

চীনা এক যাত্রীর কাছ থেকে চুরি করা নগদ অর্থ গিলে ফেলেছেন ফিলিপাইনের বিমানবন্দরের এক কর্মী। এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ ওই কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন ফিলিপাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ম্যানিলার নিনয় অ্যাকুইনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনালে ওই ঘটনা ঘটেছে।
বিমানবন্দরের পরিবহন নিরাপত্তা কার্যালয় (ওটিএস) মঙ্গলবার ফেসবুকে এই ঘটনা সম্পর্কে একটি বিবৃতি পোস্ট করেছে। এতে বলা হয়েছে, চীনা এক পর্যটকের ব্যাগ থেকে চুরি করা ৩০০ মার্কিন ডলার নগদ অর্থ গিলে ফেলার ঘটনায় জড়িত নিরাপত্তা কর্মকর্তার পরিচয় পাওয়া গেছে এবং ইতিমধ্যে প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।
অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা তার মুখে নগদ অর্থ ভরছেন। হাতের একটি আঙুল ব্যবহার করে মুখের মধ্যে অর্থ ঢুকিয়ে দিচ্ছেন তিনি। এক পর্যায়ে পানি দিয়ে তা গিলেও ফেলেন। এ সময় রুমাল দিয়ে মুখ আড়াল করতেও দেখা যায় তাকে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। ওই দিন দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ করছে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, নির্যাতনের শিকার হয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বাংলাদেশ থেকে দলে দলে পালিয়ে ভারতে যাচ্ছেন।
তবে ভারতের প্রসিদ্ধ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’ এ ধরনের খবরকে ভুয়া বলে আখ্যা দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটছে না। হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ থেকে দলে দলে মানুষের ভারতে পালিয়ে যাওয়া বা ভারতে ঢোকার কোনও চেষ্টা হয়নি।
রবিবার প্রকাশিত দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান উল্লেখ করে এমনটাই বলা হয়েছে।
দ্য হিন্দু বলছে, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত সীমান্তে এক হাজার ৩৯৩ বাংলাদেশি আটক হয়েছেন। এর আগে জানুয়ারি থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ সরকারের সময়) ১ হাজার ১৪৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। যার অর্থ আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর হাজার হাজার মানুষের সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার কোনও চেষ্টার ঘটনা ঘটেনি।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সব মিলিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে মোট ৩ হাজার ৯০৭ অনথিভুক্ত ব্যক্তি আটক হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশি, ভারতীয়, এবং অন্যান্য জাতীয়তার মানুষ। ২০২৩ সালে এ সময় পর্যন্ত আটক হওয়া বাংলাদেশিদের সংখ্যা ৩ হাজার ১৩৭, যা ২০২২ সালের ৩ হাজার ৭৪ জনের কাছাকাছি।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ জানিয়েছে, গত আগস্ট মাস থেকে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে সীমান্ত। এমএইচএ’র নির্দেশে বৈধ নথি ছাড়া কাউকে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। গত ১ জানুয়ারি থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত কোনও কাগজপত্র ছাড়াই বাংলাদেশে প্রবেশকারী ৮৭৩ ভারতীয়কে আটক করা হয়েছে।
বিএসএফের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের পর সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তাদের নিরাপত্তার ভয়ে ভারতে প্রবেশ করতে চাইতে পারে। কিন্তু রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এমন কোনও দৃশ্য দেখা যায়নি। উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর থেকে কয়েকটি খবর পাওয়া গেলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভারতে আশ্রয়ের জন্য কোনও বড় ধরনের গণ-অভিবাসনের খবর পাওয়া যায়নি।
বিএসএফ আরও বলেছে, ৫ আগস্ট থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন এমন ভারতীয়র সংখ্যা ৩৮৮ জন। এ বছর মিয়ানমারসহ অন্যান্য জাতিসত্তার ১০৯ জনকেও সীমান্তে আটক করা হয়েছে।
২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে সীমান্তে আটক বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৯৯৫ জন, ২ হাজার ৪৮০ জন, তিন হাজার ২৯৫ জন, দুই হাজার ৪৫১ জন এবং তিন হাজার ৭৪ জন।
অর্থাৎ ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সীমান্তে আটক হওয়া বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২,৪৮০ থেকে ৩,২৯৫-এর মধ্যে ওঠানামা করেছে। এই ধারাবাহিকতা থেকেই বোঝা যায়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মেনে বৈধ নথিপত্র ছাড়া কাউকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
৫ আগস্টের পর বিএসএফ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনেক বার বৈঠক করেছে। সূত্র: দ্য হিন্দু
মন্তব্য করুন


ফিলিস্তিনের আওকাফ ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ইসরাইলি বাহিনী ৮১৫টি মসজিদ ধ্বংস করেছে এবং ১৫১টি মসজিদ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ১৯টি কবরস্থান ধ্বংস করা হয়েছে, কবর ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।
ইসরাইলি হামলায় গাজা সিটির তিনটি গির্জাও হামলা ও ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে গাজায় একদিনে অন্তত ৮৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। তারা মাত্র তিন দিনের মধ্যে ছিটমহলে ১০০ বারের বেশি বোমা হামলা চালিয়ে ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে, যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪৫ হাজার ৮০৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১ লাখ ৯ হাজার ৬৪ জন আহত হয়েছে। সেদিন হামাস নেতৃত্বাধীন হামলায় ইসরাইলে অন্তত ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং ২০০ জনেরও বেশি বন্দি হয়।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, ভারত গত বুধবার তাদের কিছু শহরে দুই থেকে তিনবার হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে এবং এখনও ভারতের আক্রমণের ঝুঁকি অব্যাহত রয়েছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "যদি ভারত কোনো কারণ বা প্রমাণ ছাড়াই কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমরা জবাব দেব। পাকিস্তানকে এর উত্তর দিতেই হবে। আমরা যদি এখনই ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই, তাহলে আমাদের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকবে। তবে আমরা ভারতে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করব না।"
পাকিস্তানের বেসরকারি চ্যানেল জিও টিভি-এর অনুষ্ঠান 'আজ শাহজাইব খানজাদা কে সাথ'-এ বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
খাজা আসিফ বলেন, "ভারত কিছু শহরকে দুই থেকে তিনবার টার্গেট করার চেষ্টা করেছে, অন্তত রাডারের মাধ্যমে, যাতে প্রয়োজনে সেখানে হামলা চালানো যায়।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আক্রমণ প্রতিহত করতে কিছু শহরে আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা এর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং এর চরম মূল্য দিতে হবে।"
তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, "ভারত যা করছে, আমরা তা সহ্য করব না, বরং কঠোর জবাব দেব।" এছাড়াও, তিনি বলেন যে দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া সংকট এখনও শেষ হয়নি।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান এক রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে শেখ সালেহ আল-ফাওযানকে দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সুপারিশের ভিত্তিতে করা হয়েছে। খবর সৌদি গেজেট
রয়্যাল ডিক্রিতে বলা হয়েছে, শেখ আল-ফাওযানকে গ্র্যান্ড মুফতির পাশাপাশি ‘কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্স’-এর চেয়ারম্যান এবং ‘পার্মানেন্ট কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা’-এর প্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শেখ সালেহ আল-ফাওযান প্রয়াত গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ আল-শেখের উত্তরসূরি হলেন। শেখ আবদুল আজিজ ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। শেখ সালেহ আল-ফাওযানের জন্ম ১৯৩৫ সালে সৌদি আরবের আল-কাসিম অঞ্চলে। তিনি বুরাইদা শহরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে তিনি রিয়াদের কলেজ অব শরিয়াহ থেকে ফিকহ (ইসলামী আইন) বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি হায়ার ইনস্টিটিউট অব জুডিশিয়ারির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯২ সালে শেখ আল-ফাওযানকে পার্মানেন্ট কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা-এর সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি আরও যেসব দায়িত্ব পালন করেন তার মধ্যে আছে কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্সের সদস্য, মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের অধীন ইসলামিক ফিকহ কাউন্সিলের সদস্য ও হজ মৌসুমে দাওয়াত ও প্রচার কার্যক্রম তদারকি কমিটির সদস্য। শেখ আল-ফাওযান বহু ইসলামী বই ও ফতোয়ার সংকলন রচনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন রেডিও অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নূর আলা আদ-দারব’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
মন্তব্য করুন


ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ইসরাইলের পরিকল্পনা কয়েক দিন আগে আটকে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ তথ্য দুজন মার্কিন কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।
মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, "ইরান কি এ পর্যন্ত কোনো আমেরিকানকে হত্যা করেছে? না। যতদিন তারা তা না করছে, ততদিন আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্বকে টার্গেট করার বিষয়ে আলোচনা পর্যন্ত করছি না।"
খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে রয়টার্সের প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু রোববার ফক্স নিউজকে বলেন, "কখনো আলোচনা হয়নি, এমন অনেক বিষয় নিয়েও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।"
ফক্স নিউজের 'স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বেয়ার' অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু আরও বলেন, "আমরা যা করা প্রয়োজন, তা করি।"
তিনি এও উল্লেখ করেন যে ইরানে ইসরাইলের সামরিক অভিযানের ফলে সরকার পরিবর্তন হতে পারে। তেহরানের সৃষ্ট 'অস্তিত্বের হুমকি' মোকাবিলায় ইসরাইল প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, বর্তমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এটি সহজেই সমাধান করা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, "যদি ইরান কোনো আমেরিকান টার্গেটে আঘাত করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য হবে।"
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ছয় কোটি মানুষ তুষারঝড়, তুষারসহ বৃষ্টি এবং তীব্র ঠাণ্ডার কবলে পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত সাতটি অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে উড়োজাহাজ চলাচলও।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি অঙ্গরাজ্যটির কয়েকটি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এর আগে কানসাস, মিজৌরি, কেন্টাকি, ভার্জিনিয়া, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এবং আরকানসাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
তুষারঝড়টি এখন মধ্য আটলান্টিক অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার ওয়াশিংটনে ভারী তুষারপাত হতে পারে।
কানসাস ও মিজৌরির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সড়কগুলো তুষারের চাদরে ঢেকে গেছে। জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া দক্ষিণের ওহাইও থেকে ওয়াশিংটন পর্যন্ত এলাকায় ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার তুষারপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিনসিনাটি, ওয়াশিংটন এবং ফিলাডেলফিয়ায় তুষারঝড়ের কারণে আজ কয়েক'শ বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
উড়োজাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ার জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার ৫০০ উড়োজাহাজের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া এক দিনে আরও ৫ হাজারের বেশি উড়োজাহাজের যাত্রায় বিলম্ব হয়েছে।
মন্তব্য করুন


থাইল্যান্ডের সাবেক রানি ও বর্তমান রাজা ভজিরালংকর্নের মা সিরিকিত মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২১ মিনিটে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে ৯৩ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
থাই রাজপরিবারের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রানি সিরিকিত দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি মাসে তার রক্তে সংক্রমণ দেখা দেয়।
সিরিকিত ছিলেন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় রাজত্ব করা রাজা ভূমিবল আদুলিয়াদেজের স্ত্রী। ভূমিবল ২০১৬ সালে মারা যান।
রাজা ভজিরালংকর্ন তার মায়ের রাজকীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন। রানি সিরিকিতের দেহ ব্যাংককের গ্র্যান্ড প্যালেসের দুসিত থ্রোন হলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষিত থাকবে। রাজপরিবারের সদস্যরা এক বছর শোক পালন করবেন।
বিবিসির তথ্যমতে, ফ্রান্সে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনার সময় রাজা ভূমিবলের সঙ্গে সিরিকিতের পরিচয় হয়। সেই সময় তার বাবা ছিলেন ফ্রান্সে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। ব্যাংককে রাজা ভূমিবলের অভিষেকের এক সপ্তাহ আগে তারা বিয়ে করেন।
১৯৬০-এর দশকে রাজা-রানিরা বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও সংগীতশিল্পী এলভিস প্রিসলির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন তারা। রানি সিরিকিত থাইল্যান্ডে মা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তার জন্মদিন ১২ আগস্ট থাইল্যান্ডে মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
২০১২ সালে স্ট্রোকের পর থেকে তিনি জনসমক্ষে খুব কমই দেখা আসতেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও তিন মেয়েকে রেখে গেছেন।
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর দেওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি গ্রহণ করার সপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাচাদো নিজেই তাকে এই পদকটি উপহার দিয়েছেন এবং তিনি মনে করেন এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি চমৎকার নিদর্শন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ট্রাম্প দাবি করেন, আটটি যুদ্ধ বন্ধ করার সাফল্যে মুগ্ধ হয়েই মাচাদো তাকে এই সম্মান জানিয়েছেন। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মাচাদোর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন যে মাচাদো তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘ইতিহাসে আপনার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই’।
হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর মাচাদো যখন বের হয়ে আসছিলেন, তখন তার হাতে কেবল ট্রাম্পের স্বাক্ষর সংবলিত একটি ব্যাগ ছিল। অন্য একজনের নোবেল পদক কেন তিনি নিতে চাইলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন যে, মাচাদো অত্যন্ত সহৃদয়তার সঙ্গে এটি তাকে দিয়েছেন এবং তার কাজের প্রশংসা করেছেন।
ট্রাম্প মাচাদোকে একজন ‘অসাধারণ নারী’ হিসেবে অভিহিত করে জানান যে তিনি মাচাদোর এই সৌজন্যবোধে অত্যন্ত খুশি। মাচাদো নিজেও জানিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের অনন্য প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি তার অর্জিত পদকটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উপহার দিয়েছেন।
তবে পদকটি হস্তান্তরের খবরটি শিরোনামে আসার পরপরই নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি বিষয়টি নিয়ে পুনরায় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে যে, নোবেল শান্তি পুরস্কারের কোনো পদক অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করা গেলেও সেই পুরস্কারের মর্যাদা বা খেতাব কখনোই বদলানো সম্ভব নয়।
কমিটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, একজন নোবেল বিজয়ী তার পদকটি কাউকে দিতে পারেন, বিক্রি করতে পারেন কিংবা দান করতে পারেন, তবে ইতিহাসে মূল বিজয়ী হিসেবে কেবল মাচাদোর নামই লিপিবদ্ধ থাকবে। এমনকি পদকটি অন্যের দখলে থাকলেও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর উপাধিটি হস্তান্তরযোগ্য বা বাতিলযোগ্য নয়।
নোবেল কমিটি কোনো রাজনৈতিক বিতর্কে জড়াতে অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, একজন বিজয়ী তার পদক, ডিপ্লোমা বা পুরস্কারের অর্থ দিয়ে কী করবেন সে বিষয়ে তাদের কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে মাচাদোর এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অনেকে এটিকে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করলেও মাচাদো দাবি করেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর তারা আস্থা রাখতে পারেন। ভেনেজুয়েলার আগামী নেতৃত্ব নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হলেও ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত মাচাদোকে কতটা সমর্থন দেবেন তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, এপি
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নতুন একটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন।
গত নভেম্বরে রাশিয়ায় হামলার জন্য ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর ঠিক একদিন পরেই ইউক্রেনকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ড মাইন বা স্থলমাইন দেওয়ার জন্যও রাজি হন বাইডেন।
ধারণা করা হচ্ছে, নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগেই যত দ্রুত সম্ভব এই সহায়তা পাঠানোর চেষ্টা করছেন জো বাইডেন। সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বিজয়ের সম্ভাবনা ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সহায়তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এজন্য বাইডেন প্রশাসন আরও বেশি সময় পাবে না ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য।
মাত্র এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য ১২৫ মিলিয়ন ডলারের নতুন সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। এর আগে ১০ দিন আগে ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে ৭২৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ, অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং অন্যান্য অস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল। এবার আবারও একটি নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি এর আগে বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত সামরিক প্যাকেজ প্রদান অব্যাহত রাখবে।
এদিকে, ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার টাইম ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, বাইডেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধের মাত্রা বাড়িয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, "যা ঘটছে তা এক ধরনের পাগলামি। এটা মূর্খতা। রাশিয়ায় কয়েকশ মাইল দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ব্যাপারে আমি একেবারে একমত নই। আমাদের এটা করার কারণ কী! আমরা শুধু এই যুদ্ধটিকে আরও মারাত্মক করে তুলছি এবং পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছি। এটা অনুমোদন দেওয়া উচিত হয়নি।"
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট (নির্বাচিত) ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল দখল নিয়ে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই দুটি জায়গা দখলে নিতে সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহারের কথাও ভাবছেন।
৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার, ফ্লোরিডায় নিজের রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি পানামা খাল ও গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি প্রয়োগ করবেন না? তার নিশ্চয়তা কি দিতে পারবেন? এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, "না, আমি এখনই আপনাকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। তবে আমি বলতে পারি, আমাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য তাদের প্রয়োজন।"
গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল উভয়কেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, "ডেনমার্ক যদি গ্রিনল্যান্ড বিক্রি করতে রাজি না হয়, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে।"
এদিকে, ট্রাম্প কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানির ব্যয় ও কানাডাকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সমালোচনা করেন। তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে থাকা সীমান্তকে "কৃত্রিমভাবে আঁকা রেখা" বলেও অভিহিত করেন।
তবে ডেনমার্ক ও পানামা ট্রাম্পের ধারণা অস্বীকার করেছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটা ফ্রেডরিকসেন ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং আমরা একে অন্যের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদার হিসেবে কাজ করছি।"
পানামার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভিয়ের মার্টিনেজ-আচা সাংবাদিকদের জানান, "পানামা খাল এখনো ও ভবিষ্যতেও শুধুমাত্র পানামার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।"
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলি ট্রাম্পের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন, "ট্রাম্পের মন্তব্য কানাডার শক্তির প্রতি পূর্ণ অবহেলা প্রকাশ করে। আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী, আমাদের জনগণ শক্তিশালী, এবং আমরা কখনো হুমকির সামনে নতজানু হবো না।"
অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের সাবেক কূটনীতিক ড্যানিয়েল ফ্রিড ট্রাম্পের মন্তব্যকে জাতীয় ক্ষমতার আঞ্চলিক সম্প্রসারণ হিসেবে চিত্রিত করে বলেন, "ট্রাম্প যদি গ্রিনল্যান্ড দখল করেন, তাহলে ন্যাটো ধ্বংস হয়ে যাবে, কারণ আমরা তখন আর ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য কোনো হুমকি থাকবো না।"
গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার। তবে এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং আর্কটিক অঞ্চলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় স্পেস ফ্যাসিলিটি রয়েছে, এবং সেখানে পৃথিবীর বিরল কিছু পদার্থ ও উপাদানের বৃহত্তম মজুত রয়েছে, যা ব্যাটারি ও হাই-টেক ডিভাইস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, এটি স্পষ্ট নয় যে ট্রাম্প কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কতটা সিরিয়াস। তবে তার এসব বক্তব্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন