

একজন ইউটিউবারের একমাত্র ধ্যান জ্ঞান থাকে ভিউ পাওয়া । সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের
ভিডিওতে বাকিদের তুলনায় একটু বেশি ভিউ পাওয়ার জন্য কতকিছুই না তারা করেন।
তবে ট্রেভর জ্যাকব নামে ৩০ বছর বয়সী এক মার্কিন ইউটিউবার এমনই এক ঘটনা ঘটাতে
গিয়ে উল্টো ঘটালেন এক অঘটন যার দরুণ সেই ইউটিউবার সম্ভবত সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।
বিবিসির খবরের সূত্র হতে জানা যায়, তিনি ভিডিওতে দর্শক টানতে স্বেচ্ছায় নিজের
বিমান বিধ্বস্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, বিমান বিধ্বস্ত করে তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মিথ্যাচারও করেছেন। এই অপরাধের দায়ে তাকে ছয় মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত
ওই ইউটিউবার ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এই ঘটনার একটি ভিডিও ইউটিউবে পোস্ট করেন । সেখানে
দেখা যায়, তিনি সেলফি স্টিক হাতে বিমান থেকে প্যারাস্যুটে করে নিচে নামছেন। মূলত বিমান
বিধ্বস্ত করে সেটাকে দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতেই এমনটা করেন তিনি।
ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, ২০২১ সালের
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা বিমানবন্দর থেকে বিমান নিয়ে
উড্ডয়ন করেন ট্রেভর জ্যাকব। এ সময় তার সঙ্গে ক্যামেরা, প্যারাসুট ও সেলফি স্টিক ছিল।
উড্ডয়নের ৩৫ মিনিট পর বিমানটি লস প্যাড্রেস ন্যাশনাল ফরেস্টে বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলে
গিয়ে ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করলেও বিমানটি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর কোনো চেষ্টা করেননি
জ্যাকব। বরং উড্ডয়নের পর বিমান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং প্যারাসুট
ব্যবহার করে মাটিতে নেমে আসেন।
এরপর একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর ‘আই ক্রাশড মাই এয়ারপ্লেন’ নামে একটি ভিডিও ইউটিউবে
ছাড়েন জ্যাকব। ভিডিওটি ৩০ লাখ বার দেখা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে ভিডিওটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে
নেওয়া হয়।
মার্কিন তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ইউটিউবে দর্শকপ্রিয়তা পেতেই স্বেচ্ছায় বিমানটি
বিধ্বস্ত করেছিলেন ট্রেভর জ্যাকব। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে তাদের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলেছেন
তিনি।
দোষ স্বীকার করে আদালতকে জ্যাকব জানান, একটি পণ্যের প্রচারের জন্য চুক্তি করেছিলেন
তিনি। এর অংশ হিসেবে তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করে ভিডিও ধারণ করেছেন। এই মামলায় সোমবার
জ্যাকবকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত।
মন্তব্য করুন


সেনেগালের
প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে কয়েক মাসের রাজনৈতিক উত্তেজনার পর প্রধানমন্ত্রী
ওসমান সোনকোকে বরখাস্ত করেছেন এবং সরকার ভেঙে দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সোনকোর পশ্চিমা
দেশগুলোর প্রতি সমকামিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, এক আকস্মিক
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ খবর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি
ইতোমধ্যে ব্যাপক ঋণের বোঝার মধ্যে থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।
সোনকো
সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র সমালোচনার জবাবে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো অন্য দেশের
ওপর সমকামিতার 'চাপ' তৈরি করার চেষ্টা করছে। সমকামিতার অপরাধের জন্য শাস্তি কঠোর করার
একটি নতুন আইন সেনেগালে পাশ হওয়ায়, সোনকো এই মন্তব্য করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে
বরখাস্ত করা হয়।
তিনি
ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সমালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'যদি তারা এই পথ বেছে নেয়,
সেটা তাদের সমস্যা। এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষার প্রয়োজন নেই।'
প্রেসিডেন্ট
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ওমর সাম্বা অধ্যাদেশটি পড়ে শোনান এবং জানান, প্রেসিডেন্ট ফায়ে
সোনকোকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীরাও পদত্যাগ
করেছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
বরখাস্ত
হওয়ার পর সোনকো সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। আজ রাতে আমি কুয়ের গরগুইয়ে
শান্তিতে ঘুমাব।' কুয়ের গরগুই সোনকোর নিজ এলাকা, যা ডাকারের মধ্যে অবস্থিত। এ সময়
তার শত শত সমর্থক তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট
ফায়ে মূলত সোনকোর সমর্থনের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সোনকোই
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে সম্ভাবনাশীল ব্যক্তি ছিলেন, তবে মানহানির মামলায় দোষী
সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেননি। সোনকো এবং ফায়ে একসময় পাস্তেফ পার্টি গঠন
করেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে দুর্নীতি রোধ এবং অর্থনীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
প্রথম ধাপের ভোটেই তারা জয়লাভ করেন।
সেনেগালের
তরুণদের মধ্যে সোনকো ব্যাপক জনপ্রিয়, বিশেষ করে তাঁর প্যান-আফ্রিকান মনোভাব এবং সাবেক
ঔপনিবেশিক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তরুণদের আকৃষ্ট করে। তবে সব ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট
ফায়ের হাতে থাকায়, তিনি চাইলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে পারেন।
সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দুইজনের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে। গত মে মাসে
এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ফায়ে প্রকাশ্যভাবে সোনকোর একক আধিপত্যের সমালোচনা করেন। সরকার
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নতুন প্রশাসন বিশাল ঋণের বোঝার মধ্যে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক
মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, সেনেগালের ঋণের পরিমাণ মোট জিডিপির ১৩২ শতাংশে
পৌঁছেছে, যা সাব-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সম্প্রতি
পার্লামেন্টে পাশ হওয়া একটি নতুন বিলের মাধ্যমে ২০২৯ সালের নির্বাচনে সোনকো অংশগ্রহণ
করতে পারবে। এই আইনি সংস্কার পূর্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে, যা মানহানির মামলায় দণ্ডিত
ব্যক্তিদের নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিত।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আজারবাইজানের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় তারা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলন এবং জ্বালানি, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও দুই দেশের মধ্যে বিমান পরিষেবা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন।
আশা করা হচ্ছে অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেবেন, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অন্তত ৩২ হাজার মানুষ জলবায়ু অর্থায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত হুসেইনলি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও নিবিড় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে তিনি উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ উন্মোচন এবং আরও বেশি ব্যবসার উপায় খোঁজার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি জানান, জুন মাসে বাকুতে দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আজারবাইজান বাংলাদেশের সঙ্গে একটি বিমান পরিষেবা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানকে "ভাল বন্ধু" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজারবাইজানের জনগণ, দেশটির নেতৃত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার তৃতীয় ভয়েস অব গ্লোবাল সাউথ সামিটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বহুবচনবাদী গণতন্ত্র রূপান্তর নিশ্চিত করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
ভারতের নয়াদিল্লিতে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে এই সামিটে যুক্ত দিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই ড. ইউনূসের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে একাধিক দেশ যুক্ত ছিল। এই সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সামিটে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, গণমাধ্যম, অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ।
এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ফোনালাপে সামিটে যোগ দেওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদি। তখন আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি সম্মেলনে যোগ দিতে রাজি হন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


কৌতূহল
থেকেই একজনকে খুন করে ফেললেন! দক্ষিণ কোরিয়ায় বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে। খুনের অভিযোগ
প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জাং স্বীকার করেছেন ক্রাইম শো
এবং টিভি প্রোগ্রাম দেখে তার খুন করার প্রতি আগ্রহ জন্মে।
বিবিসির প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে জানানো হয়, ২৩ বছর বয়সী জাং সাইকোপ্যাথ টেস্টে বেশ উচ্চ লেভেলের স্কোর করেছেন। জাং হত্যার জন্য ৫০ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিশেষে ঐ নারীকে নিজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। গত মে মাসে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক ইংরেজি শিক্ষকের সাথে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ঐ শিক্ষকের বাড়িতে যেয়ে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
আইনজীবীরা
আদালতকে জানিয়েছে, জাং বেকার ও নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করা দাদার সাথে থাকতেন। তিনি একটি
অনলাইন টিউশন অ্যাপে ভুক্তভোগীকে মাসের পর মাস টার্গেট করেছিলেন।
দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব শহর বুসানে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। জাং অনলাইন থেকে হাই-স্কুলের ইউনিফর্ম কিনে সেটি পরে টিউটরের বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে ঐ নারী শিক্ষককে প্রায় ১০০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে জাং। নারীর মরদেহটি টুকরো টুকরো করেন এবং বুসানের উত্তরে একটি নদীর কাছে প্রত্যন্ত পার্কল্যান্ডে ভাড়া ট্যাক্সিতে গিয়ে ফেলে দেন। ট্যাক্সি ড্রাইভার রক্তমাখা স্যুটকেসটি বনের মধ্যে ফেলতে দেখেন। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, জাংয়ের অনলাইন ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটির জন্য তিনি মাসের পর মাস ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন। কীভাবে টার্গেটকে মারা যায় কিংবা মরদেহকে লুকিয়ে ফেলা যায় ইত্যাদি বিষয়ে খুব বিশদভাবে শেখার চেষ্টা করেছেন।
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


এই প্রেম যেনো চিত্রনাট্যকেই হার মানাবে! প্রেমিকের হাত ধরে বাংলাদেশে গিয়ে ঘর সংসার করার স্বপ্ন ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক কিশোরীর।প্রেমিকাকে দেশে নিয়ে আসতে, ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশি প্রেমিক, সাথে ছিল তারই দেশের এক বান্ধবী। যদিও কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ। অন্যদিকে আটক করা হয়েছে ওই বাংলাদেশি যুবক-তরুণীকে।
পুলিশের অভিযোগ, ভারতীয় ওই কিশোরীকে পাচার করা হচ্ছিল। আর সেই অভিযোগে আটক করা হয়েছে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে।
গত ২৭ অগস্ট আচমকাই ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়, আর তার পরই হুঁশ ফেরে পরিবারের। পরদিন ২৮ আগস্ট দিনের আলো ফুটতেই কুমারগ্রাম থানার পুলিশের কাছে ওই কিশোরীর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত আকারে জানায় তার পরিবার।
এরপরই ওই তরুণীর খোঁজে চরম তৎপরতা শুরু হয় আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের অন্দরে। কারণ, ঘটনার গতিপ্রকৃতি অনুধাবন করে পুলিশ একপ্রকার নিশ্চিত ছিল যে বড়সড় পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়েছে ওই কিশোরী।
তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশের এক যুবক মো. আবদুল সুফিয়ান ও তারই এক সহযোগী বাংলাদেশি তরুণী রুবা আখতারের নাম। তদন্তে এও জানা যায়, আবদুল ও রুনা-উভয়েই গত ২৮ আগস্ট গুয়াহাটির একটি হোটেলে রাত কাটায়। বাংলাদেশের ওই তরুণ ও তরুণী নিজেদের পাসপোর্ট দেখিয়ে স্বামী-স্ত্রী'র পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঠাঁই নিয়েছিল। ওইদিন তাদের সাথেই ওই হোটেলেই অবস্থান করেছিল ওই ভারতীয় কিশোরীও।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলের চোন্টাল আদিবাসী-অধ্যুষিত সান পেড্রো হুয়ামেলুলা শহরের মেয়র ভিক্টর হুগো সোসা উৎসবমুখর পরিবেশে অ্যালিসিয়া অ্যাড্রিয়ানা নামের একটি মেয়ে কুমিরকে বিয়ে করেছেন।
নগরবাসীর জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে কুমিরটিকে আঞ্চলিক রীতি-নীতি মেনে বিয়ে করেন মেয়র।
প্রায় ২৩০ বছর আগে একটি বিয়ের মাধ্যমে এলাকাটিতে দুটি আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি এসেছিল। একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নাম চোন্টাল, অপরটি হুয়াভ। সেই ঘটনাকে স্মরণ করে এত বছর ধরে একজন পুরুষ মানুষের সঙ্গে একটি নারী কুমিরের বিয়ে হয়ে আসছে।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় মেয়র সোসা বলেন, তিনি কনের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। কারণ, তারা পরস্পরকে ভালোবাসেন। ভালোবাসাটা গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসা ছাড়া বিয়ে করা যায় না। তিনি রাজকুমারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন।
বিয়ে উপলক্ষে কুমিরটিকে ‘নববধূর’ সাজে সাজানো হয়। বিয়ের আগে কুমিরটিকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্য-নগরবাসী যাতে তাকে দুই বাহুতে নিয়ে নাচতে পারে।
আচার-আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে স্থানীয় এক জেলে তার জাল ছুড়ে মারেন। তিনি সুর করে প্রার্থনা করেন। প্রার্থনায় বলা হয়, এ বিয়ের ফলে যেন একটা ভালো সংখ্যক মাছ ধরা পড়ে, যার মধ্য দিয়ে শহরে সমৃদ্ধি, ভারসাম্য ও শান্তি আসে।
সুত্র: এনডিটিভির
মন্তব্য করুন


ক্যাথলিক চার্চের শীর্ষস্থানীয় দুই
নেতা কার্ডিনাল সিলভানো মারিয়া তোমাসি এবং কার্ডিনাল জ্যাকব কুভাকাড গতকাল শনিবার রোমে
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
দুই কার্ডিনাল পোপ ফ্রান্সিসের আজীবন
দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, যুদ্ধ এবং পারমাণবিক
অস্ত্রবিহীন পৃথিবীর স্বপ্নের কথা স্মরণ করেন।
তাঁরা অধ্যাপক ড. ইউনূসের কাজের প্রতি
গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁকে পোপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে দারিদ্র্যের
বিরুদ্ধে সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস পোপ ফ্রান্সিসের সাথে
তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে বলেন, পোপ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আপন
করে নিতে পারতেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,তিনি একজন অসাধারণ
মানুষ ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস উল্লেখ করেন,
পোপ ফ্রান্সিসের দায়িত্ব পালনকালে বহুবার তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং কীভাবে ভ্যাটিকান
ব্যাংকের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাঁর লেখা একটি সমালোচনামূলক চিঠি ভ্যাটিকানের
সরকারি পত্রিকা এল ওসারভেটরি রোমানোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল, তা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, আমি লিখেছিলাম কিভাবে ভ্যাটিকান
তার ব্যাংককে দরিদ্রবান্ধব করে তুলতে পারে। আমি ব্যাংকের কার্যকারিতা ও বিতর্ক নিয়ে
সমালোচনা করেছিলাম। তবুও, পোপ সম্পূর্ণ চিঠিটি প্রকাশ করেছিলেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও জানান, পোপ ফ্রান্সিস
তাঁকে ভ্যাটিকান ব্যাংকের সংস্কার এবং চার্চের দরিদ্রবান্ধব উদ্যোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে
বিভিন্ন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেন।
গত নভেম্বরে, রোমে পোপ ফ্রান্সিস-ইউনূস
থ্রি জিরো ক্লাব উদ্বোধন করা হয়, যার লক্ষ্য অধ্যাপক ইউনূসের ‘শূন্য বেকারত্ব, শূন্য
সম্পদ মজুদ এবং শূন্য নেট কার্বন নির্গমন’ ভিশন বাস্তবায়ন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, আমি
মুসলিম, তবুও পোপ ফ্রান্সিস কখনোই তাঁর নাম একজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর সাথে যুক্ত হওয়া
নিয়ে আপত্তি করেননি।
তিনি আরও জানান, তাঁকে ক্যাথলিক চার্চের
পক্ষ থেকে সেন্ট ফ্রান্সিস অব অ্যাসিসির টর্চ দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল, ১৩ শতকের ইতালিয়ান
সাধক ও মিসটিকের চেতনা ধারণ করার জন্য।
পোপের সাথে তাঁর মধুর সম্পর্কের কথা
স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘তিনি কখনোই আমাকে বহিরাগত ভাবেননি।’
কার্ডিনাল তোমাসি এবং কার্ডিনাল কুভাকাড
জানান, তাঁরা উভয়েই ভ্যাটিকানের কার্ডিনাল কলেজের সদস্য এবং আগামী সপ্তাহে নতুন পোপ
নির্বাচনের জন্য বৈঠক করবেন। তাঁদের দুজনকেই চার্চের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কার্ডিনাল
তোমাসির সাথে সাক্ষাৎ:
জেনেভায় জাতিসংঘ অফিসের ভ্যাটিকানের
সাবেক স্থায়ী পর্যবেক্ষক কার্ডিনাল তোমাসি শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন।
সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর শেষে
তিনি অধ্যাপক ইউনূসের সাথে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। উভয়েই ইউক্রেন এবং
গাজায় সংঘাত বন্ধে পোপ ফ্রান্সিসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
ভিয়েতনাম যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে
উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে সেখানে সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন,
‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।’
তিনি এ অঞ্চলে আরও শান্তি প্রতিষ্ঠার
উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন এবং উত্তেজনার সময় শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।
অধ্যাপক ইউনূসও ভিয়েতনামের চমৎকার অর্থনৈতিক
অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাড়ানোর
জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় মডেল অনুসরণ করছে।
কার্ডিনাল তোমাসি আশা প্রকাশ করেন,
পোপ ফ্রান্সিসের মতোই পরবর্তী পোপ সরলতা বজায় রাখবেন এবং আন্তঃদেশীয় শান্তি সংলাপকে
এগিয়ে নেবেন।
কার্ডিনাল
জ্যাকব কুভাকাডের সাথে সাক্ষাৎ:
এর আগে বিকেলে, ভ্যাটিকানের আন্তঃধর্মীয়
সংলাপ বিষয়ক দপ্তরের প্রধান কার্ডিনাল কুভাকাড রোমে প্রধান উপদেষ্টার সাথে হোটেলে সাক্ষাৎ
করেন।
কেরালার বাসিন্দা কার্ডিনাল কুভাকাড
জানান, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে ক্যাথলিক চার্চের উদ্যোগে একটি আন্তঃধর্মীয়
সংলাপের আয়োজন করা হবে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা অংশ নেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী
মানুষের মধ্যে অব্যাহত সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায়
দেশের অঙ্গীকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন, যা জাতি, ধর্ম,
বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, ভ্যাটিকানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
তারেক আরিফুল ইসলাম এবং ইতালিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক।
মন্তব্য করুন


ভোটের আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশ আসছে কমনওয়েলথের প্রি অ্যাসেসমেন্ট দল । আর এরপরেই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষকও পাঠাতে পারে কমনওয়েলথ।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এ সপ্তাহের শুরুতে কমনওয়েলথের এই চিঠি পেয়ে সিইসি জবাবও দিয়েছেন ।
সংস্থাটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করে। এ নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কমনওয়েলথের একটা প্রি অ্যাসেসমেন্ট টিম পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন তাদের পরিচালক (ইলেকশন মনিটরিং), একটা বার্তাও পাঠানো হয়।
আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমনওয়েলথ ছোট পরিসরের পর্যবেক্ষক দলও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসবে বলে আশা করেন সিইসি।
তিনি বলেন, প্রি অ্যাসেসমেন্ট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনের সময়ও তাদের একটা দল আসবে আশা করছি আমরা।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।ঢাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনের কাছে আবেদন আহ্বানের বিষয়টি অবহিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সংবাদ মাধ্যমের জন্য আবেদন জানানোর আহ্বান করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


‘মিস
ইউনিভার্স ইন্ডিয়া-২০২৩’ জয়ী হয়েছেন শ্বেতা
সারদা।
২৭ আগস্ট
রোববার মুম্বাইয়ে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের
মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়েছে
মিস ইউনিভার্স মঞ্চের এই ভারতীয় প্রতিনিধিকে।
গতবারের
বিজয়ী দিভিতা রায় শ্বেতাকে মুকুট পরিয়ে দিয়েছেন। ৭২তম মিস ইউনিভার্সে
ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করবেন
শ্বেতা সারদা। তিনি ভারতের চণ্ডীগড়ে বাস করেন। তার
বয়স ২২ বছর।
এই বিউটি পেজেন্টে অংশগ্রহণের আগে একাধিক রিয়েলিটি
শোতে অংশ নিয়েছেন শ্বেতা।
অনুষ্ঠানে ‘মিস ডিভা সুপার
ন্যাশনাল-২০২৩’ এর খেতাব লাভ
করেন দিল্লির মেয়ে সোনাল কুকরেজা।
রানার আপ হয়েছেন কর্ণাটকের
তৃষা শেঠি।
মন্তব্য করুন