

বিনোদন ডেস্কঃ
মুম্বাইয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সম্প্রতি খুন হন ভারতীয় রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি। এই হত্যার দায় স্বাকীর করেছেন ভারতের প্রভাবশালী গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই।
এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সালমান খানে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা অনিশ্চয়তা। প্রতিদিন নানাভাবে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার চিঠি পাওয়ায় দু-চোখ এক করতে পারছেন না সালমানের ভাই আরবাজ, সোহেল। গোটা খান পরিবার রীতিমত আতঙ্কে কাটছে প্রতিটি মহুর্ত।
এমনকি ছেলেকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সালমানের বাবা সেলিম খান। ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সালমানের বাবা জানান যে, কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে তার ছেলের ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না’।
সেলিম খান বলেন, যে কারণে সালমান বার বার প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে, সে ঘটনার সঙ্গে সালমান যুক্ত না। সালমান অন্তত আমাকে মিথ্যা কথা বলবে না। কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। আমার ছেলে পশু-পাখিদের খুবই ভালোবাসে।
তিনি বলেন, এমন কাজ সে করতে পারেই না। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে ক্ষমা চাইবে কেন? আমার মনে হয় এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখা দরকার।
প্রসঙ্গত, বাবা সিদ্দিকির খুনের দায় বিষ্ণোই গ্যাং নেওয়ার পর থেকেই সালমান খানের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। কারণ, সোশাল মিডিয়া পোস্টে তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে বা যারা সালমান খানের ঘনিষ্ঠ, তাদের সকলকেই এর দাম দিতে হবে।
চলতি বছরেই সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণ করেছিল এ গ্যাং। এবার বাব সিদ্দিকির খুন, তারপর বৃহস্পতিবার মুম্বাই ট্র্যাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপে আবারও সালমান খানের নামে হুমকির চিঠি।
মন্তব্য করুন


মুম্বাইয়ে সোমবার স্ত্রী গৌরী খানের প্রথম বই প্রকাশ করলেন শাহরুখ খান। ডিজাইনার গৌরী খানের এই কফি টেবিল বইয়ের নাম ‘মাই লাইফ ইন ডিজাইন’। মূলত ইন্টিরিয়র ডিজাইন নিয়েই এই বই লেখা। এদিন অনুষ্ঠানে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের সঙ্গে স্ত্রীয়ের সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন কিং খান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তার কাছে যে স্বামীর ডিউটির থেকেও বেশি, তাও বোঝান।
অভিনেতা বলেন, ‘আমি ও গৌরী একে অপরকে বহু বছর ধরে চিনি। ও তখন ১৪, আমি ১৮ এবং বহু বছর ধরে একে অপরকে চিনি আমরা এবং কখনও কখনও যদি একে অন্যকে এত বছর ধরে চেনা হয়ে যায় তাহলে একে অপরের কাজের প্রতি সেই সম্মানটা হারিয়ে যেতে শুরু করে। কারণ একে অন্যকে তখন আমরা টেকেন ফর গ্রান্টেড করে নিই। আমি আমার কাজ বহুদিন ধরে করছি এবং তাতে গৌরী নিজের যতটুকু অংশ করার তার সেরাটা করেছে। আমরা তিনজন সুন্দর বাচ্চা বড় করেছি। একজন সিনে তারকার স্ত্রী হয়ে থেকেছে ও যে কিনা ঈশ্বর ও মানুষের আশীর্বাদে প্রবল খ্যাতি অর্জন করেছে।’
এরপরও শাহরুখ খান বলেন, আমাদের পরিবারে, আমার ১০ বছরের ছেলে সমেত, সবার মধ্যেই সৃজনশীলতার সূক্ষ্ম একটা বুদ্ধি আছে। আমার মনে হয় আমাদের বিবাহিত জীবনের ২৩ থেকে ২৪ বছর, মুম্বাইয়ে ঘর বাঁধতে এবং আমাদের পেশা থেকে মানুষের এত ভালোবাসা পেতে, বাচ্চাদের বড় করতেও এত ব্যস্ত ছিলাম যে গৌরী বোঝেনি যে ওঁর একটা অন্যদিকও আছে যাকে জীবন দেওয়া প্রয়োজন। এই বইটা আমি মনে করি সেই সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করে।
মন্তব্য করুন


এ বছর মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ ছবিটি দেশ ও বিদেশে বেশ মোটা অঙ্কের ব্যবসা করেছে। আয়ে হাজার কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিনেমাটি। এবার শোনা যাচ্ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দাবি করা হচ্ছে শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার ‘পাঠান’কেও নাকি পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
নানা বিতর্ক সঙ্গী হলেও বেশ রমরমিয়ে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। বক্স অফিসে ছবির আয় ভালোই। মাত্র ৯ দিনে ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছল পরিচালক সুদীপ্ত সেনের ‘বিতর্কিত’ সিনেমা।
‘পাঠান’কে পেছনে ফেলে দেওয়ার এমন দাবির যুক্তি কী? লভ্যাংশ। হ্যাঁ, শতকরা লাভের পরিমাণ দেখেই এমনটা বলা হচ্ছে। ‘জুম টিভি ডিজিটাল’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ভারতে ‘পাঠান’ সিনেমার আয় ৫৪৩.২২ কোটি টাকা। আর তাতে ছবির লাভ ২৯৩.২২ টাকা। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে ধরলে বক্স অফিস থেকে শাহরুখের ছবি আয় ১১৭.২৮%।
এদিকে মাত্র নয় দিনে এক শ কোটি পার করে ফেলেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবির আয় ১১২.৯২ কোটি টাকা। ছবির বাজেট ছিল মাত্র ৩০ কোটি টাকা। ফলে বিপুল শাহ প্রযোজিত ছবির লভ্যাংশের পরিমাণ এখনই ২৭৬.৪%।
বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে নিষিদ্ধ হলেও সারা দেশের ২০০টি স্ক্রিনে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ছবিকে করমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
যদিও এখনো ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এক পক্ষের বক্তব্য, এ ছবি সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। আরেক পক্ষের দাবি, ছবির মাধ্যমে বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন


দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা একটি সুখবর শেয়ার করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে আটকে থাকা সিনেমা ‘জলে জ্বলে তারা’ অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে এই মাসেই।
গতকাল শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে মিথিলা ফেসবুকে একটি খবরের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমাদের সিনেমা, অরুণ চৌধুরী পরিচালিত ছবি ‘জলে জ্বলে তারা’। আসছে ভালোবাসা দিবসে আপনার কাছের প্রেক্ষাগৃহে।’
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ‘জলে জ্বলে তারা’ সিনেমার শুটিং শুরু হয় ২০২১ সালে। কিন্তু শুটিং শুরুর মাত্র তিন মাস পর করোনা মহামারি ও আর্থিক সংকটের কারণে সিনেমার কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
একাধিকবার শুটিং বন্ধ হয়ে যাওয়া এ সিনেমার কাজ শেষ হলেও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ক্ষেত্রে দেখা দেয় নানা জটিলতা। অসংখ্যবার মুক্তির তারিখ ঠিক করা হলেও শেষ পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি সিনেমাটি।
রোমান্টিক ঘরানার সিনেমা হওয়ায় সিনেমা সংশ্লিষ্টরা এবার চলতি মাসের ভালোবাসা দিবসেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিতে চলেছেন নতুন এ সিনেমাটি।
এ সিনেমায় মিথিলার সঙ্গে জুটি গড়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা এফ এস নাঈম। ক্যারিয়ারে নাঈমকে এই প্রথমবারের মতো কোনো সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে দেখবেন দর্শকরা।
মুক্তি প্রতীক্ষিত এ সিনেমায় মিথিলা ও নাঈম ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, মনিরা মিঠু, আজাদ আবুল কালাম, নূর ইমরান মিঠু প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


‘করণ অর্জুন’ ছবিটি পরিচালনা করতে গিয়ে কালঘাম ছুটেছিল বলিউড পরিচালক-প্রযোজক রাকেশ রোশনের। ছবির দুই প্রধান নায়ক, শাহরুখ খান ও সালমান খান, এর অন্যতম কারণ ছিলেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তথ্যচিত্র সিরিজ ‘দ্য রোশনস’। সেখানে পরিচালক রাকেশ রোশন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান ও ভাইজানখ্যাত সালমান খানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন শুটিংয়ে যাওয়ার আগে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতেন।
এই ছবির গল্প নিয়ে শাহরুখ ও সালমানের কোনো আগ্রহই ছিল না। রাকেশ রোশন বলেন, "তাদের প্রতি কোনো আস্থা ছিল না, এবং তারা ছবির বিষয়ে মোটেও সিরিয়াস ছিল না।" এমনকি এই তথ্যচিত্রে শাহরুখ খান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, সেই সময় তিনি দুর্ব্যবহার করতেন। এজন্য তিনি রাকেশ রোশনের স্ত্রীর কাছ থেকেও বকুনি খেয়েছিলেন। রাকেশ রোশন ভয়ে ভয়ে থাকতেন, যাতে তিনি নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলেন না।
পরিচালক জানান, "সব ছবিতেই আমি নিশ্চিন্তে কাজ করেছি, কিন্তু 'করণ অর্জুন' ছবিতে প্রথম থেকেই সমস্যা ছিল। একেক দিন ভাবতাম, কেন এসব ঘটছে? তবে মেনে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "প্রতিদিন সকালে প্রার্থনা করতাম— যেন আমি মেজাজ হারিয়ে না ফেলি। এই ছেলে দুটো অপরিণত। তারা যেমন আচরণ করছে করুক, আমি যেন মাথা গরম না করি এবং কাজটা শেষ করি।"
রাকেশ রোশন জানান, সালমান ও শাহরুখের ছবির গল্প নিয়ে কোনো আগ্রহই ছিল না। তিনি মনে করেন, "একদিন একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের সব কিছু প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল, সূর্য ডোবার মুখে, কিন্তু তারা কোথাও ছিল না। শেষ মুহূর্তে তারা এল এবং তাড়াহুড়ো করে শুটিং শুরু করল।"
এই সিরিজে বর্ষীয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিংহও তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, "ওরা সত্যিই খুব যন্ত্রণা দিয়েছিল রাকেশ রোশনের, কোনো সহযোগিতা করেনি। এমন পরিস্থিতি দেখে রাকেশের স্ত্রী তাদের খুব বকাঝকা করেছিলেন।"
শাহরুখ খান তার কথায় বলেন, "সালমান আর আমার মধ্যে আমার আচরণ তুলনামূলক ভালো ছিল। অন্তত আমি সামনে ভালো ব্যবহার করতাম। আমরা দুজন বাচ্চা মিলে একজন পিতৃসম ব্যক্তিকে খুব জ্বালিয়েছিলাম।"
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের হিন্দি সিনেমা ও ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হিনা খান ক্যানসারে আক্রান্ত। সম্প্রতি তার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন ক্যানসারোর কথা।
হিনা খান অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘চলমান গুঞ্জন আমার নজরে পড়েছে। যারা আমার ভক্ত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, সবার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর ভাগ করে নিচ্ছি। আমার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে, এখন স্টেজ থ্রিতে রয়েছে। চ্যালেঞ্জিং একটি রোগ শনাক্ত হওয়ার পরও বলছি, আমি ভালো আছি। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী আমি। এরই মধ্যে আমার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার জন্য যা যা করণীয়, তা করার জন্যও প্রস্তুত আমি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, এ সময়ে আমার প্রাইভেসি রক্ষায় সহযোগিতা করুন। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
২০০৮ সালে ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলতা হ্যায়’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয়ে নাম লেখান হিনা খান। পরবর্তীকালে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তবে ছোট পর্দায় তার পরিচিতি ব্যাপক।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
সদ্যই মুক্তি পেয়েছে সোনাক্ষী সিনহা অভিনীত সিরিজ ‘হীরামান্ডি।’ সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত সিরিজটিতে সোনাক্ষীর অভিনয় বেশ প্রশংসাও পাচ্ছে। এরইমধ্যে শোনা যাচ্ছে, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান অভিনেত্রী।
বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রেম, সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে খুব একটা মুখ খুলতে দেখা যায়নি সোনাক্ষী সিনহাকে। যখনই এসব প্রশ্ন উঠেছে, তখনই পুরো বিষয়টা এড়িয়ে গিয়েছেন। তবে বলিউডের বাতাসে উড়ছিল সোনাক্ষী ও জাহির ইকবালের প্রেমের খবর। গত বছর সালমান খানের পার্টিতেও একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন সোনাক্ষী ও জাহির।
এরপর থেকেই আলোচনায় দু'জনের প্রেম। তবে দু'জন প্রেমের বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও নিজেদের প্রেম চালিয়ে যাচ্ছেন তা বলাই বাহুল্য। তবে কি জাহিরকেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন সোনাক্ষী?
সম্প্রতি কপিল শর্মার শো’তে এসেছিলেন সোনাক্ষী। সেখানে কপিল হঠাৎ সোনাক্ষীকে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করে বসেন। সোনাক্ষী তখন উত্তর দেন, ‘কাটা গায়ে নুনের ছিঁটা! আমি কিন্তু বিয়ে করতে একেবারে তৈরি।’
তবে খুব চালাকি করে জাহিরের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বলিউড তারকা সালমান খান পশ্চিমবঙ্গের এ সপ্তাহে কলকাতা সফরে গিয়েছিলেন। যেখানেই সালমান পা রেখেছেন, তাকে দেখতে ভক্তরা ভিড় জমিয়েছিলেন। কিন্তু সালমানের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন টলিপাড়ার অভিনেত্রী আয়ুশী তালুকদার।
সালমানের ভক্ত আয়ুশী বলেন, যে দিন প্রথম শুনেছিলাম যে, উনি কলকাতায় আসছেন, তখন থেকে আমি চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু তার চারপাশে কড়া নিরাপত্তা। তাই বুঝতে পারছিলাম না, কীভাবে সাক্ষাৎ কবে। শেষে অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় সালমানের সঙ্গে দেখা করেন আয়ুশী।
তিনি বলেন, পূজা মুম্বাইয়ে কাজ করেন। সালমানের টিমের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাতেই বিষয়টা সহজ হয়ে যায়।
আয়ুশী জানালেন, শোয়ের শেষে মাঝরাতে সালমানের হোটেলের স্যুইটে সুপারস্টারের সঙ্গে তিনি ও পূজা দেখা করেন। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, শেরা দরজার বাইরে ছিলেন। আমি ভেতরে ঢোকার পর চোখের সামনে সালমানকে দেখে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! আমাদের দেখেই এমনভাবে সোফায় বসতে বললেন যেন কত দিনের পরিচিত।
তারপর শো কেমন হয়েছে, আয়ুশীর কাছে তা জানতে চান সালমান। আয়ুশী বললেন, উনি তার আগেই ৩-৪ ঘণ্টা পারফর্ম করেছেন। এ দিকে রাত ২টার দিকে আবার মুম্বাইয়ের বিমান ধরবেন। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই।
সালমানের সঙ্গে শুধু ছবি তোলাই নয়, অভিনেতার আতিথেয়তায় মুগ্ধ আয়ুশী। বললেন, উনি আমাদের স্ন্যাক্স অফার করলেন। আমি সেটা খাব কী, তখন সময়টা আমার জন্য থেমে গিয়েছিল।
সালমানের জন্য তার টিমের তরফে কলকাতার বিশেষ বিরিয়ানির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আয়ুশী বললেন, উনি জানতেন যে, আমরা শো দেখে সরাসরি এসেছি। আমাদের বিরিয়ানি অফার করলেন। আরও একবার আমার অবাক হওয়ার পালা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর খাইনি।
মুম্বাই ফিরে ‘টাইগার ৩’ ছবির শুটিংয়ে যোগ দেবেন সালমান। মঙ্গলবার এই শিডিউলে সালমানের সঙ্গে শাহরুখ খানের ক্যামিয়ো অংশের শুটিং হওয়ার কথা। আয়ুশীকে সেই শুটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান। তিনি বলেন, ‘‘পুজাদির বাড়ির পাশেই লোকেশন। আমাকে শুটিং দেখতে আমন্ত্রণ করেছেন সালমান। হতেই পারে, সোমবার রাতেই আমি ফ্লাইটে মুম্বাই পৌঁছে যেতে পারি!
সালমানের সঙ্গে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য দেখা করেছিলেন আয়ুশী। বললেন, অল্প কয়েকজন বলিউড তারকার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু সালমানের সামনে সেগুলো তুচ্ছ। এই অভিজ্ঞতা কোনো দিন ভুলতে পারব না।
মন্তব্য করুন


পবিত্র মাহে রমজান শুরু হয়েছে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এই মাস মুমিনের দরজায় এসে হাজির হয়েছে। রমজান মাস আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে অসীম রহমত ও বরকত নিয়ে আসে। এটি আত্মার পরিশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা এই মাসটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটান— শেষ রাতে সেহরি খাওয়া, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা, সূর্যাস্তের পর ইফতার করা এবং রাতে তারাবিহ নামাজ পড়া।
রমজান মাসের অন্যতম প্রধান ইবাদত হলো রোজা রাখা। বিনোদন জগতের কিংবদন্তি বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানও রমজানে রোজা রাখার চেষ্টা করেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে ঈদে তার চলচ্চিত্র "চেন্নাই এক্সপ্রেস" মুক্তির পর ভক্তদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সেই সময় এক ভক্ত তাকে প্রশ্ন করেন— রমজান মাসে তিনি রোজা রাখেন কিনা? উত্তরে শাহরুখ খান বলেন, "হ্যাঁ, রোজা রাখা হয়। তবে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। কারণ আমাকে ব্যথার ওষুধ নিতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "যখন পিঠে ব্যথা শুরু হয়, তখন ওষুধ নিতে হয়। সে কারণে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। তবে মাশাআল্লাহ, অধিকাংশ রোজাই রাখা হয়।"
বিভিন্ন সময় ধর্ম নিয়ে বিতর্ক ও কটাক্ষের মুখে পড়লেও শাহরুখ খান সবসময়ই নিজের অবস্থান ঠিক রাখেন। তিনি কোনো ধরনের ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। রমজান মাসে বিভিন্ন ইফতার পার্টিতেও তাকে দেখা যায়। এছাড়া, ঈদের দিনে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায় এই বলিউড সুপারস্টারকে।
মন্তব্য করুন


১৯৮৭ সালে বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ এবং সুনীতা আহুজার বিয়ে হয়। সুনীতা তখন মাত্র ১৮ বছর বয়সী ছিলেন। দীর্ঘ ৩৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ সময়ের সঙ্গে অনেকটাই বদলেছে, এমনটাই জানিয়েছেন গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা। তবে কি তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো ফাটল দেখা দিয়েছে? সম্প্রতি সুনীতা আহুজার এক মন্তব্যে সে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
গোবিন্দ তার রোমান্স, কমেডি এবং নাচের জন্য পরিচিত বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। ১৯৯০-এর দশক থেকে আজ পর্যন্ত তিনি একইভাবে জনপ্রিয় রয়েছেন। তবে এবার চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন এবং তার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুনীতা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, "আমাদের দুটি বাড়ি রয়েছে। একটি অ্যাপার্টমেন্টে আমি এবং আমার সন্তানরা থাকি, অন্যদিকে গোবিন্দ বাংলোয় থাকেন। যখন সে কাজের কারণে দেরি করে, তখন আমাদের যোগাযোগ কিছুটা কমে যায়।"
সুনীতা আরও বলেন, "গোবিন্দ সব সময় তার কাজে ব্যস্ত থাকে এবং রোমান্সের জন্য তার সময় নেই। আমি তাকে বলেছি, ‘আগামী জীবনে যেন আমার স্বামী না হয়’। সে কখনোই ছুটিতে যায় না, আমি এমন একজন যে আমার স্বামীর সঙ্গে রাস্তায় পানি-পুরি খেতে চাই, কিন্তু সে কখনোই তা করতে চায় না।"
সুনীতা আরো বলেন, "আমরা ৩৭ বছর ধরে একসঙ্গে আছি, তবে এখন আমি জানি না সে কেমন বদলে গেছে। তার বয়স ৬০ বছরের বেশি হয়ে গেছে, এবং এখন সে আগের মতো কাজের মধ্যে ডুবে থাকে না। আমি কিছুটা ভয় পেতে শুরু করেছি, কারণ তার বয়স বাড়ছে এবং সে আগের মতো নিজেকে কাজে ডুবিয়ে রাখে না। আগে মনে হতো, আমি নিরাপদ, কিন্তু এখন আমি জানি না। হয়তো তার বয়সের কারণে কিছু ভুল পথে চলে যাচ্ছে, তবে আমি নিশ্চিত নই।" তবে বিচ্ছেদের বিষয়ে সুনীতা সরাসরি কিছু বলেননি।
মন্তব্য করুন