

রাজধানীর ফার্মগেটে আনন্দ সিনেমা হলের সামনে তিনটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দিকে জাতীয় জরুরিসেবা নম্বর ৯৯৯-এ এমন সংবাদ পাওয়া যায়। ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বোমা পাওয়ার সংবাদে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম আজম বলেন, আনন্দ সিনেমা হলের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু আছে। এমন সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়। তিনটি বোমাসদৃশ বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভবন অবকাঠামোতে শৃঙ্খলা আনতে নতুন করে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসাব সভাপতি নিয়াজ আলি চিশতি, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন প্রমুখ।
নির্মাণে ত্রুটি ও বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে ভবনে আগুন লাগে জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, আগুন লাগার মূল কারণ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট। যে ইলেকট্রিক ক্যাবল ব্যবহার করা হয় তার মান ভালো না, এই ক্যাবলের মান যেন ভালো হয় সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়া অনেকগুলো ভবনের অবকাঠামো ভালো না। রানা প্লাজায় যে ঘটনা ঘটেছিলো, ভবনটা ধসে পড়ে। তার অবকাঠামোর পরিকল্পনা পাস করা হয় নাই। সেখানেও আমরা ব্যবস্থা করছি।
বিএসটিআইকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটা প্রতিরোধমূলক অবকাঠামো করা প্রয়োজন। ঘটনা ঘটার আগে যেন আমরা তা প্রতিরোধ করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, অগ্নি নির্বাপণের যন্ত্রপাতি আগে আমদানি করতে হতো। তবে ইসাব (ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) জানিয়েছে এখন ফায়ার বল ও ক্যাবল দেশে তৈরি করছে। কিছুটা আমরা এক্সপোর্টও করছি। দেশে এই ধরনের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। নতুন আইন করছি সেটা হলো বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড। আইন অনুযায়ী রেগুলেটরি অথরেটি তৈরি হবে, সেটা এখনো হয় নাই। তবে তা তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করবো। এটা হয়ে গেলে প্রতিরোধমূলক কাজগুলো ওই রেগুলেটরি অথরিটির মাধ্যমে করবো।
ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর আয়োজন করছে ইসাব। প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৩০টি দেশের শতাধিক বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে, যারা তাদের ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির অত্যাধুনিক পণ্যগুলো প্রদর্শন করছে।
ইসাব সভাপতি নিয়াজ আলি চিশতি বলেন, দেশের অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে অগ্নি ঝুঁকিসহ নিরাপত্তার বিষয়টি ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে অগ্নি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম অগ্নি ঝুঁকি কমাতে নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
বিজিএমইএ এ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, অগ্নি নিরাপত্তার সরঞ্জামগুলো দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব। এ জন্য এ খাতে উদ্যোক্তার নীতি সহায়তা দেওয়া যেতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কুমিল্লা বিভাগ জনগণের প্রাণের দাবি। কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা হবে। এছাড়া, এই অঞ্চলে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও দ্রুততম সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরে চাঁদপুর সফরে যাওয়ার পথে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের পাশে বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার খেলার মাঠে বিএনপি আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছরে দেশের জনগণের কোনো ভোটের অধিকার ছিল না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দেওয়া হতো। দেশ স্বৈরাচারের কবলে পড়েছিল। হত্যা, গুম, লুটপাট করা হয়েছে। তারা দেশের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে।
২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে বুকের রক্ত দিয়ে দেশের গণতন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এ স্লোগান তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা খাল খনন, কৃষক কার্ড, ফ্যামেলি কার্ড ও ইমাম-মোয়াজ্জিনদের সম্মানীর ওয়াদা দিয়েছিলাম। আমরা ওয়াদা রেখেছি। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা করে কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে পুনর্গঠন করতে হলে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে হবে, তা শিক্ষায় হোক কিংবা অর্থনৈতিকভাবে। দেশের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবাইকে স্বাবলম্বী করতে হবে। বেকার সমস্যা দূর করতে কাজ করতে হবে।
জনগণ দেশের মালিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে দেশের দায়িত্ব দিয়েছেন। বিএনপি অতীতেও সব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করেছে। এবারের নির্বাচনেও আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণপূর্তমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি।
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সহসভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবুসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
এর আগে দাউদকান্দি থেকে পথে পথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এমপিদের নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। সোয়া ১টার দিকে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। প্রায় ১৫ মিনিটের বক্তব্যে তিনি দেশের উন্নয়ন ও সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশের চলমান বন্যা নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এখন পর্যন্ত দুইজন নারীসহ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৪৮ লাখের বেশি মানুষ।
নিহতদের মধ্যে কুমিল্লায় চারজন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে চারজন, নোয়াখালীতে একজন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় একজন, লক্ষ্মীপুর একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন।
এদিকে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যায় একটি শিশু পাতিলের মধ্যে কাপড় দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে।
পাতিলের ভেতর বন্যার পানিতে ভাসতে দেখে সেখানে থেকে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়। অনেকেই ছবিটি শেয়ার করছেন নানা আবেগঘন ক্যাপশন দিয়ে। আবার অনেকেই বলছেন পরিবারের সব সদস্য মৃত।
তবে অনুসন্ধান করে জানা গেছে ভাইরাল হওয়া ছবিটি কুমিল্লার খারাতাইয়া, বুড়িচং এলাকার। ছবিটি তুলেছেন নাজমুল হাসান তপন নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির পরিবারের সবাই জীবিত এবং নিরাপদে আছেন।
এর আগে গত বুধবার (২১ আগস্ট) আরেকটি শিশুর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা গেছে, শিশুটি গলা পর্যন্ত পানির নিচে ডুবে আছে। তার কপালে ভাঁজ এবং অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও ওই ছবি শেয়ার করে বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। তবে রিউমর স্ক্যানারের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি ছিল। রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ থেকে শিশুর ভাইরাল হওয়া ছবিটিসহ দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, বন্যার বাস্তব দৃশ্য প্রকৃতপক্ষে আরও করুণ। তবে, আমাদের বিশ্লেষণে ভাইরাল ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি।
পোস্টে আরও বলা হয়, আলোর প্রতিফলন, শিশুটির চোখের অভিব্যক্তি, কপালের ভাঁজ ও ঠোঁটের অস্বাভাবিকতা ইত্যাদি অসংগতি অনুযায়ী আপাতদৃষ্টিতে অনেকেই ভাইরাল ছবিটিকে এআই জেনারেটেড বলেই ধারণা করেছেন। তা ছাড়া, এআই ছবি যাচাইয়ের বিভিন্ন ওয়েবসাইটও ছবিটিকে ৬০% থেকে ৯১% পর্যন্ত এআই বলে ফলাফল দিয়েছে। রিউমর স্ক্যানার টিম হতে MidJourney AI ব্যবহার করে এই একই ধরনের ছবি পুনরায় তৈরি করার চেষ্টায়ও প্রায় একই ফলাফল পেয়েছি আমরা।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্যরা
(দ্য কমিশন অব এনকোয়ারি অন এনফোর্সড ডিসাপিয়ারেন্স) আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা জানান শিগগিরই তিনি আয়নাঘর পরিদর্শনে যাবেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায়
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়ে ‘জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল’ যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পেয়েছে সেগুলো পরিদর্শনের
অনুরোধ জানান কমিশনের সদস্যরা। প্রধান উপদেষ্টা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করলে গুমের শিকার ব্যক্তিরা
আশ্বস্ত হবেন এবং অভয় পাবেন বলে জানান তারা।
বৈঠকে কমিশন সদস্যরা কয়েকটি গুমের ঘটনার
নৃশংস বর্ণনা দেন। এমনকি ৬ বছরের শিশুও গুমের শিকার হয়েছে বলে কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টা কমিশনের আহ্বানে সাড়া
দিয়ে বলেন, আপনাদের তদন্তে যে ঘটনাগুলো উঠে এসেছে তা গা শিউরে ওঠার মতো। আমি শিগগিরই
আয়নাঘর পরিদর্শনে যাব।
মন্তব্য করুন


সুনামগঞ্জের
শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বাসের সঙ্গে লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায়
আহত হয়েছেন পাঁচজন যাত্রী।
বুধবার
(২০ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার আহসানমারা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজনের
মধ্যে একজন লেগুনাচালক ইব্রাহিম মিয়া (২৫)।
তিনি
শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের বাসিন্দা। অন্যজন সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের
বাসিন্দা লেগুনার যাত্রী জাহেদ মিয়া (১৮)।
আহত
পাঁচজন হলেন- ছাতক উপজেলার সাদারাই গনিপুর গ্রামের আব্দুল জাহান (৪২), তার মেয়ে লুৎফা
বেগম (৫), তৌরিজ মিয়া (৫৫), তার স্ত্রী কল্পনা বেগম (৪৫) এবং আব্দুল জাহার (৪২)। তাদের
স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর
বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, এদিন দুপুর ১টার দিকে সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা একটি লেগুনা
শান্তিগঞ্জের আহসানমারা ব্রিজ এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘খাদিজা ভিআইপি’
নামে যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী
সূত্র আরও জানায়, গুরুতর আহতাবস্থায় লেগুনাচালক ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জ
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনায়
দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত
গাড়ি দুটি থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনা পর বাসচালক পালিয়ে গেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস এসোসিয়েশনের
নবগঠিত কমিটির ১ম সভার কার্যবিবরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস এসোসিয়েশনের
নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মো: আবদুল খালেক এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট সকালের এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভা পরিচালনা করেন যৌথভাবে
সিনিয়র সহকারী সচিব মো: নাজমুল হাক ও নজরুল ইসলাম। সভায় বক্তব্য প্রদান করেন সিনিয়র
সহকারী সচিব মো: শহিদুল্লাহ, সুশীল কুমার পাল, মো. আব্দুল মান্নান, শেখ হেমায়েত হোসেন
এবং সহকারী সচিব মোছা. সেলিনা সুলতানা, সুলতান আহমেদ, জাহেদা খাতুন, রফিকুল ইসলাম,
কামাল হোসেন, মো: ফারুক ওমো. কবীর প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বর্তমান অর্ন্তবর্তীকালীন
সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমাদের সন্তানদের রক্তের বিনিময়ে কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে
পেয়িছি কিন্তু যে বৈষম্যেবিরোধী আন্দোলন করে তাঁরা শহীদ হয়েছেন সে বৈষম্য এখনো বিদ্যমান
রয়েছে। আমারা তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামানা করি। বৈষম্যমুক্ত ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত
করে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে পারলে তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে। সভায় বক্তারা আরো বলেন যে,
আগামী রবিবার ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখের মধ্যে এসোসিয়েশনের পেশকৃত দাবী বাস্তবায়ন করতে
হবে। অন্যথায় ন্যায় সংগত দাবীর জন্য ঐকবদ্ধভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমরা লক্ষ্য
করেছি ক্যাডার বহির্ভূত বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতিসহ এ পর্যন্ত প্রশাসনিক দাবী বাস্তবায়িত
হয়নি। এতে ক্যাডার বহির্ভূত কর্মকর্তাগণ ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কর্মকর্তাদের মধ্যে দাবী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখনো বৈষম্য বিরাজমান
রয়েছে। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তাগণ ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবিসমূহতে জানানো হয়,
বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বর্হিভূত গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী) নিয়োগ
বিধিমালা-২০১৪ মোতাবেক পদোন্নতি বঞ্চিত সহকারী সচিবগণকে ৫ বছর চাকরি পূর্তিতে সিনিয়র
সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ৩ বছর অর্থাৎ সহকারী সচিব থেকে সিনিয়র সহকারী
সচিব পর্যন্ত সর্বমোট ৮ বছর চাকুরির পূর্তিতে উপসচিব পদে ভূতাপেক্ষ ১০০ শতাংশ পদোন্নতি
প্রদান এবং পূর্বের ন্যায় যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির বিষয়টি পূণঃবহালকরণ। সভায় সচিবালয়ের
বিভিন্নপর্যায়েরকর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নব গঠিত আহবায়ক কমিটিকে অভিনন্দন জানান।
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


নিউজ ডেস্ক:
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন রাজেশপুর এলাকায় দেশীয় অস্ত্র ও ২০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ টি চাপাতি, ২ টি রামদা ও ২০ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।এসময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দক্ষিণ চর্থা গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ জয়নাল হোসেন এবং একই গ্রামের মৃত নুরুল হক এর ছেলে মোঃ নাজমুল হক রাসেল।
র্যাব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে তিন লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজীর পাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে রিদোয়ান (৩৫), পানিরছড়া গ্রামের আকতার কবিরের ছেলে মুহাম্মদ নেছার (৩২) ও পানিরছড়া বারঘর পাড়ার মৃত মতনের ছেলে মো. আনছার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী জানান, রোববার (১৪ মে) সকাল ১০টায় মাঠে পলিথিন ও লবণ উঠানোর জন্য আনুমানিক ৪০-৫০ জন শ্রমিক মাঠে যায়। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কারণে ঠান্ডায় ৬/৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিদওয়ানকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন আর বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লবণ মাঠে পলিথিন উঠাতে গিয়ে মৃত্যু হয় মুহাম্মদ নেছার নামের আরেকজনের। তাকে রাত সাড়ে ১০টায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেক কৃষককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এছাড়া এলাকাবাসী রাত সাড়ে ১১টায় লবণ মাঠ থেকে আনছারের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়ানকের বিভিন্ন গ্রামের আরও ১০/১৫ জন লবণচাষি এখনও ঘরে ফিরেননি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ার কথা শুনেছি। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেটা সঠিক জানি না। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন