পাথরের খনিতে বিলাসবহুল হোটেল

পাথরের খনিতে বিলাসবহুল হোটেল

ব্রিটেনের নর্থ ওয়েলসে এক খনিতে  বিলাসবহুল রাত্রিযাপন ব্যবস্থা করা হয়েছে । ন্যাশনাল পার্কের স্নোডোনিয়া পর্বতের নীচে রয়েছে সেই খনি। হোটেলের নাম ‘ডিপ স্লিপ’।

এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে একটি পর্যটন সংস্থা। হাজার হাজার টাকা খরচ করে সেই খনিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু মানুষ।

সপ্তাহে কেবল এক দিনই খনিতে গিয়ে এই হোটেলে রাত্রিবাস করা যাবে। শনিবার গিয়ে রাতে থেকে রোববার সকালে আবার ফিরে আসতে হয়। এমনটাই নিয়ম।

খনিতে দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। সারা দুনিয়ায় খনিতে কাজ করতে নেমে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পেটের টানেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশাকে সাধারণত মানুষ বেছে নেন। তারপর সেখানে ধস নেমে বা পানি ঢুকে অনেক সময়ই প্রাণ যায় শ্রমিকদের। এখন সেই খনিতে নেমেই রাত্রিযাপন!

ভিক্টোরিয়া আমলের এই খনিতে ৪১৯ মিটার (১ হাজার ৩৭৫ ফুট) গভীরে রয়েছে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা। এই হোটেলে চারটি দু’জন থাকার রুম রয়েছে। আর একটি গুহা রয়েছে। সেখানেও দু’জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

এপ্রিল মাস থেকে এই খনি-সফর শুরু হয়েছে। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানে গিয়ে পর্যটকেরা দারুণ খুশি। তারা জানিয়েছেন, খনিতে রাতে যেভাবে স্বস্তিতে ঘুমিয়েছেন, নিজের বাড়িতে কখনও এত ভালো ঘুমাননি।

খনিতে চলাচলের উপযুক্ত বুট, হেলমেট, টর্চলাইটও দেওয়া হবে পর্যটকদের। দীর্ঘ খনিপথের শেষে রয়েছে স্টিলের দরজা। সেই দরজা খুলেই ঢোকা যাবে হোটেলে।

হোটেলের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, গন্তব্যে পৌঁছনোর পর পর্যটকদের পানীয় দেওয়া হবে। তারপর খনির বিষয়ে কিছু তথ্য দেওয়া হবে।

বাকি সন্ধ্যা নিজের রুমে বসে আরাম করতে পারবেন পর্যটকেরা। কোনো অভিযানে যে রকম খাবার দেওয়া হয়, সে রকমই পরিবেশন করা হবে পর্যটকদের। 

খাবার জন্য হোটেল কক্ষের বাইরে রাখা রয়েছে বিশাল এক টেবিল। সেই টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়ার পর যে যার ঘরে গিয়ে বিশ্রাম করতে পারবেন পর্যটকেরা।

দু’জনের অভিযান এবং এক রাতে থাকা, খাওয়ার খরচ ৩৫০ পাউন্ড যা প্রায় ৪৮ হাজার টাকার কাছাকাছি। কেউ গুহায় রাত্রিবাস করতে চাইলে তার খরচ একটু বেশি। অভিযান-সহ গুহায় রাত্রিবাসের খরচ ৫৫০ পাউন্ড যা প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

‘সেন্টমার্টিনের যেখানে যাবেন সেখানেই মোখার আঘাতের চিহ্ন’

‘সেন্টমার্টিনের যেখানে যাবেন সেখানেই মোখার আঘাতের চিহ্ন’

কোনো প্রাণহানী না হওয়ায় আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বড় কোনো বিপদ ছাড়াই বিদায় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর শাহ পরীর দ্বীপের মানুষরা। ঝড়ের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ বহু স্থাপনা। সেন্টমার্টিনের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মোখার প্রভাব পড়েনি। সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক হাজার ৩০০-এর বেশি পরিবার।  

মোখার আঘাত পুরোটাই নিজের চোখে দেখেছেন বাংলাদেশের একমাত্র এই ব-দ্বীপের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। ঘূর্ণিঝড়ের আগের প্রস্তুতি, আঘাত হানার সময়কার বিপদ আর তারপর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব নিয়ে  তিনি কথা বলেছেন ঢাকা পোস্টের সঙ্গে।  

ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড় মোখা শুরুর আগে দ্বীপবাসীর জন্য কী কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড় যখন সৃষ্টি হয়েছে তখন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আমাদের দিকে ঘূর্ণিঝড় আসছে। আপনারা সবাই প্রস্তুতি নেন। ওই ঘোষণার পর আমাদের যে দুর্যোগ কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। আমাদের সকল মেম্বার সেখানে ছিলেন। যেহেতু শোনা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অনেক বড় আকারে আসবে, সেন্টমার্টিনকে লন্ডভন্ড করতে পারে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে। আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত, না গেলে আমরা বাঁচতে পারব না। দ্বীপ তলিয়ে গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত। তারপর আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ড মেম্বারদের দিয়ে মিটিং করিয়েছি। যখন ঘূর্ণিঝড় আরও এগিয়ে এসেছে, তখন আমরা মেম্বারদের দিয়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে বলে এসেছি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে। আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে গিয়েছি দ্বীপের প্রতিটি জায়গায়। যখন ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়ে গেল তখন আমরা এলাকাবাসীকে ফোর্স করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি।

অতীতের যে রেকর্ড, সেন্টমার্টিনের মানুষ কখনও আশ্রয় কেন্দ্রে যেত না। কিন্তু এবার সব মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গেছে। আমরা শতভাগ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পেরেছি।

ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড়ের পর আপনার দ্বীপে কেমন ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : মিনিমাম ৭০০ দরিদ্র পরিবারের ঘর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। আর ৩০০ পরিবারের যে সেমি পাকা ঘর ছিল, সেগুলোর টিনের চাল উড়ে গেছে। এর বাইরে গাছ পড়ে কিছু মানুষের ঘর ভেঙে গেছে, কারও পুরোটা ভেঙেছে, কারও অর্ধেক ভেঙেছে, একপাশে ভেঙেছে এমন হয়েছে। সব মিলিয়ে মিনিমাম ১৩ থেকে ১৪০০ পরিবার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। আমি আমাদের প্রশাসনকে জানিয়েছি, সেন্টমার্টিনের এবারের ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি পূরণ করতে হলে সরকারকে ভালো একটা উদ্যোগ নিতে হবে।  

ঘূর্ণিঝড় শেষে আমরা যেটা দেখলাম, পুরো দ্বীপে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। কমপক্ষে ১০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০-৫০টি দোকান একেবারেই ভেঙে গেছে। অনেক টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ৮টির মতো ফিশিং ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮-৯টি কালভার্ট নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার না করলে আমাদের চলাচলে খুব অসুবিধা হবে।ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোন শ্রেণির মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে?

মুজিবুর রহমান : যাদের অর্থ-সম্পদ আছে তারা বিল্ডিং করেছেন, সেমি পাকা ঘর করেছেন। এদের শুধুমাত্র টিনগুলোর ক্ষতি হয়েছে। যারা গরিব মানুষ, ঘর বাঁধতে পারেনি, শুধুমাত্র বাঁশ, পাতা এবং পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছিল, তাদের ঘরগুলো একেবারে ভেঙে গেছে।

ঢাকা পোস্ট : দ্বীপে তো উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম অংশ আছে। কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো এরিয়া নেই যেখানে ক্ষতি হয়নি, যেখানে যাবেন সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত।

ঢাকা পোস্ট : বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কী অবস্থা?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের অনেক কিছু ভেঙে গেছে। এগুলো ঠিকঠাক করতে অনেকটা সময় লাগতে পারে। আমরা তারপরও বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করতে।

ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোনো বাঁধ আছে কিনা বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা?
মুজিবুর রহমান : আমাদের সেন্টমার্টিনে কোনো বাঁধ নেই। দ্বীপ রক্ষার স্বার্থে কোনো বেড়িবাঁধ সরকার যদি নাও করতে চায় তবে দ্বীপের চারদিকে ওয়াকিং রোড করা যেতে পারে। সেটি দিলে আমাদের দ্বীপ রক্ষা পাবে।

ঢাকা পোস্ট : দ্বীপবাসীর ত্রাণ সহায়তা কী দিতে পারলেন?
মুজিবুর রহমান : গতকাল আমাদের জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের অনেকে এখানে এসেছিলেন। আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোস্টগার্ড এরিয়া কমান্ডার এসেছিলেন। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কোস্টগার্ড গতকাল এখানে অনেক ত্রাণ নিয়ে এসেছিল, সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে। আর আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখানে ৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে। বিজিবিও ত্রাণ দিয়েছে ৩০০ পরিবারকে। 

ঢাকা পোস্ট: মোখার এই ক্ষতি কাটিয়ে দ্বীপের প্রাণ ফিরতে কতদিন সময় লাগবে?
মুজিবুর রহমান : আমাদের এলাকাটা ছোট এবং এটি পর্যটন এরিয়া। সরকার যদি মনে করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের কর্মসংস্থান করবে এবং দ্রুতই দ্বীপের প্রাণ ফিরবে তবে সেটি ২/৩ মাসের মধ্যেই সম্ভব। এটা সরকারের স্বদিচ্ছা হলেই সম্ভব। ‌

ঢাকা পোস্ট : ঢাকা পোস্টকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুজিবুর রহমান : ঢাকা পোস্টকেও ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন’ শীর্ষক একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। হাওর বা জলাধারের পানি দূষণ করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে খসড়ায়। অপরাধীর সহায়তাকারীও পাবেন একই শাস্তি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য হাওর ও জলাভূমিসহ সব প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর ১৬৮৩/২০১৪-তে দেওয়া আদেশে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী এ আইনের খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। খসড়াটি তারা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

খসড়ার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেশ কিছু মতামত এসেছে। যা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হবে। তারপর এটি মন্ত্রিসভায় উঠবে।

আরও পড়ুন >> পানিশূন্য তিস্তাপাড়ে কর্মহীন হাজারো জেলে-মাঝির দুর্দিন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, আইসিটি) গাজী মিজানুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করে কমিটি করা হয়েছিল। এরপর সবার সমন্বয়ে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় তার স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে পরবর্তী যা যা প্রক্রিয়া আছে সেগুলো শেষ করবে।

তিনি বলেন, মূলত হাইকোর্টে একটি মামলার রায়ের আলোকে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল আইন করার জন্য। সে আলোকে মন্ত্রণালয় আমাদের চিঠি দিয়েছিল। এরপর খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে।‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে হাওরাঞ্চল যেভাবে আছে সেটাকে রক্ষা করতে হবে, সুরক্ষিত করতে হবে। হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় সেই আলোকেই আইনটি হচ্ছে’— বলেন গাজী মিজানুর রহমান।

‘বিশ্ব জলাভূমি দিবসের স্লোগান হচ্ছে, যেসব জলাভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো পুনরুদ্ধার করতে হবে। এছাড়া বর্তমানে যেগুলো আছে সেগুলো বজায় রাখতেই হবে। সে আলোকে আইনের খসড়ায় আমরা সব বিষয় নিয়ে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি গেজেটের মাধ্যমে। আইন না থাকায় অনেক বিষয়ে সমাধানে আসা যাচ্ছিল না। বর্তমানে মৎস্য সম্পদ থেকে শুরু করে কৃষি সম্পদসহ অনেক কিছু মিলিয়ে হাওরাঞ্চল বিশাল সম্ভাবনাময়। কিন্তু আইন না থাকায় কিছু কাজ জোরালোভাবে করা যাচ্ছিল না। আইনটি পাস হলে হাওরাঞ্চল আরও সুরক্ষিত হবে বলে আমরা আশা করছি।’

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মেহরুবা ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর খসড়াটি তৈরি করেছে। খসড়ার বিষয়ে আমরা স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিলাম। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত আমরা সময় দিয়েছিলাম। কিছু মতামত এসেছে। আমরা সেগুলো কম্পাইল করছি।’

আরও পড়ুন >> আশীর্বাদের তিস্তা এখন অভিশাপ

যেসব মতামত এসেছে সেগুলো নিয়ে বৈঠক হবে। বৈঠকে স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে এসব মতামত নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে— যোগ করেন তিনি।

কী আছে আইনের খসড়ায়

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমির জরিপ, তালিকা প্রস্তুত, সীমানা চিহ্নিতকরণ ও জলাভূমি এলাকার মানচিত্র প্রস্তুত করা।  

(খ) হাওর ও জলাভূমি এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল, জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষার জন্য অভয়াশ্রম বা স্থায়ী অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা; সংরক্ষিত জলাভূমি এলাকা ঘোষণা এবং হাওর ও জলাভূমি সংস্কার, খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার।(গ) হাওর ও জলাভূমির পানির অন্তঃপ্রবাহ বা আন্তঃপ্রবাহ বা বহিঃপ্রবাহ অব্যাহত রাখার জন্য খনন বা পুনঃখনন।

(ঘ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত রাখা এবং হাওর ও জলাভূমির টেকসই ব্যবহার।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র উন্নত করার জন্য হাওর ও জলাভূমির যে কোন ধরনের পরিবর্তন।

(চ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষা করে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন।

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে নিম্নবর্ণিত কাজ থেকে বিরত থাকা বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমি থেকে এমনভাবে পানি প্রত্যাহার যার ফলে হাওর ও জলাভূমি শুকিয়ে যায় বা হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র বা জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(খ) পানিধারক স্তরের নিরাপদ সীমা ব্যাহত হয় এমনভাবে পানি উত্তোলন/আহরণ।

(গ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এমন কোনো কাজ।

(ঘ) হাওর ও জলাভূমির যে কোনো ধরনের পরিবর্তন যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোন অবকাঠামো নির্মাণ যা পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে এবং যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(চ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোনো দ্রব্য, পয়ঃ বা গৃহস্থালি বর্জ্য নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ছ) শিল্প কারখানার অপরিশোধিত তরল বা কঠিন বর্জ্য হাওর ও জলাভূমিতে নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(জ) অভয়াশ্রম হিসাবে ঘোষিত হাওর ও জলাভূমি এলাকায় পানি বা শব্দ দূষণ সৃষ্টিকারী যান্ত্রিক জলযান চালানো।

আরও পড়ুন >> টাঙ্গুয়ার হাওর : স্বর্গীয় জলজ সৌন্দর্যের আধার

(ঝ) অনুমোদিত বালুমহাল বা পাথরমহাল ব্যতীত হাওর ও জলাভূমি থেকে বালু বা পাথর উত্তোলন।

(ঞ) হাওর ও জলাভূমির অবৈধ দখল, ভরাট বা অননুমোদিত খনন।

(ট) হাওর ও জলাভূমি থেকে অবৈধভাবে সম্পদ আহরণ।

(ঠ) হাওর ও জলাভূমির অননুমোদিত পরিবর্তন বা রূপান্তর

(ড) প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ঘোষিত জলমহাল ইজারা প্রদান।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

ঈদে দেখা যাবে নুসরাতের 'সুড়ঙ্গ'

ঈদে দেখা যাবে নুসরাতের 'সুড়ঙ্গ'

রায়হান রাফী পরিচালিত 'সুড়ঙ্গ' সিনেমায় প্রথমবারের মতো তমা মীর্জা ও আফরান নিশো জুটি বেঁধেছেন। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা।

এতে আইটেম গার্ল হিসেবে নেচেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এরইমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে গানটি। ফারিয়ার এই গান নিয়ে যেন দুই বাংলায় উত্তেজনা তুঙ্গে।

গানের পাশাপাশি সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির টিজার ও ফার্স্টলুক দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তমা বলেন, 'এর আগে কোনো সিনেমার জন্য এত লম্বা সময় দেইনি। অনেক যত্ন নিয়ে সিনেমাটির শুটিং করেছি। অপেক্ষায় আছি সুড়ঙ্গ মুক্তির। '

গণমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, 'আমার ভক্ত দর্শকের জন্য সুখবর হচ্ছে, আগস্ট থেকে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করছি। তার আগে আমি তুরস্ক যাব। সেখানে ঘুরে বেড়ানো শেষে দেশে ফিরে এসে আমি নতুন সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নেব। 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

আবাসনের চার তলা থেকে পড়ে গিয়েছিল আট মাসের শিশু! আটকে ছিল দোতলার টিনের কার্নিশে। সেই শিশুকে উদ্ধার করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন

আবাসিকরা। চেন্নাইয়ের আভাদি এলাকার একটি আবাসনে ঘটনাটি ঘটেছে। পুরো ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরালও হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক আবাসিকের ক্যামেরায় তোলা ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দোতলার টিনের কার্নিশ থেকে কোনও রকমে আটকে রয়েছে ওই একরত্তি। পা কার্নিশের বাইরে ঝুলছে।

তাকে উদ্ধার করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন আবাসিকরা। অনেকে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ একটি চাদর ধরে আবাসনের নীচে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। এর পর তিন জন আবাসিক এক তলার একটি ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি

কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ি

এক সময় গরুর গাড়ি ছাড়া বিকল্প বাহনের কথা ভাবাই যেত না। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই গরুর গাড়িও নেই। নেই গাড়িয়ালের কণ্ঠে ভাওয়াইয়া গানও। যান্ত্রিকতার কাছে হারিয়ে গেছে পরিবেশবান্ধব এসব গরুর গাড়ি। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে যানবাহন।

ওকি গাড়িয়াল ভাই, কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে...এসব ভাওয়াইয়া গানের সৃষ্টি হয়েছে গরুর গাড়িকে ঘিরে। গরুর গাড়ি আর গাড়িয়ালকে নিয়ে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আব্বাস উদ্দিনের ভাওয়াইয়া দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্থান করে নিয়েছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘিওর এলাকার ৮৭ বছরের এক ব্যক্তি বলেন, আমি এক সময় মানিকগঞ্জে গরুর গাড়ি চালাতাম। খাদ্য গুদামে মাল আনা-নেওয়া করেছি। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মালামাল আনা-নেওয়া করতাম। প্রচুর চাহিদা ছিল গরুর গাড়ির। গরুর গাড়ি করে আমি নতুন বউ আনা-নেওয়া করেছি। গরুর গাড়ির জন্য লোকজন অপেক্ষায় থাকতো।

তিনি আরও বলেন, দিনে দিনে গরুর গাড়ির চাহিদাও কমলো। তার পর অনেকদিন ঘোড়া চালিয়েছি। গোড়ার গাড়ি ছিল আমার। তবে ঘোড়ার পিঠে ধান, কালাই হাট-বাজারে আনা-নেওয়া করতাম। তখন এক শ্রেণি শুধু ঘোড়ায় মালামাল টানতো, আরেক শ্রেণি ঘোড়ার গাড়ি চালাতো। গাড়িতে মানুষ চলাচল করতো।

তিনি দুঃখ করে বলেন, গরুর গাড়ি চালাতাম বলে লোকজন আমাদের ছোট চোখে দেখতো। এখন আমি ছেলে সন্তান নিয়ে সাভার নিজের বাড়িতে থাকি। মাঝে মধ্যে এলাকায় আসি। বর্তমানে জেলার কোথাও গরুর গাড়ি আছে কিনা, আমার জানা নেই। তবে ফসল উঠলে চরে কিছু ঘোড়া দেখা যায়।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো বই

মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো বই

প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো একটি বই। তা নিয়ে সম্প্রতি চলেছে কাঁটাছেড়া। কারণ বইটি বাঁধানো হয়েছে মানুষের চামড়া দিয়ে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগার থেকে সম্প্রতি এমন একটি বই উদ্ধার করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে তাঁরা নিশ্চিত যে কোনও মানুষের চামড়া দিয়েই বাঁধানো হয়েছে বইটি। আর তার পরই শুরু হয়েছে শোরগোল। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউটন পাঠাগারে ১৯৩৪ সাল থেকে রয়েছে ফরাসি লেখক আরসেন হুসেইর লেখা ‘দে দেসতিনে দো লোম’ বইয়ের একটি সংস্করণ। হাউটন পাঠাগারের ব্লগেই জানানো হয়েছে বইটির ইতিহাস।

আর সেই ইতিহাসই বলছে, আঠারোশো আশির মাঝের দিকে বইটি লিখেছিলেন আরসেন। তার পর সেটি উপহার দেন তাঁরই এক ডাক্তার বন্ধুকে। নাম, লুডোভিক বুল্যান্ড। এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। গোলমাল বাধে তার পর। নিজেরই কোনও এক মৃত রোগীর চামড়া দিয়ে বইটি বাঁধিয়ে ফেলেন বুল্যান্ড।

 ব্লগের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভবত সেটি ছিল বুল্যান্ডের এক মহিলা মানসিক রোগীর মৃতদেহ। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। মহিলার কোনও আত্মীয় তাঁর দেহ দাবি করতে না-আসায় আরসেনের লেখা বইটি তাঁরই চামড়া দিয়ে বাঁধিয়ে ফেলেন বুল্যান্ড। 

বইটির কভারে নিজের কাজের ব্যাখ্যাও দেন ওই চিকিৎসক। লেখেন, “মানুষের আত্মার উপর লেখা বইয়ে মানুষের চামড়ার মোড়ক তো থাকাই উচিত।”

আপাতত সেই চামড়ার বই নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে হার্ভার্ডে। তবে ঐতিহাসিকরা বলছেন, মানুষের চামড়া দিয়ে বই বাঁধানোটা নতুন বিষয় নয়। অ্যানথ্রোপোডারমিক বিবলিওপেগি নামে পরিচিত এই রীতি সতেরো শতক পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। পরে ধীরে ধীরে তা লোপ পায়। 

তবে পুরোপুরি নয়। মানুষের চামড়ার জায়গায় বই বাঁধানো শুরু হয় ভেড়া, ছাগল বা অন্য পশুর চামড়া দিয়ে। আরসেনের বইটি নিয়েও প্রথমে সন্দিহান ছিলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা ভেবেছিলেন, হয়তো কোনও পশুর চামড়া দিয়ে বাঁধানো হয়েছে বইটি। কিন্তু বিস্তর পরীক্ষার পরে তাঁরা মানুষের চামড়ার বিষয়ে নিশ্চিত হন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ভোর পর্যন্ত এসব ভূমিকম্প তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে। এর ফলে দেশটির রাজধানী তাইপেইতের কিছু বিল্ডিং কেঁপে উঠেছিল বলে জানিয়েছে সেখানের আবহাওয়া প্রশাসন। খবর আল জাজিরা।

তাইওয়ানে ২০০টিরও বেশি ভূমিকম্প (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পও ছিল।

আজ (মঙ্গলবার) ভোরে হুয়ালিয়েনের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ৩ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া একটি হোটেল আবারও কিছুটা ঝুঁকেছে। তবে তাতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছেই তাইওয়ানের অবস্থান। এ কারণেই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ।  

ভূমিকম্পগুলো হুয়ালিয়েনের বৃহত্তর গ্রামীণ পূর্ব কাউন্টিতে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল। এর আগে, গত ৩ এপ্রিল সেখানে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকে তাইওয়ানে শত শত আফটারশক হয়েছে।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের দক্ষিণাঞ্চলে শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৯ সালে সেখানে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে দুই হাজারেরও বেশি লোক নিহত হন।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

মেঘ-বৃষ্টির বিয়ে

মেঘ-বৃষ্টির বিয়ে

বিল্লাল হোসেন, মুরাদনগর:

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামে বৃষ্টির আশায় মেঘ-বৃষ্টির বিয়ের আয়োজন করেন শিশুরা।

বরের নাম মেঘ, আর কনের নাম বৃষ্টি। দুজনে মিলে মেঘ-বৃষ্টি। মেঘবৃষ্টির গায়ে জড়ানো রঙিন কাপড়। শনিবার  দুপুর ১২দিকে নেঁচে গেয়ে ভিজে মেঘবৃষ্টির বিয়ে হয়। আর সাথে ছিল তাদের বৌভাত। এ আয়োজন করেন দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামের ছোট ছেলে মেয়েরা। তাদের এ ব্যাতিক্রমী পুরানো সংস্কৃতির ঐতিহ্যের আয়োজন দেখতে ভিড় জমায় এলাকার উৎসুক সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। 


global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল শহর

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল শহর

এই বিশাল ভূগর্ভস্থ শহরটি যেটিতে একসময় প্রায় ২০০০০ লোক বাস করত, পরবর্তীতে  ঘটনাক্রমে একজন ব্যক্তি তার বেসমেন্টে একটি প্রাচীর ছিটকে পড়ার পরে পুনরায় এটা আবিষ্কার করেছিলেন।  প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রকাশ করেছেন যে শহরটি ১৮ তলা গভীর এবং স্কুল, চ্যাপেল এবং এমনকি আস্তাবল সহ ভূগর্ভস্থ জীবনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল

ডেরিঙ্কুইতে ভূগর্ভস্থ শহরটি বড় ঘূর্ণায়মান পাথরের দরজা দিয়ে ভিতরে থেকে বন্ধ করা যায়।  এমনকি প্রতিটি ফ্লোর আলাদাভাবে বন্ধ করা যায়।

এই শহরটি ২০০০০ জন লোকের থাকার ব্যবস্থা ছিলো,এবং ক্যাপাডোসিয়া জুড়ে অন্যান্য ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সে আরও ঘড় পাওয়া যায় যেমন মদ এবং তেলের প্রেস, আস্তাবল, সেলার, স্টোরেজ রুম, রিফেক্টরি এবং চ্যাপেল।  Derinkuyu কমপ্লেক্সের জন্য আলাদা এবং দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত একটি ব্যারেল-খিলানযুক্ত সিলিং সহ একটি প্রশস্ত ঘড় আছে।।  জানা গেছে যে এই কক্ষটি একটি ধর্মীয় বিদ্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত এবং বাম দিকের কক্ষগুলি পড়াশোনার জন্য ব্যাবহৃত হতো।

তৃতীয় এবং চতুর্থ স্তরের মধ্যে শুরু হচ্ছে উল্লম্ব সিঁড়িগুলির একটি সিরিজ, যা সর্বনিম্ন (পঞ্চম) স্তরে একটি ক্রুসিফর্ম চার্চের দিকে নিয়ে যায়।

বড় ৫৫ মিটার  বয়ুচলাচল খাদ একটি কূপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়। বাইরের দুনিয়ার লোকের থেকে লুকানোর জন্য এটা ছিলো মোক্ষম জায়গা।

তুরস্কের সংস্কৃতি বিভাগের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম-৭ম শতাব্দীতে ফ্রিজিয়ানরা ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলের নরম আগ্নেয় শিলায় প্রাথমিকভাবে গুহাগুলি তৈরি করেছিল।  রোমান কালে যখন ফ্রিজিয়ান ভাষা মারা যায়, গ্রীক ভাষার সাথে প্রতিস্থাপিত হয় তখন বাসিন্দারা তাদের গুহাগুলিকে গভীর বহু-স্তরের কাঠামোতে প্রসারিত করে চ্যাপেল এবং গ্রীক শিলালিপি যুক্ত করে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

 অত্যধিক গরমে তাই নাজেহাল কমবেশি সকলেই। তীব্র গরমে অস্বস্তি যেমন রয়েছে, তেমনই অনেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ডায়েরিয়া, বমি, হজমের গোলমাল তো লেগেই আছে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে আরও বেশ কিছু অসুখের। মাত্রাতিরিক্ত গরম থেকেই হানা দিচ্ছে নানা ধরনের অসুস্থতা। চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামীর কথায়, ‘‘যা গরম পড়েছে, তাতে সুস্থ থাকা সত্যিই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সুস্থ তো থাকতেই হবে। তার জন্য প্রথমেই রোদ এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই প্রখর রোদের তাপ থেকেই বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।’’ গ্রীষ্মের মরসুম শুরুর সময় থেকেই ‘হিট ওয়েভ’ সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তাপপ্রবাহ থেকে কোন রোগগুলির ঝুঁকি বা়ড়ছে? জানাচ্ছেন চিকিৎসক।

হিট পিডিমা

গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়। চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই। বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা যায়।

হিট স্ট্রোক

গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়। শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

 

হিট ক্র্যাম্প

গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড় এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।

 

হিট টিটানি

অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময় হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।

 হিট সিঙ্কোপ

মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়। এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।

  ঘামাচি

ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।

 


global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০