

ডেস্ক রিপোর্ট:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে সরানো হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি।
একটি ভিডিওতে দেখা যায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। দূতাবাসের কর্মীরা বাধা দিলেও বিএনপি সমর্থকদের চাপাচাপিতে শেখ মুজিবের ছবি সরিয়ে দিতে বাধ্য হন তারা।
গতরাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। আমরা সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছে। আমরা সব পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে অনেক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েক হাজার। বাংলাদেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, সেই সব রিপোর্টে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। বাংলাদেশে আন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করা হচ্ছে।আমরা অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যে কোনও পরিবর্তনের আহবান জানাই।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই পরিবারের সদস্যরা তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা।
মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে। লন্ডন থেকে সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ডা. জুবাইদা রহমান দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। মায়ের চিকিৎসায় যেন কোনো বিলম্ব বা সীমাবদ্ধতা না থাকে সে জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি করছেন তারেক রহমান।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘হাসপাতালে নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খবর নিতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ভিড় করলেও ইনফেকশনের ঝুঁকির কারণে কাউকে সিসিইউতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। দূর থেকেই মানুষ ভালোবাসা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।’
তিনি আরো লিখেছেন, ‘খালেদা জিয়ার কিছুটা শারীরিক উন্নতি হলে তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে লন্ডনের সেই হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, যাদের তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের শুরুতে চার মাস চিকিৎসা নিয়ে খালেদা জিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছিলেন। পাশাপাশি একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসজ্জিত বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থার উদ্যোগও চলছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হবে। আধুনিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবারও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ভূমিকা রাখবেন।’
মন্তব্য করুন


বুকে অপারেশন হয়েছে, তাই ভারী কাজ করতে পারি না। এ জন্য তেমন কাজ পাই না, আর কাজ না করতে পারলে খাবার জুটে না। তবে যেদিন থেকে ভালো কাজের হোটেলের সন্ধান পেয়েছি, সেদিন থেকে কোনোদিন আর না খেয়ে থাকতে হয়নি।’
কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর কাওরানবাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে স্থাপিত 'ভালো কাজের হোটেলে’ খেতে আসা দিনমজুর রফিক মিয়া।
তিনি বলেন, ভালো কাজের হোটেলে প্রতিদিন একবার এসে খেয়ে যাই। এই একবেলা খাবারটাই দুইবেলা না খেয়ে খাওয়া হয়। প্রতিদিন এসে একটা ভালো কাজের কথা বললেই খেতে পারি। তা-নাহলে পুরোদিনই না খেয়ে থাকা লাগত।
রফিক মিয়ার মতো অসংখ্য দিনমজুর, ভিক্ষুক ও অসহায়ের ভরসার জায়গায় পরিণত হয়েছে ভালো কাজের হোটেল নামে ব্যতিক্রমী এ হোটেলটি। স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানুষকে ভালো কাজের দিকে উৎসাহ জুগাতেই তাদের ‘ভালো কাজের হোটেলে’র কার্যক্রম। অস্থায়ী এই হোটেলে যারাই এসে খাবার খান, তারা প্রতিদিনই কোনো না কোনো একটি ভালো কাজ করে আসেন। আবার কেউ কোনো ভালো কাজ করতে না পারলেও প্রতিশ্রুতি দিলে তিনিও খাবার পান।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) বেগম ফরিদা ইয়াসমিন লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়াসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৫ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। বিদেশে পলাতক আসামি মাওলানা তাজউদ্দীন, মো. হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত) ও রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবুদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা আছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত জোটের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮-এর ৩/৪ ধারায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের হয়, যার নম্বর-৯৭ তারিখ-২২/৮/২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ।
তিনি বলেন, মামলাটির কার্যক্রম দীর্ঘ তদন্ত শেষে মোট ৫২ আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। রায় ঘোষণার পূর্বে অভিযোগপত্রভুক্ত ৫২ জন আসামির মধ্যে তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল নম্বর-০১, ঢাকার বিজ্ঞ বিচারক ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর তারিখে রায় ঘোষণা করেন। বিচারে ৪৯ জন আসামির সাজা হয়, যার মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়। সাজাপ্রাপ্ত ৪৯ আসামির মধ্যে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর এলাকায় আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন, রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর আদালত এ মামলায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। ২৫ আগস্ট বিকেলে উত্তরার একটি বাসা থেকে ইনুকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশের একটি টিম। এরপর তাকে বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়।
এছাড়াও নথি থেকে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় লালবাগের আজিমপুর সরকারি আবাসিক এলাকায় আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা কামরুল হাসান বাদী হয়ে গত ১৯ আগস্ট লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সঙ্গে এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসন আমলের সব হত্যা, গণহত্যা, বিচার বহির্ভূত হত্যা, পিলখানা হত্যার বর্ণনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চায় ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।
এ দিন বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনালের বিচারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সদস্যরা হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


আগামীতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় চীন-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফোরামের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও ডিজিটাল খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন এবং চীন সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শুক্রবার তার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে ‘ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেকনোলজি’র পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা অ্যান্ড্রু জিলং ওং এবং ‘ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেক (সিঙ্গাপুর)’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউচিং ইয়াও বাংলাদেশে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা ও আগ্রহের কথা জানান। অন্তত ২২টি দেশে টিকা রপ্তানি করা এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে পিসিভি ও এইচপিভি টিকা উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়ায়তেও তাদের স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বৈঠকে মাইক্রোক্রেডিট আন্দোলনের সূত্র ধরে চীনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা জানান, চীনের প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে তিনি মানুষের জীবনে পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন। পরে সেই ধারণা অনুসরণ করে চীন নিজস্ব কর্মসূচি চালু করে।
গত বছরের মার্চে চীন সফরের কথা উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আমাকে জানিয়েছেন, আমার বই তিনি পড়েছেন এবং নীতিগুলো অনুসরণ করেছেন, যা আমার জন্য আনন্দের মুহূর্ত ছিল।’
জানা যায়, বৈঠকে সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েস্ট চায়না স্কুল অব মেডিসিনের পরিচালক ও খ্যাতনামা বায়োমেডিকেল বিজ্ঞানী সিন-ইউয়ান ফু অধ্যাপক ইউনূসের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের সঙ্গে যৌথভাবে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সম্ভাবনার ভূয়সী প্রশংসা করেন চীনা প্রতিনিধিদলটি। তারা জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটালাইজেশন নিয়ে তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
শিগগির নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার ওপর জোর দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন, তবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কাজ চলমান থাকতে হবে।
বৈঠক শেষে অধ্যাপক ইউনূস ধারাবাহিক সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য চীনা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ভারতীয় মিডিয়া ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও প্রফেসর ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে বিপুল অর্থের বিনিময়ে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে, যাতে ভারতীয় মিডিয়া জড়িত রয়েছে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আয়োজিত দ্রোহের গ্রাফিতি প্রকাশনা উৎসবে তিনি এ কথা বলেন।
চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, "যে যেখানে আছেন, সবাই শান্ত থাকুন। তবে ফ্যাসিবাদী সরকার যাতে ফিরে আসতে না পারে, সে জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "স্বৈরাচারী সরকার যাতে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। পতিত সরকার যাতে মাথা চাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে গ্রাফিতির মাধ্যমে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে।"
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেলেও জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের ছেলেকে জিপিএ-৫ পাইয়ে দেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব নারায়ণ চন্দ্র নাথ। অভিযোগের তদন্তে ফল জালিয়াতি প্রমাণ হওয়ার পর নায়ায়ণের ছেলে নক্ষত্র দেবনাথের ২০২৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সেই ফল বাতিল করে দিয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠিত বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় নক্ষত্র দেবনাথের ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সচিব প্রফেসর আমিরুল মোস্তফা।
তিনি বলেন, বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় নক্ষত্র দেবনাথের ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে ফল জালিয়াতির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি নক্ষত্র দেবনাথের ফল বাতিলের সুপারিশ করে বলে তিনি জানান।
জানা যায়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে থাকাকালে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় নিজের ছেলেকে জিপিএ-৫ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নায়ারণ চন্দ্র নাথের বিরুদ্ধে। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে করা তদন্তে ফল জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণ হয়।
জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার পর গত ৯ জুলাই নারায়ণ চন্দ্র নাথকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর মাউশির পরিচালক পদ থেকে তাকে ওএসডি করা হয়। এরপর তদন্ত কমিটির সুপারিশে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণ চন্দ্র নাথের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাসহ ব্যবস্থা নিতে মাউশির মহাপরিচালক ও চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেন নক্ষত্র দেবনাথ। ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর ফল ঘোষণার পর তার জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠে। সে সময় তার বাবা নারায়ণ চন্দ্র নাথ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, প্রভাব খাটিয়ে জিপিএ-৫ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর গণমাধ্যমে ফল জালিয়াতির বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরবর্তী সময়ে ডা. মাহফুজুর রহমান মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে সিইসির কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের আগে একে একে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রবেশ করেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। প্রথমে আসেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হন।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ তিন বাহিনীর প্রধানদের স্বাগত জানান। এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সিইসির কক্ষে বৈঠক শুরু হয়।
এদিকে, একই দিন দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত আরেকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ওই সভায় চার নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনের সচিব উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এসব বৈঠকে নির্বাচনের আগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম, সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে যৌথ বাহিনীর ভূমিকা ও প্রস্তুতি, আচরণবিধি অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতেই এই ধারাবাহিক বৈঠকগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ছয় বছর পর তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে জিয়াউর রহমান তাকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের পৈতৃক বাড়িতে ঢুকতে দেননি।কিন্তু তাকে গাড়ি-বাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। সেই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ শুক্রবার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গণভবনে দেশে ফেরার ঘটনাপ্রবাহের স্মৃতিচারণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সেদিন সাধারণ মানুষ সেখানে গিয়েছিল। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বক্তব্য রাখলাম, সব থেকে বড় কথা হলো, আমি যখন যাই, তখন কামাল, জামাল, রোজি, খুকি সবাই বিমানবন্দরে ছিল। আমি যখন ফিরে আসলাম, হাজার হাজার মানুষ, কিন্তু আমি পেলাম বনানীতে সারি সারি কবর।’
তিনি বলেন, ‘৩২ নম্বরে আমরা মিলাদ পড়তে চাইলাম, আমাকে ঢুকতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। উল্টো বলেছিল বাড়ি দেবে, গাড়ি দেবে, সব দেবে। বলেছিলাম, তার কাছ থেকে কিছু নেব না। খুনির কাছ থেকে আমি কিছু নিতে পারি না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি যখন দিল্লিতে ছিলাম, সেখানে গিয়ে জিয়াউর রহমান আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। তার স্ত্রীও দেখা করতে চেয়েছিল, আমি দেখা করি নাই। লন্ডনে যখন, তখনও দেখা করতে চেয়েছিল, আমরা দেখা করিনি। আমি যখন আসলাম ৩২ নম্বরে ঢুকতে দেবে না, উল্টো বাড়ি-গাড়ি সাধবে, সেটা তো আমার কাছে গ্রহণযোগ্য না।’
দেশে ফিরে কোথায় উঠবেন, থাকবেন সেটা জানতেন না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু আমার পরার কাপড়-চোপড়, দুটো স্যুটকেস ও পুতুলকে (মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) নিয়ে আমি চলে এসেছি। তারপর এই যাত্রা শুরু। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও দলকে গোছানোর চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেই, কিন্তু অন্তত এইটুকু বলতে পারি, তার বাংলাদেশ কিছুটা হলেও যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বাধীন করেছিলেন এবং যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, কিছুটা হলেও সেটা আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।’
তার নির্বাসিত সময়, দেশে ফেরার পরের পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ সংগঠন গোছানোর বিষয়গুলোর উল্লেখ করে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘সেদিন ফিরে এসেছিলাম। এত বড় দল পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা ছিল না, ছাত্রলীগ করার সময় নেতা হওয়ার চেষ্টা করি নাই। দলের প্রয়োজনে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটাই পালন করেছি। কিন্তু যখন এ দায়িত্ব (আওয়ামী লীগ সভাপতি) পেলাম, এটা বড় দায়িত্ব।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী বড় সংগঠন। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য দল আওয়ামী লীগ। প্রতিবার চক্রান্ত হয়, সেটা মোকাবিলা করে আমরা বেরিয়ে আসি। আমাদের তা ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে যে অধিকারগুলো আদায় করেছিল, সেটা আমরা সমুন্নত করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘কী পেলাম, না পেলাম, সেই চিন্তা করিনি। ভবিষ্যৎ কী, সেই চিন্তাও করি না। চিন্তা করি দেশের মানুষের ভবিষ্যৎটা আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলে দিয়ে যাব। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’
দলীয় নেতাদের তিনি বলেন, ‘এটাই মনে রাখবেন, একটা দল করি শুধু নেতা হওয়া না, মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম, কী দিতে পারলাম, কী দিয়ে গেলাম, এটাই রাজনৈতিক মানুষের জীবনের বড় কথা। এই কথাটা মাথায় রাখতে পারলে দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছুই করা যেতে পারে।’
সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর যেন যুদ্ধাপরাধী, খুনিরা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।’
১৯৭৫-পরবর্তী যুদ্ধাপরাধীরা মন্ত্রী-এমপি-উপদেষ্টা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ যারা করছেন তারাই অপরাধী হয়ে গেল। যারা বিরোধিতা করেছিল, গণহত্যা করেছিল, তারাই ক্ষমতায়। ওই অবস্থায় দেশে ফিরেছিলাম। আমার তো কিছুই ছিল না। একটা বিশ্বাস ছিল, দেশের জনগণ ও আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী। এরপর লড়াই-সংগ্রাম করে এইটুকু বলতে পারি, পঞ্চমবারের মতো আওয়ামী লীগ ক্ষমতা এসেছে।’
আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের যদি রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা না থাকে, দেশপ্রেম না থাকে, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় না থাকে, তাহলে সেটা এগোতে পারে না। পঁচাত্তরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছিল, দেশের কোনো উন্নতি করতে পারেনি। আজকে আমরা বলতে পারি, দেশটা বদলে যাওয়া, বদলাতে পেরেছি। সামনে আরও বদলাতে হবে। কারণ আমার বাবার একটাই স্বপ্ন ছিল, দেশটাকে গড়ার। আমাদের পরিকল্পনা সেটাই আছে।’
আওয়ামী লীগের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, কারফিউ, প্রতি রাতে মার্শাল ল, দেশের মানুষের কোনো আশা নেই, শুধু হতাশা। এই হতাশ জাতিকে টেনে তোলা যায় না। তাদের মাঝে আশার আলো জাগাতে হয়, ভবিষ্যৎ দেখাতে হয়, উন্নত জীবনের চিত্র তুলে ধরতে হয়। তবেই মানুষকে নিয়ে কাজ করা যায়। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।’
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের আগে বিদেশে যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আশা করেছিলাম আমরা খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসব। কিন্তু সেই ফিরে আসা আর হয়নি।’
আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না যে, আমাকে এত বড় একটা দায়িত্ব দেওয়া হবে। আমি কখনো এটা ভাবতে পারিনি।’
মন্তব্য করুন