

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎতে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
চীনা রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সঙ্গে গণচীনের পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় হৃদ্যতাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিষয়গুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে আহতদের চীন চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি দু'দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। চাইনিজ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনের ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চীন ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ করে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইমারি শিক্ষার পাশাপাশি ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এতে করে বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে ও নিত্যনতুন কর্মসংস্থান সৃজন হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি খাতে দক্ষ হয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ সমাপ্তির পথে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ এর সকল কম্পোনেন্টে চীনের সহযোগিতা সম্প্রসারণে অনুরোধ করেন তিনি।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ করে সাউথ সাউথ কো-অপারেশন এর আওতায় অথবা ইআরডির মাধ্যমে সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখা ও নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করারর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


মাদকের গডফাদারদের ধরে আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত বড় বড় গডফাদারদের ধরতে হবে। চলমান যৌথ অভিযানে এ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং দৈনিক অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে সাফল্যের ওপর নির্ভর করে অধিদপ্তরের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, দুর্নীতি না কমাতে পারলে এ সরকারের সাফল্য আসবে না। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তাই মাদক নির্মূলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ইউনিফর্ম আছে কিন্তু অস্ত্র বা হাতিয়ার নেই। তাই সফল অভিযান পরিচালনার স্বার্থে তাদের অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া যেসব অভিযান পরিচালনার সময় হামলার আশঙ্কা রযেছে, সেসব জায়গায় পুলিশসহ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
ঘোষিত ১১ দফা অবরোধের ২য় দিনে রাজধানী ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে ১৪৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(১৩ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।
বিজিবির
জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা
ও আশপাশের জেলায় ১৬ প্লাটুনসহ সারা দেশে ১৪৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই রয়েছে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি প্লাটুন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে সকলের
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে গোটা বিশ্বের সম্মিলিত অঙ্গীকারের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা
জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একটি বিশ্ব
গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যেখানে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবিক মর্যাদা সবার
জন্য সমুন্নত থাকবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের অধিকার,
আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর মানবাধিকার দিবস পালিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মৌলিক
স্বাধীনতার অবক্ষয়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসমতা, অসহিষ্ণুতা, জলবায়ু সংকট, কর্তৃত্ববাদ
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থানের চ্যালেঞ্জের মুখে এই প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী
এবং প্রাসঙ্গিক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র মর্যাদা,
সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে একটি মৌলিক দলিল, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় মানবাধিকার
সার্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য এবং সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
৭৬ বছর আগে মানবাধিকারের সার্বজনীন
ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে বিশ্বে নাগরিক মর্যাদার অগ্রগতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘তবে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নির্দেশ করে যে বিশ্বমানবতা সৃষ্টির
জন্য আমাদের এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি অত্যন্ত
দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশার দিকে খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে
ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান বর্বর নিপীড়নের অর্থ হলো আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ। ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের
জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে, নয়টি মূল
মানবাধিকার চুক্তিতে সই করা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকারের
সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে নিহিত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে অদম্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা
ও মর্যাদার জন্য আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কতটা দৃঢ় তা প্রমাণ করে উল্লেখ করে ড. ইউনূস
বলেন, ন্যায্য অধিকারের জন্য আমাদের জনগণ তাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে পুনর্ব্যক্ত করেছে। আমাদের
তরুণ সমাজ যে সাহস নিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্রত হয়েছে তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা
আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করার যাত্রা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের
সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারে অবদান রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে।
জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন
সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সেই ঐকান্তিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে সার্বিক কার্যক্রমে
সহায়তা করতে ২৯-৩০ অক্টোবর ঢাকা সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার বাংলাদেশে
মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার
প্রস্তাবিত ধারণাটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সরকারের
সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রস্তাবিত এই মিশনের
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্ম-পরিধি, গঠন কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত মিশনটি স্থাপনপূর্বক এটিকে কার্যকরী করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ) মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় সরকার অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
রোববার (২৫ জুন ২০২৩ইং) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। রোববারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্বের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মানুষের কাছেও মোবাইল ফোন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও যোগাযোগের জন্য সহজলভ্য মাধ্যম হয়ে ওঠেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকার বর্তমানে মোবাইল ফোন, আইপি কলিং আপ, ওয়াইফাই হটস্পট ইত্যাদি আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও এর জন্য প্রয়োজনীয় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও বিকাশ ঘটেছে। বর্তমানে দেশে মানুষের ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন পৌঁছে গিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতা, দ্রুত গতির ইন্টারনেটের ব্যবহার, অডিও-ভিডিও ইত্যাদির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আগে ব্যবহৃত কার্ডফোন ও বুথগুলো পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা নেই বললেই চলে। সেজন্য রাজধানী ঢাকার বহু কার্ডফোনগুলো পুনরায় চালু করার কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে যে কোনো আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এ কথা বলেন।
আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। একসময় দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের হোলিখেলা চলছিল। বাংলাদেশ পুলিশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তা এখন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যে সক্ষমতা আছে তা দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে যে কোনো আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। আমাদের সে আস্থাও আছে। আমাদের সব ফোর্স ওয়েল মোটিভেটেড। তারা দায়িত্ব পালনে আগামী দিনে যে কোনো চ্যালেঞ্জ যদি আসে তা মোকাবিলার সক্ষমতা রাখে। আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য যেভাবে করা দরকার সেভাবেই পালন করবো। আমাদের আইন আছে, বিধিবিধান আছে। এর ভিত্তিতে আমরা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে তাদের নির্দেশনার আলোকে দায়িত্ব পালন করবো।
অনুষ্ঠানে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আইজিপিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। তারপর তিনি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস রুটিন প্রকাশ করেছে । ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের জন্য আলাদা রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।
২৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) মাউশি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরির স্বাক্ষরিত এ রুটিন প্রকাশ করা হয়, যা প্রণয়ন করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিন প্রকাশ করেছে ।
মাউশির প্রকাশ করা মাধ্যমিকের নতুন রুটিন অনুযায়ী, এক শিফটের স্কুলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের স্কুলগুলো চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রথম শিফট সাড়ে ১২টায় শেষ হয়ে দ্বিতীয় শিফট শুরু হবে।
নতুন এ রুটিনে আরো বলা হয়েছে, বিশেষ প্রয়োজনে একই দিনের বিষয়গুলোর পিরিয়ড পারস্পরিক পরিবর্তন করা যাবে।
তবে রুটিনে দশম শ্রেণির অংশ ফাঁকা রাখা হয়েছে। স্কুলগুলোকে দশম শ্রেণির রুটিনের বিষয়গুলো নিজেদের মতো করতে হবে।
এদিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ধারাবাহিকতায় আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতেও নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।
আর নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে শিক্ষার্থীদের ছয় পিরিয়ড ক্লাস হবে। তবে আগের শিক্ষাক্রমের দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে ৭ পিরিয়ড।
মন্তব্য করুন


বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাড়িবাথান গ্রামের চরপাড়া মাঠ থেকে ১টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে ঝিনাইদহ র্যাব-৬।
র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট (আরজে এসএম৩৬) গ্রেনেডটি ধ্বংস করে।
ঝিনাইদহ র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মেজর নাঈম আহমেদ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে সদরের চরপাড়া গ্রামের মাঠে পরিত্যক্ত জায়গায় বোমা সদৃশ কিছু একটা পড়ে আছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘাসের ভেতরে থাকা একটি বোমা উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃত বোমাটি আরজে এসএম৩৬ গ্রেনেড বলে র্যাব নিশ্চিত হয়। পরে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট গ্রেনেডটি ওই মাঠের ভেতরে ধ্বংস করে। তবে গ্রেনেডটি কে বা কারা এখানে রেখে গেছে সেটি জানাতে পারেনি।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


রাজধানীসহ
সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)
৪৬০টি টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
১৯
নভেম্বর (রোববার) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার
আল মঈন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের ডাকা ২ দিনব্যাপী হরতালে রাজধানীসহ সারা দেশে যাতে
কোনো ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য র্যাবের সব কয়টি ব্যাটালিয়নের
সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এই লক্ষ্যে ঢাকায় ১৬০টিসহ সারাদেশে ৪৬০টি র্যাবের টহল
টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও সাইবার স্পেসেও নজরদারি করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নির্মাণকাজ পরিদর্শন ও কোনো ত্রুটি আছে কি-না যাচাই করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাচ্ছে একটি ট্রেন।
রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় আটটি বগি ও একটি ইঞ্জিন নিয়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে গেছে।
ট্রেনটিতে রয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম ও রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, রোববার ট্রেনটি সকাল ১০টায় দোহাজারী স্টেশনে পৌঁছবে।
এরপর সেখান থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা রয়েছে। রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করবেন। ৬ নভেম্বর ওই টিম কক্সবাজার রেলস্টেশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে। ৭ নভেম্বর সকাল ৭টায় ওই টিম চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে।
সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) রুহুল কাদের আজাদ বাংলানিউজকে বলেন, আজ ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছেন রেলের পরিদর্শন দফতরের টিম। এসময় নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করা হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক সুবক্তগীন বাংলানিউজকে বলেন, ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসবেন। ওখানে সুধী সমাবেশ হবে। আইকনিক স্টেশন দেখবেন এবং একটা অংশ থাকবে উদ্বোধনের।
তিনি আরও বলেন, ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের পথে ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের পর বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলবে ২০ বা ২৫ নভেম্বর থেকে। কক্সবাজার রুটে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ছয় জোড়া ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা আছে। তবে ইঞ্জিন ও বগি সংকটের কারণে এখনই তা হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের রুটিন কাজ। এটিকে ট্রায়াল রান বলা যাবে না। আমাদের সঙ্গে আছেন রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। তারা এ রেল পরিদর্শন করবেন সেখানে কোন ত্রুটি আছে কিনা দেখবেন। ইন্টারলকিং সিগন্যালিং ব্যবস্থা, প্লার্টফর্ম উঁচু সঠিক কিনা, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং গেট এসব দেখবেন। পরে রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা সার্টিফাই করবেন। এরপর ট্রেন চলবে।
দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন। পরে এক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি। এ প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। রেলপথটি নির্মিত হলে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান- মাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪ (শনিবার) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ডিএমপির মোহাম্মদপুর থানাধীন বছিলা হাউজিং এর মিনি সুপারশপে চাঞ্চল্যকর দুর্ধষ ডাকাতি ঘটনার প্রধান আসামি মোঃ আসলাম ওরফে রুবেল আলমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার তথ্য অনুযায়ী তার আরেকজন সহযোগী পরিকল্পনাকারি মজিদকে যৌথবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের ডাকাতির কথা স্বীকার করে। ডাকাতি হওয়া সুপারশপের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়, ডাকাতদলের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তারা দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন