক্ষিপ্ত হলেন। এ ঘটনায় চাঁদ সওদাগর মা মনসার কোপে পড়েন সপ্ততরী ও ছয় সন্তানকে সাগরে তলিয়ে দেন। এতে তিনি নিজে প্রাণে রক্ষা পেলেও ৬ পুত্রের মৃত্যু হয়। অনেকদিন পর চাঁদ সওদাগর চম্পক নগরে ফিরে এসে দেখেন লক্ষিন্দর নামে তাঁর আরেক পুত্রের জন্ম হয়েছে।
উপযুক্ত বয়সে বেহুলার সঙ্গে লক্ষিন্দরের বিবাহ দিলেন। বাসর রাতেই লক্ষিন্দরকে কাল সাপে দংশন করে। সতী বেহুলা অযুতযোজন পথ বেলায় ভাসিয়ে স্বর্গে গিয়ে দেবতাদের তুষ্ট করেন। শিব মনসাকে স্বর্গে ডেকে নিয়ে বেহুলার স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে দিতে আদেশ দেন। এবারো বেকে বসেন দেবী মনসা। তিনি চাঁদ সওদাগরের পূজা পেতে বেহুলাকে শর্ত দেন।
বেহুলা মনসাকে কথা দেন, তাঁর স্বামীর জীবন ফিরিয়ে দিলে তিনি তার শ্বশুরকে দিয়ে মনসার পূজা দেবেন। মা মনসা চাঁদ সওদাগর এর ৭ পুত্রের জীবন ফিরিয়ে দেন। অবশেষে বেহুলা চম্পনগরে এসে তার শ্বশুর চাঁদ সওদাগরকে মা মনসার পূজা করতে বলেন। চাঁদ সওদাগর তখন তার বাম হাত দ্বারা মা মনসার চরণে ফুল নিবেদন করেন। কথিত আছে সেই থেকে মা মনসা দেবীর পূজা আরম্ভ হয়েছে প্রতি বছর ঘরে ঘরে।
মন্তব্য করুন


২৭ আগস্ট রোববার সকালে পিরোজপুরের
ভান্ডারিয়ায় রাস্তার পাশে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী জন্ম দিয়েছেন একটি ফুটফুটে
পুত্রসন্তানের।
ভারসাম্যহীন ওই নারী এ
সন্তানের জন্ম দেন পৌর শহরের ভুবনেশ্বর ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে।
পরে
থানা পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে মানসিক
ভারসাম্যহীন মা ও নবজাতককে উদ্ধার করে ভর্তি করা
হয়েছে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তারা দুজনেই সুস্থ আছে। তবে নবজাতকটির বাবা কে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে
বলতে পারছেন না ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী বা স্থানীয়দের কেউ।
স্থানীয়রা বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ভান্ডারিয়া উপজেলা সদর সহ ঘোরাঘুরি করেন বিভিন্ন
স্থানে। জীবনযাপন করতেন আশপাশের দোকান থেকে খাবার খেয়ে। আজ রোববার সকালে রাস্তার
পাশে ওই নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।
ভান্ডারিয়া উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কামাল হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন,
প্রসূতি ও নবজাতকের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
ভান্ডারিয়া থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুজ্জামান জানান, সকালে একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান
জন্ম দিয়েছেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী। এই সংবাদ পেয়ে সাথে সথে ঘটনাস্থলে পুলিশ
পাঠিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ওই নারী ছাড়া পাওয়ার পরে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আশ্রয়ের জন্য সহায়তা চাওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রাজনসহ সরাসরি জড়িত সাতজনকে গত রাতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে মাদক কারবারে জড়িত রাজন। গত ২৮ জুন গ্রেপ্তার হন তিনি। তার ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে ব্যবসায়ী সাইফুলের হাত রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়েই তিনি সাইফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সাইফুল সম্প্রতি পশ্চিমের একটি দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এজন্য তাড়াহুড়া করে রাজনের নেতৃত্বে জানে আলম, সুমন, লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীবসহ ১০-১২ জন সাইফুল দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেজুরবাগ স্কুল রোডে ওৎ পেতে থাকেন।
রোববার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় খেজুরবাগ স্কুল রোডে পৌঁছালে পথরোধ করে ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট, ব্যাটন, লোহার রড় ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে রাজন পাশের একটি দোকান থেকে কাঁটা চামচ নিয়ে সাইফুলের চোখ নৃশংসভাবে উপড়ে ফেলেন।
সাইফুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৩০ জুলাই রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গত রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. রাজন হোসেনসহ (৩১) সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন– জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), সরোয়ার আকন্দ (২৬) এবং মো. সজীব (২৯)। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুচালো লোহার রড, একটি ভাঙা ক্রিকেট ব্যাট, একটি ব্যাটন ও ছয়টি মোবাইল ফোন।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এবং সাতপাখি রোডে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন।
তিনি আরো বলেন, সাইফুল ছিল এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতেন। তিনি বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মাদক করবার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও অন্যান্যরা সাইফুলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাজন গত ২৮ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ধারণা করে যে, তার গ্রেপ্তারের পেছনে সাইফুলের হাত রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও তার মা আগে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনেও সাইফুলের হাত রয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।
গ্রেপ্তার রাজন গত ১৯ জুলাই মুক্তি পেয়ে গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিম সাইফুলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং গত ৩০ জুলাই রাতে সাইফুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
র্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। গ্রেপ্তাররা এলাকায় মাদক কারবার ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন বলে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাজন স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজ পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি, গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ পাঁচটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার জানে আলম রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী জানে আলম। হত্যাকাণ্ডের সময় জানে আলম ভিকটিম সাইফুলকে ব্যাটন দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তার বিরুদ্ধেও অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার সুমন কাঠ কাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সুমন। তিনি ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের সহযোগী ছিলেন। গ্রেপ্তার লিটন মুদ্রাক্ষরিক, গ্রেপ্তার দিপু ও সজীব জাহাজ ভাঙার শ্রমিক এবং সরোয়ার রং মিস্ত্রির কাজ করেন। এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার রাজনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায়।
হত্যাকাণ্ডের সময় গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


৩০ জুন আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে শুভ কামনা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নায়ক শাকিব খান।
স্ট্যাটাসে নায়ক শাকিব খান লেখেন, এই ঈদে অপু–জয় প্রোডাকশন হাউজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘লাল শাড়ি’ মুক্তি পেয়েছে। আমার সন্তান জয়ের নামের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম চলচ্চিত্র এটি। বাবা হিসেবে সন্তানের নামের কারণে চলচ্চিত্রটির প্রতি আমার অন্যরকম এক আবেগ কাজ করছে। তাই এই ঈদ উৎসবে পরিবার–পরিজন সবাইকে নিয়ে ‘প্রিয়তমা’র পাশাপাশি ‘লাল শাড়ি’ দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তলসহ মো. রাসেল ও মো. ইমরান নামের ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ১টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয় তাদের কাছ থেকে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ।
এর আগে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাদেরকে আটক করা হয় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রাম থেকে।
গ্রেফতারকৃত রাসেল দেওপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে ও ইমরান একই এলাকার তাজল ইসলাম সুমনের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মাদকসহ বিভিন্ন ঘটনায় ৪টি করে ৮টি মামলা রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে রাসেল ও ইমরানকে আটক করা হয়। পরে রাসেলের কাছ থেকে ম্যাগাজিন সংযুক্ত পিস্তলটি জব্দ করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালীর কবিরহাটের চাঁনপুর শাহা গ্রাম থেকে একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুরের এসপি মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বিদিপ্তা
চক্রবর্তী ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি নাটক থেকে সিনেমা সকল জায়গাতেই
অভিনয়ের ছাপ ফেলেছেন। ব্যক্তিজীবনে পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেছেন বিদিপ্তা।
বিদিপ্তার
শাশুড়ি ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা চৈতালী দাশগুপ্ত। বিরসার সঙ্গে বিয়ের অনেক আগে
থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। এক সাক্ষাৎকারে সেটাই জানালেন এই অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী
বিদিপ্তা বলেন, তাদের বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল। তখন তো বিরসাকে (বর্তমান স্বামী) ছোট
দেখেছি। হয়তো কখনও গালও টিপে দিয়েছি আদর করে, ঠিক মনে নেই। স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায়
৭ বছরের বড় তিনি। কিন্তু বয়সের এই ফারাক কোনোদিন তাদের সম্পর্কে বাধা হয়নি।
তবে
বিরসাকে বিয়ের আগেই বিবাহিত ছিলেন বিদিপ্তা। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তানও ছিল বিদিপ্তার।
কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। ডিভোর্সের পর মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা।
তখনই বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে পরিচয়। ২৫ বছর বয়সী বিরসার তখন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছিল।
আমিও বিচ্ছেদ নিয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। একটা সময়ে দুজনের সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। আমাদের
পরিবারও বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
অভিনেত্রীর
শাশুড়ি চৈতালী দাশগুপ্ত বলেন, বন্ধু কখন বউমা হয়ে গেল, সেটা একদম চমকপ্রদ গল্প।
মন্তব্য করুন


এই ছবিগুলো প্রকাশের পরই
ভক্তদের নানা
রকমের
মিশ্র
প্রতিক্রিয়া দেখা
যায়। অভিনেত্রীর খোলামেলা রূপের ছবি জন্য
আক্রমণ
করেও
মন্তব্য করেছেন। কিন্তু নুসরাত ফারিয়া
তাদের
কারও
মন্তব্যেরই জবাব
দেননি।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দিতে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ।
আগামী ৯ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে শনিবার (৪ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এনটিআরসিএ।
এতে আরো বলা হয়, আবেদনের পর প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে প্রার্থীদের। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ করে মোট ১০০ নম্বর। পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর করে কাটা পড়বে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নির্ধারিত নিজ নিজ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা দিতে হবে।
নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে চাকরির সুযোগ পাবেন।
এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে (http://www.ntrca.gov.bd) এ বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে।
আবেদনের ওয়েবসাইট (http://ntrca.teletalk.com.bd)।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের
সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, এবার পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর ও নবীজির রওজা
রিয়াদুল জান্নাহ গিয়ে কসম খেয়েছি এই জেলাকে মাদকমুক্ত করব। মাদক বিক্রেতারা
ইবলিস শয়তান।
১০ নভেম্বর শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লার কুতুবপুর বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের
সামনে তিনি একথা বলেন ।
একেএম শামীম ওসমান
বলেন, পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর ও নবীজির রওজা রিয়াদুল জান্নাহ গিয়ে কসম খেয়েছি
এই জেলাকে (নারায়ণগঞ্জ) মাদকমুক্ত করব। আপনারা আমাকে সরাসরি না হয় গোপনে
সহায়তা করুন। মাদক বিক্রেতারা ইবলিস শয়তান। মাদকের বিরুদ্ধে আমার এই জিহাদে
আপনারা আমাকে সহায়তা করুন। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই মাদকের সঙ্গে যদি আমার কোনো
লোক জড়িত থাকে আমাকে জানান আমাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন গোপনে সহায়তা করুন
কঠিন কঠোর দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,
মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, ফতুল্লা বাক্তাবলী ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী, কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু
সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ
অংশীদার বলে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.
হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই
উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে উল্লেখযোগ্য অবদান
রেখে চলেছে এবং সে কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা
করি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ৫০ বছর
ধরে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের দৃঢ় অংশীদারত্ব এবং উন্নয়নে সহায়তার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে
ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের অর্ধশত বছর পূর্তিতে গুতেরেসকে বাংলাদেশ
সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান তিনি।
দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে মহাসচিব
জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা
করেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের
প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের
বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনী তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ
করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ
নিম্নআয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা
কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্ব সংস্থার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, এজন্য বাংলাদেশকে
পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিস্তিনের
গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবকে তার নেতৃত্বের
জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে
নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।
এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের
আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ
রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময়
পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতিসংঘ মহাসচিব গত দশকে বাংলাদেশের
অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে ড. হাছান মহাসচিব গুতেরেসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক,
মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে এবং গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও
ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও
ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে।
এ বৈঠকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে
বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
সফরসঙ্গী ও মিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন