

ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
মন্তব্য করুন


দেশ থেকে পাচার হওয়া কয়েকশ কোটি ডলার এ বছরের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "আমরা চেষ্টা করছি, বিশাল অংকের টাকা। সব টাকা আনতে সময় লাগবে। তাদের শনাক্ত করতে হবে। পাচারের সঙ্গে জড়িতরা বিভিন্ন দেশে আছেন। এখানে কতগুলো আইনের পদক্ষেপও রয়েছে, আবার সে আইনের পদক্ষেপগুলো বিদেশের সঙ্গেও জড়িত। এ জন্য একটি বিশেষ আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, শিগগিরই যা অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।"
সরকার কয়েকশ কোটি ডলার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এটা কি সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, "হ্যাঁ, এটা সম্ভব। অনেক সময় দেখা যায় ১১-১২ জন দিয়েছে, ২০০ কোটি টাকার ওপরে অনেকের শনাক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে হয়তো আমরা আনতে পারব।"
মন্তব্য করুন


ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বেলা ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী।
অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক জানান, সকালে শিশুটির দুই দফায় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। প্রথমবার সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃদস্পন্দন ফিরে এলেও বেলা ১২টায় আবারও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এবার সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরার নির্যাতিত শিশুটি আজ দুপুর ১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিএমএইচের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির সকালে তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। দুবার তাকে স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃদস্পন্দন ফিরে আসেনি। গত ৮ মার্চ সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এছাড়া শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে সেনাবাহিনী।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে ছিল জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের জনগণকে সমর্থন করে আসছি। কাজেই চার দেশের স্বীকৃতিকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা মনে করি এটা একটা সুখবর। যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল থেকে স্বীকৃতি মিলল। এই স্বীকৃতি চূড়ান্ত স্বাধীনতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। তবে ফিলিস্তিনের জনগণকে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।
স্থানীয় সময় রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলে তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের আরেক প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশ ফ্রান্স শিগগিরই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছে। এটি হলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে চারটিরই স্বীকৃতি পাবে ফিলিস্তিন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তিনি গত শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে (এসজিএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাদি।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘আধিপত্যবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে শরিফ ওসমান হাদির সংগ্রামী ও সাহসী ভূমিকা এ দেশের তরুণদের জন্য চিরদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। শহীদ ওসমান হাদি সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্টার অকুতোভয় যোদ্ধা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে সমাজ ও দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
হাদির মৃত্যুর খবর দিয়ে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আবরার, আবু সাঈদদের মতো হাদী না থেকেও আরো বেশি করে থাকবেন বাংলাদেশের বুকে। ইউ ফেইলড টু কিল ওসমান হাদী!’
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী, যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পারো না। (সূরা বাকারাহ: আয়াত ১৫৪)’
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কিছু মানুষ মরেন না, তারা রক্ত, স্বপ্ন ও বিপ্লব হয়ে মিশে যান ভবিষ্যতের ভেতরে। এ শপথ জুলাইয়ের প্রতিটি সন্তানের, এই দেশ আর ভয় পাবে না। শহীদ হাদি, আপনি আছেন, থাকবেন। ইনসাফের পথে, সাহসের কণ্ঠে, জুলাইয়ের শপথে।’
এদিকে হাদির মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমাদের জুলাই আন্দোলনের ভাইকে আমরা ফ্যাসিবাদী অমানুষদের থেকে রক্ষা করতে পারলাম না। মাফ করে দিও, হাদি ভাই। আল্লাহ তোমাকে শহীদের মর্যাদায় জান্নাতবাসী করুন। আমিন।’
মন্তব্য করুন


সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে গাজীপুরসহ সারাদেশে যৌথবাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এই অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার থেকেই গাজীপুরসহ সারাদেশে এই বিশেষ অভিযান শুরু হবে। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আগামীকাল প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে পতিত স্বৈরাচারের সমর্থক সন্ত্রাসীদের হামলায় কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
জাতীয় নাগরিক কমিটির মূখ্য সংঘঠক সারজিস আলম বলেছেন, ৭১ যেমন আমাদের শিকড় হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি পেয়েছে, ২৪-ও আমাদের অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে সংবিধানে ঠাঁই পাবে। এত মানুষ রক্ত ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে খুনি হাসিনাকে বিতাড়িত করে তার স্বামীর সংসারে পাঠিয়ে দিলেন। ঘোষণাপত্রে এর স্বীকৃতি দেয়া উচিত কিনা। জুলাই-আগস্ট ২৪ এর অভ্যুথানের বিষটি একটি লিখিত আকারে থাকুক। এই ঘোষণাটা লিখিত আকারে সংবিধানে স্থান দেয়া হোক। আজ বুধবার দুপুরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা ইটাখোলা মোড়ে এই লিফলেট বিতরণ লে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সাত দফা দাবি সম্বলিত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের দাবি এবং জনমত গঠনে নরসিংদীতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় পথ সভায় কথা বলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মূখ্য সংঘঠক সাধারণ সম্পাদক ও জুলাই-আগস্ট ২৪ এর স্বমন্বয়ক সারজিস আলমের সাথে ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহকায়ক সারোয়ার তুষার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির আয়োজনে এই কর্মসূচিতে নরসিংদী ও শিবপুরের শত শত সমন্বয়ক শিক্ষার্থী-জনতা অংশ নেয়। পরে দিনব্যাপী নরসিংদীর শিবপুর, সদরসহ বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
সারজিস আলম আলম আরো বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তথা জুলাই অভুথ্যানের নেত্রীতের কথা পরিস্কার করে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ থাকতে হবে। অভুত্থানে আওয়ামী খুনি ও ফ্যাসিস্টদের বিচার নিশ্চিত করার স্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে হবে। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতা পরিস্কার করতে হবে। প্রত্যেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
ফ্যাসিবাদি রাষ্ট্র ব্যাবস্থার মূল ভিত্তি সংবিধান বাতিল করে নির্বাচিত গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে সম্পূণ নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। যে সংবিধান জনগণের কথা বলবে, সে সংবিধান থাকবে। যে ধারা জনগণের কথা বলবে না সে ধারাগুলো সংবিধানে থাকতে পারবে না।
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে সব ধরনের বৈষম্য নিরসনের মধ্য দিয়ে নাগরিক পরিচয় প্রধান করে রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র প্রধান লক্ষ্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করা ছিল না; বরং গত ৫৩ বছরের বৈষম্য, শোষণ ও ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিলোপ করার লক্ষ্যে এ অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। সুতরাং বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো বিলোপ করতে সব ধরনের সংস্কারের ওয়াদা দিতে হবে।
আমাদেরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যাবে না। ধর্মের দোহাই দিয়ে ভাগ করা যাবে না। পেশা দিয়ে ভাগ করা যাবে না। সবাইকে সমান নাগরিক সুবিধা থাকতে হবে। একজন ভিআইপি সুবিধা পাবে অন্য জন পাবে না। তা আর হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র ঘোষণা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। প্রায় সাত বছর পর বাংলাদেশে এটি তার দ্বিতীয় সফর। জাতিসংঘ মহাসচিবের এ সফরে আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট। এ ছাড়া মানবাধিকার ইস্যুও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৪ মার্চ) সকালে হোটেলে মহাসচিবের সঙ্গে প্রথমে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি-সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিনিধি খলিলুর রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তার দপ্তরে বৈঠক করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বৈঠক শেষে তারা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে একসঙ্গে কক্সবাজার যাবেন। সেখান থেকে তারা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করবেন। রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘের হয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা নিজ নিজ কার্যক্রম সম্পর্কে জাতিসংঘ মহাসচিবকে ব্রিফ করবেন। শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের পর রোহিঙ্গা ও পবিত্র রমজানের প্রতি সংহতি জানিয়ে সবার সঙ্গে ইফতার করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতার করবেন তিনি। রাতে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব ও প্রধান উপদেষ্টা।
আগামী শনিবার (১৫ মার্চ) ঢাকায় জাতিসংঘের কার্যালয়ে যাবেন মহাসচিব। সেখানে জাতিসংঘের কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর দুপুরে হোটেলে ফিরে গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেবেন গুতেরেস। সেখানে বাংলাদেশের যুবসমাজ ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন মহাসচিব। এদিন সন্ধ্যায় জাতিসংঘ মহাসচিবের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস। ১৬ মার্চ সকালে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে জাতিসংঘ মহাসচিবের।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই আপাতত অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমরা দেখেছি, ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে৷ কেউ কেউ পোস্টাল ব্যলটের অপব্যবহার করবে এটা স্বাভাবিক। তবে, আমাদের সাবধান থাকতে হবে৷ পোস্টাল ব্যালটের বিষয়ে মিশনের খুব বেশি কিছু করার নেই৷
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক রকমের চেষ্টা হতে পারে৷ হুট করে যেন কেউ হাজির হতে না পারে, সেজন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো দরকার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে চীনের ড্রোন তৈরির কারখানার বিষয়ে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই এমন কিছু করবে না, যাতে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়৷
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে হতাহতের ঘটনায় ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে জানানো হয়েছে। আরাকান আর্মিকে লিগ্যাল হিসেবে স্বীকার করে না সে দেশের সরকার৷ মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ত্যাগ করিনি৷ যখন প্রথম স্টেজ শুরু হয়েছিল দীর্ঘ সময় লাগবে বলেছিলাম৷ বাংলাদেশকে এই সংকট সমাধানের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে৷
তিনি বলেন, গাজায় ফোর্স পাঠানোর সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি৷ বাংলাদেশ সেখানে যুদ্ধ করতে যাবে না৷ বাংলাদেশের ৩টি শর্ত রয়েছে, যা না হলে সিদ্ধান্ত হয় না।
মন্তব্য করুন


২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি; যাতে ক্ষমতা আসল প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল মালয়েশিয়ায় এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ও ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে মনোযোগী।
এর আগে মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়েও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর এবং তিনটি নোট বিনিময় হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া গেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত মোট ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে এবং ইতোমধ্যে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
রুহুল আমিন মল্লিক জানান, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক অংশগ্রহণ করছে।
ইসি জানায়, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ২ হাজার ৫৮২টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
জানা যায়, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে। এ ছাড়া নিবন্ধন বাতিল হয়েছে পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের।
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশব্যাপী চলমান গণভোটের সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম বুধবার পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময় সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন